This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label Women-Sex. Show all posts
Showing posts with label Women-Sex. Show all posts

Thursday, July 21, 2011

নারীর দেহ-মন


ডা. জাকারিয়া সিদ্দিকী
নারীর দেহ আর মন। শিল্পীরা কতকাল ধরে রঙের তুলিতে দেহ পোস্টার অঙ্কন করছেন আর কবি-সাহিত্যিকরা দুর্বোধ্য মনের রহস্য জানার অভিযানে নিমগ্ন আছেন। নারী নিজের কাছেই অনেকটা অবহেলার মতো। তার দেহ-মনের অনেকগুলো ব্যাপারই রহস্যে ঢাকা আর কুয়াশায় ঘেরা। চিকিৎসা বিজ্ঞান নারীর দেহ-মনের এত রহস্য, অসপষ্টতা আর কুয়াশার মাঝে সূক্ষ্ম হরমোনের মারপ্যাঁচে নিয়ন্ত্রিত ছন্দময়তার আভাস পেয়েছেন। প্রকৃতি এতকাল নারীকে চাঁদের সাথে তুলনা করেছিল। কি আশ্চর্য! একদম চাঁদের পূর্ণিমা-অমাবস্যার মতো নারীর দেহ শারীরবৃত্তীয়তা আর মনস্তত্ত্বের মর্জি, মেজাজ চক্রিক ধারাতে আবর্তিত হয়। এ চক্রের আবর্তনে একই নারী কখনো শান্তস্থির আবার কখনো অস্থির, চঞ্চল, কখনো উদ্বিগ্ন আর কখনো বিষণ্ন।
প্রকৃতি নারীর দেহ-মনকে একটা ছন্দময়তার ধাঁচে তৈরি করে দিয়েছে। এ ২৮ দিনের ছন্দময়তার সুসপষ্ট বহিঃপ্রকাশ হলো নির্দিষ্ট সময়ান্তে স্রাবক্ষরণ ঘটা। বয়ঃসন্ধি থেকে একদম ৪৫-৫০ বছর বয়সকাল অবধি বহাল থাকে এ ছন্দময়তা। প্রথম ঋতুস্রাবের নাম রজোদর্শন আর সমাপ্তির নাম রজঃনিবৃত্তি। উল্লেখ্য, ২৮ দিন একটা গড় হিসাব, তাতে বিভিন্ন মহিলার বেলায় এমনকি একই মহিলার বেলাতে বিভিন্ন সময়ে নানা রকমের হয়। সামান্য ব্যতিক্রম ঘটলেও মৌলিক শর্ত এক আর অভিন্ন থেকে যায় সবার বেলায়।
কেমন যাবে শরীর-মন
প্রথম সপ্তাহ
১. নখের শুষকতাঃ প্রথম সপ্তাহে আপনার দেহের নখ শুষক থাকে আর তা সহজে ভেঙে যেতে পারে বিশেষ করে সামনের দিকের অংশে ক্র্যাক দেখা দিতে পারে। দেহে এস্ট্রোজেনের ঘাটতির কারণে এটি ঘটে থাকে। রূপসচেতন মহিলাদের জন্য দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। দিনে দুই থেকে তিনবার পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে পারেন।
২. ব্যায়ামের উপযোগী সময় ব্যায়ামঃ মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির প্রফেসর জিম পিভোরনিক বলেন- যে সমস্ত মহিলা তাদের গতানুগতিক থেকে বেশি পরিশ্রমের বাড়তি ব্যায়াম করতে চান, তাদের জন্য এটিই উৎকৃষ্ট সময়। দেহে প্রজেস্টেরন সেক্স হরমোন কম থাকায় তাপমাত্রা বেশি বেড়ে যাওয়ার কোনো ঝক্কি-ঝামেলা নেই।
৩. বারবার বাথরুমঃ এটা মাসিক স্বাস্থ্যবিধি নয়। প্রস্রাবের জন্য বারবার বাথরুমে যেতে হয়। তবে কোনো কারণ নেই। কোনো ডায়াবেটিসের ঝক্কি-ঝামেলা নয়। দেহের প্রজেস্টেরন আর এস্ট্রোজেন হরমোন নেই, এ হরমোনদ্বয়ের প্রভাবে দেহে এতকাল যে বাড়তি মাত্রার পানি জমা হয়েছিল তা প্রস্রাব আকারে বের হয়ে আসতে থাকে। প্রাক-ঋতুস্রাব সিনড্রম কথিত দুঃসহ দিনগুলোতে দেহের ফোলা ফোলা ভাবের কারণই ছিল বাড়তি মাত্রার পানির উপস্থিতি। কেবল মূত্রত্যাগ নয়, এ সময়ে মুখের ভেতরে লালার ক্ষরণও বেড়ে যেতে দেখা যায়।
স্বাস্থ্য ঝামেলা
আমেরিকার জার্নাল অব ফ্যামিলি প্র্যাকটিসে এক গবেষণা সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২৮ দিনের ছন্দময়তায় এ সপ্তাহটিতে মেয়েদের ডাক্তারদের শরণাপন্ন হওয়ার হার প্রায় ২৮ শতাংশ বেশি। গবেষক হফম্যান এলেন বলেন-এ সময়ে মহিলারা সর্দি, জ্বর আর ফ্লুতে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকবে, এর কোনো সুসপষ্ট কারণ পাওয়া যায়নি।
এই তো সময়
আপনি যদি রিলাক্সেশন মেডিটেশন করে থাকেন তাহলে এই তো সময়, মেয়েরা এ সময়ে অনেক বেশি আবেগপ্রবণ থাকেন। এ কারণে এ মননচর্চা অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি প্রাণময়তা পায়।
তবে সাবধান
এ সময়ে অ্যালার্জির ঝামেলা বেড়ে যায়, এমনকি অ্যালার্জির প্রকাশ ঘটে অন্য সময়ের চেয়ে রূঢ় মাত্রায়। নানা কসমেটিক সামগ্রী যদি প্রথম ব্যবহার করতে চান তাহলে অ্যালার্জির বাড়তি ঝুঁকি থেকে যায় এ সপ্তাহে। সুতরাং সাবধান হওয়া চাই।
পুরুষের কাছাকাছি
পুরুষ আর নারীর ক্ষমতার পার্থক্যের অনেকগুলোর মাঝে একটি হলো সেপসিয়াল বা স্থানসংক্রান্ত ক্ষমতা। এতে একদম সুসপষ্ট লিঙ্গিক পার্থক্য দেখা যায়। মজার ব্যাপার হলো ঋতুমাসের এ প্রথম সপ্তাহে তা অনেক পরিমাণে কম থাকে। কারণ মহিলা দেহে এ সময়ে এস্ট্রোজেন আর প্রজেস্টেরন থাকে না, যা এ ক্ষমতার উৎকর্ষতা কমিয়ে দেয় মেয়েদের বেলায়।
যদি আপনার বাতের সমস্যা থাকে
যারা রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসে ভুগছেন তাদের বেলায় সন্ধি শক্ত হয়ে যাওয়া, স্ফীতি আর ব্যথা এসব উপসর্গ ঋতুমাসের প্রথম সপ্তাহে অন্য সপ্তাহের চেয়ে তীব্রতর হয়ে থাকে। কারণ দেহে প্রজেস্টেরন থাকে না। প্রজেস্টেরন সেক্স হরমোনের একটা প্রদাহ প্রতিরোধক ভূমিকা বিদ্যমান।
খিঁচুনির বাড়তি ঝুঁকি
যারা মৃগী বা এপিলেপসি রোগে ভুগছেন তাদের পিরিয়ড চলাকালে আর পিরিয়ডের সূচনাকালে খিঁচুনির বাড়তি ঝুঁকি থাকে। প্রজেস্টেরন হরমোনের ঘাটতি এর কারণ। কারণ এটির একটা খিঁচুনি প্রতিরোধক ভূমিকা থাকে। এস্ট্রোজেন অবশ্য এখানে ঠিক উল্টো ভূমিকা রাখে, তা খিঁচুনির প্রবণতা বাড়িয়ে দেয়।
দ্বিতীয় সপ্তাহ
যদি অ্যালকোহলের ইচ্ছা থাকে
যদি আপনার মনে অ্যালকোহল নেয়ার পরিকল্পনা থাকে, তবে তা দ্বিতীয় সপ্তাহে করাটাই সর্বোত্তম। নেদারল্যান্ডে পরিচালিত এক গবেষণায় এটি দেখা গেছে। কোনো এক অজানা কারণে ঋতুমাসের অন্য সময়ের তুলনায় এ সময়টিতে আমাদের দেহ অনেক বেশি অ্যালকোহল সয়ে নিতে পারে।
দুর্বলবোধ হতে পারে
ইংল্যান্ডের গবেষক ডা. সুসান কিল্পি দেখেছেন দেহের এস্ট্রোজেন হরমোন মাত্রার একদম শীর্ষে ওঠার পরের কয়েকদিন দুর্বলবোধ হতে পারে। এ সময়ে সত্যি সত্যিই মাংসপেশির ক্ষমতা কমে আসে। কারণ একটাই, দেহের এস্ট্রোজেন মাত্রা কমে আসে।
সুবর্ণ সময়
এমনিতেই মেয়েদের সুরেলা কণ্ঠ, বাচনভঙ্গিমা, ভাষার সমৃদ্ধি সবদিক থেকে পুরুষ অপেক্ষা মহিলারা এগিয়ে। ওভিউলেশনের নিকটবর্তী সময়ে বাচনক্ষমতা, উৎকর্ষতা একদম তুঙ্গে যেতে দেখা যায়। কারণ ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন আর লিউটিনাইজিং হরমোন এ সময়ে তুঙ্গে থাকে।
সুন্দর ত্বক
মাসের এ দ্বিতীয় সপ্তাহটিতে আপনাকে প্রকৃতিগতভাবে সবচেয়ে সুন্দর দেখায়। বাড়তি এস্ট্রোজেনের কারণে ত্বকের কোলাইজেন আর পানির পরিমাণ সুস্থিত হয়, যে কারণে ত্বকের কমনীয়তা আর ঔজ্জ্বল্য বেড়ে যায় অনেক পরিমাণে।
শ্রবণ উৎকর্ষতা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার ইভানস ভিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিউনিকেশন প্রফেসর ক্যাবেলিন জো-এর অভিমত, রক্তে উচ্চমাত্রার এস্ট্রোজেন চলমান থাকার কারণে মেয়েরা এ সময়ে কেবল ভালো শুনতেই চায় না, তারা বেশি ফ্রিকোয়েন্সি সম্পন্ন শব্দও শুনতে পায়। এ কারণে আশপাশের পরিবেশ তাদের কাছে নতুন আঙ্গিকে প্রতিভাত হতে পারে।
আপনার সেক্স
জার্মানিতে চালানো সমীক্ষণে দেখা গেছে, মেয়েদের যৌন তাড়নাবোধ সবচেয়ে বেশি থাকে এ সময়ে। এ সময়ে মেয়েরা নানা সেক্সুয়াল ইমেজের প্রতি অন্য সময়ের তুলনায় বাড়তি মাত্রায় প্রতিক্রিয়ান্বিত হয়। সেক্সে চরমপুলক সচেতনতা অন্য সময়ের তুলনায় একশ ভাগ বেশি থাকে। যেন এই তো সময়! এ সময়ে ওভিউলেশন ঘটে দেহে ডিম্ব বর্তমানে। মিলন হলেই প্রজননের সম্ভাবনা। এ যেন প্রকৃতিরই এক সূক্ষ্ম ব্যবস্থাপনা। উল্লেখ্য, ডিম্বাণু মাত্র একদিন কার্যক্ষম থাকে, এর পরেই নিষিক্রয় হয়ে যায়।
প্রেমিকার দেহের গন্ধ
গন্ধ মনের যৌনতায় ইতর প্রাণীদের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা না রাখলেও এর আবেদন একদম উড়িয়ে দেয়া যায় না। গবেষণায় প্রকাশ, পুরুষ দেহের ঘর্মনের প্রতি সংবেদনশীলতা ঋতুস্রাবকাল অপেক্ষা ওভিউলেশনকালে ১০ হাজার গুণ বেশি। সুতরাং পার্থক্য একদম সুসপষ্ট বলা চলে।
সৃজনশীল
আপনি যদি সৃজনশীল পেশার সাথে যুক্ত থাকেন যেমন আর্ট। তখন আপনার সৃষ্টির শ্রেষ্ঠত্বের প্রকাশ ঘটে দ্বিতীয় সপ্তাহে, বিশেষ করে ওভিউলেশন নিকটবর্তী সময়ে। এ সময়ে মাথায় নতুন নতুন চিন্তার উদয় ঘটে। হয়তোবা ‘এফএসএইচ আর ইউআই’ হরমোনের কারণে এটি ঘটে থাকে।
পেপ টেস্ট
যারা জরায়ুর অবস্থা নিরীক্ষণে পেপ টেস্ট করাতে ইচ্ছুক তাদের জন্য এ সময়টাই সর্বোত্তম। গবেষণায় প্রকাশ, এ সময়ে সবচেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য ও শুদ্ধ ফলাফল পাওয়া যায় পেপ টেস্টে। তবে এক্ষেত্রে শর্ত হলো আপনাকে পেপ টেস্টের দুই দিন আগ থেকে যৌনসঙ্গম থেকে বিরত থাকতে হবে।
ওয়াক্সিং পালা
যারা বিকিনি অঞ্চলে বা দেহের ওয়াক্সিং প্রক্রিয়ায় অনাকাঙ্ক্ষিত লোম তাড়াতে চান তাদের জন্য এটিই সর্বোত্তম সময়। কারণ এস্ট্রোজেনের একটা ব্যথাপ্রশমক ভূমিকা আছে। মার্কিন গবেষকরা এটি বের করেছেন।
তৃতীয় সপ্তাহ
স্বাভাবিক দেহ তাপমাত্রা
অন্যান্য সময়ের তুলনায় এ সময়ে আপনার দেহের তাপমাত্রা আধা ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড পরিমাণ বেশি থাকে ও তা পিরিয়ড সূচনা অবধি বহাল থাকে। এ কারণে দেহে গরমবোধ হতে পারে। কেন এ বাড়তি তাপমাত্রা? এ সময়ে প্রজেস্টেরন হরমোন দেহে বহমান থাকে, যা আমাদের মূল বিপাক ক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়। ফলে দেহে তাপমাত্রার বৃদ্ধি।
আপনার খাবার গ্রহণ
ব্রিটেনের লিডস বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিচালিত এক গবেষণাতে দেখা গেছে, মেয়েরা এ সময়ে ১০০ কিলোক্যালরি পরিমাণ বাড়তি খাবার গ্রহণ করে। দেহের বিপর্ষকমাত্রা বাড়ার কারণে এ বাড়তি ক্যালরি কোনো সমস্যা করে না। তবে আপনি যদি ভোজনবিলাসী হন তাহলে তৃতীয় আর চতুর্থ সপ্তাহে সাবধানতা অবলম্বন বাঞ্ছনীয়। নইলে দেহের ওজন-বিপত্তির ঝুঁকি থেকে যায়।
স্বপ্ন আর কল্পনাবিলাস
গবেষণাতে দেখা গেছে, এ সময়টাতে মহিলারা স্বপ্ন দেখে বেশি। তা কেবল সপষ্টই নয় অনেক বেশি দীর্ঘ। কল্পনাবিলাসের প্রবণতাও এ সময়ে বেশি। নিজেকে নিয়ে, আশপাশের লোকজন বা আবেগ এসব স্বপ্নকল্পনার নিয়ামক।
আপনার সুসময়
কানাডায় পরিচালিত গবেষণাতে দেখা গেছে, তৃতীয় আর চতুর্থ সপ্তাহে আপনার অংক কষার ক্ষমতা, কোনো টাস্ক সমাধানে পারদর্শিতা সবচেয়ে বেশি হয়। কারণ একটাই, দেহস্রোতে ধাবমান উচ্চমাত্রার এস্ট্রোজেন আর প্রজেস্টেরন সেক্স হরমোন।
একটা দুঃসংবাদ
গবেষণাতে দেখা গেছে, অ্যাপেনডিক্সের প্রদাহের মাত্রা কেবল বেশিই নয়, তা তাড়াতাড়ি তীব্র আকার নেয় এ সপ্তাহে, ব্যথা ওঠার পর ৮৪% কে শল্য প্রক্রিয়ায় তা সারাতে হয়। যেটি প্রথম আর দ্বিতীয় সপ্তাহের মাত্রা ৫০% বেলাতে ঘটেছিল। প্রজেস্টেরনের প্রদাহ প্রতিরোধক ভূমিকা থাকলেও কেন অ্যাপেনডিক্স প্রদাহ ঘটে তার কার্যকারণ গবেষক মহলে এখনো রহস্যাবৃত।
চতুর্থ সপ্তাহ
প্রাকমাসিক সময়কাল। অনেকে এ সপ্তাহে পিএমএস-এ ভুগে থাকেন। মাসের অন্যান্য সময়ের তুলনায় এ সময়টিতে কতক অভিনব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান।
হৃদস্বাস্থ্য
আপনার হৃদকম্পন সামান্য বেশি থাকে আর রক্তচাপও সামান্য বেড়ে যায়। সূত্র হরমোনের মিথষিক্রয়তা। হরমোনগুলো নারীদেহের ধমনীর প্রসারণ ঘটায়-এ কারণে হৃৎপিণ্ড আর রক্তসংবহনতন্ত্র একটা সাবলীলতা পায়।
সামান্য মুটিয়ে গেছেন
ঋতুমাসের শেষ সপ্তাহে এসে সব মেয়েই কমবেশি মাত্রার ফোলা ফোলা ভাব দেখায়। দেহে কমবেশি পানি জমা হয় আর ওজনের সামান্য বৃদ্ধি ঘটে। এর স্বাভাবিক মাত্রা সাড়ে চারশত গ্রাম থেকে সাড়ে তিন কেজি হতে পারে। হরমোনের কারণে দেহের সূক্ষ্ম কৈশিক নালিকা থেকে অনেক পরিমাণ রক্তের প্লাজমা দেহকোষে চলে আসে। মস্তিষক ধারণা করে নেয় দেহে পানি স্লসাক ঘাটতি ঘটেছে। সুতরাং কিডনিকে রাসায়নিক সিগনাল দেয়া ও কিডনি পানি ধরে রাখে। আর এ কারণে এ ফোলা ফোলা ভাব আর ওজনের বিপত্তি। সমস্যা যদি আপনার বেলাতে অতিমাত্রায় প্রকট হয় তাহলে কিছু সতর্কতা অবলম্বন বাঞ্ছনীয়-খাবার লবণ গ্রহণ যতটা সম্ভব কমান, প্রক্ষতিক মূত্রবর্ধক কথিত চক্রনবেরী জুস খেতে পারেন আর প্রতিদিন বিকেল বেলা এক ঘণ্টাকাল সটান হয়ে শুয়ে থাকেন। এতে বুকের সূত্র সংশ্লেষণ মাত্রা বেড়ে যায়। ফলে দেহে স্থিত পানির পরিমাণ কমে আসে।
স্ফীত টনটনে স্তন
দেহে বাড়তি মাত্রার পানির স্থিতির কারণে স্তনের নরম কলাগুলোর স্ফীতি ঘটে। স্তনের বেলাতে ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় তার কেবল স্ফীতিই ঘটে না তা বেদনাদায়ক হয়ে থাকে। এ প্রাকমাসিক উপসর্গ কমাতে গবেষক ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন ই-এর পাশাপাশি প্রতিদিনকার খাবারে চিনি আর সম্পৃক্ত চর্বি কমানোর কথা বলে থাকেন।
স্বাদের কোকোলা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে ৫ হাজার মহিলার ওপর চালানো সমীক্ষণে দেখা গেছে, এ সময়ে চকলেটের মোহ অনেক মাত্রায় বেড়ে যেতে দেখা যায়। চকলেটের উচ্চমাত্রার শর্করা আর উচ্চমাত্রার চর্বি সম্পৃক্ত উপাদান মস্তিষেকর সেরোটোনিন নামের নিউরোট্রান্সমিটারের সংশ্লেষণ বাড়িয়ে দেয়। অনেক গবেষক চকলেটের অতিমাত্রার আসক্তি ভাব কমাতে একশ মাইক্রোগ্রাম চক্রামিয়াম ও একশ মিলিগ্রাম নিয়াসিন গ্রহণের উপদেশ দিয়ে থাকেন।
ত্বক আর চুলের দুঃসময়
প্রাক ঋতুস্রাব সময়ে ত্বক আর চুলের একটা দুঃসময় চলে। এস্ট্রোজেনে নারীদেহে বিদ্যমান সূক্ষ্মমাত্রার টেস্টোস্টেরনের প্রভাবকে প্রশমিত করে দেয়। ত্বকে তৈলগ্রন্থিতে তৈল নিঃসরণ আর ফলিকলগুলোর মুখ বন্ধ করে, যে কারণে সপট প্রকাশ পায়। ত্বকের সাবলীলতায় বিঘ্ন ঘটে। এস্ট্রোজেন কম থাকা মানে টেস্টোস্টেরন ক্রিয়া প্রকট হয়ে ধরা দেয়া। কেবল ত্বক নয়, চুলের বেলাতেও এমন অবস্থা দেখা যায়, চুল তার ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে ফেলে আর খুশকি হওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
মনের দুঃসময়
মহিলাদের মাঝে দোকান থেকে না জানিয়ে কর্তৃপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোনো জিনিস সরিয়ে ফেলার প্রবণতা দেখা যায়। এর নাম শপ লিফটিং। নানা মনোরোগ এর সাথে সংশ্লিষ্ট। গবেষণা সমীক্ষণে প্রকাশ, শপ লিফটিং করে থাকে এমন ঘটনার ৩০% কেবল প্রাকমাসিক সময়কালীন হতে দেখা গেছে। এদের মাঝে কোনো মানসিক সমস্যা ছিল না। অন্য সময়ের চেয়েও এ সপ্তাহে আত্মহত্যার ঝুঁকির প্রবণতা সাতগুণ বেশি।
মাইগ্রেনের ঝুঁকি
যারা মাইগ্রেনের রোগী তাদের বেলাতে এ সপ্তাহটি অনেকটা দুঃসহ স্বপ্নের মতো। মাইগ্রেনের মাথাব্যথার প্রকাশের ষাট শতাংশই প্রাকঋতুস্রাব সপ্তাহে ঘটে থাকে। হয়তোবা এস্ট্রেজেন কমে যাওয়ার কারণে এটি ঘটে থাকে।
সতর্ক থাকা চাই
কতক ব্যাপারে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন দরকার। এ সময়ে দেহলোমের ওয়াক্সিং করতে নেই। কারণ ব্যথা সহনীয়তা কমে যায়। পিরিয়ড শুরু হওয়ার ২ দিন আগে থেকে পিরিয়ডের বেশ কিছুদিন এ নিষেধক।
অ্যালকোহলের বেলাতে দেখা গেছে, তা রক্ত থেকে সহজে সরতে চায় না। যে কারণে মহিলা অল্পতেই মাতাল হয়ে যেতে পারে। পিরিয়ড-পূর্ববর্তী শেষ চারদিন যাবৎ এ সমস্যা।
গবেষণা সমীক্ষণে দেখা গেছে, ঘুমের ওষুধ এ সময়ে কেবল দীর্ঘ সময়কাল কার্যকরী হয় না। ঘুমের প্রভাব মাত্রাও প্রকট হতে দেখা গেছে।

আপনার ঘুম
আমেরিকান জার্নাল অব সাইকিয়াট্রিতে প্রকাশিত এক গবেষণা নিবন্ধনে দেখা যায়, পিরিয়ড-পূর্ববর্তী দিনগুলোতে অধিকাংশ মহিলাই পর্যাপ্ত মাত্রার ঘুম হয় না বা ঘুমালেও তা তৃপ্তিদায়ক হয় না। যারা পিএমএস-এ ভুগে থাকেন তাদের বেলাতে ঘুমের সমস্যা আরো প্রকট।
হাঁপানির সমস্যা
যাদের হাঁপানি বা অ্যাজমা রোগ আছে তাদের প্রাকঋতুস্রাবকালীন এ সময়টিতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন চাই। এদের এক-তৃতীয়াংশের বেলাতে শ্বাসকষ্টের উপসর্গ প্রকাশ পায়। আরো লক্ষণীয় দিক হলো, উপসর্গের প্রকাশ অন্য সাধারণ অবস্থার তুলনায় প্রকট হয়ে থাকে।
এটাই সঠিক সময়
ত্বক বিশেষজ্ঞরা প্রাক-স্রাব সময়টিতে ফেসিয়াল দেয়ার জন্য যথার্থ সময় বলে থাকেন। হরমোনাল কারণে আটকে যাওয়া ফলিকলের সংখ্যা বেড়ে যায় আর ফেসিয়ালের মাধ্যমে সেগুলো দূর করে দেয়া যায় অনায়াসেই।
তবে সুখের বিষয়
শেষের সপ্তাহটিতে দেহ-মনের নানা নেতিবাচক অবস্থা। তার পরেও সুখের দিক হলো আপনার ইনটুশান ক্ষমতা একদম তুঙ্গে থাকে। আপনি অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সংবেদনশীল আর আবেগী। এগুলোর কারণ একটিই দেহে উচ্চমাত্রার প্রজেস্টেরন।
হিসেবের পালা
যদি আপনি পিল খেয়ে থাকেন এতে বর্ণিত হিসাবগুলো আপনার বেলাতে প্রযোজ্য হবে না। এর কারণ আপনার দেহের হরমোন চক্র দেহের স্বাভাবিক হরমোন থেকে অনেক পরিমাণে ভিন্ন। এ তথ্য কেবল তাদের জন্য যাদের গড় ২৮ দিনের চক্র বিদ্যমান, ১৪ দিনের মাথায় ওভিউলেশন হয় আর ২৮ দিন শেষে মাসিক শুরু হয়। যদি আপনার বেলাতে এতে কম-বেশি হয় তাহলে এডজাস্ট করে নিন।
আপনি কি বিশ্বাস করবেন দুজন ঋতুবর্তী মহিলা যদি পাশাপাশি একই রুমে থাকে তাহলে কি এক রহস্যবলে দুজনের ঋতু ঠিক একই ধরনের হয়ে যায়। তার শর্ত, সাথে পুরুষ থাকা চলবে না। একই ছাদের নিচে বসবাসরত মহিলাদের মাঝে প্রকৃতি সমন্বয় ঘটিয়ে দেয় দেহ আর মনের আঙিনায়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন ঋতুর আঙ্গিকে দেহ-মনের প্রকাশ কত বেশি প্রকট।
ডা. জাকারিয়া সিদ্দিকী

sunargo.info

Wednesday, July 13, 2011

মেয়েদের G Spot চরমানন্দর জন্য, বেশ কার্যকর

আপনার হাত উপুড় করে আঙুল যৌনিতে প্রবেশ করালে ৩" ভিতরে উপরের দিকে জায়গাটা। একটু খশখশে। এখানে হাল্কা মেসেজে মেয়েদের দ্রুত অর্গাজম হয়। অর্গাজমের আগে মেয়েদের যে অনুভূতি টা হয়সেটা হচ্ছে প্রস্রাবের আগের অনুভূতি। অনেক মেয়েই এটাকে তাই আলাদা করতে পারে না। মেয়েরা জি-স্পটের ফিলংস বেশীসময় সহ্য করতে পারে না। তাই এটা নিয়ে পরীক্ষা-নিরিক্ষী খুব সাবধানে করতে হবে। সঙ্গীনিকে শিখিয়ে-পড়িয়ে নেয়ার দরকার আছে। আমাদের দেশে সামাজিক কারনেই মেয়েরা এইসব বিষয়ে কিছুই জানে না। মেয়েদের শরীরের কোন কোন অংশে টাচ্ করলে, তারা কামভাব অনুভব করে, এবং সেক্স করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। এবং প্রাথমিক পার্যায়গুলো কি কি? এটাকে শৃঙ্গার বলে। হাত ধরা দিয়ে শুরু অবশ্যই। চুমু, ঠোট, গাল, গ্রীবায় (বাংলা ছবির কাট পিস টাইপচুমু না, শৈল্পিক ভাবে)। মেয়েদের শরীরে এমন কোন সুইচ নেই যেটা টিপ দিলে তারা কাম ভাব অনুভব করবে।তবে উত্তেজিত হবার জন্য চুমু, বুকে আদর করা, সারা শরীরে চুমু দেয়া, মুখমেহনকরা ইত্যাদি দ্রুত কাজ দেয়। শুরুটা ঠোট, গাল, এবং গ্রীবা (গলা/ঘাঢ়) দিয়ে করা উচিত। মেয়েদের শরীর হচ্ছে বাদ্য যন্ত্রের মত..আস্তেআস্তে সুর তুলতে হয়। ধর তক্তা আর মার পেরেকে কাজ হবে না।

Thursday, July 7, 2011

নারীর যোনি


নারীর যোনি হল একটি সুড়ঙ্গ পথের মতো যা যোনিদ্বার থেকে জরায়ু পর্যন্ত প্রসারিত। নারীর জীবনে তার যোনিতে ঘটে নানা পরিবর্তন। শিশুদের যোনি পূর্ণ বয়স্কা নারীর যোনি থেকে ভিন্ন। শিশু কন্যার মাসিক শুরু হয়নি এমন কন্যার যোনির পাশের পর্দাটি পূর্ণবর্তী নারীর তুলনায় পাতলা হয়। এ পরিবর্তন ঘটে এস্ট্রোজেন হরমোনের ফলে যা নির্গত হয় ডিম্বাশয় থেকে। যৌনক্রিয়া এবং সন্তান জন্মের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে নারী যোনি। 
নারী যোনি হল একটি নালী যা প্রায় পৌনে ৩ ইঞ্চি থেকে সোয়া ৫ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা, যার চারপাশে থাকে আঁশ ও পেশির কলা, কিন্তু স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াম নামক কোষের স্তরের দ্বারা আবৃত থাকে, এ নালীর প্রাচীরগুলো স্বাভাবিকভাবে একে অপরের ওপর ভেঙ্গে পড়ে এবং তাতে নানা ভাঁজ সৃষ্টি হয়। এর ফলে যৌনমিলন বা সন্তান প্রসবের সময় নারী যোনি সম্প্রসারিত হতে পারে। মূত্রনালী নারী যোনির সমমুখ ভাগে থাকে এবং মলদ্বার থেকে যোনির উপরের দিকে তৃতীয় স্তরে পৌঁছেছে। পায়ু যোনি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে এক ধরনের তন্তুবিশিষ্ট পেশির দ্বারা। নারী যখন সন্তান ধারণোক্ষম থাকে তখন যোনি থেকে নির্গত রসে অম্লত্বের ভাব থাকে। যার ফলে যোনিতে ক্ষতিকারক রোগজীবাণু বৃদ্ধি পাবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কিন্তু নারী ঋতুবর্তী হবার আগে বা ঋতু বন্ধ হওয়ার বা গবহড়ঢ়ধঁংব হবার পরের বছরগুলোতে ক্ষারধর্মী রস নির্গত হয়। এই অবস্থায় রোগজীবাণু বেড়ে উঠতে পারে এবং যোনিতে এক ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে যার নাম অ্যাট্রোফিক ভ্যাজাইনাইটিস। নারী যোনির প্রাচীরগুলো খুব পিচ্ছিল হয়ে থাকে সার্ভিক্স বা গর্ভাশয়ের সংকীর্ণ অংশ এবং বার্থোলিন গ্রন্থির রসক্ষরণের ফলে। যোনক্রীড়ার সময় নারী যোনির এপিথেলিয়াম থেকে নারী যোনির নালীতে প্রবেশ করে এই ক্ষরিত রস। সব নারীর ক্ষেত্রে নারী যোনি থেকে এক ধরনের ক্ষরণ হওয়াটা স্বাভাবিক।
এ ক্ষরণের বৃদ্ধি ঘটে ভ্রূণ সৃষ্টির মুহূর্তে বা অধিক যৌন উত্তেজনাকালে। সতীচ্ছদের অন্য নাম কুমারীচ্ছদ। গ্রীসের বিবাহের দেবী হাইমেনের নামানুসারে এ নামকরণ করা হয়। সতীচ্ছদের শারীরবৃত্তির গুরুত্ব কি এবং কতটা তা আজও সঠিকভাবে জানা যায়নি। তবে তা সব জাতির সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে কুমারীত্বের প্রতীক হিসেবে। সতীচ্ছদ নানা আকারে ও আকৃতির হতে পারে এবং কুমারীত্বের সঙ্গে এর তেমন কোনো সম্পর্ক নেই। সাধারণত সতীচ্ছদ খুবই পাতলা ত্বকের ঝিল্লি বিশেষ, যা সহজেই ছিন্ন হওয়া সম্ভব, মিলনকালে পুরুষের বিশেষ অঙ্গের চাপ ছাড়াও-
  • দৌড় ঝাপ
  • ব্যায়াম
  • ঘোড়ায় চড়া
  • সাইকেল চালানো এবং
  • আত্মরতি করার ফলেও সতীচ্ছদ ছিন্ন হতে পারে।
নারীর বিশেষ অঙ্গের রক্ত বন্ধ করার জন্য কাপড় বা তুলার ন্যাপকিন ব্যবহারে অর্থাৎ ট্যাম্পুন ব্যবহারে নারীর সতীচ্ছদ ছিন্ন হতে পারে। কুমারীত্বের প্রতীক না হলেও প্রায়ই দেখা যায় প্রথম যৌনমিলনের সময় সতীচ্ছদ ছিন্ন হয়। সাধারণের মধ্যে একটা বিশ্বাস প্রচলিত আছে যে, সতীচ্ছদ যদি অক্ষত থাকে তবে সেই নারী কখনো কোনো পুরুষের সঙ্গে সহবাস করেনি কিন্তু এ ধারণাও ঠিক নয়। জননেন্দ্রিয়ের এলাকার মধ্যে শুক্রাণু প্রবেশ করলে অতি প্রশ্রয়ের ফলে তা সতীচ্ছদের ছিদ্র দিয়ে ভেতরে চলে যেতে পারে। আর তখন ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।
পর্যায় ভিত্তিক যে রক্তস্রাব প্রথম শুরু হয় জরায়ু থেকে তাকে রজোদর্শন বলে এবং ঋতুচক্রের একটি পর্ব মাত্র যা নিয়ন্ত্রিত হয় মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি এবং ডিম্বাশয় থেকে নির্গত হরমোনগুলোর দ্বারা। রজোদর্শনের ৪/৫ বছর পূর্ব থেকে হাইপোথ্যালামাস পিটুইটারি গ্রন্থিকে নির্দেশ দেয় কিশোরীর উচ্চতা হঠাৎ করে বাড়িয়ে দিতে পারে যে হরমোন তা নিষিক্ত করতে। এটা সাধারণত চূড়ান্ত পর্বে উঠে রজোদর্শনের প্রায় ২ বছর আগে এবং ক্রমশ কমে আসে মাসিক শুরু হবার সময়। পিটুইটারি হরমোন ও ডিম্বাশয়ের ডিম্বাণুগুলোকে নির্দেশ দেয় যৌন হরমোন এস্ট্রোজেন নিঃসৃত করতে যা প্রধানত স্তনকে বৃদ্ধি করতে, যৌনকেশ বৃদ্ধি করতে এবং জরায়ুর আস্তরণ তৈরি করতে সাহায্য করে। প্রথম রজোদর্শনের বছর খানিক পূর্বে মেয়েরা লক্ষ্য করতে পারে যোনিতে কিছু একটা ক্ষরণ হচ্ছে। যেহেতু দেহ যৌনতার ব্যাপারে পরিপূর্ণ হয়ে উঠছে তাই দেহের বাইরে এবং অভ্যন্তরে পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে  এর সঙ্গে। দেহের অভ্যন্তরে এস্ট্রোজেন এবং পিটুইটারি হরমোনের হ্রাস বৃদ্ধি এক ধরনের পারসপরিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে শুরু করে যা মাসিক চক্রকে অব্যাহত রাখবে।
প্রথম মাসিক হয় যখন এস্ট্রোজেন পরিমাণ কমে যায়, জরায়ুর গড়ে ওঠা আস্তরণ পরিত্যাগ করে ও তার গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন না নিয়েই, তারপর তা চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায় এবং রক্ত ও কোষগুলো জরায়ুতে পড়ে জরায়ুর মুখ দিয়ে এবং সেই পথে দেহের বাইরে। পরবর্তী সময়ের মাসিক চক্রের মতো একই ধরনের রক্ত প্রথম রজঃস্রাবে নির্গত হলেও ডিম্বাশয় কোনো পরিণত ডিম্বাণু উৎপাদন করে না। ডিম্বাশয়ের পূর্ণমাত্রায় কাজ করতে সময় লেগে যায় প্রায় কয়েক মাস এমনকি এক বছর ও কমবয়সী মেয়েদের ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছানো না পর্যন্ত। যখন তার সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষমতা পূর্ণ মাত্রায় বিকশিত হয়ে ওঠে যদিও দেহ ও মনের দিক থেকে সে হয়ত পরিণত হয়ে ওঠেনি।

Tuesday, July 5, 2011

মেয়েদের ঋতুচক্র বা মাসিক


প্রতি চন্দ্রমাস পরপর হরমোনের প্রভাবে পরিণত মেয়েদের জরায়ু চক্রাকারে যে পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যায় এবং রক্ত ও জরায়ু নিঃসৃত অংশ যোনিপথে বের হয়ে আসে তাকেই ঋতুচক্র বলে।
এর তিনটি অংশ, ১মটি চারদিন স্থায়ী হয় (৪-৭ দিন) এবং একে মিনস্ট্রাল ফেজ, ২য়টি ১০দিন (৮-১০ দিন) একে প্রলিফারেটিভ ফেজ এবং ৩য়টি ১৪ দিন (১০-১৪ দিন)স্থায়ী হয় একে সেক্রেটরি ফেজ বলা হয়।
মিনস্ট্রাল ফেজ এই যোনি পথে রক্ত বের হয়। ৪-৭ দিন স্থায়ী এই রক্তপাতে ভেঙ্গে যাওয়া রক্তকনিকা ছাড়াও এর সাথে শ্বেত কনিকা, জরায়ুমুখের মিউকাস, জরায়ুর নিঃসৃত আবরনি, ব্যাকটেরিয়া, প্লাজমিন, প্রস্টাগ্লানডিন এবং অনিষিক্ত ডিম্বানু থেকে থাকে। ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরন হরমোনের যৌথ ক্রিয়ার এই পর্বটি ঘটে।
প্রলিফারেটিভ ফেজ ৮-১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শুধু ইস্ট্রোজেন হরমোনের প্রভাবে এটি হয়। এই সময় জরায়ু নিষিক্ত ডিম্বানুকে গ্রহন করার জন্য প্রস্ততি নেয়।
সেক্রেটরি ফেজ টা সবচেয়ে দীর্ঘ, প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন। একে প্রজেস্টেরন বা লুটিয়াল ফেজ ও বলা হয়। এটিও ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন উভয় হরমোনের যৌথ কারনে হয়। এই সময় নিষিক্ত ডিম্বানুর বৃদ্ধির জন্য জরায়ু সর্বোচ্চ প্রস্ততি নিয়ে থাকে।
ডিম্বাশয়ের কোনো ডিম্বানু শুক্রানু দ্বারা নিষিক্ত না হলে জরায়ু আবার মিনস্ট্রাল ফেজে চলে যায়। এভাবেই পূর্ন বয়স্ক মেয়েদের ঋতুচক্র চলতে থাকে।

Monday, June 27, 2011

লেসবিয়ান শব্দ নিয়ে বিপত্তি

সমকামী নারীদের লেসবিয়ান নামে অভিহিত করার বিষয়টি সবার জানা৷ কিন্তু লেসবিয়ান শব্দটির উত্‍পত্তি সম্প্রর্কে কি আমরা জানি? গ্রিসের প্রাচীন দ্বীপ লেসবোসের তিন অধিবাসী গত মাসে এ নামটি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন৷ কিন্তু গত মঙ্গলবার দেয়া আদালতের রায় তাদের বিপক্ষে গেছে৷ প্রাচীন গ্রিক কবি সাফফোর জন্মস্থান লেসবোসের এ তিন অধিবাসীর অভিযোগ, সমকামী নারীদের লেসবিয়ান নামে চিহ্নিত করার বিষয়টি লেসবোসের অধিবাসীদের জন্য অবমাননাকর৷ তাছাড়া পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের লেসবিয়ান নারীরা এ দ্বীপে সমবেত হন৷ উলেখ্য, কবি সাফফোর ভালোবাসার অমর কবিতাগুচ্ছ লেসবিয়ান নামে প্রসিদ্ধি অর্জন করে৷ এথেন্সের আদালত রায়ে বলেন, আলোচিত শব্দটি দিয়ে কেবল লেসবোস দ্বীপের অধিবাসীদেরই চিহ্নিত করা হয় না, কাজেই গ্রিস ও পৃথিবীর অন্যত্র এ শব্দের ব্যবহার চলবে৷ সূত্র : রয়টার্স

যৌনতা,ধর্ম,সমাজ ও জীবন

যৌনতা শব্দটি শুনলেই লজ্জায় কুকড়ে যায় আর আড়ষ্টতায় আকড়ে নিজেকে গুটিয়ে নেয়
যৌনতা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন জীবনের
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন একটি অংশ।সভ্য দেশগুলোতে বয়সণ্ধি কালীন সময়ে বিদ্যালয়গুলোতে সম্যক জ্ঞান দেবার জন্য
আলাদা করে পাঠ্যসূচীতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা আছে।

মুসলমান সমাজ যৌনতা শব্দটিকে ভয় পায়।
বাঙালি সমাজ এই বিষয়টিকে এড়িয়ে যাবার ভান করে।

কিন্তু, প্রকৃতি কোনো সমাজ বা ধর্মের ছেলে মেয়েদেরকে আলাদা চোখে দেথে না।
প্রতিটি মেয়েকেই পেরুতে হয় প্রতি মাসের গোপন ইশারার রক্তচক্ষু ডিঙিয়ে।
প্রতিটি ছেলে শিশুকেই কৈশোর ডিঙোতে ডিঙোতে অনুভব করতে হয় যৌবনের সর্বগ্রাসী চরম ক্ষুধা।
অন্ধকার আর আলোর সংমিশ্রনে তখন তাদের মনে তৈরী হয় এক অপার অশেষ আলেয়া।

এই রহস্য আর রহস্য অনুসন্ধানে কখনো কখনো দিক হারিয়ে অনুসন্ধিতসু মনে বেড়ে ওঠে বিকৃত,দূষিত,ক্ষতিকর,ভয়াবহ চিন্তা চেতনা।

নদীর বহমান ধারা আটকে দিলে সেটা প্রকৃতির বিরুদ্ধাচরন।
ক্রমবর্ধমান সবুজ ঘাসের উপর কোনো পাথর চাপা দিয়ে রাখলে তা অর্ধমৃত আর হলুদ হয়ে যায় ।

যথাযথ জ্ঞানের অপ্রতুলতা থাকার কারনে..আমাদের তথাকথিত প্রাগসর সমাজের অধিকাংশ কিশোরী প্রথম রক্তস্রাবের দিন হয়ে ওঠে চরম আতঙ্কিত আর নিজের প্রতি এক ধরনের ঘৃনায়
সে হয়ে ওঠে মানসিক ভাবে ভীষন ক্ষতিগ্রস্ত আর ঘরকুনো।
অথচ..যদি সে জানতো প্রকৃতি তাকে শৈশবের সীমানা পেরিয়ে এই ঘটনার ভেতর দিয়ে তাকে দিয়েছে মাতৃত্বের অধিকার আর এই বিষয়টি অত্যন্ত গৌরবময় সার্টিফিকেট ..তাহলে সে নিশ্চই এই নারী হয়ে ওঠার শুভ সঙ্কেতকে জীবনের নতুন জাগরনী গানের শিহরনে নতুন করে উদ্দীপ্ত হতো !

আমি অনেক মেয়েকে বলতে শুনেছি ..তার শরীর খারাপ করেছে..অসুস্থ..এই ধরনের শব্দাবলী।

কিন্তু,মজার ব্যপার হচ্ছে..নিয়মিত রেড সিগন্যাল
একমাত্র মেয়েদের জীবনে একটি কাঙ্খিত অবধারিত সুস্থতা আর সবুজ সঙ্কেত।
মিনষ্ট্রেশন কোনো অসুস্থতা নয় বা এটি কোনো রোগের পূর্বলক্ষনও নয়।
বরং বিষয়টি অনিয়মিত হলে বা বন্ধ হয়ে গেলে ভাবনার বিষয়।
দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরনাপন্ন হওয়া একান্ত জরুরী।
শুধুমাত্র গর্ভবতী হলেই যে এটি অনিয়মিত হবে বিষয়টি সেরকমও নয় হরমোনের অসামান্জস্যতার কারনেও তা হতে পারে।


এটা তো গেল শারীরিক দিক।
মানসিক ক্ষতিও হতে পারে অপরিসীম।

প্রসঙ্গত: ছোট্ট একটা কাহিনী বলি..
সারাজীবন খুব বাধ্যবাধকতার ভেতর বড় হয়েছে সীমা।
বিয়ের প্রথম রাতে স্বামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্তে ধরা পড়ে তার মানসিক রোগ।যৌনতা সম্পর্কে দীর্ঘদিনের লালিত একটি ভয় তাকে পাথরের
মতো শক্ত করে তোলে।
সমস্যা এই পর্যন্ত হলে হয়তো তার বিয়েটা টিকে যেতো সময়ের ব্যবধানে।

কিন্তু,বিয়ের প্রথম তিনমাসে পাঁচবার সংগমের ঠিক প্রবেশের মুহুর্তে সীমা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।এক ধরনের কোমার মতো অবস্থা হয় আর দুচোখ হয়ে ঘন লাল ..পাশাপাশি মুখ দিয়ে গো গো শব্দ আর ফেনা বেরুতে থাকে।

সীমা সুন্দরী,শিক্ষিত,ভদ্র আর সম্পদশালী ঘরের মেয়ে। তার স্বামী তাকে হারাতে চাইবে কেন ?আরো ছ মাস চেষ্টা করেও যখন এই সমস্যা থেকে বের হতে পারে না.. তখন.আলাদা হয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায়ই খোলা থাকে না।


:
কিশোরী বয়েসে আনিকাকে তার মা বলে যে..
কেউ যেন তাকে চুমু না খায় বা কাউকে যেনো শরীরে ধরতে না দেয়..সেরকম কিছু হলে তার পেটে বাচ্চা হয়ে যাবে।

পূর্নাঙ্গ জ্ঞানের অভাব মেয়েটিকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেবে..তা কখনো কল্পনাও করতে পারে নি আনিকার মা।

মধ্যবয়েসী গৃহশিক্ষক একদিন একা পেয়ে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী আনিকাকে কোলে টেনে নেয,স্তন স্পর্শ করে আর গালে ,কাঁধে চুমু খায়।
আনিকা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে পালিয়ে যায় নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে এবং তার পেটে বাচ্চা হবে এরকম একটি ভয়ে ফুলের টবে দেয়ার কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করে।

মেয়েটির জানা ছিলো না ..শুধুমাত্র মেয়েদের যৌনাঙ্গে
পুরুষাঙ্গ বা শিশ্ন প্রবেশ করলে যৌনক্রিয়ার ফলে..গর্ভে শিশু ভ্রূন জন্ম নিতে পারে।

শুধুমাত্র যৌনক্রিয়া করলেই যে গর্ভে শিশু ভ্রুন জন্ম নেবে বিষয়টি তা ও নয়।
যৌন-সম্ভোগের পর যদি বীর্য কোনো মেয়ের যোনীতে
স্খলিত হয় এবং সেটি যদি একটি নির্দিষ্ট উর্বর সময় হয়..তাহলেই কেবল মাত্র বীর্যের শুক্রানু যোণীর ডিম্বানুর ভেতরে প্রবেশ করে জীবনের সূচনা করতে পারে।

বলা হয় অল্প বিদ্যা ভয়ংকর।তাই বলা যায় অর্ধ শিক্ষা বা আংশিক শিক্ষা অনেক সময় জীবন নাশী..যেমন হয়েছে কোমল মতী আনিকার ক্ষেত্রে ।


পলাশের গল্পটাই কেন বলি না ?
....

হঠাত করে একদিন ঘুম ভেঙে গেলো তার ভোর চারটায়।
তার পুরুষাঙ্গ থেকে এক ধরনের আঠালো সাদা তরল বের হয়ে এসেছে।
তার লুঙ্গির একটা অংশ ভরে গেছে।
খুব ভয় পেয়ে যায় পলাশ।

এই সমস্যার কথা সে ভুলতেও পারে না বা কাউকে বলতেও পারে না।

তার রুমে একসাথে ঘুমায় তার থেকে ৩ বছরের বড়ো কাজের ছেলেটা।রহমান।

শেষ পর্যন্ত রহমানকে সমস্যাটা বলে ফেলে পলাশ।
রহমান গম্ভীর হয়ে বলে -ভাই জান , এইটা পুরুষ মানুষের অনেক খারাপ একটা রোগ।আফসন তড়াতড়ি কবিরাজেরর কাছে যান।গাছের শিকড় ধুইয়া পানি খাইলে এইটা সাইরা যাইবো। অনেক মর্দা পোলা..যোয়ান মানুষের এই রোগ হয় আর এইটা বেশী বাইরা গেলে আপনের ঐ জায়গাটা পচন শুরু হইবো।

পলাশ অত্যন্ত ভয় পেয়ে যায়। কবিরাজের ঠিকানা সংগ্রহ করে স্কুল পালিয়ে কোচিং সেন্টারের বেতন চুরি করে সে যায় কবিরাজের কাছে।
গোপনে সেবন করে শেকড় বাকর।

কিডনীতে দেখা দেয় তার সমস্যা।আর একটি কিডনী
নষ্ট হয়ে যায় ভুল চিকিতসায়।

যদি ছেলেটি জানতো..মাঝে মাঝে এরকম হওয়া ..ঘুমের ভেতর বীর্যপাত হওয়া জীবনেরই একটি অংশ..তাহলে হয়তো তার কিডনীটি বেঁচে যেত!
এটি নিয়ে খুব ভয়ের কিছু নাই।তবে ..এই বিষয়টি মাত্রারিক্ত হলে যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া দরকার।

আমাদের বাঙালি সমাজে বিষয়টিকে একটি দোষ বা স্বাস্হ্য সমস্যা হিসেবে দেখা হয় ।
বলা হয়-স্বপ্ন দোষ।


কিন্তু আমি বলে দিতে চাই মেডিকেল সাইন্স একে দোষ বা গুন বলে না। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।


এই বয়েসে অনেক ছেলেরা হস্ত-মৈথুনের আশ্রয় নেয়।
হাতের মুঠো গোল করে পুরুষাঙ্গে উপরে নীচে ঝাকানোকে হস্তমৈথুন বলে ।
অনেকে উঠতি যুবক আবার ধর্মীয় অপরাধবোধ আর ব্যক্তি-জ্ঞানের অ পর্যাপ্ততা থেকে মানসিক ভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয় এই ঘটনা সম্পাদনের পর।
ক্ষতি টা যত না শারীরিক ,তার চেয়ে হাজার গুন মানসিক।


রক্ষনশীল সমাজের ৯০ ভাগ তরুন এই গোপন আনন্দ করে। নিজের সঙ্গে নিজের মধু ভাগ করে নেয় ।

এই ব্যপারে ধর্মীয় দৃষ্টিকোন যাই হোক না কেন..
আইনগত ভাবে এটি বেআইনি নয়।
এবং মেডিকেল সাইন্স একে দোষ বা গুন বলে না। এটি হতে পারে।

তবে যে কোনো বিষয় মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতির কারন হতে পারে।পুরুষাঙ্গের ভেইন গুলো ক্ষতিগ্রস্হ হতে পারে।

তবে..এরুপ কর্মকান্ডে অতি উতসাহে এবং অতি সুখ,আনন্দ,রোমাঞ্চ লাভের প্রত্যাশায় জোকের তেল বা কোনরুপ মালিশ বা ইয়াবা বা ভায়াগ্রা ব্যবহার করা অনুচিত।সমূহ সমস্যার উদ্ভব ঘটতে পারে।


অনেক মেয়ে মিনষ্ট্রেশন এর সময় অস্বাস্হ্যকর কাপড় ব্যবহার করেন..যেগুলো থেকে পরবর্তীতে ভাইরাস যোনীর ভেতরে ঢুকে রক্তে প্রবাহিত হতে পারে আর ওভারিয়ল সিস..টিউমার এবং দীর্ঘসূত্রী অ কল্যান হিসেবে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
তাই পরিচ্ছন্ন আর সচেতন থাকা সুস্থ জীবনের জন্য
একান্ত জরুরী।

সমাজে সমাজে অনেক ব্যবধান ।
বিশেষ করে যৌনতা বিষয়ক চিন্তার ক্ষেত্রে।

হাওয়াই দ্বীপ পুঞ্জে বিবাহ দেবার পূর্বে মেয়েদের সতীচ্ছদ
ছেড়ার জন্য প্রফেশনাল ভাড়া করে।প্রথমবার সংগম করার জন্য সেই পেশাদাররা মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকে।

সৌদি আরব আর মিশরের কিছু কিছু অঞ্চলে মেয়েদের বিবাহ দেবার পর অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পিতারা অপেক্ষা করেন কখন প্রথমবার -এর প্রমান স্বরুপ শাদা চাদরে লাল ইশারার প্রমান আসবে।
এলেই তারা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

কোনো কোনো ধর্মে বিবাহের পর প্রথম সংগমের অধিকার থাকে ধর্মগুরুর। এটিই ধর্মীয় রীতি।তাই নববিবাহিত স্ত্রীকে তুলে দিতে হয় ধর্মগুরুর কাছে।
এটিই তাদের জন্য ধর্মীয় রীতি।

হিন্দু সমাজে মাসতুতো পিসতুতো ভাই বোনদের মধ্যে বিবাহ পূর্ব যৌনতা তো বটেই..এমনকি বিবাহও নিষিদ্ধ। যা আবার মুসলিম সমাজে নয় ।

পশ্চিমা সমাজে যৌনতার সম্পর্কটি ধর্ম বা সমাজ নিয়ন্ত্রন করে না। এই বিষয়টি দুজনের সম্পূর্ন মানসিক বোঝাপড়ার উপর নির্ভরশীল।

মানুষ যখন গোত্রভুক্ত হয়ে বসবাস করতো ..
সমাজ ও সভ্যতা সৃষ্টির গোড়ার দিকে
একজন নারী থাকতো দলীয় প্রধান আর তার অধীনস্থ সকলেই তার সঙ্গে যৌন সম্ভোগে জড়িত হতো।

মুসলিম সমাজ দাসী এবং যুদ্ধবন্দিনীদের সঙ্গে যৌনসম্পর্কের অনুমোদন দেয় ।
কিন্তুু..
মানবিকতার প্রশ্নে আধুনিক সমাজ তা নাকচ করে।
একইভাবে মুসলিম সমাজে স্বামীর ইচ্ছানুযায়ী যখন তখন সংগমে অংশগ্রহন করতে নারী বাধ্য হলেও
মানবাধিকার অনুযায়ী এবং ধর্ষনের প্রচলিত আন্তর্জাতিক সজ্ঞা অনুযায়ী ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোর করে
স্ত্রীর সঙ্গেও সংগম করা শাস্তিযোগ্য এবং সেটি ধর্ষন বলেই চিহ্নিত।

সমকামিতা আমাদের সমাজে অত্যন্ত গর্হিত অপরাধ হলেও কোনো কোনো সমাজ আর কোনো কোনো দেশের নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তাদের অধিকার সংরক্ষণ শুরু হয়েছে।
তবে..
প্রকৃতি বলে.. নারী ও পুরুষ পরষ্পরের জন্য সৃষ্টি হয়েছে।
সেই ধারাকে ভেঙে এই অভিনব বিষয়টি অনেক সমাজেই ভীষনভাবে অগ্রহনযোগ্য আর নিন্দনীয়।

সমাজ ভেদে চিন্তা চেতনার কতো ফারাক !



অনেক মেয়ে রোমাঞ্চ সামলাতে না পেরে আঙুলের সহযোগীতা নিয়ে মাষ্টারভেশন করে..কিন্তু সেই মুহুর্তে ধারালো কিছুর ব্যবহার ..যেমন..পেন্সিল,কলম ইত্যাদির ব্যবহার
পারফরেশন বা ইউট্রাস আলসারসহ নানারকম ঝুকি থেকে যায়।

তাই অপ্রাকৃতিক পদ্ধতিতে সাবধনতা জরুরী। পরবর্তী জটিলতা থেকে রক্ষা পেতে হলে।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পিং পং শো বলে একটা শো হয়-যেখানে মডেল মেয়েরা বোতল এবং ধারালো বিভিন্ন দ্রব্যাদির ব্যবহার পাবলিকলি প্রদর্শন করে।
মনে রাখতে হবে..এটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং একই সাথে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে আনন্যাচারাল সেক্সুয়াল বিহেভিয়র।ন্যাচারাল নয় ,এরকম কোনো বিষয় যৌনতার ক্ষেত্রে মনে খুব বেশী কাজ করলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া একান্ত কর্তব্য।
তবে ..এই রকম বিষয়ে পারফেক্ট হচ্ছে ..সাইক্রিয়াটিষ্ট।মনের ডাক্তার।
বিকৃতি এক রকমের মানুষিক রোগ।
তাই একে অবহেলা বা লজ্জায় ঢেকে রাখার চেয়ে সুন্দর জীবনের বৃহত স্বার্থে চিকিতসতের শরনাপন্ন হতে হবে।


বিবাহ পূর্ববর্তী যৌনতা অনেক সময় মেয়েদেরকে অনেক রকম অনাকাঙ্খিত উদ্ভট সমস্যার মুখোমুখি করে।
তার মধ্যে..
১.গর্ভ ধারন
২.অবিশ্বস্ত পুরুষ সঙ্গীর ব্ল্যাকমেইলিং
৩.যৌনবাহিত রোগের সংক্রমন
৪.মানসিক ভাবে ভেঙে পড়া

প্রভৃতি সমস্যার উদ্ভব ঘটায়।
মনে রাখতে হবে..
নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারাটা সব দিক থেকে নিরাপদ।
যেহেতু অনেক সময় আবেগের চূড়ান্ত মুহুর্তে নীতির চেয়ে প্রয়োজন টা এবং আত্মতৃপ্তিটাই বড়ো হয়ে দাড়ায়..সেরকম কিছু হলে .
পরামর্শ হচ্ছে..
সঙ্গী যেনো অবশ্যই বিশ্বস্হ,সচেতন এবং বুদ্ধিধমান বা বুদ্ধিমতী হয়..
নতুবা পরবর্তীতে মুশকিলের কোনো অন্ত থাকবে না।
কনডোম এবং পিল দুটোর সহযোগিতা নিলে পরবর্তী অনেক সমস্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

পরিশেষে বলতে চাই.মুহুর্তের চরম আনন্দ যদি
শান্ত জীবনে টর্নেডো হয়ে সুন্দর জীবনকে ছারখার করে দেয়ার সম্ভাবনা থাকে...
তাহলে তা সে যত আকর্ষনীয় সুখই হোক না কেন..
তা পরিত্যাজ্য ।


আবদুল্লাহ-আল-মাসুম ‍সামহোয়ারইন ব্লগ

মিলা, সারিকা, চৈতি ও প্রভার পর দর্শক এবার লুফে নেন সখ এর পর্ণ ভিডিও


মিলা, সারিকা, চৈতি ও প্রভার পর দর্শক এবার লুফে নেন সখ এর  পর্ণ ভিডিও।Shokh স্ক্যান্ডাল একটি বাংলাদেশী দৈনিক সংবাদপত্র হয়েছে প্রকাশিত হয়েছে। জনপ্রিয় মডেলShokh এর যৌন ভিডিও এখন  এক মোবাইল থেকে অন্য মোবাইল  এবং বিভিন্ন ব্লগের স্থানান্তরিত হচ্ছে.এটি সর্বোচ্চ যে দৈর্ঘ্য গোল ভিডিও মাত্র 2 মিনিট এবং 2 সেকেন্ড. 
 যরা যৌনতাকে ভালবাসেন তারা আর দেরি না করে এখুনি সখের রগরগা ভিডিওটি ..


share it: 

Download Video














গত কয়দিন যাবৎ খালি শুনতেছিলাম শখ-এর নাকি ভিডু আসছে। মেলা খুইজাও কিছু পাইতেছিলাম না। এট লাস্ট পাইলাম। বাজে কোয়ালিটি, সাউন্ড নাই। প্রথমে এইটা রিয়াল কিনা তা নিয়াও সন্দেহ ছিল। পরে ফেস-এর একটা ক্লোজশট দেইখা মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেল। যাই হোক, যদ্দুর পারি ভিডু ঠিক কইরা, ফরম্যাট চেন্জ কইরা আপলোড দিলাম। আপনেরা মন চাইলে নামায়া লন। সাইজ মাত্র ২.৫ মেগাবাইট। শখপূরণ হোক সবার - এইখান থেকে নামায় লন, বেশি টাইম লাগবো না।
পুনশ্চঃ মাইয়ার ব্লোজব দেইখা ভাল লাগছে আমার, আর কিছু দেখার নাই তেমন।



Friday, June 17, 2011

মেয়েদের যৌনতা নিয়ে কিছু তথ্য


ছেলেরা মেয়েদের যৌনতা নিয়ে খুব কম তথ্য জানে। চটিগুলো পড়লে সেটা বোঝা যায়। চটি লেখক এবং মন্তব্যকারীদের অনেকে মেয়েদের সাথে চোদাচুদি থাক দুরের কথা কোনদিন মেয়েদের বাস্তব ভোদা দেখেছে কি না সন্দেহ। মেয়েদের সমন্ধে ওনাদের জ্ঞান মনে হয় পর্ন আর ইন্টারনেটের চটি থেকে নেওয়া। যাহোক সবার সুবিধার্থে কিছু তথ্য দিলামঃ
১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌন ইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এর পরে ভালই কমে যায়। 
২. ২৫ এর উর্দ্ধ মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে চোদাচুদি করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস না চুদে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।
৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম চোদাচুদির চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ মেয়ে গল্পগুজব হৈ হুল্লোর করে চোদার চেয়ে বেশী মজা পায়।

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More