This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label ঘৃণীত. Show all posts
Showing posts with label ঘৃণীত. Show all posts

Sunday, October 6, 2013

‘আশারাম দিনে একাধিক কিশোরীকে ফুসলিয়ে শয্যাসঙ্গী করতেন’

‘আশারাম দিনে একাধিক কিশোরীকে ফুসলিয়ে শয্যাসঙ্গী করতেন’ঢাকা: পুলিশ হেফাজতে যাওয়ার পর আশারামের যৌন কেলেঙ্কারি নিয়ে একের পর এক ঘটনা প্রকাশ হতে শুরু করেছে। সর্বশেষ রিপোর্টে দেখা যায়, স্বঘোষিত ধর্মগুরু আশারাম বাপু দৈনিক একাধিক কিশোরীকে ফুসলিয়ে তার শয্যাসঙ্গী করতেন।

এই এসব যৌনকর্ম তিনি অবলীলায় করে যেতেন তার আশ্রমে। কিশোরীদের সঙ্গে তার এই শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা ফাঁস করে দিয়েছেন তারই বিশেষ এক সহকারী। তিনি বলেছেন, যৌন সক্ষমতা ধরে রাখার জন্য আশারাম নিয়মিত হারবাল ঔষধ সেবন করতেন ।

আশারাম বাপুর সাবেক সহযোগী রাহুল শর্মা গুজরাটের অনলাইন নিউজ ‘দিবাভাস্কর’কে দেয়া সাক্ষতকারে এসব ফাঁস করে দেন।

রাহুল বলেছেন, ‘আশারাম সাধারণত কম বয়সী নারীদের সঙ্গেই শারীরিক সম্পর্ক গড়তেন। শারীরিক সম্পর্ক তৈরির আগে তিনি নারীদের কথার জালে মন্ত্রমুগ্ধ করে নিতেন।’

আশারামের এই সহযোগী একাধিকবার রাতে তাকে ‘কামসূত্র’ বইটি পড়তে দেখেছেন বলেও জানান।

আশারামের এই বিশ্বস্ত সহযোগী রাহুল, তার গুরুর কাছে কামসূত্র বইটি পড়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে, বাপু বলেন, ‘আয়ুর্বেদিক জ্ঞান অর্জনের জন্যে কামসূত্র পড়তে হয়’।

আহমেদাবাদে আশারামের ‘শান্তি কুঠির’ নামে একটি ব্যক্তিগত বাংলো রয়েছে। সেই বাংলো লাগোয়া সুইমিং পুলে আশারাম শুধুমাত্র নারীভক্তদের নিয়েই সাঁতার কাটতেন।

রাহুল আশারামের বিশেষ স্নেহভাজন হওয়ার সুবাদে রাতে ধর্মগুরুর খাবার ও ঔষধ নিয়ে বাংলোর ভেতরে যাওয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন। রাহুল ছাড়া আর কারো পক্ষেই আশারামের সেই কক্ষে যাওয়ার অনুমতি ছিলো না।

১৯৯৩ সালে একদিন রাহুল দেখেন, আশারাম তার এক নারী ভক্তকে নিয়ে সুইমিং পুলের পাশ দিয়ে হাঁটছেন এবং মাঝে মধ্যেই আশারাম ঐ নারী ভক্তের হাঁটুতে চুম্বন করছিলেন। এই দৃশ্যের পরে রাহুল আর সেখানে কাজ না করার সিদ্ধান্ত নেন। সেদিনই রাহুল নিশ্চিত হন যে আশারাম আসলে কোনো ধর্মগুরু নয়।

Thursday, July 21, 2011

শখ-এর সেক্স ভিডিও ডাউনলোড লিংক

share it: 

Download Video clicp














গত কয়দিন যাবৎ খালি শুনতেছিলাম শখ-এর নাকি ভিডু আসছে। মেলা খুইজাও কিছু পাইতেছিলাম না। এট লাস্ট পাইলাম। বাজে কোয়ালিটি, সাউন্ড নাই। প্রথমে এইটা রিয়াল কিনা তা নিয়াও সন্দেহ ছিল। পরে ফেস-এর একটা ক্লোজশট দেইখা মোটামুটি নিশ্চিত হওয়া গেল। যাই হোক, যদ্দুর পারি ভিডু ঠিক কইরা, ফরম্যাট চেন্জ কইরা আপলোড দিলাম। আপনেরা মন চাইলে নামায়া লন। সাইজ মাত্র ২.৫ মেগাবাইট। শখপূরণ হোক সবার - এইখান থেকে নামায় লন, বেশি টাইম লাগবো না।
পুনশ্চঃ মাইয়ার ব্লোজব দেইখা ভাল লাগছে আমার, আর কিছু দেখার নাই তেমন।

গায়িকা মিলার এমএমএস ক্লিপ? ডাউনলোড লিঙ্কসহ

মিলার এমএমএস ক্লিপ? ডাউনলোড লিঙ্কসহ


শখ-এর পর এবার নাকি গায়িকা মিলার এমএমএস ক্লিপ বের হয়েছে। যোগাড় করলাম। দেখলাম। মিলা হইতে পারে, নাও হইতে পারে। খুবি ছোট ক্লিপ। কনফিউজড। নিজেরা দেইখা লন।
এইখান থেকে নামান: ডাউনলোড। 

format: avi
size: 1.2 mb

বাংলাদেশ সেলিব্রিটি স্ক্যান্ডাল পর্ণ: সব একসাথে ডাউনলোড লিংকসহ

বাংলাদেশে সেলিব্রিটিদের এমএমএস বাইর হওয়া শুরু হইছে বেশীদিন হয় নাই। এর মধ্যে কিন্তু আমাদের প্রগ্রেস খারাপ না।

তিন্নি- হিল্লোল:

তিন্নি একটা চুড়ান্ত মাল। বিয়া কইরা কেমন জানি হয়া গেল। তাও ভাল হিল্লোলের লগে বিয়ার পর একটা এমএমএস বের হইছিল।

তিন্নি হিল্লোল ক্লিপ
ফরম্যাট: 3gp
সাইজ: 411 KB


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন



লিমা এবং ইউরোকোলা চেয়ারম্যান:

লিমারে আসলে সেলিব্রিটি বলা যায় না। তবে এই এমএমএসটার ডায়ালগগুলা খুব ইন্টারেস্টিং।
লিমা-ইউরোকোলা চেয়ারম্যান ক্লিপ
ফরম্যাট: 3gp
সাইজ: 959 KB


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
 




মডেল নোভা:

নোভার কোন এমএমএস বাইর হয় নাই। তবে তার কিছু টপলেস ছবি বের হইছিল। অছাম দুধ!!!

নোভা টপলেস ছবি
ফরম্যাট: zipped jpg
সাইজ: 286 kb

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন



প্রভা- রাজিব:

বাংলাদেশের সবচাইতে বিখ্যাত সেলিব্রিটি এমএমএস এইটা। সবাই জানেন, বলার কিছু নাই।

প্রভা-রাজিব পার্ট ১
ফরম্যাট: 3gp
সাইজ: 4.66 MB

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

প্রভা-রাজিব পার্ট ২
ফরম্যাট: 3gp
সাইজ:  2.15 MB

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

আনিকা কবির শখ:

এইটা কতোখানি আসল তা নিয়া সন্দেহ আছে অনেকের। অবশ্য যার এমএমএস বাইর হয় সে সর্বদাই অস্বীকার করে।

শখ সেক্স ক্লিপ
ফরম্যাট: avi
সাইজ: 2.5 MB


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন


চৈতী- নির্ঝর:
গায়িকা উপস্থাপিকা চৈতী আর পরিচালক এনামুল করিম নির্ঝরের সেক্স ভিডিও। দুইজনেই অস্বীকার করসে, তবে তাতে কিছু যায় আসে না। 

নাদিরা নাসিম চৈতি-নির্ঝর
ফরম্যাট:wmv
সাইজ: 11.07 MB


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন



মিলা:
গায়িকা মিলা-র নামে এই ভিডিও বের হইসে, যদিও সত্যতা নিয়া সন্দেহ আছে।

মিলা সেক্স ক্লিপ
ফরম্যাট: avi
সাইজ: 1.18 MB



ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন






ডাউনলোড কেমনে করতে হবে সেটা দেখতে এইখানে যান।

Tuesday, July 5, 2011

ভইউরিজম (Voyeurism)

এটা এমন ধরনের বিকৃত যৌনাচার যার কারনে মানুষ অন্য কোনো দম্পতি বা যুগলের যৌনক্রিয়া দেখে চুড়ান্ত যৌনতৃপ্তি লাভ করে। অনেক সময় লুকিয়ে থেকে স্ত্রীলোকের যৌনাঙ্গ বা গোপন অঙ্গগুলো দেখেও সে চরম তৃপ্তি লাভ করতে পারে। এরা অনেক সময় রাত জেগে সারারাত অন্যের বাড়িতে চুপি চুপি উকি দিয়ে এই ধরনের যৌনক্ষুধা মেটায়। এটা এক্সিবিশনিজম এর ঠিক বিপরীতএ ধরনের মানসিক বৈকল্যের জন্য অবশ্যই মনোরোগ চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া উচিত।

ইনসেস্ট (Incest)

আপন আত্মীয় স্বজন যাদের সাথে সামাজিক বা ধর্মীয় ভাবে বিবাহ নিষিদ্ধ তাদের সাথে যৌনাচার করাকে ইনসেষ্ট বলা হয়। আপন মাবাবা,ভাইবোনমামাচাচাখালাফুফুনানাদাদানানীদাদীভাগ্নাভাগ্নিভাতিজাভাতিজি সৎ ভাই বোনসৎ মা-বাবা (হিন্দু ও খৃষ্ট ধর্মে আপন চাচাতো / মামাতো ভাইবোন) এদের সাথে বিবাহ ধর্মীয় ভাবে নিষিদ্ধএদের সাথে কোনো অবস্থায় যৌন সম্পর্ক স্থাপনই ইনসেষ্ট হিসেবে গন্য হয়। সাধারণত মাতাল বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এমনটি ঘটে থাকেএছাড়া চরম যৌন উত্তেজনাকর অবস্থায়অল্পবয়সে একাকী এবং ঘনিষ্টভাবে থাকার কারনেও এমনটি হয়ে থাকতে পারে। পরবর্তীতে পরিণত বয়সে এ জন্য মানুষ কে চরম অনুতপ্ত হতে হয় এবং এজন্য অনেকেই অনেক ধরনের মানসিক ব্যধিতে ভুগে থাকে।

Saturday, June 25, 2011

মিলা ও সারিকার পর্ণো

 

টিভি মডেল ও টিভি উপস্থাপিকা প্রভা, চৈতী এবং আনিকা কবীর শখের পর পর্ণোগ্রাফির আলোচনায় এবার চলে এসেছে গায়িকা মিলা ও টিভি অভিনেত্রী সারিকার নাম। টিভি ও সঙ্গীত সংস্কৃতির জগত এখন মুখরিত মিলা ও সারিকার আলোচনা নিয়ে। গুজব এবং মুখরোচক আলোচনায় সজীব রয়েছেন দুই অঙ্গনের এই দুই তারকা।
একটি ইন্টারনেট ওয়েবসাইট লিংকে বলা হয়েছে, পিন্টু নামের একজনের বেডরুমে সম্পর্ণ নগ্ন অবস্থায় দেখা গেছে সারিকাকে। সেই নগ্নতার একটি ভিডিওচিত্রও সেলফোন মনিটারে ঘুরে বেড়াচ্ছে। সেই ওয়েবসাইটটি শুধু পর্ণো ছবি দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি। ওয়েবসাইটটিতে দর্শকের মতামতও তুলে ধরা হয়েছে। একজন মন্তব্য করেছেন, ‘সারিকাকে এতো ভালো একটি মেয়ে হিসাবে জানতাম। সে এমন কাজ কিভাবে করল।’ আরেকজন মন্তব্য করেছেন, ‘ভালোমন্দ মিলিয়েই আমাদের সমাজ।’ আবার একজন মন্তব্য করেছেন, ‘তোমাদের ওয়েবসাইটটি ভূয়া।’ এমনি আরো অনেক মন্তব্য। এ বিষয়ে সারিকা অবশ্য কোনো কথা বলেননি। তবে অভিজ্ঞ মহলের ধারণা, বহুজাতিক কোম্পানি বা এ শ্রেণীর কোম্পানিগুলোর মডেল হতে গেলে এভাবে প্রতিটি মেয়েকেই সম্ভ্রম হারাতে হবে। এক সময় তা বাজারে আসবেই। মিলার ক্ষেত্রেও একই কথা। সেলফোন মনিটরে মিলার যে পর্ণো ভিডিওটি দেখা যাচ্ছে তাতে তার সঙ্গীকে চেনা মুখ হিসেবে সনাক্ত করা যায়নি। তবে একটি গ্র“প থেকে বলা হচ্ছে, এরপরে বাজারে আসছে বিন্দু ও ফারাহ রুমার সেক্স ভিডিও। দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি এমনিতেই কারো তেমন একটা সুনজর নেই। তার উপর সংস্কৃতিকর্মীদের অপকর্ম সত্যিকার অর্থেই সংশ্লিষ্টদের ব্যথিত করে।এইখান থেকে নামান মিলা : ডাউনলোড। 
.........দেখুন:



Saturday, June 18, 2011

উন্মুক্ত যৌন চর্চা ?


আমরা কি আদিম যুগে আছি ?প্রশ্নটা শুনে ভাবছেন আমি হলাম দুনিয়ার সব চেয়ে বোকা । কারণ আমি আমার কাল সম্পর্কে সন্দিহান । আসলেই সত্য ।কারণ আদিম কালে মানুষ নাকি বর্বর ছিল ।ছিল অসভ্য ।তাদের তেমন কোন লজ্যা ছিল না ।ফলে তারা উন্মুক্ত যৌন চর্চা করত ।িকন্তু সভ্যতার উত্তরনের মাধ্যমে আমরা আজ সভ্য বলে দািব করতে শুরু করেছি ।তাই আমাদের দাবি অনুযায়ী আমরা আজ সভ্য ।কিন্তু আমাদের কাজ কি সভ্য ?আমি জানিনা ।তাই আপনাদের কাছে আমার এই প্রশ্ন ।আশা করি এর উত্তর টা আনারা আমার চেয়ে অনেক ভাল জানেন ।
যে ঘটনার জন্য আজ এই সন্দেহ এখন সেই মহান ঘটনাটি বলি ।
গত কাল রাত ৯.৩০ এর দিকে সোহরাওয়ার্দী মাঠে গেলাম একটু টাইম পাস করার জন্য ।রমনার পাশ দিয়ে ঢুকলাম।দেখলাম অনেক লোকের আনাগোনা ।তার মধ্যেই একটি জুটি দাড়িয়ে কথা বলেছে ।আমরা আমাদের মত হাটছি ।হঠাৎ দেখলাম মেয়েটি তার ওড়না বিছিয়ে শুয়ে পড়ল একটি গাছের নিচের অন্ধকারে ।ছেলেটি তখন তার সাথে ছিল ।তারা তখন যৌন মিলন শুরু করল । তখনো তাদের চারপাশে অনেক মানুষ ।কিন্তু তাদের যেন কোনই বোধ নাই ।হঠাৎ এমন একটি ঘটনার জন্য আরো অনেক মানুষ তখন তাদের চার পাশে দাড়িয়ে ঘটনাটি দেখতে লাগল ।এক পর্যায়ে ছেলেটি কাজটি অসমাপ্ত রেখে উঠে চলে গেল । তখণ মেয়েটি চারপাশে দাড়ানো লোকদের উপর চটে বলতে শুরু করল ,কি দেখেন ,মজা দেখেন নাকি।যান বলছি ,ইত্যাদি ...........................
তখন লোকগুলো চলে গেল ।কেউ কোন কথা বলল না ।যেন তারাই বড় অন্যায় করে ফেলছে ।মেয়েটি সেখানেই দাড়িয়ে থাকল ।

এতক্ষনতো আপনাদের একটি ঘটনা বললাম ।কারন এটি একটা ...............................প্রতিদিনই আমাদের পার্কগুলোতে এমন অনেক কিছু ঘটে যে আমি সন্দিহান যে আমরা কি সভ্য সমাজের বাসিন্দা ।
আমাদের মা বাবা আমাদের লেখাপড়া করতে ঢাকায় পাঠিয়েছে কি উন্মুক্ত যৌন চর্চা করার জন্য ?........................................................................
নাকি আল্ট্রা মডার্ণ হিসাবে এগুলো আমাদের আধিকার ?...........................................?
সরকার নামের যন্ত্রটি ও যেন আজ বিকল ..............................................................................?X((
 লেখক কালের সাক্ষী সামহোয়ার ইন ব্লগ

সমকামী-২ (১৮+)


নিকেতন থেকে বের হয়ে মুল রাস্তায় আসলাম ট্যাক্সি কিংবা অটোরিক্সার খোজে। সন্ধ্যে সাতটা বাজেনি তখনো। কর্পোরেট অফিসগুলোতে ছুটি হচ্ছে-এখন ভাড়ায় গাড়ি পাওয়া বেশ কষ্টের। ট্যাক্সি চালকেরা তাদের প্রিয় গন্তব্যে পছন্দের যাত্রীকে নিয় ইচ্ছেমত ভাড়া হাকাতে ব্যাস্ত। দুয়েকটা খালি গাড়ি আসলেই ছুটো যাচ্ছে কয়েকজন-আর মওকা বুঝে চালকেরা ভাব নিচ্ছে। দুয়েকজন হা না বললেও বেশীরভাগই হয় মাথা ঝাকাচ্ছে নয়তো কিছু না বলেই আরো জোরে গাড়ি ছুটিয়ে চলে যাচ্ছে।ঢাকার রাস্তায় এই ট্যাক্সি চালকের দৌরাত্মে নিজেকে বেশ অসহায় মনে হয়।গাড়ি কেনাটা আর তখন বিলাসিতা মনে হয়না-সবচে জরুরি বিষয় বলেই ভাবতে ইচ্ছে করে।মৌলিক চাহিদা অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের সাথে গাড়িটাকে জুড়ে দিতে ইচ্ছে করে।
পাশের ব্যাংক থেকে এক রমণী অভদ্রের মত আমাকে টপকে সামনে গিয়ে উল্টোমুখে দাড়িয়ে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে বা হাতে আইডি কার্ডের ফিতেটা ঘুরিয়ে যেভাবে ঠ্যাং নাচাচ্ছিল তা দেখে মেজাজ বিগড়ে গেল।আমিও ইচ্ছে করলে তার সামনে গিয়ে দাড়াতে পারি কিন্তু সংস্কারে বাধে। 
নাহ্ এখানে এভাবে দাড়িয়ে থাকার কোন মানে হয়না।হাতে যখন সময় আছে এর থেকে রিক্সায় গুলশান একনম্বর গিয়ে বাসে করে যাই।সময় থাকলে এমনিতেই অনেক সময় বাসে চড়ি-সেখানে প্রতিমুহুর্তেই নতুন নতুন কাহিনীর জন্ম হয়-শুধু চোখ মেলে বসে কান পেতে শুনলেই হল।
অফিস ছুটির সময় তাই স্বভাবতই এখন বাসে আরো বেশী ভীড়।সৌভাগ্যবশত সিট পেয়ে গেলাম। তিন সিটের দুপাশে দুজন বসে ছিল -মাঝেরটা খালি। বাম পাশের যাত্রীটা হাটু সরিয়ে আমাকে ভিতরে যাবার পথ করে দিলেন। দুজন যাত্রীর মাঝখানে বসাটা আমার বেশ অপছন্দের। একটু বিষন্ন মনে বললাম- ভাই মাঝখানেই পাঠালেন?
লোকটা বেশ ভাল, অমায়িক হেসে বললেন, কেন আপনি সাইডে বসতে চাচ্ছেন?সমস্যা নেই,বসেস-বসেন। বলে তিনি সরে গেলেন।
কি ভুল করলাম পরমুহুর্তেই বুঝলাম। পরের স্টপেজে হুড়মুড় করে বেশ কিছু যাত্রী উঠল। আমার পাশে এসে দাড়াল হাতে পোর্টফোলিও নিয়ে মার্জিত পোষাক পরা একহারা গড়নের লম্বা ফর্সা এক তরুন।বাসে তখনো গাদাগাদি ভীড় নেই পিছনে ফাকায় দাড়ানোর সুযোগ পেয়েও সে কেন দরজার কাছে আমার পাশেই এসে দাড়ালো বুঝলামনা।
বাস ফের চলতে শুরু করল। আমি নিমগ্ন হলাম আমার ধ্যানে।
খানিক বাদে একটু অস্বস্তি! ছেলেটা খুব বেশী ঘেষে আছে আমার বাহুর সাথে।বাসের ঝাকুনি ঢিমে তালে হলেও এস বেশ জোরে জোরে দুলছে। প্রথমে পাত্তা দেইনি ডান দিকে একটু চেপে বসলাম।
পরের স্টপেজে আরো কিছু যাত্রী উঠল।এবার বাস ভরে গেছে-ছেলেটা কিন্তু কোথাও না সরে সেখানেই দাড়িয়ে রইল ঠায়। আবার চলতি বাসে তার ঘষাঘষিতে মালুম হল মামু অন্য কিসিমের!ডাইনে বায়ে সরলাম এদিক ওদিক ঘুরলাম কিন্তু সে তার লক্ষ্যে অনড়। এবার আবার নিজের ভুল ভেবে নিজের মধ্য ডুব দেবার চেষ্টা করলাম। ভেবে ওখানে এক রমনীই দাড়িয়ে আছে-কল্পনায় না হয় একটু আদিম সুখই অনুভব করলাম। কিন্তু না সপ্নের শুরুতেই হোচট খেলাম!কঠিন পুরুষাঙ্গের ঘর্ষন নারীর কোমলতার সাথে যে বড্ড বেমানান। মনে হল উঠে দাড়িয়ে জোরে এক থাপ্পর মারি-শালা বিতলামীর আর জায়গা পাওনা।উমহু ব্যাপারটা শোভন হবেনা-ফের সংস্কারের বাধা!
ঘাড় ঘুরিয়ে ছেলেটার দিকে তাকালাম ভাল করে। ফর্সা র্সুদর্শন লো পাওয়ার্ড চশমা তাকে বেশ ইনোসেন্ট লাগছে।সবকিছু ভুলে বাইরে কিছু একটা আতিপাতি করে এমন ভাবে খুজছে যে নিন্মাঙ্গের কোন বার্তাই তার মগজে গিয়ে পৌছায়নি। দুটো মাথা দুই ভাবনায় ব্যাস্ত।তার উদ্দেশ্যে কয়েক ডজন গালি জিভের অগ্রভাগে এসে কিলবিল করল শুধু।

আপনি কি জানেন কত শত পুরুষ শিশু কিশোর পুরুষদের দ্বারা ধর্ষিত হয় প্রতিবছর?

আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সমকামিতাকে ঘৃনা করি কিন্তু সমকামীকে নয়(অনেকটা পাপকে ঘৃনা কর পাপীকে নয়-এর মত),কেননা তারা কোনমতেই বিপরিদ লিঙ্গের প্রতি আকর্ষন অনুভব করেনা।এটাতো স্বীকৃত যে সমকামীতা একধরনের অসুস্থতা-প্রকৃতির এই নিষ্ঠুর খেলার কাছে তারা অসহায়!অতএব তাদের ঘৃনা করাটা বোধ হয় ঠিকনা।। 
কিন্তু সারা বিশ্বেই অন্য এক ধরনের সমকামী বা উভকামীর দেখা মিলবে। এদের কোন বাছ বিচার নেই। বিপরিদ লিঙ্গের কাউকে না পেলে এরা সমলিঙ্গের সাথেও দৈহিক মিলনে লিপ্ত হতে দ্বীধা করেনা। নিজের রিপুকে দমন করার জন্য এরা যে কোন পন্থা অবলম্বন করে।আমাদের দেশের মত ধর্মীয় কারনে বা সামাজিক ভাবে রক্ষনশীল দেশেই এদের আধিক্য। অবশ্য সবখানেই একঘেয়েমীতা বা রুচি পরিবর্তনের জন্য কিছু মানুষ সমকামীতায় আগ্রহী হয়।
অল্প চেনা অতিচেনা কিংবা অচেনা কোন সবল পুরুষের কাছে একই বিছানায় যখন আমরা একটা কিশোরকে আমরা ঘুমোতে পাঠাই নিশ্চন্তে তখন কি একবারও ভাবি-কি ভয়াবহ একটা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে সেই একটা রাতে?সেই কিশোরটি কাউকে বলতে পারেনা-হয়তো কেউ বিশ্বাস করবে না ভেবে।কি নিদারুন ভয়ঙ্কর লজ্জা অপমান গ্লানীতে নীল হয়ে সে মুষড়ে থাকে-সারাটাজীবনই হয়তো সে মনের একান্ত গহীনে সে কষ্টটাকে বয়ে বেড়ায়।

ঠিক তেমনি একটি ভয়ঙ্কর ধর্ষনের ঘটনার বর্ণনা করছি আমার এক অতি ঘনিষ্ঠ বন্ধুর নিজের জবানীতে;
তখন বয়স ১১/১২ হবে।নারীদের প্রতি অল্প বিস্তর আকর্ষন বোধ করি, রুপ দেখে বিমোহিত হই, কল্পনায় সপ্ন গিজগিজ করে রুপকথার আদলে। সন্তান উৎপাদনের পুরোপুরি প্রক্রিয়া থকনো জানা হয়নি।যৌন বিষয়ক কথাবার্তা বহুবার পিউরিফাইড হয়ে কানে আসে।
ভাবতাম যৌন সম্ভোগ শুধু খারাপ লোকেরাই করে।আমার পরিবার,পরিবেশ আর আশেপাশের কালচার এইভাবেই আমাদের শিখিয়েছিল।নিরাভরন নারিদেহ দেখার দুর্নিবার আকাঙ্খা থাকলেও সেইটে ছিল শুধু নিষিদ্ধ কোন কিছু চোখ দিয়ে স্পর্শের আকাঙ্খায়।
ইন্টারনেট টিভির দৌরাত্ম আর খোলামেলা ছবির আগ্রাসনতো তখনো শুরু হয়নি-তাই এই প্রজন্মের থেকে অনেকখানি পিছিয়ে ছিলাম তখন।
সমকামী ব্যাপারটা তখন ধারনার মধ্যেই ছিলনা।একসাথে গাদাগাদি লেপ্টালেপ্টি করে শত শত পুরুষ নারী শুয়ে থাকলেই কি-নির্জলা বন্ধুত্ব কিংবা আত্মিক সম্পর্ক ছাড়া তাদের মধ্যে অন্য কোন সম্পর্ক থাকতে পারে সেইটে কল্পনা থেকে বহু লক্ষ্য যোজন দুরে ছিল।
সেই পুচকে বয়সে আমার দুই বোন আমাকে বডিগার্ড হিসেবে নিয়ে গেল বেড়াতে আমাদের দুরসম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাড়িতে।সম্পর্ক দুরের হলেও তাদের আন্তরিকতাও আতিথিয়েতা ছিল দারুন।জোড়াজুড়িতে সেই রাতে সেখানে থেকে যেতে বাধ্য হলাম সবাই।মেয়েদর থাকার জায়গার ব্যাবস্থা হলেও আমাকে নিয়ে পড়ল ফ্যাসাদে!তখন না বড় না ছোটর দলে।
অবশেষে আমার জায়গা হল তাদেরই ভাড়া দেয়া এক মেস বাড়িতে।মাঝারি একটা রুমে তিনখানা খাট। তিনজন বোর্ডার মাত্র। জায়গা হল তন্মধ্যে বেশ বড় একখান খাটে সজ্জন এক বোর্ডারের সাথে।
তখনো হাফ প্যান্ট পরি। গায়ের জামাখানা খুলে রেখে বিছানায় শরির এলিয়ে দিলাম। 
এরকম পরিবেশ আমার জন্য একদম নতুন -অপরিচিত কারো সাথে ঘুমাইনি কখনো, তাই প্রথমে একটু অস্বস্তি লাগলেও জার্নি আর হুটোপাটার ধকলে ক্লান্ত আমি ঘুমিয়ে পরলাম পরক্ষনেই।
গভীর রাত; ঘুম ভেঙ্গে গেল-দম আটকানো অস্বস্তি কর একটা চাপ অনুভব করছিলাম। 
ঘুম ঘোরে ভেবছিলাম সপ্ন দেখছি-পরমুহুর্তেই ফিরে এলাম বাস্তবে।ভীষন আতংকিত হয়ে লক্ষ্য করলাম আমার পাশে শুয়ে থাকা সবল রোমশ পুরুষটা আমাকে জোরে চেপে ধরে তার উত্তিথ পুরুষাঙ্গ দিয়ে আমার দুপায়ের ফাকে জোরে জোরে ঘষছে। সারা দেহ থরথর করে কেপে উঠল আমার ভীষন ভয় পেয়ে গেলাম।তবুও মনে ভীষন সাহস সঞ্চয় করে ঝাড়া দিয়ে উটে বসে আতংকিত কন্ঠে বললাম- এসব কি করছেন?
লোকটা আচমকা আমার কাছ থেকে এমন প্রতিরোধ আশা করেনি- সেও ধড়মড় করে উঠে বসে-কাপা কাপা কন্ঠে এক্কেবারে কিস্যু জানেনা এমন ভঙ্গীতে বলল,কেন কি করেছি?
-আমি আরো জোড়ে চেঁচিয়ে উঠলাম, মানে আপনে জানেননা কি করেছেন? আমি সবাইকে বলে দেব।
তখুনি সে আমার মুখ চাপা দিয়ে হিস হিস করে উঠল, খবরদার কাউকে বলবা না তাইলে খুন করে ফেলব।‘
পাছে ঘুমিয়ে পড়লে সে আমাকে মেরে ফেলে সেই ভয়ে আতংকে সারারাত আমি ঠায় বসে ছিলাম সেখানটায়। ভোরের দিকে হয়ত একটু তন্দ্রার মত এসেছিল-ফের চোখ মেলে চাইতেই দেখি বিছানা ছেড়ে পালিয়েছে সে- সকালের মিষ্টি রোদের আলো ভরে আছে সারা ঘর।
ভোরের আলোর স্পর্শে হয়ত আমি ভয় মুক্ত হয়েছিলাম-তবু সেই রাতের স্মৃতি আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়িয়েছে আরো বহু বছর।-শেরজা তপন
 from somewhereinblog.net

Monday, June 13, 2011

খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের যৌন কেেলংকারি ধর্মীয় নৈতিকতা আজ কোথায়


শাকিল আহমেদ মিরাজ : মনুষ্যত্ব হীনের ঘৃন্যতা বিশ্বব্যাপী আজ বড় এক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে ৷ নৈতিক অবক্ষয়ের মাত্রা কোন পর্যায়ে নেমে এসেছে তা নিয়ে মনোবিজ্ঞানীদের মধ্যে চলছে তোলপাড় ৷ হিন্দু-মুসলাম-খ্রিষ্টান, সাদা-কালো কিংবা বাদামি, ইউরোপ-আমেরিকা কিংবা এশিয়া যেখানে যে জাতির কথাই বলুন সব জায়গায় মানুষের আচার-আচরণ দেখে মনে হচ্ছে মানবতা আর সুন্দরের যেন মৃত্যু ঘটেছে ৷ তত্ত্বের বিচারে দৃশ্যমান (!) মানবতাবাদী হিসেবে সকল ধর্মেই সাধারণ ধর্মীয় প্রধানকে মেনে নেয়া হয় ৷ সংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীতে এখন খ্রিষ্টান ধর্মালম্বী বেশি এবং স্বভাবতই তাদের ধর্মীয় প্রধান বা ধর্মযাজকের সংখ্যাটাও অন্য ধর্মের চাইতে ঢের বেশি ৷ নৈতিক অবক্ষয় আজ টান দিয়েছে সেই শিকড় ধরে! প্রত্যেক ধর্মই মানুষকে সংযমী হওয়ার শিক্ষা দেয় ৷ শিক্ষা দেয় পাপ, মন্দ অনিষ্টকর কাজ থেকে দূরে থাকার ৷ নিজের ভেতরে পশুত্ব, কামপ্রবৃত্তিকে দমন করার ৷ এ ক্ষেত্রে একজন ধর্মীয় গুরুর দায়িত্ব তো আরও অনেক বেশি ৷ তিনি ধর্মের নিয়ম- নীতি নিজে মেনে চলবেন, পাশাপাশি মানুষকে সঠিক পথ দেখাবেন ৷ মানুষের কাছে তিনি হবেন অনুস্মরণীয় ৷ সেই ধর্মীয় গুরু যখন বিপথগামী হন, তখন সাধারণ মানুষের আর যাওয়ার জায়গা থাকে না ৷ ক্যাথলিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মযাজকদের অনেকে এখন এমনই বিপথগামী হয়ে পড়েছেন ৷ নিজেদের আদিম বাসনা পূরণ করতে গিয়ে ভুলতে বসেছেন যে তারা নিজেরা মানুষকে সুপথে আনার কাণ্ডারি ৷ তাদের এই বিপথগামিতায় ষোড়শ পোপ বেনেডিস্ট পড়েছেন অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে ৷ এমনকি গোটা ক্যাথলিক সম্প্রদায়কে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে ৷ অবশ্য তাদের এই যৌন নির্যাতনের ঘটনা নতুন কিছু নয় ৷ তবে গত কয়েক বছরে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে বিশ্বজুড়ে একের পর এক যাজকের যৌন নির্যাতনের কাহিনী ফাঁস হয়ে যাচ্ছে ৷ আর এসব ঘটনা বিশ্বজুড়ে পবিত্র গির্জার মতো উপসানালয়ের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে ৷ রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে চার্চের শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নতুন কোনো ঘটনা নয় ৷ তবে নতুনত্ব হলো চার্চের যাজকদের এই সব কুকর্মের খতিয়ান প্রভাবশালী গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়ে পড়ার ঘটনা ৷ সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে ৷ আর এতে করে বিশ্বের দেশে দেশে রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে ‘ছি ছি’ রব উছে ৷ চরম ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে ভ্যটিকান ৷ এমনকি খোদ পোপের বিরুদ্ধেও রয়েছে যৌন নিপীড়ক ধর্মযাজকদের প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগ ৷ অবস্থা বেগতিক দেখে পোপ যৌন নিপীড়নের শিকার শিশু ও তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ৷ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা যুক্তরাষ্ট্রের এক ক্যাথলিক ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নিপীড়নের খবর প্রকাশ করে করেছে, ফাদার লরেন্স মার্ফি নামের উইন্সকনসিনের ওই যাজকের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক বধির শিশুকে যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগ ছিল ৷ ফাদার লরেন্স মার্ফি ২৪ বছর ধরে উইন্সকনসিনের একটি বধির শিশুদের স্কুলের শিক্ষক ছিলেন ৷ ১৯৯০ সালে সংঘটিত ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এক আর্চবিশপ ফাদার লরেন্স মার্ফির বিরুদ্ধে ভ্যাটিকানে দুবার চিঠি লিখে অভিযোগ পাঠিয়েছিলেন ৷ বর্তমান পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট তখন রোমান ক্যাথিলকদের সর্বোচ্চ সংস্থা কংগ্রেশন ফর দ্য ডকট্রিন অব দ্য ফেইথের প্রধান ছিলেন ৷ কিন্তু এ ব্যাপারে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং কর্তৃপক্ষ লরেন্সের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেননি ৷ বরং ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছিলেন ৷ এ ঘটনার প্রায় ২০ বছর পর বেনেডিক্ট পোপ হয়েছেন ৷ শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগের বিষভয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে ভ্যাটিকান বলেছে, যুক্তরাস্ট্রের কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের তদন্ত এবং তা বাতিল করেছে ৷ তবে ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কেন তখন ফাদার লরেন্স মার্ফিকে পুলিশে দেয়া হয়নি!’ ইতিম্যে পাঁচজন ভুক্তভোগীর পক্ষে দুজন আইনজীবী এই বিষয়ে মামলাও করেছেন ৷ নিউইর্য়ক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিস্তর অভিযোগ প্রকাশিত হতে থাকে ৷ সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশিত হয় ৷ এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্যাটিকান বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ে ৷ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টসহ সব রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকের চারিত্রিক সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও নেতৃত্ব নিয়ে সবার মনেই দেখা দিয়েছে চরম সন্দেহ ৷ আর রোমান ক্যাথলিকদের সবোর্চ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে এর দায়ভার এককভাবে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের ওপর বর্তায় ৷ পোপের ক্ষমা প্রর্থনা : আয়ারল্যান্ডের ঘটনার পর ভ্যাটিকান নড়েচড়ে ওঠে ৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট আয়ারল্যান্ডে ধর্মযাজকদের দ্বারা শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন ৷ তিনি এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে একে ‘পাপ ও অপরাধ’ ব েঅভিহিত করেছন ৷ পোপ নিজে আয়ারল্যান্ডের রোমান ক্যাথলিকদের কাছে এ ব্যাপারে একটি চিঠি লিখেছেন ৷ চিঠিতে তিনি যাজকদের ভর্ত্সনা করে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আত্মমর্যাদা নষ্ট করেছ ৷ এটা বিশপদের বিবেকের ত্রুটি ও নেতৃত্বের ব্যর্থতা ৷’ ভ্যাটিকারে পক্ষ থেকে এ ধরনের ঘটনাকে ট্র্যাজেডি বলে উল্লেখ করা হয়েছে ৷ তারা তাদের ব্যাখ্যায় একে প্রতিষ্ঠানিক ত্রুটি বলেও চিহ্নিত করেছেন ৷ তবে পোপ তার চিঠিতে এই ত্রুটি সংস্কারের কোনো বথা বলেননি এবং কোনো অভিযুক্ত যাজককে এই ঘটনায় পদত্যাগ করতেও বলেননি ৷ যদিও অনেক যাজক ইতোমধ্যে নিজ থেকেই পদত্যাগ করেছেন ৷ তবে পোপের এই মায়া প্রার্থনায় ভুক্তভোগীরা মোটেও সন্তুষ্ট নন ৷ কেবল ভর্ত্সনা নয়, তারা চান যৌন নিপীড়ক যাজকদের কঠোর শাস্তি ৷ শুধু তা-ই নয়, পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের নিজ দেশ জার্মানি থেকেই তার পদত্যাগের দাবি উঠেছে ৷ কারণ পোপ নিজেও এ ধরনের অভিযাগ ধামাচাপা দেয়ার সাথে জড়িত ছিলেন ৷ তাই তার নিজেরই সংস্কার হওয়া উচিত বলেই ভুক্তভোগীদের অনেকেই মত দিয়েছন ৷ তাদের মতে, যাজকেরাই যখন নিপীড়কের ভূমিকা পালন করেন’
সপ্তাহের সারাবিশ্ব

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More