This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label সমকামীতা. Show all posts
Showing posts with label সমকামীতা. Show all posts

Friday, July 8, 2011

যৌনতার বাধানিষেধ


যদিও অনেক প্রাণীর মধ্যে সমকামিতার যৌনখেলা বর্তমান। তাদের যৌনতার পরিচালনা হয় বেশিরভাগই উর্বরতাবৃত্তের সময়ে। সাধারণত নারী পশুরাই তাদের গর্ভধারণের সময়কালে পুরুষ পশুদের সাথে মিলিত হওয়ার আগ্রহ দেখায়। পশুদের এই মিলনপর্বের সময়টাকে অর্থাৎ তাদের উর্বরতাবৃত্তের পিরিয়ডকে প্রায়ই বলা হয়ে থাকে এসট্রুস। নারী পশুর গাত্র থেকে এই সময়ে একটা গন্ধ ছড়ায়, যা পেয়ে পুরুষ পশুরা যৌনভাবে উত্তেজিত হয়। এই গন্ধ ছড়ানো শুরু হলেই বুঝতে হবে মাদী পশু এখন এসট্রুস অবস্থায় আছে। এই ধরনের যৌন উত্তেজনার গন্ধকে বলা হয়ে থাকে ফেরোমোন।
অনেক শ্রেণীর পশুদের মধ্যে মাদী পশু প্রায় একই সময়ে সবগুলোর এসট্রুস হয়ে থাকে। তখন ফেরোমোনসের গন্ধে বাতাস পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে, যার কারণে মর্দ পশুদের যৌন উত্তেজনা বেড়ে যায়, যাকে বলা হয়ে থাকে রুট।
বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি যে, ফেরোমোনস মানুষের যৌনতার ক্ষেত্রে কী ভূমিকা রাখে। আমরা নিশ্চিত করে জানি যে, যদিও নারী ও পুরুষের কোনো এসট্রুস বা রুট পিরিয়ড বলে কিছু নেই। এটাই হলো মানুষ ও পশুদের মধ্যে একটা বড় পার্থক্য­ আমাদের যৌন পরিচালনা শুধু প্রজননের জন্যই সীমিত নয়। আমরা যে কোনো সময়েই যৌন জাগৃতির ইচ্ছা করতে পারি, যৌনাঙ্গ চালনা করতে পারি এবং যৌনানন্দ উপভোগ করতে পারি। তাতে নারী উর্বর হোক বা না হোক তা কোনো ব্যাপার নয়। আমাদের মানুষের যৌন পরিচালনা আরো আমাদের সম্ভব করে তোলে ব্যাপক আকারের বিবিধ প্রক্রিয়ায় যৌন জাগরণ ও আনন্দ উপভোগ করা। এসব মানুষের যৌনখেলা পশুদের মতো এতটাই সীমিত আকারের নয়। যদিও আমাদের রয়েছে অনেক বেশি যৌন আনন্দের ক্ষমতা অন্যান্য বেশিরভাগ পশুর চেয়ে, আমাদের যৌন পরিচালনা অনেক বেশি নিষিদ্ধ হতেও পারে।
যেসব বাধানিষেধ যা মানুষের যৌন পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়, তা সাধারণত শারীরিক অপারগতার কারণে নয়, যেভাবে অন্য প্রাণীদের ক্ষেত্রে হয় আমাদের যৌনতার বাধানিষেধগুলো হচ্ছে সাধারণত সামাজিক। তারা সেরিব্রাল করটেক্সের মধ্যে বাণীবদ্ধ হয়ে থাকে। ব্রেনের এই অংশের মধ্যেই আমাদের যৌনতার পরিচিতি ও ভালোবাসার মানচিত্র উন্নতি লাভ করে। তারা গঠিত হয় আমাদের জীবন আরো আমাদের পরিবারের সঙ্গে জীবনের অভিজ্ঞতা এবং আমাদের সম্প্রদায়ের সামাজিক ও যৌনতার আদর্শ দ্বারা। এখানেই আমাদের যৌনতার অনুভব বসবাস করে। এই অনুভবগুলো প্রভাবিত করে যে, কীভাবে আমরা যৌনতায় মিলিত হই, কতটা বৈচিত্রতায় আমাদের যৌনতার আচরণ আমরা উপভোগ করতে পারি এবং কতটা আনন্দ আমরা পেতে পারি।
অনেকগুলো অনুভব যা আমাদের আছে তা হচ্ছে যৌনতা সম্বন্ধে বাধা-নিষেধ। এসব বাধানিষেধের অনেকগুলোই আমাদের নিজেদের ও আমাদের সম্প্রদায়কে রক্ষা করতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ আমাদের মধ্যে বেশিরভাগ লোকই অন্যকে আমাদের সাথে জবরদস্তি যৌনমিলনের জন্য বাধা অনুভব করি। অন্যদিকে অনেকগুলো বাধা-নিষেধ আছে যা অনুভব করি তা শুধু নিজেদের যৌনভাবে উপভোগ করায় বাধা দেয়। উদাহরণস্বরূপ আমরা চাইতে পারি যে আমাদের সঙ্গী আমার বিশেষ কোনো অঙ্গ স্পর্শ করুক কিন্তু হয়তো আমরা জানি না সেটা জিজ্ঞেস করা সঠিক কি না।
আমাদের যৌনতার বেশিরভাগ নিষেধ জড়িত রয়েছে আমাদের দেহের কল্পনায়, আমাদের আত্মসম্মানের সাথে, ঈর্ষা, হোমোফোবিয়া এবং আমাদের আন্তরিক হওয়ার সামর্থের সাথে।

Thursday, July 7, 2011

সমকাম নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, তোপের মুখে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সমকামিতাকে একটি ব্যাধি হিসেবে অভিহিত করেছেন ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী গোলাম নবী আজাদ। তিনি বলেছেন, 'সমকামিতা একটি প্রকৃতিবিরুদ্ধ সম্পর্ক। বিদেশিরা ভারতে এ রোগ নিয়ে এসেছে।' গত সোমবার নয়াদিলি্লতে এইচআইভি/এইডস সচেতনতাবিষয়ক জাতীয় সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। ভারতের মানবাধিকার সংস্থাগুলো তাঁর বক্তব্যে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছে।
১৫০ বছরের পুরনো এক আইনের কারণে দুই বছর আগ পর্যন্ত সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হতো ভারতে। কিন্তু ২০০৯ সালে সাড়া জাগানো এক রায়ের মাধ্যমে সমকামিতাকে অপরাধের তালিকা থেকে বাদ দেন দেশটির আদালত। এ কারণে সমকামীদের বিষয়ে সাধারণত কোনো আক্রমণাত্মক বা নেতিবাচক বক্তব্য দেন না ভারতের রাজনীতিবিদরা। সোমবার দিলি্লর সম্মেলনে প্রকাশ্যেই সমকামীদের সমালোচনা করেন আজাদ। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও ক্ষমতাসীন কংগ্রেস পার্টির সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীও উপস্থিত ছিলেন। আজাদ বলেন, 'সমকামিতা উন্নত দেশগুলোর বিষয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেখান থেকে রোগটি এখন আমাদের দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে। ভারতে সমকামীর সংখ্যাও এখন কম নয়।' তাঁর মতে, প্রকৃতিবিরুদ্ধ হলেও ভারতে দ্রুতগতিতে সমকামিতার বিস্তার ঘটছে।
ভারতে এইচআইভি বিস্তারের জন্যও সমকামীদের দায়ী করেন আজাদ। তিনি বলেন, 'নারী যৌনকর্মীদের খুঁজে যৌন শিক্ষা দেওয়া সহজ। কিন্তু এখন অনেক পুরুষ অন্য পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করছে। তাদের শনাক্ত করা খুব কঠিন। ফলে তাদের মধ্যে এইচআইভি সচেতনতাবিষয়ক কাজ করা যায় না।' একটি হিসাব অনুযায়ী ভারতে সমকামী পুরুষের মধ্যে আট শতাংশ এইচআইভি আক্রান্ত। অথচ সামগ্রিকভাবে দেশটিতে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার এক শতাংশেরও কম।
ভারতের বিভিন্ন সংস্থা আজাদের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে। জাতিসংঘের স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ দূত আনন্দ গ্রোভার বলেন, 'তাঁর পদমর্যাদার এক ব্যক্তির মুখে এমন বক্তব্য খুব দুর্ভাগ্যজনক ও অগ্রহণযোগ্য। একজন মন্ত্রী সমকামীদের সম্পর্কে এভাবে কথা বললে মানুষ ধারণা করবে, এটিই সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি।' সমকামী অধিকারকর্মী মনীষ মালহোত্রা বলেন, এ বক্তব্যের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি দাবি করেন, সমকামিতা প্রকৃতির অংশ এবং ভারতে বিষয়টি মোটেও নতুন নয়। দেশটির ধর্ম গ্রন্থগুলোতেও এর উল্লেখ আছে। সূত্র : এএফপি।

Monday, June 27, 2011

লেসবিয়ান শব্দ নিয়ে বিপত্তি

সমকামী নারীদের লেসবিয়ান নামে অভিহিত করার বিষয়টি সবার জানা৷ কিন্তু লেসবিয়ান শব্দটির উত্‍পত্তি সম্প্রর্কে কি আমরা জানি? গ্রিসের প্রাচীন দ্বীপ লেসবোসের তিন অধিবাসী গত মাসে এ নামটি ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন৷ কিন্তু গত মঙ্গলবার দেয়া আদালতের রায় তাদের বিপক্ষে গেছে৷ প্রাচীন গ্রিক কবি সাফফোর জন্মস্থান লেসবোসের এ তিন অধিবাসীর অভিযোগ, সমকামী নারীদের লেসবিয়ান নামে চিহ্নিত করার বিষয়টি লেসবোসের অধিবাসীদের জন্য অবমাননাকর৷ তাছাড়া পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের লেসবিয়ান নারীরা এ দ্বীপে সমবেত হন৷ উলেখ্য, কবি সাফফোর ভালোবাসার অমর কবিতাগুচ্ছ লেসবিয়ান নামে প্রসিদ্ধি অর্জন করে৷ এথেন্সের আদালত রায়ে বলেন, আলোচিত শব্দটি দিয়ে কেবল লেসবোস দ্বীপের অধিবাসীদেরই চিহ্নিত করা হয় না, কাজেই গ্রিস ও পৃথিবীর অন্যত্র এ শব্দের ব্যবহার চলবে৷ সূত্র : রয়টার্স

Saturday, June 18, 2011

সমকামী-২ (১৮+)


নিকেতন থেকে বের হয়ে মুল রাস্তায় আসলাম ট্যাক্সি কিংবা অটোরিক্সার খোজে। সন্ধ্যে সাতটা বাজেনি তখনো। কর্পোরেট অফিসগুলোতে ছুটি হচ্ছে-এখন ভাড়ায় গাড়ি পাওয়া বেশ কষ্টের। ট্যাক্সি চালকেরা তাদের প্রিয় গন্তব্যে পছন্দের যাত্রীকে নিয় ইচ্ছেমত ভাড়া হাকাতে ব্যাস্ত। দুয়েকটা খালি গাড়ি আসলেই ছুটো যাচ্ছে কয়েকজন-আর মওকা বুঝে চালকেরা ভাব নিচ্ছে। দুয়েকজন হা না বললেও বেশীরভাগই হয় মাথা ঝাকাচ্ছে নয়তো কিছু না বলেই আরো জোরে গাড়ি ছুটিয়ে চলে যাচ্ছে।ঢাকার রাস্তায় এই ট্যাক্সি চালকের দৌরাত্মে নিজেকে বেশ অসহায় মনে হয়।গাড়ি কেনাটা আর তখন বিলাসিতা মনে হয়না-সবচে জরুরি বিষয় বলেই ভাবতে ইচ্ছে করে।মৌলিক চাহিদা অন্ন বস্ত্র বাসস্থানের সাথে গাড়িটাকে জুড়ে দিতে ইচ্ছে করে।
পাশের ব্যাংক থেকে এক রমণী অভদ্রের মত আমাকে টপকে সামনে গিয়ে উল্টোমুখে দাড়িয়ে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে বা হাতে আইডি কার্ডের ফিতেটা ঘুরিয়ে যেভাবে ঠ্যাং নাচাচ্ছিল তা দেখে মেজাজ বিগড়ে গেল।আমিও ইচ্ছে করলে তার সামনে গিয়ে দাড়াতে পারি কিন্তু সংস্কারে বাধে। 
নাহ্ এখানে এভাবে দাড়িয়ে থাকার কোন মানে হয়না।হাতে যখন সময় আছে এর থেকে রিক্সায় গুলশান একনম্বর গিয়ে বাসে করে যাই।সময় থাকলে এমনিতেই অনেক সময় বাসে চড়ি-সেখানে প্রতিমুহুর্তেই নতুন নতুন কাহিনীর জন্ম হয়-শুধু চোখ মেলে বসে কান পেতে শুনলেই হল।
অফিস ছুটির সময় তাই স্বভাবতই এখন বাসে আরো বেশী ভীড়।সৌভাগ্যবশত সিট পেয়ে গেলাম। তিন সিটের দুপাশে দুজন বসে ছিল -মাঝেরটা খালি। বাম পাশের যাত্রীটা হাটু সরিয়ে আমাকে ভিতরে যাবার পথ করে দিলেন। দুজন যাত্রীর মাঝখানে বসাটা আমার বেশ অপছন্দের। একটু বিষন্ন মনে বললাম- ভাই মাঝখানেই পাঠালেন?
লোকটা বেশ ভাল, অমায়িক হেসে বললেন, কেন আপনি সাইডে বসতে চাচ্ছেন?সমস্যা নেই,বসেস-বসেন। বলে তিনি সরে গেলেন।
কি ভুল করলাম পরমুহুর্তেই বুঝলাম। পরের স্টপেজে হুড়মুড় করে বেশ কিছু যাত্রী উঠল। আমার পাশে এসে দাড়াল হাতে পোর্টফোলিও নিয়ে মার্জিত পোষাক পরা একহারা গড়নের লম্বা ফর্সা এক তরুন।বাসে তখনো গাদাগাদি ভীড় নেই পিছনে ফাকায় দাড়ানোর সুযোগ পেয়েও সে কেন দরজার কাছে আমার পাশেই এসে দাড়ালো বুঝলামনা।
বাস ফের চলতে শুরু করল। আমি নিমগ্ন হলাম আমার ধ্যানে।
খানিক বাদে একটু অস্বস্তি! ছেলেটা খুব বেশী ঘেষে আছে আমার বাহুর সাথে।বাসের ঝাকুনি ঢিমে তালে হলেও এস বেশ জোরে জোরে দুলছে। প্রথমে পাত্তা দেইনি ডান দিকে একটু চেপে বসলাম।
পরের স্টপেজে আরো কিছু যাত্রী উঠল।এবার বাস ভরে গেছে-ছেলেটা কিন্তু কোথাও না সরে সেখানেই দাড়িয়ে রইল ঠায়। আবার চলতি বাসে তার ঘষাঘষিতে মালুম হল মামু অন্য কিসিমের!ডাইনে বায়ে সরলাম এদিক ওদিক ঘুরলাম কিন্তু সে তার লক্ষ্যে অনড়। এবার আবার নিজের ভুল ভেবে নিজের মধ্য ডুব দেবার চেষ্টা করলাম। ভেবে ওখানে এক রমনীই দাড়িয়ে আছে-কল্পনায় না হয় একটু আদিম সুখই অনুভব করলাম। কিন্তু না সপ্নের শুরুতেই হোচট খেলাম!কঠিন পুরুষাঙ্গের ঘর্ষন নারীর কোমলতার সাথে যে বড্ড বেমানান। মনে হল উঠে দাড়িয়ে জোরে এক থাপ্পর মারি-শালা বিতলামীর আর জায়গা পাওনা।উমহু ব্যাপারটা শোভন হবেনা-ফের সংস্কারের বাধা!
ঘাড় ঘুরিয়ে ছেলেটার দিকে তাকালাম ভাল করে। ফর্সা র্সুদর্শন লো পাওয়ার্ড চশমা তাকে বেশ ইনোসেন্ট লাগছে।সবকিছু ভুলে বাইরে কিছু একটা আতিপাতি করে এমন ভাবে খুজছে যে নিন্মাঙ্গের কোন বার্তাই তার মগজে গিয়ে পৌছায়নি। দুটো মাথা দুই ভাবনায় ব্যাস্ত।তার উদ্দেশ্যে কয়েক ডজন গালি জিভের অগ্রভাগে এসে কিলবিল করল শুধু।

আপনি কি জানেন কত শত পুরুষ শিশু কিশোর পুরুষদের দ্বারা ধর্ষিত হয় প্রতিবছর?

আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সমকামিতাকে ঘৃনা করি কিন্তু সমকামীকে নয়(অনেকটা পাপকে ঘৃনা কর পাপীকে নয়-এর মত),কেননা তারা কোনমতেই বিপরিদ লিঙ্গের প্রতি আকর্ষন অনুভব করেনা।এটাতো স্বীকৃত যে সমকামীতা একধরনের অসুস্থতা-প্রকৃতির এই নিষ্ঠুর খেলার কাছে তারা অসহায়!অতএব তাদের ঘৃনা করাটা বোধ হয় ঠিকনা।। 
কিন্তু সারা বিশ্বেই অন্য এক ধরনের সমকামী বা উভকামীর দেখা মিলবে। এদের কোন বাছ বিচার নেই। বিপরিদ লিঙ্গের কাউকে না পেলে এরা সমলিঙ্গের সাথেও দৈহিক মিলনে লিপ্ত হতে দ্বীধা করেনা। নিজের রিপুকে দমন করার জন্য এরা যে কোন পন্থা অবলম্বন করে।আমাদের দেশের মত ধর্মীয় কারনে বা সামাজিক ভাবে রক্ষনশীল দেশেই এদের আধিক্য। অবশ্য সবখানেই একঘেয়েমীতা বা রুচি পরিবর্তনের জন্য কিছু মানুষ সমকামীতায় আগ্রহী হয়।
অল্প চেনা অতিচেনা কিংবা অচেনা কোন সবল পুরুষের কাছে একই বিছানায় যখন আমরা একটা কিশোরকে আমরা ঘুমোতে পাঠাই নিশ্চন্তে তখন কি একবারও ভাবি-কি ভয়াবহ একটা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে সেই একটা রাতে?সেই কিশোরটি কাউকে বলতে পারেনা-হয়তো কেউ বিশ্বাস করবে না ভেবে।কি নিদারুন ভয়ঙ্কর লজ্জা অপমান গ্লানীতে নীল হয়ে সে মুষড়ে থাকে-সারাটাজীবনই হয়তো সে মনের একান্ত গহীনে সে কষ্টটাকে বয়ে বেড়ায়।

ঠিক তেমনি একটি ভয়ঙ্কর ধর্ষনের ঘটনার বর্ণনা করছি আমার এক অতি ঘনিষ্ঠ বন্ধুর নিজের জবানীতে;
তখন বয়স ১১/১২ হবে।নারীদের প্রতি অল্প বিস্তর আকর্ষন বোধ করি, রুপ দেখে বিমোহিত হই, কল্পনায় সপ্ন গিজগিজ করে রুপকথার আদলে। সন্তান উৎপাদনের পুরোপুরি প্রক্রিয়া থকনো জানা হয়নি।যৌন বিষয়ক কথাবার্তা বহুবার পিউরিফাইড হয়ে কানে আসে।
ভাবতাম যৌন সম্ভোগ শুধু খারাপ লোকেরাই করে।আমার পরিবার,পরিবেশ আর আশেপাশের কালচার এইভাবেই আমাদের শিখিয়েছিল।নিরাভরন নারিদেহ দেখার দুর্নিবার আকাঙ্খা থাকলেও সেইটে ছিল শুধু নিষিদ্ধ কোন কিছু চোখ দিয়ে স্পর্শের আকাঙ্খায়।
ইন্টারনেট টিভির দৌরাত্ম আর খোলামেলা ছবির আগ্রাসনতো তখনো শুরু হয়নি-তাই এই প্রজন্মের থেকে অনেকখানি পিছিয়ে ছিলাম তখন।
সমকামী ব্যাপারটা তখন ধারনার মধ্যেই ছিলনা।একসাথে গাদাগাদি লেপ্টালেপ্টি করে শত শত পুরুষ নারী শুয়ে থাকলেই কি-নির্জলা বন্ধুত্ব কিংবা আত্মিক সম্পর্ক ছাড়া তাদের মধ্যে অন্য কোন সম্পর্ক থাকতে পারে সেইটে কল্পনা থেকে বহু লক্ষ্য যোজন দুরে ছিল।
সেই পুচকে বয়সে আমার দুই বোন আমাকে বডিগার্ড হিসেবে নিয়ে গেল বেড়াতে আমাদের দুরসম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাড়িতে।সম্পর্ক দুরের হলেও তাদের আন্তরিকতাও আতিথিয়েতা ছিল দারুন।জোড়াজুড়িতে সেই রাতে সেখানে থেকে যেতে বাধ্য হলাম সবাই।মেয়েদর থাকার জায়গার ব্যাবস্থা হলেও আমাকে নিয়ে পড়ল ফ্যাসাদে!তখন না বড় না ছোটর দলে।
অবশেষে আমার জায়গা হল তাদেরই ভাড়া দেয়া এক মেস বাড়িতে।মাঝারি একটা রুমে তিনখানা খাট। তিনজন বোর্ডার মাত্র। জায়গা হল তন্মধ্যে বেশ বড় একখান খাটে সজ্জন এক বোর্ডারের সাথে।
তখনো হাফ প্যান্ট পরি। গায়ের জামাখানা খুলে রেখে বিছানায় শরির এলিয়ে দিলাম। 
এরকম পরিবেশ আমার জন্য একদম নতুন -অপরিচিত কারো সাথে ঘুমাইনি কখনো, তাই প্রথমে একটু অস্বস্তি লাগলেও জার্নি আর হুটোপাটার ধকলে ক্লান্ত আমি ঘুমিয়ে পরলাম পরক্ষনেই।
গভীর রাত; ঘুম ভেঙ্গে গেল-দম আটকানো অস্বস্তি কর একটা চাপ অনুভব করছিলাম। 
ঘুম ঘোরে ভেবছিলাম সপ্ন দেখছি-পরমুহুর্তেই ফিরে এলাম বাস্তবে।ভীষন আতংকিত হয়ে লক্ষ্য করলাম আমার পাশে শুয়ে থাকা সবল রোমশ পুরুষটা আমাকে জোরে চেপে ধরে তার উত্তিথ পুরুষাঙ্গ দিয়ে আমার দুপায়ের ফাকে জোরে জোরে ঘষছে। সারা দেহ থরথর করে কেপে উঠল আমার ভীষন ভয় পেয়ে গেলাম।তবুও মনে ভীষন সাহস সঞ্চয় করে ঝাড়া দিয়ে উটে বসে আতংকিত কন্ঠে বললাম- এসব কি করছেন?
লোকটা আচমকা আমার কাছ থেকে এমন প্রতিরোধ আশা করেনি- সেও ধড়মড় করে উঠে বসে-কাপা কাপা কন্ঠে এক্কেবারে কিস্যু জানেনা এমন ভঙ্গীতে বলল,কেন কি করেছি?
-আমি আরো জোড়ে চেঁচিয়ে উঠলাম, মানে আপনে জানেননা কি করেছেন? আমি সবাইকে বলে দেব।
তখুনি সে আমার মুখ চাপা দিয়ে হিস হিস করে উঠল, খবরদার কাউকে বলবা না তাইলে খুন করে ফেলব।‘
পাছে ঘুমিয়ে পড়লে সে আমাকে মেরে ফেলে সেই ভয়ে আতংকে সারারাত আমি ঠায় বসে ছিলাম সেখানটায়। ভোরের দিকে হয়ত একটু তন্দ্রার মত এসেছিল-ফের চোখ মেলে চাইতেই দেখি বিছানা ছেড়ে পালিয়েছে সে- সকালের মিষ্টি রোদের আলো ভরে আছে সারা ঘর।
ভোরের আলোর স্পর্শে হয়ত আমি ভয় মুক্ত হয়েছিলাম-তবু সেই রাতের স্মৃতি আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়িয়েছে আরো বহু বছর।-শেরজা তপন
 from somewhereinblog.net

ঘৃন্য সমকামী যৌনতা ও ভারতীয় দর্শন



যৌনতা, 

ভারতীয় পুরান, সনাতন দর্শনে যৌনতাকে কখনও অনেক উপরে রাখা হয়েছে। কথা দ্ধারা যৌনতার প্রয়োজনীয়তাকে বুঝানো হয়েছে। আবার অনেক সাধু পুরুষ যৌনতাকে ঘৃনার চোখে দেখেছেন। যৌনতাকে করেছেন বারন। তাই ভারতীয় সমাজে যৌনতাকে কখন ও কর্তব্য কখনো ঘৃন্য কাজ বলে রুপ পাল্টে পাল্টে এসেছে। একেবারে অধুনা মহাপুরুষ শ্রীরামকৃঞ্চ বলেছেন হিন্দু দর্শন থেকে, পুরোপুরি যৌনক্ষমতা সম্পন্ন একজন যদি এক যুগ যৌন কাজ না করে তাহলে তাহার শরীরে বিশেষ শক্তির উদয় হয়। 

বৈঞ্চব ধর্মের প্রচারক শ্রীচৈতন্য (মহাপ্রভু নিমাই), বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারক গৌতম বুদ্ধরা আসক্তি হীন দর্শন প্রচার করেছিলেন। ওদের দর্শনে যৌনতাকে পুরোপুরি ত্যাগের কথা বলা হয়েছে। তাই একটু আগেই বলেছিলাম ভারতীয় উপমহাদেশের দর্শনে যৌনতাকে কখনো ঘৃন্য কখনো ও প্রয়োজনীয় বলা হয়েছে। লোকজনের কাছে বার বার এর রুপ পাল্টেছে।

এমন ও হয়েছে যে এক রাজা লোকজনকে যৌন কাজে উৎসুক করার জন্য মন্দিরের গায়ে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ন শ্হাপনার দেয়ালে দেয়ালে সঙ্গমরত নারী-পুরুষের মূর্তি তৈরি করে রেখেছিলেন। ঐসব সঙ্গমরত নারী-পুরুষের মূর্তি দেখলে এখনখার ইন্টারনেট যুগের ছবি বলে মনে হবে। কিন্তু সেতো প্রায় ১০০০ বছর আগেকার মূর্তি। রাজা রাজ্যের গুরুত্বপূর্ন শ্হাপনার দেয়ালে দেয়ালে সঙ্গমরত নারী-পুরুষের মূর্তি তৈরি করে লোকজনকে যৌনকাজে উৎসাহী করতে পেরেছিলেন কিনা সে ইতিহাস কেউ জানে না।

সেই ভারতীয় উপমহাদেশের কোন দেশের আদালত যদি পুরুষ - পুরুষে যৌন কাজ, নারী-নারীতে যৌনকাজকে বৈধ করে দেয়, তাহলে তাকে ঘৃন্য রায় বলতে হয়। 

আজ Delhi High Court এর একটি কমিটি homosexuality কে decriminalises ঘোষনা করল। এতদিন ভারতীয় আইনের Section 377 of the Indian Penal Code এ homosexuality অবৈধ ছিল। এবং এ রুপ মামলায় জড়ালে শাস্তি ছিলো ১০ বছর। উল্লেখ্য ভারতে ২৫লক্ষ সমকামী আছে বলে ধারনা করা হয় । 

১৮৬২ সালে মেক্সিকোতে সমকামীতা বৈধ করা হয়। ১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ডে, ২০০৩ সালে ইরাকে, ২০০৯ সালে নরওয়ে ও সুইডেনে সমকামীতাকে বৈধ করে দেয়া হয়। 

আজকের কিছু ছবি (সমকামীতা বৈধ হওয়ার পরে) :

 


 

 

 

 


ভারতে সমকামিতা নিয়ে কিছু সিনেমা নির্মিত হয়েছে, নিচে তা থেকে কয়েকটা ছবি: 

 

Nandita Das and Shabana Azmi দিপা মেহতার ফায়ার ছবিতে।

 

Konkona Sen Sharma .. The President is Coming ছবিতে ।



Divya Dutta ..... Monica ছবিতে

 

Amrita Arora and Eesha Koppikar ... গার্লফ্রেন্ড ছবিতে।




লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): homosexualityhomosexuality in bangladeshhomosexualhomosexuality in India ;
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৯

Friday, June 17, 2011

বাইবেলে সমকামীতার বিষয়ে কি বলা আছে ? সমকামীতা কি পাপ?

প্রশ্ন: বাইবেলে সমকামীতার বিষয়ে কি বলা আছে ? সমকামীতা কি পাপ?

উত্তর: 
বাইবেল আমাদের দৃঢ়ভাবে বলে যে সমকামীতা পাপ (জেনেসিস্ 19:1-13; লেভিটিকাস্ 18:22; রোমান্‍স 1:26-27; 1 কোরিন্থিয়ান্‍স 6:9)৷ রোমান্‍স 1:26-27 নির্দিষ্টভাবে আমাদের শেখায় যে সমকামীতা হল ঈশ্বরকে অমান্য এবং অস্বীকার করার ফল৷ মানুষ যখন পাপ এবং অবিশ্বাসের পথে চলে তখন ঈশ্বর “আরো সুযোগ দেন” তাদের দুর্নীতিপরায়ণ ও কলুসিত হতে কারণ তার মাধ্যমেই মানুষ বুঝতে পারবে যে ঈশ্বরকে ছাড়া যে জীবন তা কতখানি ব্যর্থ এবং নৈরাশ্যজনক৷ 1 কোরিন্থিয়ান্‍স 6:9 দাবী করে যে যারা সমকামীতা করে সেই “পাপীরা” ঈশ্বরের রাজত্বে প্রবেশের অধিকার পায় না৷

Monday, June 13, 2011

খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের যৌন কেেলংকারি ধর্মীয় নৈতিকতা আজ কোথায়


শাকিল আহমেদ মিরাজ : মনুষ্যত্ব হীনের ঘৃন্যতা বিশ্বব্যাপী আজ বড় এক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে ৷ নৈতিক অবক্ষয়ের মাত্রা কোন পর্যায়ে নেমে এসেছে তা নিয়ে মনোবিজ্ঞানীদের মধ্যে চলছে তোলপাড় ৷ হিন্দু-মুসলাম-খ্রিষ্টান, সাদা-কালো কিংবা বাদামি, ইউরোপ-আমেরিকা কিংবা এশিয়া যেখানে যে জাতির কথাই বলুন সব জায়গায় মানুষের আচার-আচরণ দেখে মনে হচ্ছে মানবতা আর সুন্দরের যেন মৃত্যু ঘটেছে ৷ তত্ত্বের বিচারে দৃশ্যমান (!) মানবতাবাদী হিসেবে সকল ধর্মেই সাধারণ ধর্মীয় প্রধানকে মেনে নেয়া হয় ৷ সংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীতে এখন খ্রিষ্টান ধর্মালম্বী বেশি এবং স্বভাবতই তাদের ধর্মীয় প্রধান বা ধর্মযাজকের সংখ্যাটাও অন্য ধর্মের চাইতে ঢের বেশি ৷ নৈতিক অবক্ষয় আজ টান দিয়েছে সেই শিকড় ধরে! প্রত্যেক ধর্মই মানুষকে সংযমী হওয়ার শিক্ষা দেয় ৷ শিক্ষা দেয় পাপ, মন্দ অনিষ্টকর কাজ থেকে দূরে থাকার ৷ নিজের ভেতরে পশুত্ব, কামপ্রবৃত্তিকে দমন করার ৷ এ ক্ষেত্রে একজন ধর্মীয় গুরুর দায়িত্ব তো আরও অনেক বেশি ৷ তিনি ধর্মের নিয়ম- নীতি নিজে মেনে চলবেন, পাশাপাশি মানুষকে সঠিক পথ দেখাবেন ৷ মানুষের কাছে তিনি হবেন অনুস্মরণীয় ৷ সেই ধর্মীয় গুরু যখন বিপথগামী হন, তখন সাধারণ মানুষের আর যাওয়ার জায়গা থাকে না ৷ ক্যাথলিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মযাজকদের অনেকে এখন এমনই বিপথগামী হয়ে পড়েছেন ৷ নিজেদের আদিম বাসনা পূরণ করতে গিয়ে ভুলতে বসেছেন যে তারা নিজেরা মানুষকে সুপথে আনার কাণ্ডারি ৷ তাদের এই বিপথগামিতায় ষোড়শ পোপ বেনেডিস্ট পড়েছেন অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে ৷ এমনকি গোটা ক্যাথলিক সম্প্রদায়কে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে ৷ অবশ্য তাদের এই যৌন নির্যাতনের ঘটনা নতুন কিছু নয় ৷ তবে গত কয়েক বছরে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে বিশ্বজুড়ে একের পর এক যাজকের যৌন নির্যাতনের কাহিনী ফাঁস হয়ে যাচ্ছে ৷ আর এসব ঘটনা বিশ্বজুড়ে পবিত্র গির্জার মতো উপসানালয়ের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে ৷ রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে চার্চের শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নতুন কোনো ঘটনা নয় ৷ তবে নতুনত্ব হলো চার্চের যাজকদের এই সব কুকর্মের খতিয়ান প্রভাবশালী গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়ে পড়ার ঘটনা ৷ সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে ৷ আর এতে করে বিশ্বের দেশে দেশে রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে ‘ছি ছি’ রব উছে ৷ চরম ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে ভ্যটিকান ৷ এমনকি খোদ পোপের বিরুদ্ধেও রয়েছে যৌন নিপীড়ক ধর্মযাজকদের প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগ ৷ অবস্থা বেগতিক দেখে পোপ যৌন নিপীড়নের শিকার শিশু ও তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ৷ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা যুক্তরাষ্ট্রের এক ক্যাথলিক ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নিপীড়নের খবর প্রকাশ করে করেছে, ফাদার লরেন্স মার্ফি নামের উইন্সকনসিনের ওই যাজকের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক বধির শিশুকে যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগ ছিল ৷ ফাদার লরেন্স মার্ফি ২৪ বছর ধরে উইন্সকনসিনের একটি বধির শিশুদের স্কুলের শিক্ষক ছিলেন ৷ ১৯৯০ সালে সংঘটিত ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এক আর্চবিশপ ফাদার লরেন্স মার্ফির বিরুদ্ধে ভ্যাটিকানে দুবার চিঠি লিখে অভিযোগ পাঠিয়েছিলেন ৷ বর্তমান পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট তখন রোমান ক্যাথিলকদের সর্বোচ্চ সংস্থা কংগ্রেশন ফর দ্য ডকট্রিন অব দ্য ফেইথের প্রধান ছিলেন ৷ কিন্তু এ ব্যাপারে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং কর্তৃপক্ষ লরেন্সের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেননি ৷ বরং ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছিলেন ৷ এ ঘটনার প্রায় ২০ বছর পর বেনেডিক্ট পোপ হয়েছেন ৷ শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগের বিষভয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে ভ্যাটিকান বলেছে, যুক্তরাস্ট্রের কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের তদন্ত এবং তা বাতিল করেছে ৷ তবে ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কেন তখন ফাদার লরেন্স মার্ফিকে পুলিশে দেয়া হয়নি!’ ইতিম্যে পাঁচজন ভুক্তভোগীর পক্ষে দুজন আইনজীবী এই বিষয়ে মামলাও করেছেন ৷ নিউইর্য়ক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিস্তর অভিযোগ প্রকাশিত হতে থাকে ৷ সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশিত হয় ৷ এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্যাটিকান বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ে ৷ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টসহ সব রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকের চারিত্রিক সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও নেতৃত্ব নিয়ে সবার মনেই দেখা দিয়েছে চরম সন্দেহ ৷ আর রোমান ক্যাথলিকদের সবোর্চ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে এর দায়ভার এককভাবে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের ওপর বর্তায় ৷ পোপের ক্ষমা প্রর্থনা : আয়ারল্যান্ডের ঘটনার পর ভ্যাটিকান নড়েচড়ে ওঠে ৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট আয়ারল্যান্ডে ধর্মযাজকদের দ্বারা শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন ৷ তিনি এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে একে ‘পাপ ও অপরাধ’ ব েঅভিহিত করেছন ৷ পোপ নিজে আয়ারল্যান্ডের রোমান ক্যাথলিকদের কাছে এ ব্যাপারে একটি চিঠি লিখেছেন ৷ চিঠিতে তিনি যাজকদের ভর্ত্সনা করে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আত্মমর্যাদা নষ্ট করেছ ৷ এটা বিশপদের বিবেকের ত্রুটি ও নেতৃত্বের ব্যর্থতা ৷’ ভ্যাটিকারে পক্ষ থেকে এ ধরনের ঘটনাকে ট্র্যাজেডি বলে উল্লেখ করা হয়েছে ৷ তারা তাদের ব্যাখ্যায় একে প্রতিষ্ঠানিক ত্রুটি বলেও চিহ্নিত করেছেন ৷ তবে পোপ তার চিঠিতে এই ত্রুটি সংস্কারের কোনো বথা বলেননি এবং কোনো অভিযুক্ত যাজককে এই ঘটনায় পদত্যাগ করতেও বলেননি ৷ যদিও অনেক যাজক ইতোমধ্যে নিজ থেকেই পদত্যাগ করেছেন ৷ তবে পোপের এই মায়া প্রার্থনায় ভুক্তভোগীরা মোটেও সন্তুষ্ট নন ৷ কেবল ভর্ত্সনা নয়, তারা চান যৌন নিপীড়ক যাজকদের কঠোর শাস্তি ৷ শুধু তা-ই নয়, পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের নিজ দেশ জার্মানি থেকেই তার পদত্যাগের দাবি উঠেছে ৷ কারণ পোপ নিজেও এ ধরনের অভিযাগ ধামাচাপা দেয়ার সাথে জড়িত ছিলেন ৷ তাই তার নিজেরই সংস্কার হওয়া উচিত বলেই ভুক্তভোগীদের অনেকেই মত দিয়েছন ৷ তাদের মতে, যাজকেরাই যখন নিপীড়কের ভূমিকা পালন করেন’
সপ্তাহের সারাবিশ্ব

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More