This is default featured post 1 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured post 2 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured post 3 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured post 4 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured post 5 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
Friday, July 8, 2011
যৌনতার বাধানিষেধ
Thursday, July 7, 2011
সমকাম নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, তোপের মুখে ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১৫০ বছরের পুরনো এক আইনের কারণে দুই বছর আগ পর্যন্ত সমকামিতাকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হতো ভারতে। কিন্তু ২০০৯ সালে সাড়া জাগানো এক রায়ের মাধ্যমে সমকামিতাকে অপরাধের তালিকা থেকে বাদ দেন দেশটির আদালত। এ কারণে সমকামীদের বিষয়ে সাধারণত কোনো আক্রমণাত্মক বা নেতিবাচক বক্তব্য দেন না ভারতের রাজনীতিবিদরা। সোমবার দিলি্লর সম্মেলনে প্রকাশ্যেই সমকামীদের সমালোচনা করেন আজাদ। সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও ক্ষমতাসীন কংগ্রেস পার্টির সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীও উপস্থিত ছিলেন। আজাদ বলেন, 'সমকামিতা উন্নত দেশগুলোর বিষয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেখান থেকে রোগটি এখন আমাদের দেশেও ছড়িয়ে পড়ছে। ভারতে সমকামীর সংখ্যাও এখন কম নয়।' তাঁর মতে, প্রকৃতিবিরুদ্ধ হলেও ভারতে দ্রুতগতিতে সমকামিতার বিস্তার ঘটছে।
ভারতে এইচআইভি বিস্তারের জন্যও সমকামীদের দায়ী করেন আজাদ। তিনি বলেন, 'নারী যৌনকর্মীদের খুঁজে যৌন শিক্ষা দেওয়া সহজ। কিন্তু এখন অনেক পুরুষ অন্য পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করছে। তাদের শনাক্ত করা খুব কঠিন। ফলে তাদের মধ্যে এইচআইভি সচেতনতাবিষয়ক কাজ করা যায় না।' একটি হিসাব অনুযায়ী ভারতে সমকামী পুরুষের মধ্যে আট শতাংশ এইচআইভি আক্রান্ত। অথচ সামগ্রিকভাবে দেশটিতে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার এক শতাংশেরও কম।
ভারতের বিভিন্ন সংস্থা আজাদের বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে। জাতিসংঘের স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ দূত আনন্দ গ্রোভার বলেন, 'তাঁর পদমর্যাদার এক ব্যক্তির মুখে এমন বক্তব্য খুব দুর্ভাগ্যজনক ও অগ্রহণযোগ্য। একজন মন্ত্রী সমকামীদের সম্পর্কে এভাবে কথা বললে মানুষ ধারণা করবে, এটিই সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি।' সমকামী অধিকারকর্মী মনীষ মালহোত্রা বলেন, এ বক্তব্যের জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তিনি দাবি করেন, সমকামিতা প্রকৃতির অংশ এবং ভারতে বিষয়টি মোটেও নতুন নয়। দেশটির ধর্ম গ্রন্থগুলোতেও এর উল্লেখ আছে। সূত্র : এএফপি।
Monday, June 27, 2011
লেসবিয়ান শব্দ নিয়ে বিপত্তি
Saturday, June 18, 2011
সমকামী-২ (১৮+)
পাশের ব্যাংক থেকে এক রমণী অভদ্রের মত আমাকে টপকে সামনে গিয়ে উল্টোমুখে দাড়িয়ে মুঠোফোনে কথা বলতে বলতে বা হাতে আইডি কার্ডের ফিতেটা ঘুরিয়ে যেভাবে ঠ্যাং নাচাচ্ছিল তা দেখে মেজাজ বিগড়ে গেল।আমিও ইচ্ছে করলে তার সামনে গিয়ে দাড়াতে পারি কিন্তু সংস্কারে বাধে।
নাহ্ এখানে এভাবে দাড়িয়ে থাকার কোন মানে হয়না।হাতে যখন সময় আছে এর থেকে রিক্সায় গুলশান একনম্বর গিয়ে বাসে করে যাই।সময় থাকলে এমনিতেই অনেক সময় বাসে চড়ি-সেখানে প্রতিমুহুর্তেই নতুন নতুন কাহিনীর জন্ম হয়-শুধু চোখ মেলে বসে কান পেতে শুনলেই হল।
অফিস ছুটির সময় তাই স্বভাবতই এখন বাসে আরো বেশী ভীড়।সৌভাগ্যবশত সিট পেয়ে গেলাম। তিন সিটের দুপাশে দুজন বসে ছিল -মাঝেরটা খালি। বাম পাশের যাত্রীটা হাটু সরিয়ে আমাকে ভিতরে যাবার পথ করে দিলেন। দুজন যাত্রীর মাঝখানে বসাটা আমার বেশ অপছন্দের। একটু বিষন্ন মনে বললাম- ভাই মাঝখানেই পাঠালেন?
লোকটা বেশ ভাল, অমায়িক হেসে বললেন, কেন আপনি সাইডে বসতে চাচ্ছেন?সমস্যা নেই,বসেস-বসেন। বলে তিনি সরে গেলেন।
কি ভুল করলাম পরমুহুর্তেই বুঝলাম। পরের স্টপেজে হুড়মুড় করে বেশ কিছু যাত্রী উঠল। আমার পাশে এসে দাড়াল হাতে পোর্টফোলিও নিয়ে মার্জিত পোষাক পরা একহারা গড়নের লম্বা ফর্সা এক তরুন।বাসে তখনো গাদাগাদি ভীড় নেই পিছনে ফাকায় দাড়ানোর সুযোগ পেয়েও সে কেন দরজার কাছে আমার পাশেই এসে দাড়ালো বুঝলামনা।
বাস ফের চলতে শুরু করল। আমি নিমগ্ন হলাম আমার ধ্যানে।
খানিক বাদে একটু অস্বস্তি! ছেলেটা খুব বেশী ঘেষে আছে আমার বাহুর সাথে।বাসের ঝাকুনি ঢিমে তালে হলেও এস বেশ জোরে জোরে দুলছে। প্রথমে পাত্তা দেইনি ডান দিকে একটু চেপে বসলাম।
পরের স্টপেজে আরো কিছু যাত্রী উঠল।এবার বাস ভরে গেছে-ছেলেটা কিন্তু কোথাও না সরে সেখানেই দাড়িয়ে রইল ঠায়। আবার চলতি বাসে তার ঘষাঘষিতে মালুম হল মামু অন্য কিসিমের!ডাইনে বায়ে সরলাম এদিক ওদিক ঘুরলাম কিন্তু সে তার লক্ষ্যে অনড়। এবার আবার নিজের ভুল ভেবে নিজের মধ্য ডুব দেবার চেষ্টা করলাম। ভেবে ওখানে এক রমনীই দাড়িয়ে আছে-কল্পনায় না হয় একটু আদিম সুখই অনুভব করলাম। কিন্তু না সপ্নের শুরুতেই হোচট খেলাম!কঠিন পুরুষাঙ্গের ঘর্ষন নারীর কোমলতার সাথে যে বড্ড বেমানান। মনে হল উঠে দাড়িয়ে জোরে এক থাপ্পর মারি-শালা বিতলামীর আর জায়গা পাওনা।উমহু ব্যাপারটা শোভন হবেনা-ফের সংস্কারের বাধা!
ঘাড় ঘুরিয়ে ছেলেটার দিকে তাকালাম ভাল করে। ফর্সা র্সুদর্শন লো পাওয়ার্ড চশমা তাকে বেশ ইনোসেন্ট লাগছে।সবকিছু ভুলে বাইরে কিছু একটা আতিপাতি করে এমন ভাবে খুজছে যে নিন্মাঙ্গের কোন বার্তাই তার মগজে গিয়ে পৌছায়নি। দুটো মাথা দুই ভাবনায় ব্যাস্ত।তার উদ্দেশ্যে কয়েক ডজন গালি জিভের অগ্রভাগে এসে কিলবিল করল শুধু।
আপনি কি জানেন কত শত পুরুষ শিশু কিশোর পুরুষদের দ্বারা ধর্ষিত হয় প্রতিবছর?
আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সমকামিতাকে ঘৃনা করি কিন্তু সমকামীকে নয়(অনেকটা পাপকে ঘৃনা কর পাপীকে নয়-এর মত),কেননা তারা কোনমতেই বিপরিদ লিঙ্গের প্রতি আকর্ষন অনুভব করেনা।এটাতো স্বীকৃত যে সমকামীতা একধরনের অসুস্থতা-প্রকৃতির এই নিষ্ঠুর খেলার কাছে তারা অসহায়!অতএব তাদের ঘৃনা করাটা বোধ হয় ঠিকনা।।
কিন্তু সারা বিশ্বেই অন্য এক ধরনের সমকামী বা উভকামীর দেখা মিলবে। এদের কোন বাছ বিচার নেই। বিপরিদ লিঙ্গের কাউকে না পেলে এরা সমলিঙ্গের সাথেও দৈহিক মিলনে লিপ্ত হতে দ্বীধা করেনা। নিজের রিপুকে দমন করার জন্য এরা যে কোন পন্থা অবলম্বন করে।আমাদের দেশের মত ধর্মীয় কারনে বা সামাজিক ভাবে রক্ষনশীল দেশেই এদের আধিক্য। অবশ্য সবখানেই একঘেয়েমীতা বা রুচি পরিবর্তনের জন্য কিছু মানুষ সমকামীতায় আগ্রহী হয়।
অল্প চেনা অতিচেনা কিংবা অচেনা কোন সবল পুরুষের কাছে একই বিছানায় যখন আমরা একটা কিশোরকে আমরা ঘুমোতে পাঠাই নিশ্চন্তে তখন কি একবারও ভাবি-কি ভয়াবহ একটা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারে সেই একটা রাতে?সেই কিশোরটি কাউকে বলতে পারেনা-হয়তো কেউ বিশ্বাস করবে না ভেবে।কি নিদারুন ভয়ঙ্কর লজ্জা অপমান গ্লানীতে নীল হয়ে সে মুষড়ে থাকে-সারাটাজীবনই হয়তো সে মনের একান্ত গহীনে সে কষ্টটাকে বয়ে বেড়ায়।
ঠিক তেমনি একটি ভয়ঙ্কর ধর্ষনের ঘটনার বর্ণনা করছি আমার এক অতি ঘনিষ্ঠ বন্ধুর নিজের জবানীতে;
তখন বয়স ১১/১২ হবে।নারীদের প্রতি অল্প বিস্তর আকর্ষন বোধ করি, রুপ দেখে বিমোহিত হই, কল্পনায় সপ্ন গিজগিজ করে রুপকথার আদলে। সন্তান উৎপাদনের পুরোপুরি প্রক্রিয়া থকনো জানা হয়নি।যৌন বিষয়ক কথাবার্তা বহুবার পিউরিফাইড হয়ে কানে আসে।
ভাবতাম যৌন সম্ভোগ শুধু খারাপ লোকেরাই করে।আমার পরিবার,পরিবেশ আর আশেপাশের কালচার এইভাবেই আমাদের শিখিয়েছিল।নিরাভরন নারিদেহ দেখার দুর্নিবার আকাঙ্খা থাকলেও সেইটে ছিল শুধু নিষিদ্ধ কোন কিছু চোখ দিয়ে স্পর্শের আকাঙ্খায়।
ইন্টারনেট টিভির দৌরাত্ম আর খোলামেলা ছবির আগ্রাসনতো তখনো শুরু হয়নি-তাই এই প্রজন্মের থেকে অনেকখানি পিছিয়ে ছিলাম তখন।
সমকামী ব্যাপারটা তখন ধারনার মধ্যেই ছিলনা।একসাথে গাদাগাদি লেপ্টালেপ্টি করে শত শত পুরুষ নারী শুয়ে থাকলেই কি-নির্জলা বন্ধুত্ব কিংবা আত্মিক সম্পর্ক ছাড়া তাদের মধ্যে অন্য কোন সম্পর্ক থাকতে পারে সেইটে কল্পনা থেকে বহু লক্ষ্য যোজন দুরে ছিল।
সেই পুচকে বয়সে আমার দুই বোন আমাকে বডিগার্ড হিসেবে নিয়ে গেল বেড়াতে আমাদের দুরসম্পর্কের এক আত্মীয়ের বাড়িতে।সম্পর্ক দুরের হলেও তাদের আন্তরিকতাও আতিথিয়েতা ছিল দারুন।জোড়াজুড়িতে সেই রাতে সেখানে থেকে যেতে বাধ্য হলাম সবাই।মেয়েদর থাকার জায়গার ব্যাবস্থা হলেও আমাকে নিয়ে পড়ল ফ্যাসাদে!তখন না বড় না ছোটর দলে।
অবশেষে আমার জায়গা হল তাদেরই ভাড়া দেয়া এক মেস বাড়িতে।মাঝারি একটা রুমে তিনখানা খাট। তিনজন বোর্ডার মাত্র। জায়গা হল তন্মধ্যে বেশ বড় একখান খাটে সজ্জন এক বোর্ডারের সাথে।
তখনো হাফ প্যান্ট পরি। গায়ের জামাখানা খুলে রেখে বিছানায় শরির এলিয়ে দিলাম।
এরকম পরিবেশ আমার জন্য একদম নতুন -অপরিচিত কারো সাথে ঘুমাইনি কখনো, তাই প্রথমে একটু অস্বস্তি লাগলেও জার্নি আর হুটোপাটার ধকলে ক্লান্ত আমি ঘুমিয়ে পরলাম পরক্ষনেই।
গভীর রাত; ঘুম ভেঙ্গে গেল-দম আটকানো অস্বস্তি কর একটা চাপ অনুভব করছিলাম।
ঘুম ঘোরে ভেবছিলাম সপ্ন দেখছি-পরমুহুর্তেই ফিরে এলাম বাস্তবে।ভীষন আতংকিত হয়ে লক্ষ্য করলাম আমার পাশে শুয়ে থাকা সবল রোমশ পুরুষটা আমাকে জোরে চেপে ধরে তার উত্তিথ পুরুষাঙ্গ দিয়ে আমার দুপায়ের ফাকে জোরে জোরে ঘষছে। সারা দেহ থরথর করে কেপে উঠল আমার ভীষন ভয় পেয়ে গেলাম।তবুও মনে ভীষন সাহস সঞ্চয় করে ঝাড়া দিয়ে উটে বসে আতংকিত কন্ঠে বললাম- এসব কি করছেন?
লোকটা আচমকা আমার কাছ থেকে এমন প্রতিরোধ আশা করেনি- সেও ধড়মড় করে উঠে বসে-কাপা কাপা কন্ঠে এক্কেবারে কিস্যু জানেনা এমন ভঙ্গীতে বলল,কেন কি করেছি?
-আমি আরো জোড়ে চেঁচিয়ে উঠলাম, মানে আপনে জানেননা কি করেছেন? আমি সবাইকে বলে দেব।
তখুনি সে আমার মুখ চাপা দিয়ে হিস হিস করে উঠল, খবরদার কাউকে বলবা না তাইলে খুন করে ফেলব।‘
পাছে ঘুমিয়ে পড়লে সে আমাকে মেরে ফেলে সেই ভয়ে আতংকে সারারাত আমি ঠায় বসে ছিলাম সেখানটায়। ভোরের দিকে হয়ত একটু তন্দ্রার মত এসেছিল-ফের চোখ মেলে চাইতেই দেখি বিছানা ছেড়ে পালিয়েছে সে- সকালের মিষ্টি রোদের আলো ভরে আছে সারা ঘর।
ভোরের আলোর স্পর্শে হয়ত আমি ভয় মুক্ত হয়েছিলাম-তবু সেই রাতের স্মৃতি আমাকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়িয়েছে আরো বহু বছর।-শেরজা তপন
ঘৃন্য সমকামী যৌনতা ও ভারতীয় দর্শন
ভারতীয় পুরান, সনাতন দর্শনে যৌনতাকে কখনও অনেক উপরে রাখা হয়েছে। কথা দ্ধারা যৌনতার প্রয়োজনীয়তাকে বুঝানো হয়েছে। আবার অনেক সাধু পুরুষ যৌনতাকে ঘৃনার চোখে দেখেছেন। যৌনতাকে করেছেন বারন। তাই ভারতীয় সমাজে যৌনতাকে কখন ও কর্তব্য কখনো ঘৃন্য কাজ বলে রুপ পাল্টে পাল্টে এসেছে। একেবারে অধুনা মহাপুরুষ শ্রীরামকৃঞ্চ বলেছেন হিন্দু দর্শন থেকে, পুরোপুরি যৌনক্ষমতা সম্পন্ন একজন যদি এক যুগ যৌন কাজ না করে তাহলে তাহার শরীরে বিশেষ শক্তির উদয় হয়।
বৈঞ্চব ধর্মের প্রচারক শ্রীচৈতন্য (মহাপ্রভু নিমাই), বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারক গৌতম বুদ্ধরা আসক্তি হীন দর্শন প্রচার করেছিলেন। ওদের দর্শনে যৌনতাকে পুরোপুরি ত্যাগের কথা বলা হয়েছে। তাই একটু আগেই বলেছিলাম ভারতীয় উপমহাদেশের দর্শনে যৌনতাকে কখনো ঘৃন্য কখনো ও প্রয়োজনীয় বলা হয়েছে। লোকজনের কাছে বার বার এর রুপ পাল্টেছে।
এমন ও হয়েছে যে এক রাজা লোকজনকে যৌন কাজে উৎসুক করার জন্য মন্দিরের গায়ে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ন শ্হাপনার দেয়ালে দেয়ালে সঙ্গমরত নারী-পুরুষের মূর্তি তৈরি করে রেখেছিলেন। ঐসব সঙ্গমরত নারী-পুরুষের মূর্তি দেখলে এখনখার ইন্টারনেট যুগের ছবি বলে মনে হবে। কিন্তু সেতো প্রায় ১০০০ বছর আগেকার মূর্তি। রাজা রাজ্যের গুরুত্বপূর্ন শ্হাপনার দেয়ালে দেয়ালে সঙ্গমরত নারী-পুরুষের মূর্তি তৈরি করে লোকজনকে যৌনকাজে উৎসাহী করতে পেরেছিলেন কিনা সে ইতিহাস কেউ জানে না।
সেই ভারতীয় উপমহাদেশের কোন দেশের আদালত যদি পুরুষ - পুরুষে যৌন কাজ, নারী-নারীতে যৌনকাজকে বৈধ করে দেয়, তাহলে তাকে ঘৃন্য রায় বলতে হয়।
আজ Delhi High Court এর একটি কমিটি homosexuality কে decriminalises ঘোষনা করল। এতদিন ভারতীয় আইনের Section 377 of the Indian Penal Code এ homosexuality অবৈধ ছিল। এবং এ রুপ মামলায় জড়ালে শাস্তি ছিলো ১০ বছর। উল্লেখ্য ভারতে ২৫লক্ষ সমকামী আছে বলে ধারনা করা হয় ।
১৮৬২ সালে মেক্সিকোতে সমকামীতা বৈধ করা হয়। ১৯৬৭ সালে ইংল্যান্ডে, ২০০৩ সালে ইরাকে, ২০০৯ সালে নরওয়ে ও সুইডেনে সমকামীতাকে বৈধ করে দেয়া হয়।
আজকের কিছু ছবি (সমকামীতা বৈধ হওয়ার পরে) :
ভারতে সমকামিতা নিয়ে কিছু সিনেমা নির্মিত হয়েছে, নিচে তা থেকে কয়েকটা ছবি:
Nandita Das and Shabana Azmi দিপা মেহতার ফায়ার ছবিতে।
Konkona Sen Sharma .. The President is Coming ছবিতে ।
Divya Dutta ..... Monica ছবিতে
Amrita Arora and Eesha Koppikar ... গার্লফ্রেন্ড ছবিতে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৯
Friday, June 17, 2011
বাইবেলে সমকামীতার বিষয়ে কি বলা আছে ? সমকামীতা কি পাপ?
উত্তর: বাইবেল আমাদের দৃঢ়ভাবে বলে যে সমকামীতা পাপ (জেনেসিস্ 19:1-13; লেভিটিকাস্ 18:22; রোমান্স 1:26-27; 1 কোরিন্থিয়ান্স 6:9)৷ রোমান্স 1:26-27 নির্দিষ্টভাবে আমাদের শেখায় যে সমকামীতা হল ঈশ্বরকে অমান্য এবং অস্বীকার করার ফল৷ মানুষ যখন পাপ এবং অবিশ্বাসের পথে চলে তখন ঈশ্বর “আরো সুযোগ দেন” তাদের দুর্নীতিপরায়ণ ও কলুসিত হতে কারণ তার মাধ্যমেই মানুষ বুঝতে পারবে যে ঈশ্বরকে ছাড়া যে জীবন তা কতখানি ব্যর্থ এবং নৈরাশ্যজনক৷ 1 কোরিন্থিয়ান্স 6:9 দাবী করে যে যারা সমকামীতা করে সেই “পাপীরা” ঈশ্বরের রাজত্বে প্রবেশের অধিকার পায় না৷
Monday, June 13, 2011
খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের যৌন কেেলংকারি ধর্মীয় নৈতিকতা আজ কোথায়








