This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label গবেষনা. Show all posts
Showing posts with label গবেষনা. Show all posts

Thursday, September 26, 2013

বিবাহিত দম্পতিদের জন্য ৭টি গোপন সূত্র

বিবাহিত জীবনে যৌনতা নিয়ে কেন লজ্জ্বা, যখন বিধাতা সঙ্গমকে স্বর্গীয় বন্ধন বলে ঘোষনা দিয়েছেন। আপনার যৌন জীবনের রুটিনে পরিবর্তন আনুন, সঙ্গমকে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখুন। আপনার যৌন সঙ্গির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করুন। যৌনতা কেবল মাত্র পুরুষের কামনাই চরিতার্থ করেনা। নারীরও দৈহিক ও মানসিক ভারসাম্য রক্ষা করে। আপনার সংসারে যদি আপনার কর্তৃত্ব বজায় রাখতে চান তাহলে আপনার সঙ্গীর প্রতি শ্রদ্ধাশীল হোন। যৌন সঙ্গী আপনার কাছে কিরকম ব্যবহার আশা করে এখানে তেমন কয়েকটি সূত্র দেয়া হলো। তবে অবশ্যই তার প্রতি আপনার ও আপনার প্রতি তার বোঝাপড়া এখানে মূখ্য ভূমিকা পালন করে।
সূত্র-১: মধুর মিলনে সময় নেন দীর্ঘক্ষণ
যখন সঙ্গীর কাছে যাবেন তখন সময় নিয়ে যান। সঙ্গীর দেহের সাথে আপনার দেহের ঊষ্ঞতা উপভোগ করুন দীর্ঘ সময় যাবত। সঙ্গীকে বুঝতে চেষ্টা করুন। এটা এমন নয় যে, আপনি এবং আপনার সঙ্গীকে পরিস্থিতি এমন সম্পর্কে উপনীত করেছে। বরং পরিস্থিতিকে আপনারা নিয়ন্ত্রণ করুন ও সঙ্গীকে ভালবাসুন।
দ্য জয় অব সাইবার সেক্সের লেখক ডেব লেভিন বলেন, “আপনি যখন বিলম্ব করবেন এবং অঙ্গকে বিশ্রাম দিয়ে অনুভূব করার চেষ্টা করবেন। তখন আপনারা একজন আরেকজনের সঙ্গম ও সময় পরিপূর্ণ উপভোগ করতে পারবেন।“
তিনি আরো বলেন, “ এই অনুভূতিটি দীর্ঘস্থায়ী । যখন আপনার সঙ্গী বুঝতে পারবে যে, তার সাথে আপনার মিলন কেবল দৈহিক রোমাঞ্চের জন্যই নয়। তার প্রতি আপনার ভালবাসার বহিপ্রকাশ। তখন আপনার সঙ্গীও আপনার প্রতি অনেক বেশি আন্তরিক হবেন। এবং আপনাকে তিনি অন্য সব কিছু চেয়ে অগ্রাধিকার দিবে, আপনার প্রতি তার আত্মবিশ্বাস ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে “

সূত্র-২: হালকা গতির যৌন মিলন
যারা যৌথ পরিবারে বাস করে বা সংসারে অধিক সন্তান থাকে এবং শহুরে জীবনে অল্প জায়গায় বাস করে তাদের জন্য। যৌন মিলন অনেক ক্ষেত্রে অসম্ভব হয়ে পড়ে। কেননা বিবাহিত দম্পতিরা তাদের নিজেদের জন্য একান্ত কিছু সময় কামনা করে। কিন্তু ঘরে একাধিক মানুষের উপস্থিতি ও স্থানাভাব তাদের এই চাওয়া অনেক সয়ম সফল হয়ে উঠে না। তাই তারা একটু সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
যখনই আপনার সঙ্গীর কাছ থেকে এমন কোন ইশারা পাবেন তাকে সময় দেয়ার চেষ্টা করুন। এতে আপনাদের মধ্যে ভালবাসার গভীরতা বাড়বে। অনেক সময়ই আমাদের দেশের মেয়েরা শ্বশুর শ্বাশুড়ীর সাথে বসবাস করতে চায়না। তার একটা মূল কারন কিন্তু এই একান্ত জীবন। কারন প্রতিটা মানুষেরই ব্যক্তিগত জীবন আছে। যেহেতু আমাদের সমাজ ব্যবস্থা ও পারিবারিক জীবন এতো খোলামেলা নয় তাই আমাদের মেয়েরা অনেক সময় লজ্জ্বার কারণে তার সঙ্গীর ইশারায় সাড়া দেয়না । এতি হিতেবিপরীত হয়। পুরুষ সঙ্গীটি শারীরিক ভাবে তার স্ত্রীর সান্নিধ্য কামনা করলেও সে যখন তাকে পায় না । তখন সে অন্য কোন উপায়ে তার এই শারীরিক চাহিদা পূরণ করতে চায়। তখন সে হয়তো বা ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িয়ে যেতে পারে। তাই নারী সঙ্গীর উচিত লজ্জ্বা না পেয়ে তাদের অধিকারকে বাস্তবায়ন করা।
সূত্র-৩: সঙ্গীকে মিলনে উদ্ধুদ্ধ করতে মৈথুন করা
আপনি হয়তো বলবেন যে আপনার সঙ্গীর সামনে মৈথুন করার চেয়ে ৫ হাজার মানুষের সামনে বক্তৃতা দেয়া অনেক সহজ। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, বেশির ভাগ পুরুষেরই পছন্দ তার সঙ্গী যেন তাকে বিভিন্ন ভাবে যৌন অঙ্গভঙ্গীর মাধ্যমে তাকে মিলনের জন্য আহ্বান জানায়। আপনার সঙ্গীর সাথে আপনার সম্পর্ক যেমনই হোক না কেন ? শীতল বা উষ্ঞ। আপনার সঙ্গীকে আপনার প্রতি দূর্বল করার হাতিয়ার হচ্ছে তাকে আপনার সাথে মিলনে উদ্ধুদ্ধ করা। আপনার সাথে মিলনের সাথে সাথেই আপনার প্রতি সব ধরনের ক্রোধ-অভিযোগ সব বিলীন হয়ে যাবে। তাই সূত্রটি কাজে লাগান, সুখী দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করুন।
সূত্র-৪: যৌন উন্মাদনায় সঙ্গীর সাথে সহায়তা করা
কিছু কিছু মানুষ প্রকৃতপক্ষেই স্ত্রী সঙ্গীকে অনেক বেশি যৌন উন্মাদনায় ভাসাতে চায়। তারা তাদের যৌন তৃপ্তির জন্য সঙ্গীর সাথে বিভিন্ন আসনে যৌন সঙ্গম করতে চায়। আমাদের দেশের মেয়েরা যেহেতু অনেক বেশি লাজুক প্রকৃতির তাই তারা অনেক সময় পুরুষ সঙ্গীটিকে বুঝতে পারে না। যৌনতা যেহেতু মানুষের মন ও দেহের একটি প্রাকৃতিক চাহিদা তাই সঙ্গীটি অন্য কোন উপায়ে তার সেই কৌতুহলকে মিটাতে অনেক ক্ষেত্রে খারাপ নারীর সঙ্গ নিতে পারে। এতে আপনার সুখের সংসারে ভয়ংকর বিপদ নেমে আসতে পারে। হয়তো কোন বিপজ্জনক রোগ বহনকারী নারীর সাথে মিলনে পুরুষ সঙ্গীটি কোন মারাত্মক রোগ বহন করে নিয়ে আসতে পারে ।

সূত্র-৫: আত্মসমর্পণ করা যৌনতা
আমাদের সঙ্গীদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া থাকলে যৌন জীবনে তেমন সমস্যা হওয়ার কথা নয়। কিন্তু দম্পতি যদি হয় আনাড়ী তাহলে পুরুষ সঙ্গীটিকেই দেখা যায় এই কর্মে বেশি সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে। নারী সঙ্গীটি এই ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় থাকে অথবা জোড়াজুড়ি করে আদায় করতে হয়। এমন ক্ষেত্রে উচিত হবে সঙ্গীকে সঙ্গ দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক সময় আত্ম সমর্পন করতে হতে পারে।
সূত্র-৬: নারীর সঙ্গীকে সক্রিয় যৌনকাজে সহায়তা করা
আমরা মনে করি যৌনতা একচেটিয়া পুরুষের কামনার বিষয়। কিন্তু সত্যিকার অর্থে পুরুষের মত নারী সঙ্গীরও শারীরিক ও দৈহিক যৌন চাহিদা আছে। নারী সঙ্গীটি যখন উত্তেজিত হবে তখন পুরুষ সঙ্গীটির উচিত তার নারী সঙ্গীর যৌন কাজে সহায়তা করা। এতে আপনার প্রতি তার শ্রদ্ধা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনার বিশ্বাসের অমর্যাদা সে কখনোই করবেনা।
সূত্র-৭: আরামদায়ক অবস্থানে যৌন কর্ম করা
যৌন কর্ম প্রাণী জগতের টিকে থাকার এক অমোঘ বিধান। আমাদের টিকে থাকার জন্য ও বংশ বৃদ্ধির জন্য যৌন কর্মের কোন বিকল্প নাই। তাই যৌন বিষয়ক বিষয়গুলোকে এড়িয়ে না গিয়ে আমাদের উচিত আমাদের সঙ্গীর সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলা। যেসব বিষয় সঙ্গীটি পছন্দ করে তা তাকে দেয়া এবং যা অপছন্দ করে তা থেকে বিরত থাকা। এটা মনে করলে ভূল করবেন যে, আপনি বিয়ে করেছেন তাই ঐ নারীর সাথে যে কোন ভাবেই আপনি যৌন আচরন করতে পারেন। এই ধারণা ভূল। আপনার সঙ্গী আপনার নামে নারী নির্যাতনের দায়ে আইনের আশ্রয় নিতে পারে। তাই সঙ্গীর প্রতি বিশ্বস্ত থাকুন সঙ্গীকে ভালবাসুন। সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে তুলুন।
তাজাখবর

মানব দেহের যৌন স্পর্শকাতর অঙ্গ

নিউরো সায়েন্টিস্টদের গবেষণা্য় দেখা যায়, পায়ের পাতা হচ্ছে শরীরের ৪১টি অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে কম যৌন অনুভূতি সম্পন্ন অঙ্গ। এর ফলে এর আগের নিউরো সায়েন্টিফিক জার্নাল কর্টেক্স ও অবজারভারসহ কয়েকটি সংবাদপত্রের প্রকাশিত একটি গবেষনাকে ভুল প্রমাণিত করেছে। যেখানে পায়ের পাতাকে যৌন অনুভূতিতে যৌনাঙ্গে সাড়া দেয়ার একটি ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণিত করে।
আগে ধারণা্ করা হতো পুরুষের যৌন উত্তেজক অঙ্গ শুধু একটাই আর তাহলো তার পুরুষাঙ্গ। কিন্তু গবেষণায় দেখা যায় নারী দেহের মত পুরুষের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ যৌন উত্তেজনায় বিভিন্নভাবে সাড়া দেয়। বেঙ্গর ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সাইকোলজির প্রফেসর অলিভার টার্নবুল অবজার্ভারকে বলেন, “অনেক মানুষ ধারনা করতো যে, নারীর সারা দেহে যৌন উত্তেজনা বিরাজ করে আর পুরুষের যৌন উত্তেজক অঙ্গ কেবল একটি। কিন্তু বিষয়টি একেবারেই তেমন নয়। এটা পুরুষের ক্ষেত্রেও নারী দেহের মত যৌন উত্তেজনায় অঙ্গগুলো সমান সাড়া দেয়। শুধুমাত্র নারীর যৌনতাকে অতিরঞ্জিত করার জন্য একথা বলা হয়ে থাকে।“

বিজ্ঞানীদের মতে, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকার ৮০০ লোকের মধ্যে একটি পর্যবেক্ষণে দেখা যায় ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও যৌন কামনার পারিপার্শ্বিকতায় এই ফলাফল একই রকম। দেহের সবচেয়ে যৌন উত্তেজক অঙ্গ অবশ্যই যৌনাঙ্গ এরপর ঠোট, কান, উরুর নিচের অংশ, এবং ঘাড়ের অংশ।
বিজ্ঞানীরা বলেন, এই অনুভূতি মানুষের ভিতরে জন্মগত। এটা কোন সংস্কৃতি বা অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নয়। যা এর আগে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন যে, যৌন অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করে মষ্তিষ্ক, যা স্পর্শের মাধ্যমে শরীরে অনুভূতি জাগায়।
তিনি আরো বলেন, আমরা খুঁজে বের করতে চেষ্টা করছি যে, মানুষের ঘাড়ের অংশটা যৌন উত্তেজনায় ব্যাপক সাড়া দেয় কিন্তু একই সেন্সর কপালে থাকা সত্ত্বেও কপাল যৌন অনুভূতিতে কেন সমান সাড়া দেয় না। তাই মষ্তিষ্ক যে যৌন অনুভূতিতে সাড়া দেয় এটা বলা মুশকিল।
না্রী পুরুষের যৌন আবেদনে সবচেয়ে স্পর্শ কাতর অঙ্গগুলো হলো:
পুরুষের দেহের মুখ ও ঠোট ১০ এর মধ্যে ৭
উরুর নিম্নাংশ ১০ এর মধ্যে ৫.৮
গলা বা ঘাড়ের অংশ ৫.৬
তাজাখবর

Wednesday, September 11, 2013

একসময় পুরুষাঙ্গে মেরুদন্ড বা হাড় ছিল

পুরুষাঙ্গের ৭টি আদিম রহস্য
গ্রিসের উলঙ্গ ভাস্বর্য বা বাথরুমের সেটে থাকা পোস্টার আমাদের সবারই নজর কাড়ে। এই গ্রহের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং সবচেয়ে বেশি গবেষণা হয়েছে যেই অঙ্গটি নিয়ে তা হলো যৌনাঙ্গ। এই অঙ্গটির আকার আকৃতি নিয়ে যত জল্পনা-কল্পনা করিনা কেন, এই অঙ্গটি সম্পর্কে পুরুষ সঙ্গীদের এখনও অনেক গোপন রহস্য প্রকাশ করার আছে যা আমরা জানিনা। যেমন এর ভেতর থাকা হাড় বা এর আদর্শ আকার। পুরুষের যৌনাঙ্গের এই রকম আদিম সাতটি রহস্য নিয়ে আজকের লেখা।
রহস্য সত্য-৭: লিঙ্গের গড় আকার: ২০১৩ সালের সেক্সচুয়াল মেডিসিন জার্নালের ১৬৬১জনের উপর করা এক জরিপে দেখা গেছে উত্থিত যৌনাঙ্গ গড়ে ৫ দশমিক ৫৬ ইঞ্চি বা ১৪ সেমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু ব্যতিক্রম হলো কারো করো ১.৬ ইঞ্চি (৪ সেমি) থেকে ১০.২ ইঞ্চি (২৬ সেমি) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যৌনাঙ্গের ঋজুতাও সবার সমান নয়। ওরাল সেক্সের পর বা সঙ্গমের পর যারা মেপে দেখেছে যে তাদের ঋজুতা যারা একা যৌন আনন্দ উপভোগ করে তাদের চেয়ে বেশি ঋজু। কারণ লিঙ্গের ঋজুতা নির্ভর করে রক্তচাপের উপর। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান লিঙ্গকে গড়ে ০.৪ইঞ্চি (১সেমি) পর্যন্ত ছোট করে দিতে পারে।

রহস্য সত্য-৬ :যৌনাঙ্গের আকার: যৌন সঙ্গমে কোন কোন নারীর জন্য লিঙ্গের আকৃতি বিশেষ ভূমিকা রাখে। ২০১২ সালে সেক্সচুয়াল মেডিসিন জার্নালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী যৌন সঙ্গমে অধিক উত্তেজনা অনুভব করে তাদের জন্য বড় পুরুষাঙ্গ যোনির উত্তেজনায় অধিক আনন্দ দিতে করিৎকর্মা। যদিও এটা পরিস্কার নয় যে, প্রকৃতপক্ষে কেন দীর্ঘ লিঙ্গ নারীদের আনন্দ দেয়-ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব স্কটল্যান্ডের মনোবিঞ্জানী ও এই গবেষণাপত্রের সহকারী স্টুয়ার্ট ব্রোডি গবেষণার সময় তথ্য জানান। ২০১৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাকাডেমী অব সায়েন্সের এক গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, নারীদের পছন্দের আদর্শ পুরুষাঙ্গ হচ্ছে তার দৈহিক উচ্চতা ও লম্বা পুরুষের জন্য দেহের সাথে সামঞ্জস্য দীর্ঘ লিঙ্গ আকর্ষণীয়।
রহস্য সত্য-৫: ব্যতিক্রম লিঙ্গ: কদাচিৎ কেউ দুইটা লিঙ্গ নিয়ে জন্ম নেয়। ৫ লক্ষ বা ৬ লক্ষে এমন এমন একটা হতে পারে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক হচ্ছে এর দ্বারা দ্বিগুণ যৌন আনন্দ লাভ সম্ভব নয়। দুইটি লিঙ্গ একই সাথে কর্মক্ষম থাকতে পারেনা বরং এর ফলে কিছু শারীরিক বৈসাদৃশ্য দেখা দেয় যা ঠিক করতে অস্ত্রপাচারের প্রয়োজন হতে পারে। যেসব পুরুষ দুইটি লিঙ্গ নিয়ে জন্মায় তারা এক ধরনের বিশেষ সমস্যার সম্মুখীন হন। তা হলো তাদের কোন একটি লিঙ্গ উত্থিত হলে তা প্রশমিত হতে চার ঘন্টা পর্যন্ত সময় নিতে পারে। এই অবস্থাকে প্রিয়াপ্রিজম (priapism) বলে। সাধারনত: এটা ঘটে শরীরের রক্ত লিঙ্গ থেকে আবার সারা শরীরে ফিরে যাওয়ার জন্য। যদিও এটা রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে বেশী পরিলক্ষিত হয়। এটা একটা জরুরী শারীরিক সমস্যা যা লিঙ্গে মাংসপেশীর চাপের কারণে হয়। এর জন্য দ্রুত চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন।
রহস্য সত্য-৪: লিঙ্গের পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন: পুরুষাঙ্গের বিবর্তনের এক ভয়ঙ্কর অতীত আছে। একসময় পুরুষাঙ্গে মেরুদন্ড বা হাড় ছিল। কিন্তু মানুষ জাতির পুর্বপুরুষেরা তাদের এই কন্টকাকীর্ন অঙ্গটি হারায়। ২০১০ সালের নেচার জার্নালের এক গবেষণা মতে, প্রায় ৭০০ হাজার বছর পূর্বে প্রস্তরযুগ ও আধুনিক মানুষের বিবর্তনের কোন এক সময় তারা এই হাড়যুক্ত লিঙ্গটি হারায়। বিজ্ঞানীরা এখনও পরিস্কার নয় আসলে লিঙ্গের এই হাড়ের কাজটা কি ছিল। কেউ কেউ বলছেন তখন তারা যথেচ্ছা যৌনাচার করতো যেমনটা দেখা যায় ইতর প্রাণীদের মধ্যে। যেমন বিড়ালের হাড়ে লিঙ্গ আছে (টমক্যাটের লিঙ্গে ভয়ঙ্কর মেরুদন্ড বিদ্যমান)। বেশির ভাগ প্রাণীরই মেরুদন্ডের হাড়ের সাথে লিঙ্গের সংযোগ থাকে এটাকে হাড় লিঙ্গ বলে। এটা তাদের দৈহিক গঠনগত কারণে তার সঙ্গীর সাথে মিলনে সহায়তা করে। কিন্তু মানুষ তার অঙ্গটি হারায় এবং যৌন সঙ্গমে লিঙ্গদন্ড প্রস্তুত হওয়ার জন্য শরীরের রক্তচাপের উপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু অন্য প্রাণীদের জন্য এই হাড়টি শরীরের ভিতর থাকে ও এবং মিলনের সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে লিঙ্গকে শক্ত রাখে। এটা একটা রহস্য যে মানুষ কেন তার সেই হাড়টি হারাল। কিন্তু জীববিঞ্জানী রিচার্ড ডাউকিনস বলেন, এটা মানুষ জাতির শারীরিক ও মানসিক গঠনগত কারনে হয়েছে।
রহস্য সত্য-৩: রাতে লিঙ্গের স্বকীয়তা : স্বীকার করুন আর না করুন অবিবাহিত পুরুষদের লিঙ্গ দিনের চেয়ে রাতে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠে। বেশির ভাগ পুরুষেরই রাতে তিন থেকে পাঁচ বার লিঙ্গ সজাগ হয় যখন সে কোন রোমান্টিক স্বপ্ন দেখে। রাতে লিঙ্গের এই কার্যকারিতা লিঙ্গকে স্থিতিস্থাপকতা ও কুচে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। কারণ এটা একটা শারীরিক কার্যকারিতা এজন্য অনেক ডাক্তার রোগীকে রাতের লিঙ্গের উত্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে যে কোন সমস্যা আছে কিনা।
রহস্য সত্য-২: লিঙ্গাগ্রের চামড়া রহস্য: যখন কোন ছেলে শিশু জন্ম নেয় তখন তার লিঙ্গের আগার চামড়া টুকু তার লিঙ্গকে বহিরাঘাত থেকে রক্ষা করে। তার লিঙ্গের অগ্র চামড়াটুকু মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তার লিঙ্গের টিস্যু থেকেই আবৃত হয়। লিঙ্গের অগ্রচামড়ার ভিতরের অংশটুকু আমাদের চোখ ও মুখের লালার মত একপ্রকার তরল দিয়ে ভরা থাকে যাতে শুকিয়ে না যায়।
রহস্য সত্য-১: যার জন্য যা প্রযোজ্য: আসলে মানুষ জন্মগতভাবে যেসব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্মায় তা তার শরীরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ছোট লিঙ্গ বা বড় লিঙ্গ কোন বিষয় নয়। এটা পুরোটাই মানসিক বিষয়। তাই জন্মগতভাবে যা নিয়ে জন্মেছি তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা। তবে কখনই যৌন রোগে লজ্জ্বা পাওয়া ঠিক নয়। কেননা এটা অনেক সময় আমাদের শিশুদের জীবনের ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে। তাই যৌনরোগ থেকে সাবধান থাকা।
ফারুক হোসেন
লাইভ সাইন্স-এর প্রতিবেদন অবলম্বনে
খাসখবর

Thursday, August 29, 2013

স্বপ্নের দোষ নিয়ে কথা

ঢাকা : স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।


স্বপ্নদোষের মাত্রা


স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.২৩ বার থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৫ বার হয়।


কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।’


একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।


বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।


স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।


যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।


মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে। - See more at: http://primenewsbd.com/index.php?page=details&nc=22&news_id=3646#sthash.ZR5qcyNi.dpuf

Wednesday, March 28, 2012

পুরুষের যৌনতা নিয়ে কিছু কথাঃ অবশ্য পাঠ্য

যৌনতার নানা সমস্যা থাকলেও সেক্স থেরাপিস্টার ইদানীং নতুন এক সমস্যার ব্যাপকতা দেখতে পাচ্ছেন। এটি হলো যৌনতার ইচ্ছার অভাব এবং পরবর্তীতে শারীরিক সমস্যা। এই ধরনের সমস্যা যেমন যৌন ক্ষুধার অভাব এবং যৌনকর্মের অনীহার বিষয় নিয়ে তারা বর্তমানে বেশ চিন্তিত। নতুন নতুন রোগীদের কেসহিস্ট্রিগুলো প্রায় একই ধরনের হচ্ছে। অবশ্য কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুরুষেরা নিজেদের এই সমস্যা মেটানোর বিভিন্ন উপায় বাতলে দিচ্ছেন নিজেরাই। পরবর্তীতে তারা যৌনসুখ এবং সুখী যৌন জীবন উপভোগ করছে। তবে এই হার খুবই নগণ্য। ধারণা করা হচ্ছে অনুভূতির ব্যাপারে পুরুষেরা খুবই সন্তুষ্ট না হলেও যৌনমিলনে তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে।
ইচ্ছা সংক্রান্ত সমস্যা-
দুই ধরনের ইচ্ছা এবং সমস্যা আলোচনায় আসে যেমন-
১. ব্যক্তিগত যৌনতার ক্ষেত্রে। যেমন কোনো পুরুষের একা একা যৌনতার ব্যাপারে অনীহা থাকতে পারে। সেই ক্ষেত্রে এটি হলো ব্যক্তিগত যৌনতার ইচ্ছার অভাব।
২. দম্পতিদের ক্ষেত্রে। দম্পতিদের যে কোনো একজনের বিশেষ করে পুরুষের যৌন ইচ্ছার অভাব। যার ফলে যৌনমিলন সšত্তষ্টজনক হয় না।

উত্থানের ইচ্ছা-
উত্থান সংক্রান্ত ইচ্ছা এবং সমস্যার ব্যাপারে পাশ্চাত্যে নানা গভেষণা চলছে। চারটি মূল কনসেপ্ট এই ব্যাপারে সাহায্য করে যে, সমস্যাটা মূলত কোন পর্যায়ের। অনেক সময় মানসিক আবেগ, ভয়-ভীতির জন্য উত্থান দৃঢ় হয় না। অনেক সময় আবার এও দেখা যায় যে, অতি সুন্দরী রমণী দেখেও মৈথুন ইচ্ছা জাগ্রত হয় পরবর্তীতে আবার উত্থান স্তিমিত হতে পারে। অনেকের আবার যৌন ইচ্ছা খুব বেশি তীব্র থাকে না। এটা জন্ম থেকেই হতে পারে। অনেকে শৈশবকালীন সময়ে যৌন যে কোনো ভীতির জন্য পরবর্তী জীবনে অভ্যস্ত হতে পারে না। নারীদের ক্ষেত্রে উত্থান সমস্যা নেই। তবে সমস্যাটা হলো নারীর ভেতরে কোনো উত্তেজনা থাকে না তারা একেবারেই যৌন ইচ্ছা অনুভব করে না। আবার মাসিক চলাকালীন সময়ে নারীর কোনো কোনো সময় তীব্র যৌন ইচ্ছা জাগে পরবর্তীতে আবার তা ঝিমিয়ে পড়ে। তবে পুরুষ এবং নারী উভয়েই বয়সের সাথে সাথে যৌনতার ব্যাপারে ন্যুব্জ হতে থাকে। এটা শারীরিক বা মানসিক কারণে হতে পারে। আবার মনোদৈহিক উভয় কারণেই হতে পারে। পাশ্চাত্যে এনিয়ে নতুন নতুন গবেষণা চলছে।
ইচ্ছা কেন-
মূলত খুবই মূল্যবান প্রশ্ন হলো ইচ্ছা কেন জাগবে। পুরুষের ক্ষেত্রে যৌন ইচ্ছা জাগবে নারীর সাথে মনের নানা সুখের কথা চিন্তা করে। কিন্তু এটা স্থিতিস্থাপক ব্যাপর নয়। পুরুষের এমনিতেও লিঙ্গ দৃঢ় হতে পারে। যেমন দীর্ঘক্ষণ প্রস্রাব জমে থাকলে কিংবা প্রাতঃকালীন সময়ে দেখা যায় যে লিঙ্গ শক্ত হয়ে আছে। এটা হলো পৌনপুনিকতা। পুরুষের ইচ্ছার সাথে এক্ষেত্রে পুরুষ সন্তুষ্ট হয় না, যার ফলে স্বমেহনের পথ বেছে নেয়। এতে করেও ইচ্ছার একটি বিষয় জড়িত থাকে। অনেক ক্ষেত্রে যৌনতার ইচ্ছার শেষ কথা যৌনমিলন থাকে না। অন্য কারণেও ইচ্ছা প্রকাশ পেতে পারে। পাশ্চাত্যের সেক্স থেরাপিস্টার মনে করেন, যৌনতা হলো মূলত ইচ্ছার ব্যাপার, তবে অনেক ক্ষেত্রেই মূলত ইচ্ছার উপরে নির্ভর করেই যৌনতা এগিয়ে চলে না।
নারী বা পুরুষের যৌনতার তীব্রতা তাদের ইচ্ছার ওপর প্রভাব ফেলে। ব্যাপার স্বাভাবিক। তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে ইচ্ছা বেশি থাকলেও তীব্রতা ততোটা থাকে না যার ফলে য়ৌন সমস্যার উদ্ভব হতে পারে।
সঙ্গিনীর মাধ্যমে লিঙ্গের উত্তেজনা-
আপনার সঙ্গিনী হাতে পিচ্ছিল পদার্থ নিয়ে আপনার যৌনাঙ্গ স্পর্শ করবে। শরীরের অন্যান্য স্থানে মর্দন করা হলেও মূলত যৌনাঙ্গ হবে প্রধান টার্গেট। অনেক পুরুষ এইভাবে উত্তেজিত হতে পছন্দ করে। তারা নারীর একান্ত স্পর্শগুলো চায় তাদের যৌনাঙ্গে। মূলত চুমু কিংবা মুখের লেহন তাদেরকে অতিমাত্রায় উত্তেজিত করতে পারে। দেখুন এইভাবে যদি আপনার উত্তেজনা চূড়ান্ত না হয় তবে আপনার যৌন সমস্যা রয়েছে। মূলত সমস্যাটি যৌন অনুভূতি কেন্দ্রিক। চেষ্টা করুন কিংবা সঙ্গিনীর সাহায্য নিন। একবার অথবা বারবার। এভাবে করতে থাকলে যৌনতার ইচ্ছা বেড়ে যাবে। আপনি এভাবে যদি স্পর্শকাতরতা অনুভব করেন এবং অধিক মাত্রায় তা অনুভব করেন তবে বুঝতে হবে আপনার উত্তেজনা একেবারে ফুরিয়ে যায়নি। আপনি যৌন সক্ষম এবং এটি যৌন সক্ষমতা বাড়ানোর একটি বিশেষ কৌশল।
যৌনাঙ্গ স্পর্শ ছাড়া শরীর স্পর্শ-
এটি ব্যাপক উত্তেজনা বাড়ানোর কৌশল । সঙ্গিনী তার শরীর দিয়ে, চুল দিয়ে,হাত দিয়ে, মুখ দিয়ে আপনার শরীর উত্তেজিত করে তুলবে। কিন্তু আপনার যৌনাঙ্গে স্পর্শ করবে না। এতে করে আপনার যৌন উত্তেজনা চূড়ান্ত হবার সম্ভাবনা আছে। আপনি যদি দেখেন আপনার সঙ্গিনীর এসব স্পর্শে আপনার লিঙ্গ একাই দৃঢ় এবং শক্ত হচ্ছে, তবে বুঝতে হবে আপনি যৌন সামর্থ্য হারাননি। বিষয়টি কিন্তু খুবই ইতিবাচক। এভাবে সঙ্গিনীর মাধ্যমে যৌন স্পর্শের দ্বারা যৌনানুভূতি তুমুল করে তুলতে চেষ্টা করুন।
উত্থানকে বাড়ানো কমানো-
এটি অন্য একটি কৌশল যা সঙ্গিনীর দ্বারা বা আপনি নিজের হাতেই করতে পারেন। শরীরকে সম্পূর্ণ উত্তেজিত করে আবার অনুত্তেজনা অবস্থায় ফিরে আসতে হবে। এতে করে শরীরে উত্থান কমে যাবে। এরপর আবার শরীরকে উত্তেজিত করতে হবে। এটি স্বমেহনের মাধ্যমে বা সঙ্গিনীর স্পর্শের মাধ্যমে হতে পারে। যৌন অনুভূতি চূড়ান্ত হতে থাকলে আবার শরীরকে উত্তেজনাহীন করতে হবে। মনে হয় এটি সবচেয়ে স্মিক্স প্রক্রিয়া শরীরে যৌনতা বাড়ানোর কৌশল হিসেবে। অনেক ক্ষেত্রেই এটি খুব কষ্টকর হতে দেখা গেছে। আপনাকে সবসময় মনে রাখতে হবে যৌনতা এক ধরনের খেলা এতে হারজিতের কিছু নেই। সুষ্ঠুভাবে অংশগ্রহণ করতে পারাই মূল বিষয়। চেষ্টা করুন এবং সফল হন। যৌনতার ইচ্ছা বাড়ানোর জন্য এই কৌশলটি খুবই উপকারী।
আপনার লিঙ্গে উত্তেজনা কোথায়-
আপনাকে খুজে দেখতে হবে আপনার লিঙ্গে কোথায় উত্তেজনা লুকিয়ে আছে। অনেকে মনে করেন লিঙ্গের পুরোটাতেই উত্তেজনা থাকে। ব্যাপারটি কিন্তু পুরোপুরি সত্যি নয়। পরীক্ষা করে দেখুন, হাতে পিচ্ছিল পদার্থ নিয়ে লিঙ্গে ঘষতে থাকুন। লিঙ্গের কোনো এক অংশে তুমুল উত্তেজনা লুকিয়ে আছে। আপনি বুঝতে চেষ্টা করুন যৌনমিলনের সময় এই অংশটাতেই অধিক চাপ এবং স্পর্শ পাবার চেষ্টা করুন। এতে করে উত্তেজনা স্থায়ী হবে। এভাবে কৌশলটিকে রপ্ত করার চেষ্টা করুন।
লিঙ্গের মুখের লেহন-
অনেক দম্পতিই হয়তো এটি পছন্দ করেন না। বিশেষ করে নারীরা এটি অপছন্দ করেন বেশি। পুরুষ সঙ্গীর লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষে, চেটে দেয়া এবং আলতো কামড় দিতে থাকলে পুরুষের উত্তেজনা সীমাহীন পর্যায়ে পোঁছে যায়। অনেক দম্পতি অবশ্য একে অরুচিকর মনে করেন। আপনার সঙ্গিনী যদি এটি পছন্দনা করেন তবে জোরাজুরি করবার দরকার নেই। অনেক ক্ষেত্রেই তা সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। বুঝতে চেষ্টা করুন যে, যৌনমিলন হলো পারস্পারিক সৌহার্দ্য এবং সম্প্রীতির বিষয়ে যেমন তার হাতের সাহায্য নিতে পারে।
যৌনিতে আস্তে আস্তে লিঙ্গ সঞ্চালন-
যৌনমিলনের সময় প্রথমেই লিঙ্গ যোনিতে ঢোকানো উচিত নয়। এতে করে পুরো তৃপ্তি অনেক সময়ই পাওয়া যায় না। অন্যান্য যৌনক্রীড়ার পরে চূড়ান্ত উত্তেজনার পূর্বে পর্যন্ত যোনিতে লিঙ্গ প্রবেশের প্রয়োজন নেই। নারীকে উত্তেজিত করে তুলুন এবং নিজে উত্তেজিত হোন। তারপর যোনিতে ধীরে ধীরে লিঙ্গ সঞ্চালন করুন। এর ফলে যৌনতৃপ্তি ঘনীভূত হবে বেশি। লক্ষ্য রাখবেন যৌনমিলনের কোন আসনে বা কোন পর্যায়ে আপনার স্খলন দ্রুত হয়। সেই আসন বা পর্যায়গুলো পরিত্যাগ করুন। এতে করে যৌনমিলন অধিক সুখকর হবে।
যৌনিতে লিঙ্গ সঞ্চালন-
দেখা যেতে পারে যোনির ভেতর আপনি কতক্ষণ অবস্থান করতে পারেন। প্রথমে আলতোভাবে আপনার লিঙ্গ তার যোনিতে স্থাপন করুন। চাপ দিন এবং ধীরে ধীরে সঞ্চালন শুরু করুন। খুব মৃদুভাবে লিঙ্গকে যাতায়াত করাতে থাকুন। এতে করে উত্তেজনার মাত্রাকে পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে। আস্তে আস্তে যাতায়াতের পরিমাণ বাড়াতে থাকুন এবং দ্রুতলয়ে লিঙ্গ যাতায়াত করাতে থাকুন। আপনি আপনার স্ত্রীর যোনিতে যত বেশি সময় অবস্থান করতে পারবেন ততো আপনার যৌন ক্ষমতা বেশি তা প্রমাণ হবে। এই কৌশলে প্রথম প্রথম ব্যর্থ হলেও এটিকে রপ্ত করতে থাকুন। লিঙ্গ দৃঢ় করার পরে তার যোনিতে কিছু সময় রাখার পরে তা বের করে আনুন। নিস্তেজ হোন, আবার সক্রিয় হোন। এই ভাবে দীর্ঘক্ষণ যৌনমিলনের কৌশল আয়ত্ত করুন।
জোর ইচ্ছা-
পূর্বের আলোচনারই ধাপ এটি। যৌনতার ইচ্ছা হলো বিশেষ এক ধরনের শক্তি। ধারণা করা হয় ইচ্ছা ছাড়া যৌনতা সম্ভব নয়। যৌনমিলনের পূর্বে নানা রকম শারীরিক ক্রীড়া বা যৌনক্রীড়া পুরুষ এবং নারীকে অতি মাত্রায় উত্তেজিত করতে পারে। এগুলো হলো যৌনতা সহায়ক। আর যৌনতার সহায়ক হলো ইচ্ছা। এটি ছাড়া মূলত যৌনমিলন কখনোই সম্ভব হতে পারে না।
যৌনতার ইচ্ছা বা আগ্রহের বিষয়ে কিছু বাধা-
কিছু কিছু সমস্যা এবং বাধা যৌনতার ইচ্ছা বা আগ্রহের ব্যাপারে বিশাল কারন হয়ে দাঁড়ায়।
সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সাথে যৌনতার অসামঞ্জস্যতা-
অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় যে, যে কোনো একজন অন্যজনের ওপর যৌনতার ব্যাপারে সন্তুষ্ট। এর ফলে আগ্রহ বা যৌন ইচ্ছা কমে যেতে পারে। আবার অনেক স্বামীর অভিযোগ এমন থাকে যে, তার স্ত্রী খুব একটা আবেদনময়ী নয়, যার ফলে তার যৌনমিলনের ইচ্ছা জাগে না। এরকম অভিযোগ অনেক স্ত্রীদের কাছ থেকেও শোনা যেতে পারে।
অসন্তোষমূলক যৌনতা-
সঙ্গিনী অধিকাংশ সময় মনে করে এবং কার্যত দেখতে পায় যে, তার সঙ্গী তার প্রতি অধিক মনোযোগী নয়। যা আদৌ তার পছন্দ নয়। এর ফলে অসন্তোষ সৃষ্টি হয় যৌনমিলনের ক্ষেত্রে।
ওষুধ-
অনেক আছে যা গ্রহনের ফলে যৌনতার ইচ্ছা হ্রাস পায়। এ সম্বন্ধে সচেতন হওয়া উচিত।
শারীরিক সমস্যা-
শারীরিক নানা সমস্যার জন্যও যৌনতার ইচ্ছায় ভাটা পড়তে পারে। যেমন-অনেক ক্রমিক রোগ আছে যা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকার ফলে শরীরের অন্যান্য অঙ্গ এবং ইন্দ্রয়গুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রায় ক্ষেত্রেই যৌনমিলনের আকাক্সক্ষা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। হার্টের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের প্রকোপ ইত্যাদি কারণে যৌন ইচ্ছা দূরীভূত হতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে মাসটেকটোমি ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং তারা যৌনমিলনে অনাগ্রহী হয়।
ডিপ্রেশন-
পৃথিবীব্যাপী লক্ষ লক্ষ লোক এই সমস্যায় ভোগে এবং এর ফলে যৌনতার ইচ্ছা হারায় অনেকে। যদি কেউ ডিপ্রেশনের জন্য যৌনতার ইচ্ছা হারায় তবে সেক্স থেরাপির পরিবর্তে আগে ডিপ্রেশনের চিকিৎসা করা উচিত।
মনোদৈহিক চাপ-
অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং মনোদৈহিক চাপের কারণে অনেকে যৌনতার ইচ্ছা হারায়। তারা কোনো কিছুতেই মন বসাতে পারে না এমনকি যৌনতাতেও নয়।
অতিরিক্ত কাছাকাছি থাকার ভয়-
অনেক নারী এবং পুরুষ বেশি মাত্রায় কাছাকাছি চলে আসার পর দেখা যায় যে তারা যৌনমিলনে স্পৃহ হারায়। এই রকম ভীতির জন্য তারা যৌনমিলনে অপারগতা হয় । এটি এক ধরনের মানসিক রোগ। থেরাপি এবং যৌনতার কৌশল পরিবর্তনে এ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
যৌন ভীতি-
অনেক নারী বা শিশু নানা রকম নির্যাতনের মুখোমুখি হবার পর যৌনতার ব্যাপারে ভীতি, ভয়ে ভুগতে থাকে। ফলে যৌনমিলনে তারা কখনোই সঠিকভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে না। এটিও এক ধরনের মানসিক সমস্যা। উঁচু মাত্রার থেরাপিতে এটি আরোগ্য হতে পারে

নারীদের প্রকারভেদ

নারীদের চেনা আসলেই কঠিন। তবে প্রকারভেদ করে ফেললে চিনে ফেলাটা মনে হয় একটু সোজা হয়ে যায়। দীর্ঘ এই জীবনে আশে পাশে তো কম রমণী দেখিনি,তাই তাদের দেখে যা শিখলাম তাই তুলে ধরার ক্ষুদ্র প্রয়াস এই পোস্ট।B-)

ঘরপ্রিয় নারী :
এই ধরনের নারীরা সাধারণত ঠাণ্ডা প্রকৃতির হয়। সাংসারিক কাজে আগ্রহ থাকে বেশি। বসে বসে টিভি সিরিয়াল দেখাই এদের বিনোদনের অন্যতম প্রধান উৎস। এরা অল্পতে অভিমান করে , অল্পতেই খুশিও হয়। কারো প্রতি কোন রাগ বা অভিমান থাকলে তা প্রকাশ না করে বছরের পর বছর মনের মধ্যে পুষে রাখতে পারে।

উচ্চাভিলাষী নারী : 
এই ধরনের নারীদের জনপ্রিয় হবার বাসনা প্রবল। সবার উপরে কিভাবে যাওয়া যায় সেই চেষ্টায় এরা সর্বদাই মগ্ন থাকে। এই শ্রেণীর নারীদের অর্থের প্রতিও বিশেষ দুর্বলটা দেখা যায়। বিত্তের জন্য এরা যে কোন কিছুই করতে সর্বদা প্রস্তুত। তবে ব্যক্তিগত জীবনে এরা তেমন সুখী হয়না। কারন উচ্চে উঠার বাসনা কখনো বাড়ে বৈ কমে না। :D

বুদ্ধিমতী নারী : 
সবচেয়ে কম সংখ্যক নারী এই শ্রেণীভুক্ত। বাস্তবিকভাবে অনেক নারী নিজেদের বুদ্ধিমতী ভাবলেও তারা এই শ্রেণীভুক্ত হতে পারে না। বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তা দুটো আলাদা জিনিস। বিচক্ষণতার সাথে অভিজ্ঞতা জড়িত, বুদ্ধিমত্তার সাথে নয়। বুদ্ধিমতী নারীরা অনেক সময় জীবনের চরম সত্য গুলো আবিস্কার করে অনেক মূল্যহীনতায় ভুগে। অনেকে তাদের বুদ্ধির জোরেও এই সমস্যাকে মাথা থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। তবে এরা সাধারনত জীবনের চাওয়া পাওয়ার ব্যাপারে অনেক সন্তুষ্ট হয় অল্পতেও।

ফটকা নারী :
এরা সাধারণত বন্ধু কিংবা বান্ধবী বেষ্টিত হয়ে থাকতে পছন্দ করে। সব ধরনের উৎসবমুখর কর্মকাণ্ডে এদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। দৈনন্দিন জীবনে এদের বেশিরভাগ সময় কাটে ইন্টারনেটে বিভিন্ন মেসেঞ্জার এ টাংকি বাজি করে। এরা খুবই অস্থির প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংসারিক কাজ এদের ভালো লাগে না যেমন ,তেমনি এক পুরুষকেও বেশীদিন ভালো লাগেনা এদের। /:) 

সহজ সরল নারী : 
বাংলাদেশে এ ধরনের নারীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এরা সাধারণত খুব সহজেই অন্যর দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ কারনে এরাই সবচেয়ে বেশি প্রতারনার ও শিকার হয়। এদেরকে সৎ পথে ও ভালো রাখার জন্য অভিভাবকত্ব খুবই জরুরী। সাংসারিক জীবনেও এরা বেশ সুখী হয়।

ক্যাচাল প্রিয় নারী / ঝগড়াটে নারী : 
এরা সাধারনত সব ধরনের কাজেই ঝামেলা করে মজা পায়। দিনের মধ্যে না চিল্লাচিল্লি করলে এদের পেটের ভাত হজম হওয়া কষ্টকর। এরা আধিপত্য করতে ভালোবাসে। এসব নারী প্রেমিকা হিসেবে ভালো হলেও বৌ হিসেবে অত্যন্ত ভয়াবহ।:-/

সন্দেহপ্রবন নারী :
এদের জীবনের মুল লক্ষ্যই হল যেকোনো কাজের মধ্যে গভীর কোন অর্থ খুজে বের করা। এদের জীবন কাটে স্বামীর টেলিফোন ,প্যান্টের পকেট , ড্রয়ার প্রভৃতি জিনিস পত্র চেক করে। এরা তাদের স্বামীকে খুব সাবধানে আগলে রাখতে চায়। জায়গা জমি কিনবা ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়েও এরা প্রচুর দুশ্চিন্তায় ভোগে। 

আত্মাভিমানী নারী :
এরা কোন এক অজ্ঞাত কারনে সব দোষ নিজের উপর টেনে আনতে পছন্দ করে। এরা ইচ্ছা করে নিজেরা কষ্ট পেতে পছন্দ করে। কষ্টের জন্য চোখের জল ঠিকই পড়ে কিন্তু এটা যে নিজেরই তৈরি সেটা কখনো মনে করে না।
এরা সারা জীবনভর শুধু কষ্টই পায়। এদের জীবনে সুখ কম।

আহ্লাদী নারী : 
এরা সবসময় ছোট বাবুর মতো নাকি সুরে কথা বলতে ও শুনতে পছন্দ করে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারে আহ্লাদী নারী প্রায় জন্মায় না বললেই চলে। এরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উচ্চবিত্ত বেশি হয়। খুব সাধারণ ব্যবহার্য জিনিসে নাক সিটকানোর একটা অদ্ভুত প্রবনতা দেখা যায় । এরা আহ্লাদী হয় কারন এরা তাদের বাবা মা এর কাছ থেকে মানুষ হবার যোগ্য শিক্ষা পায় না।

দু মুখো নারী : 
এরা প্রচুর পরিমানে বানিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে । মুহূর্তের মধ্যেই কথা ঘুরিয়ে ফেলার আশ্চর্য এক ক্ষমতার অধিকারী এই শ্রেণীর নারীরা । এদের জন্য মানুষে মানুষে সাধারণত হানাহানি , ঝগড়া বিবাদ বেশি হয় । এদের দেখামাত্র ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করা প্রত্যেকের অবশ্য কর্তব্য।

জ্ঞানী নারী : 
সমাজে এদের অবস্থান বেশ উপরের দিকে। যদিও এরা নিভৃতে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় তারা ব্যয় করে উচ্চশিক্ষার পিছে। অর্জিত যে কোন ধরনের জ্ঞান ই তারা ব্যবহার করে তাদের বাস্তব জীবনে আদর্শ নারী সমাজ গড়ে তোলার পিছে তাদের অবদান চিরদিন ছিল,আছে ,থাকবে।

পল্টিবাজ নারী : 
এরা খুব স্বার্থপর ধরনের হয়। স্বার্থের জন্য যেটা ভালো , সেটাই এরা করে ছাড়ে। কে কি বলল না বলল তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। এরা ন্যায় অন্যায় বিচার করতে পারলেও এটা নিয়ে মনে মনে দুঃখ করা ছাড়া এদের কার কোন কাজ নেই। এরাও খ্যাতির পিছেই ছোটে , কিন্তু খ্যাতিও এদের বোকাই বানায়। 

কনফিউজড নারী :
যে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে এরা হতাশায় ভোগে। এদের সবসময় মনে হয় সে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ,সেটা সঠিক নয়। এ ধরনের নারীরা খুব অল্প ব্যর্থতাতেই খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এদের জন্য কাউন্সেলিং জরুরী।

আত্মকেন্দ্রিক নারী : 
নিজেকে নিজের মাঝে গুটিয়ে রাখতে এরা পছন্দ করে। এদের পৃথিবীতে অন্যর হস্তক্ষেপ কিনবা অভিবাসন এরা একেবারেই পছন্দ করে না। এরা বেশিরভাগই কল্পনাপ্রবন হয়। এদের আত্মসম্মান বোধ অতিমাত্রায় প্রবল। এরা গৃহিণী হিসেবেও বেশ ভালো ।

ধার্মিক নারী :
এদের সাধারণত আপাদমস্তক সবসময়ই ঢাকা থাকে। এরা সবাই রক্ষণশীল নীতি মেনে চলে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাঝে এধরনের নারী বেশি থাকলেও উচ্চবিত্তদের মাঝে এদের সংখ্যা কম নয়। এরা সাধারণত ঠাণ্ডা প্রকৃতির ও স্থির মেজাজের হয়। মাঝে মাঝে কিছু নারী এই ধার্মিকতার লেবাস ধরলেও তারা আসলে এই শ্রেণীভুক্ত নয়।

ছলনাময়ী নারী / প্রতারক নারী :
পোশাক আশাক কিনবা আচার ব্যবহারে অন্যদের থেকে এদের আলাদা করা অসম্ভব কঠিন। এদের প্রায় পুরোটুকুই মিথ্যা। এরা বেশি থাকে বাস টার্মিনালে, লঞ্চ ঘাট কিনবা ট্রেন স্টেশনে। এসব জায়গায় যেচে পড়ে কেউ এগিয়ে এলে সতর্ক হোন। নিরপরাধ ও সহজ সরল মানুষেরা এদের শিকার হয় প্রায়শই। এদের দেখা আর ১০ নম্বর বিপদ সংকেত দেখা একই কথা।

ক্রিমিনাল নারী : 
এরা আমাদের দেশে কম । বাইরের দেশে এদের সংখ্যা বেশি । এরা সাধারণত ভেঙে যাওয়া পরিবারের সন্তান। শৈশবের কিংবা কৈশোরের কোন ঘটনা যা তাকে ভুগিয়ে থাকে ,নির্দোষ হবার পরেও ,তারা সাধারণত অনেক বড় ধরনের অপরাধী হয়। আর এর সাথে যদি যোগ হয় বুদ্ধিমত্তা ,তাহলে তো খবরই আছে। এরা অনেক বেশি প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে থাকে।

লুল প্রিয় নারী :
অবিশ্বাস্য ভাবে পুরো পৃথিবীতেই এদের সংখ্যা খুব দ্রুত বাড়ছে। :-/ এরা সবসময় এদের চারপাশে একদল মুগ্ধ পুরুষ দেখতে ভালোবাসে। এরা নিজেরা নিজেদের সীমানা টুকু ভালোই চেনে , কিন্তু বেচারা ছাগল পাগল ছেলেরা পরে বাঁশটা খায়। এরা সর্বদাই সুখী হয়। দুঃখ এদের জীবনে থাকলেও তা হয় খুবই সাময়িক ।:)

যৌন বিষয়ে প্রশ্ন উত্তরঃ আমরা যা ভুল জানি

অনেক প্রশ্নের মুখমুখি হতে হয় , সেক্স এডুকেসন না জানার ফলে অনেক স্বাভাবিক ব্যাপার গুলো আমরা রোগ মনে করি, আর এক শ্রেনির প্রতারকরা হাতিয়ে নেয় হাজার হাজার টাকা । লজ্জায় গোপনে কারও কাছে বলতেও পারিনা । এক সময় সাইকোসোমাটিক ও সাইকো সেক্সুয়াল রোগে ভুগতে থাকি । অথচ এগুলো আমাদের না জানার ফল ……অজ্ঞতার ফল , এ ফল খুব কষ্টের ……… ।
মা-বাবা মনে করে যৌন বিষয়টা ওরা বড় হলে জেনে নিবে , কিন্তু কার কাছ থেকে জানবে ? শিশুর কৌতুহল পুরন করবে কে, তার ভুল জ্ঞানের জন্য কে দায়ি ?
মা-বাবা রা এসব কবে যে বুঝবে !!!!!!!!
(বিদ্রঃ এই পোস্টে কেউ পন্ডিতি জাহির করবেন না , চিকিৎসক ছাড়া কেউ মেডিকেল বিষয়ক পরামর্শ দিবেন না । এই পোস্টের লেখা মেডিকেল সায়েন্সের আলোকে , ধর্মের অলোকে না ।ধর্মের আলোকে লেখার যোগ্যতা আমার নাই । পোস্টের বিষয়ের বাহিরে কেউ কোন প্রশ্ন করবেন না )
প্রশ্নঃ  আমার লিঙ্গের আগা মোটা গোড়া চিকন , কি করি?
উত্তরঃ এটা কোন রোগ না । এটার লিঙ্গের স্বাভাবিক গঠন …… সো নো টেনশন ।
প্রশ্নঃ  হস্তমৌথুনের কারনে কি কোন সমস্যা হয় ?
উত্তরঃ  হস্তমৌথুন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । অতিরিক্ত কোন কিছু ভাল না , তবে আপনি যদি হস্তমৌথুন করার পর অপরাধ প্রবনতায় ভোগেন , তাহলে মনযৌন সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন।
প্রশ্নঃ  স্বপ্নদোষ হছে , কি করবো ?
উত্তরঃ  “স্বপ্নদোষ” এই নামটাই ভুল । স্বপ্নে তো কোন দোষ হচ্ছে না , তাহলে আমরা কেন এটাকে স্বপ্নদোষ বলছি ? এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া । মেয়েদের মিন্স/মাসিক যেমন স্বাভাবিক, ছেলেদের স্বপ্নদোষ তেমন স্বাভাবিক । মাসে ১৫ বারের বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন ।
প্রশ্নঃ  আমার লিঙ্গ ছোট , বিয়ে করতে পারব তো?
উত্তরঃ কমন একটা প্রশ্ন, একটা মেয়েকে(স্ত্রী) যৌন তৃপ্তি দেওয়ার জন্য আপনার লিঙ্গ উত্তেজনার সময় ২.৫ থেকে ৩ ইঞ্চি লম্বা হলেই চলবে । স্কেল নিয়ে মেপে দেখুন, কি উত্তর পেয়েছেন? হেহেহে আপনি সুস্থ্য ।
প্রশ্নঃ লিঙ্গ বড় করার কোন মালিশ, ওষুধ ,ক্রিম , মেশিন কি আছে ?
উত্তর:  নাই … নাই …… নাই , বাজারে যত মালিশ, ওষুধ ,ক্রিম , মেশিন আছে সব ভুয়া । এর সাথে বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক নাই। (কেউ মালিশ, ওষুধ ,ক্রিম , মেশিন এর সাথে লিঙ্গ বড় করার বিষয়ে বিজ্ঞানের কোন সম্পর্ক – এর কথা বললে অবশ্যই প্রমান সহ বলবেন । মনে রাখবেন হাতুড়ে চিকিৎসা বিষয়ক কোন কথা মানা হবে না )
প্রশ্নঃ আমার বীর্য পাতলা , আমি কি বাবা হতে পারবো?
উত্তরঃবীর্য পাতলার সাথে বাবা হওয়ার কোন সম্পর্ক নাই । বীর্যের মধ্যে শুক্রের পরিমান ও গুনগত মানের উপর নির্ভর করে আপনি বাবা হতে পারবেন কিনা । “বীর্য পাতলা” এটা কোন রোগ না। এর সাথে যৌন দুর্বলতারও কোন সম্পর্ক নাই। 
প্রশ্নঃ মেয়েদের কি স্বপ্নদোষ হয়না? নাকি তাদের শুধু মিন্স হয়? 
উত্তরঃস্বপ্নদোষ” এই নামটাই ভুল । স্বপ্নে তো কোন দোষ হচ্ছে না , তাহলে আমরা কেন এটাকে স্বপ্নদোষ বলছি ? এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।মিন্স আর স্বপ্নদোষ এক করে ফেলা ঠিক না । মেয়েরা ও ছেলেরা সবাই সেক্স করা নিয়ে সপ্ন  দেখে, এতে অসুবিধার কিছু নাই , যৌন জীবনের উপর এর কোন প্রভাবও নাই। 
নেট থেকে

Friday, October 21, 2011

বিকৃত যৌনতায় মুখে আলসার

যৌনতা মানুষের আদি সহজাত প্রবৃত্তিগুলোর অন্যতম। বিকৃত যৌনতায় মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা, যৌনাঙ্গ এবং মলদ্বার ব্যবহƒত হচ্ছে। বিকৃত যৌনতার কারণে মুখে আলসার থেকে শুরু করে শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগের বিস্তার লাভ করেছে। মুখের আলসারের চিকিৎসায় ওরোজেনিটাল সেক্স সত্যিই বড় এক চ্যালেঞ্জ। ওরাল সেক্সের ক্ষেত্রে অসাবধানতা এবং অজ্ঞতার জন্য মুখের জটিল রোগ থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিকৃত যৌনতায় কেউ যদি অভ্যস্ত থাকে তা হলে চিকিৎসককে বিষয়টি না জানালে আপনার মুখের আলসারের যথার্থ চিকিৎসা করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। সব চেয়ে ভালো হয় বিকৃত যৌনাচার পরিহার করে স্বাভাবিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত হওয়া।
ওরাল সেক্সের মাধ্যমে যৌনসংক্রমিত রোগ (ঝঞউ) বিস্তার লাভ করে। সব চেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস। এ ভাইরাস টাইপ-১ সাধারণত ঠোঁটকে আক্রান্ত করে, যা কোল্ডসোর নামে পরিচিত। হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের মাধ্যমে ফ্যারিনজাইটিস, গলাব্যথাসহ আলসার হতে পারে। আপনার ঠোঁটে যদি কোল্ডসোর থাকে তা হলে আপনার সঙ্গীকে ঠোঁটে চুমু দেয়া থেকে বিরত থাকুন এবং ওরাল সেক্সের কথা তো এক্ষেত্রে চিন্তাই করা যাবে না। ওরাল সেক্সে অংশগ্রহণকারী একজন যদি অন্যজনের সংক্রমণজনিত খোলা আলসারের সংস্পর্শে আসে তা হলে সিফিলিসে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এভাবে সিফিলিসজনিত জিহ্বার আলসার দেখা দিতে পারে। ওরাল সেক্সে অংশগ্রহণকারী দু’জনের একজনের যদি হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস থাকে তা হলে অন্যজনের জন্য তা ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে। ভাইরাস জেনিটাল ওয়ার্টস বা গোটার সৃষ্টি করে থাকে। ওরাল সেক্সের মাধ্যমে একজন যদি হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস সংক্রমিত অবস্থায় থাকে তা হলে অন্যজনের দেহে তা সংক্রমিত হতে পারে এবং মুখের পাশে বা ভেতরে ওয়ার্টস বা গোটা অর্থাৎ মুখের ভেতরে ভাইরাসের গোটা দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে ওরাল সেক্সের অভ্যাসের কথা ডাক্তারকে রোগী অবগত না করলে বা লুকিয়ে গেলে চিকিৎসা করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন যদি ওরাল সেক্স চলতে থাকে তা হলে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
ওরো অ্যানাল সেক্স অর্থাৎ মুখ ও পায়ু পথের যৌনতায় সালমোনিলা, শিগেলা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত হতে পারে। এর মাধ্যমে মুখে আলসার ছাড়া পেটে ব্যথা এবং ডায়রিয়া হতে পারে। হেপাটাইটিস ‘এ’ ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে জন্ডিস ও পেটে ব্যথা হতে পারে। ভাগ্য খারাপ হলে ওরো অ্যানাল সেক্সের মাধ্যমে হেপাটাইটিস ‘এ’ ভাইরাস বিস্তার লাভ করে। ওরাল সেক্স করার সময় যদি রক্ত বের হয় আর সঙ্গীর যদি হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাস থাকে তা হলে তা সংক্রমিত হতে পারে। এইডস রোগের ক্ষেত্রেও রক্ত সঞ্চালিত না হলে ওরাল সেক্সের মাধ্যমে বিস্তার লাভের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ‘বি’ ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। বিভিন্ন প্যারাসাইট ওরো অ্যানাল সেক্সের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে। তাই মুখের আলসার প্রতিরোধে ওরাল সেক্স পরিহার করা উচিত।
ডা. মোঃ ফারুক হোসেন
মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
যুগান্তর

আমি কি বিয়ে করতে পারব না?

সেক্স সমস্যা যুবকদের কৌতূহল কি দায়ী
বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে, দোকানে, বাসে, রাসত্মাঘাটে যত রকমের পোস্টার ও লিফলেট চোখে পড়ে তার মধে সেক্স সমস্যা, সেক্সে চিকিৎসার ওষুধ ও চিকিৎসার নাম সংবলিত পোস্টারই বেশি। আর এই সুযোগে বিভিন্ন আপত্তিকর ও সেক্স উত্তেজক লেখা পড়ে উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে প্রবল ঈঁৎরড়ংরঃু তৈরি হবার ফলে অনেকে নিজের সেঙ্ পাওয়ার ঠিক আছে কিনা যাচাই করতে প্রবল আগ্রহের সঙ্গে বিভিন্ন হোটেলে, বান্ধবীর সঙ্গে অথবা পাড়ায় গিয়ে পরীৰা করে তখনই বিপত্তি হয় বৎবপঃরষব ভধরষঁৎব এই শুরু নানা ধরনের টেনশন, বিভিন্ন ধরনের নেগেটিভ চিন্তা-লিঙ্গের সাইজ নিয়ে, ৰমতা নিয়ে, শক্তি নিয়ে, বিয়ে নিয়ে, বাচ্চা হওয়া নিয়ে, বউ থাকবে কিনা, বউর সামনে লজ্জা পেতে হবে কিনা? সোজাকথা অনেক ছেলে বলেই ফেলে আমি বিয়ে করতে পারব কি না?
কারণের মধ্যে :
১. বয়োসন্ধিকালে হসত্মমৈথুনের কারণে শরীর থেকে সমসত্ম শক্তি বের হয়ে যায়, কর্ম ক্ষমতা কমে যায়, শরীর ভেঙ্গে যায়_যৌবনের শুরুতেই শেষ করে দিয়েছে।
২. বিভিন্ন ধরনের পর্নোগ্রাফী
৩. যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট
৪. নেশা দ্রব্য যেমন ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা, হিরোইন, মদ ইত্যাদি।
৫. সেঙ্ সম্পর্কে অজ্ঞতা
৬. বন্ধ-বান্ধবের কাছ থেকে সেঙ্ সংক্রান্ত ভুল তথ্য শিৰা লাভ করা
৭. হাটে-বাজারে ছোট ছোট মাইকিং করে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য শেখানো
৮. শিৰা কারিকুলামে কোন সেক্স এডুকেশন না থাকা।
৯. কিছু অবসেস্ট ধরনের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
১০. নিজের পুরম্নষত্ব যাচাই করতে পাড়ায় গিয়ে ভয়ের কারণে প্রথম প্রথম সমস্যা দেখা যায়। আগেই বির্যপাত হয় অথবা ঠিকমতো গরম হয় না। আর তখনই বিপদ ডেকে আনে যে, আমি বোধহয় ব্যর্থ পুরম্নষ।
লৰণ :
১. রোগীদের অভিযোগ থাকে-প্রস্রাব দিয়ে ক্যালসিয়াম যায়, ধাতু যায়, শরীয় ৰয় হয়ে যায়।
২. কেউ কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যায়, ফিট হয়ে যায়। বার বার মূর্ছা যায়। পরে ইতিহাস নিয়ে জানা গেল যে, তার মাথায় সব সময় লিঙ্গ নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রানত্মি মূলক চিনত্মা কাজ করছে।
৩. আবার কারও মধ্যে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, পেট ব্যথা, মাথা ব্যথা, তলপেটে ব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, কিট কিট করে কামড়ায় ইত্যাদি থাকে।
৪. এই সেঙ্ সমস্যা নিয়ে ফকির কবিরাজ এই ডাক্তার ঐ ডাক্তার দেখায়ে ঘুরে বেড়ায়ে সর্বস্বানত্ম হয়েছে।
৫. সেঙ্রে সমস্যার কারণে অনেকে অবসেশনের মতো হয়ে যায়।
৬. এই ভ্রানত্ম ধারণা নিয়ে ধর্ম-কর্ম বাদ দিয়ে সারাৰণ ঘুরে বেড়ায় সমাধানের জন্য। আমি তো ব্যর্থ, আমার দ্বারা কিচ্ছু হবে না।
৭. কেউ কেউ যৌন সংক্রামক রোগ বেঁধে নিয়ে আসে
৮. লিঙ্গ ছোট-বড়, আগা চিকন গোড়া মোটা, এই রকম হাজারো উদ্ভট উদ্ভট চিনত্মা মাথায় আসতে থাকে।
৯. নাইট প্রেসার নিয়ে থাকে হরেক রকম নেগেটিভ চিনত্মা। বির্য যাতে নষ্ট না হয় এই ভয়ে বাবা-মা ছেলেকে বিয়ে করিয়ে দেন।
১০. অনেকে চুপ চাপ থাকে, থম মেরে বসে থাকে কোন কথা বলে না, কাজ করে না, ঘুম হয় না সব কিছুতেই নেগেটিভ চিনত্মা। জীবন নিয়ে, ভবিষ্যত নিয়ে, সংসার নিয়ে ধীরে ধীরে বিষণ্ন্নতার দিকে ধাবিত হয় এবং আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়ে আসে।
যদি কোন যুবকের সেঙ্ নিয়ে, বিয়ে নিয়ে টেনশান থাকে তাহলে সাইকিয়াট্রিস্টের দ্বারা চিকিংসা করায়ে বিয়ে করা উচিত।
ডা. মোঃ দেলোয়ার হোসেন
সহকারী অধ্যাপক
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
জনকন্ঠ

Sunday, October 9, 2011

পুরুষ-নারীর কাম ক্রীড়া

যৌনসঙ্গমের সঙ্গে হৃদয়াবেগজনিত ও শারীরিক ব্যাপারগুলো অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে সম্পর্কিত। প্রাক সঙ্গম ভূমিকায় এই উভয় দিকের কথাই বিবেচিত হওয়া উচিত।
 
  হৃদয়াবেগের ক্ষেত্রে ভালোবাসা জানানোর রীতি সঙ্গীদ্বয়ের সাংস্কৃতিক পটভূমিকায় ব্যক্তিগত ইন্দ্রিয়ানুভূতি, মানসিক প্রবণতা এবং সেই বিশেষ মুহূর্তের মনোভাব অবস্থার ওপর নির্ভর করে। বলাবাহুল্য, তার প্রকাশভঙ্গি অসংখ্যরকম হতে পারে সে প্রকাশভঙ্গি একজনের কাছে এক সময়ে উদ্দীপনাময় সেই প্রকাশভঙ্গিই অন্য সময়ে, অন্য একজনের কাছে কুৎসিত বলে মনে হতে পারে। কখনো কখনো দীর্ঘ কাম ক্রীড়ার তুলনায় সামান্য একটা কথা, একটা ভঙ্গি, একটা ইঙ্গিতপূর্ণ রসালো মন্তব্য বা সুগন্ধ অনেক বেশি কার্যকরী হয় আচরণের বাধা-ধরা রীতি পদ্ধতি বা নিয়ম-কানুন আগে থাকতে বলা সম্ভবও নয়,বাঞ্ছনীয়ও নয়, মানব সম্পর্কের এই অন্তরঙ্গ ব্যাপারে ব্যক্তিগত স্বতঃস্ফূর্তি বা নৈপুণ্য এবং সেই সঙ্গে পারস্পরিক অনুভূতি ও অভিযোজনের ওপরই প্রধানত নির্ভর করা উচিত সূক্ষ্ম আবেগপ্রবণ ভঙ্গি, প্রবল যৌনলিপ্সা জাগাবার পক্ষে যথেষ্ট, তবে যৌনমিলনের আগে অনেক সময়ে প্রত্যক্ষ শারীরিক উদ্দীপনা সৃষ্টি করাটা বাঞ্ছনীয়। প্রত্যক্ষ শারীরিক উদ্দীপনা বলতে বোঝায় স্পর্শ, চুম্বন, দংশন, লেহন, আলিঙ্গন, মর্দন, ঘর্ষণ। পুরুষের কামস্থান মোটামুটি একটা জায়গায় অবস্থিত কিন্তু নারীর কামস্থান সারা শরীর জুড়ে বিসতৃত ও ছড়ানো-ছিটানো। অনুকূল মানসিক অবস্থায় দেহের যে কোনো অংশের স্পর্শন ঘটলেই যৌন উদ্দীপনা জাগরিত হয়, ম্যান্টিগাজা যৌন প্রেমকে, উচ্চতর স্পর্শেন্দ্রিয়ের চাঞ্চল্য বলে অভিহিত করেছেন ঠোঁট, ঘাড়, কাঁধ, গলা, কান, কানের লতি, কানের নিম্নাংশ, স্তন, স্তন বোঁটা, এরিওলা, স্তন ভাঁজ, স্তনের চূড়া এগুলো বিশেষভাবে স্পর্শকাতর এবং এসব অঞ্চলে হাত বোলালে বা চুমো দিলে, হাল্কা কামড় দিলে, লেহন করলে অনেক সময় প্রবল যৌন উদ্দীপনা জাগে। বিবাহের গোড়ার দিকে জননেন্দ্রিয়ের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শের চেয়ে সাধারণভাবে দৈহিক সংস্পর্শের দ্বারাই নারীরা বেশি উত্তেজিত হয়ে ওঠে স্বাভাবিক লজ্জাশীলতা ও সংকোচ ক্রমে ক্রমে কেটে যাওয়ার পরই জনন প্রদেশের প্রত্যক্ষ সংস্পর্শে যৌন উদ্দীপনার উদ্রেক করে।

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More