This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label মনোপোজ. Show all posts
Showing posts with label মনোপোজ. Show all posts

Tuesday, September 27, 2011

মেনোপজের সম্ভাব্য লক্ষণসমূহ যা একজন নারীর যৌনতাকে আক্রান্ত করে

  • ক্লান্তিবোধ , আকস্মিক উষ্ণ উচ্ছ্বাস , ঘুম ঘুম ভাব
  • মাথা ঘুরানি , যোনি শুকিয়ে যাওয়া
  • ভারসাম্য রক্ষা করায় কষ্ট , যৌন ইচ্ছার পরিবর্তন
  • অনেক বেশি ঘাম দেয়া
  • সপর্শে অনেক কম আনন্দ অনুভূত হওয়া
  • দ্বিতীয় যৌনাঙ্গের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঃ স্তনের পূর্ণতা কমে আসা, যোনি কপাট, নিতম্ব, কমর এবং বয়স্ক যোনি লোম কমে আসা।
  • যোনির টিস্যুগুলো পাতলা হয়ে আসা
  • ত্বকে চুলকানি অথবা জ্বালাপোড়া
  • কাপড় পরিচ্ছদে অথবা সপর্শে সপর্শকাতরতা
  • পায়ের এবং হাতের অনুভব কমে আসা
  • এসব অবস্থায় জড়িত হয়ে পড়ে রজঃস্রাবপূর্ব লক্ষণসমূহ।
  • এছাড়াও এস্ট্রোজেনের কমতির কারণে খুব বেশি শিরঃপীড়া হতে পারে।
  • অল্প সময়ের জন্য স্মৃতিভ্রষ্ট হতে পারে
  • মনোযোগ দিতে অসুবিধা হতে পারে
  • চাপ এবং দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে।
যেহেতু প্রতিটি নারীই আলাদা আলাদাভাবে মেনোপজের অভিজ্ঞতা লাভ করে, তাদের একজনের লক্ষণসমূহ অন্যজনের চেয়ে পার্থক্যপূর্ণ হয়ে থাকে। এই লক্ষণসমূহের কারণ হচ্ছে শরীরে এস্ট্রোজেন তৈরি কমে আসা এবং এর প্রতিক্রিয়া হতে পারে হাল্কা থেকে কঠিন। তারা বেশি বেড়ে যায় শেষ রজঃস্রাবের দু বছর পূর্ব থেকে এবং দু বছর পর পর্যন্ত। চল্লিশ-এর দশকের প্রথমভাগে এসে একজন নারী তার প্রথম রজঃস্রাবজনিত পরিবর্তন লক্ষ্য করেন এবং তার ঘুমের আদলের কিছুটা পরিবর্তনও দেখতে পান। এছাড়াও রাতে তার বেশি ঘাম এবং শরীরে জ্বালাপোড়া অনুভব করতে পারেন। এ সময়ে হরমোনের ঢেউ-এর কারণে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় অতি তাড়াতাড়ি। একজন মহিলা এই রাত্রিকালীন ঘাম দেয়ার সময়ে এবং শরীর জ্বালাপোড়ার সময়ে অনেক কম যৌন ইচ্ছা অনুভব করতে পারেন।
যদিও মেনোপজ হতে পারে একটা সময়ের ব্যাপার। তবে এর দ্বারা কী আশা করা যায়, তা হচ্ছে এই যে এর বেশিরভাগ লক্ষণই স্থায়ী নয় এবং তা হচ্ছে একটি স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়া। এটা জানা থাকলে কোনো ভয়ের কারণ থাকে না। এখানে কিছু স্থায়ী শারীরিক পরিবর্তন আসতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে একটু বেশি মাত্রায় মুখের পশম গজানো দেখা দিতে পারে এবং কণ্ঠস্বর গভীর হতে পারে। ভগাঙ্কুর অনেকটা বেড়ে যায় এবং যোনিরও পরিবর্তন হয়। যোনি দেয়ালসমূহ পাতলা ও শুকনো হয়ে যায়। স্বাভাবিক পিচ্ছিলতা না থাকায় যৌনসঙ্গম কষ্টদায়ক হতে পারে। এই সমস্যা দেখা দিলে ভেজিটেবল অয়েল অথবা তার পরিবর্তে অন্য লুব্রিক্যান্ট যেমন ‘অ্যাসট্রোগ্লাইড আর অথবা রিপ্লেনস আর’ ব্যবহার করলে সমস্যা দূর হতে পারে।
অনেক নারী এ সময়ে যোনি অঞ্চলের পেশির সুস্থতা হারিয়ে ফেলেন। তারা হাঁচি দেওয়ার সময়, কাশি দেওয়ার সময় অথবা লাফ দেওয়ার সময় সামান্য প্রস্রাব ত্যাগ করতে পারেন। এটাকে বলা হয় incontinence. এটা বিশেষ করে ওইসব নারীর জন্য সাধারণত হয়ে থাকে যারা অনেক বেশি সন্তান জন্ম দিয়েছেন সাধারণ উপায়ে (অর্থাৎ অপারেশন বা সিজারিয়ান ছাড়া)। নিম্নে প্রদত্ত কেজেল ব্যায়ামটি এই ধরনের প্রস্রাব ক্ষরণ ব করে, যোনির দেয়ালকে শক্ত করে ও যৌনপুলক ও শীর্ষ আনন্দকে বাড়াতে পারে।

Friday, July 15, 2011

মনোপোজ

দুরন্ত কৈশোর পেরিয়ে পূর্ণাঙ্গ নারী হয়ে উঠতে শরীর ও মনে, দেহের ভেতরে-বাইরে নানা রকম পরিবর্তন হয়। ভেতরে এ পরিবর্তনের অন্যতম হলো রজঃস্রাব বা মাসিক। এটা সাধারণত ১২ থেকে ১৪ বছরের মেয়ের শুরু হয় যদিও পারিবারিক, সামাজিক, ভৌগোলিক, স্বাস্থ্য ও ভিন্ন পরিবেশে এর কিছুটা ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। আবার ৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সে পূর্ণাঙ্গ নারীর জীবনে আসে বিরাট পরিবর্তন, সেটাও শরীরের ভেতরে ও বাইরে। এর মধ্যে অন্যতম হলো রজঃনিবৃত্তি বা মেনোপজ। এটা হয় মেয়েলি হরমোনগুলোর নিঃসরণ কমে যাওয়ার জন্য।

সাধারণত ৪৫ থেকে ৫২ বছর বয়সে আবার এর উল্টোটা ঘটে, যেমন­ কারো ৪০-এর পর, আবার কারো ৫৪ বছর বয়স পর্যন্ত মাসিক হতে পারে।

এ সময়ে এ হরমোন (ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরোন) কমার জন্য মহিলাদের জীবনে শারীরিক ও মানসিক, পরিবর্তন হয় যা তাকে প্রচন্ড চাপের মধ্যে ফেলে।

শারীরিকঃ ত্বক মোটা ও রুক্ষ হতে থাকে। স্থূলতা বা ওজন বাড়ে। স্তন শুকিয়ে যেতে থাকে।

মানসিকঃ যারা একা, ছেলেমেয়ে ছাড়া অসুখী জীবনযাপন করেন তাদের পরিবর্তন বেশি হয়। অনেকের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা জন্মে যে, মেনোপজ হওয়া মানেই তাদের জীবন শেষ ও নারীত্ব শেষ। এমনকি স্বামীর ভালোবাসা শেষ।

এ সময়ে বিষণ্নতা, অকারণে উত্তেজনা, নার্ভাসনেস, রুক্ষ ও খিটখিটে মেজাজ, অমনোযোগিতা, মাথা ধরা ইত্যাদি থাকে। খাবারে প্রচন্ড অরুচি, অনেক সময় বদহজম হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।

বুক ধড়ফড় করা, বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব করা, হট ফ্ল্যাশ বা নাকে বা মুখে হঠাৎ গরম ভাপ লেগেছে মনে হয়। একে মেনোপজের প্রথম বা প্রধান লক্ষণও বলা যেতে পারে। এটি দিনে দুই-তিনবার বা রাতে যেকোনো সময় হতে পারে, যা তাকে ঘুমের মধ্যে প্রচণ্ড রকম ঘামিয়ে দিতে পারে।

মহিলা জননাঙ্গ শুকিয়ে যেতে থাকে। তা ছাড়া ঘন ঘন প্রস্রাব, স্তনে ব্যথা, গিরায় গিরায় ব্যথা, হাড় নরম হয়ে যাওয়া ও ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা বেশি হয়।

চিকিৎসাঃ প্রথম ধাপঃ এ সময়ে সহানুভূতির সাথে তাদের সাপোর্ট দিতে হবে। বুঝাতে হবে এটা জীবনের একটা ধাপ বা পরিবর্তন মাত্র, জীবন শেষ হয়ে যাওয়া নয়। যাদের হট ফ্ল্যাশ বা ঘাম বেশি হয় তাদের চা, কফি, বিছানায় গরম কাপড় ব্যবহার বাদ দিতে হবে। নিয়মিত বা পরিমিত ব্যায়াম, ঠাণ্ডা পানীয় তাদের স্বস্তি দিতে পারে অনেকটা।

দ্বিতীয় ধাপঃ প্রয়োজনে ঘুমের ওষুধ, প্রেসার বা ডায়াবেটিস বেশি হলে এর ওষুধ, নার্ভাসনেস কমানোর জন্য ট্রাংকোলাইজার ও বিটা ব্লকার ভালো কাজ করে থাকে।

তৃতীয় ধাপঃ যখন সমস্যা এতটাই প্রকট হয় অথবা প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে চিকিৎসায় সমাধান হচ্ছে না তখন হরমোন বা এইচআরটি’র প্রয়োজন হতে পারে। এটা দিতে হবে তখনই যখন হরমোন প্রয়োগে নিষেধ নেই এবং যিনি এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্বন্ধে জেনে নিতে রাজি হন ও সময় মতো ফলোআপে রাজি হন। জরায়ু না থাকলে সর্বাপেক্ষা কম ডোজ ইস্ট্রোজেন এবং জরায়ু থাকলে সাথে শেষ ১০ দিন প্রজেস্টেরোন দিতে হবে। অনেক সময় লোকাল ক্রিম হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। যাদের হাড় দুর্বলতা বা হাড় ক্ষয়ে যাওয়া বা ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা আছে তাদের সার্ম (সিলেক্টিভ ইস্ট্রোজেন রিসেপটর মডুলেটর) খেয়ে উপকার পেতে পারেন। তা ছাড়া ভিটামিন ই, ডি, ক্যালসিয়াম, ছোট মাছ, শাকসবজি, ফলমূল খুব উপকারে আসবে। তেল ও চর্বিজাতীয় খাবার বাদ দেয়া সব দিক থেকেই মঙ্গলজনক। যেহেতু একজন মহিলার জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সময় মেনোপজের পরে পার হয় এবং এ সময়ই যাবতীয় উন্নয়নের শ্রেষ্ঠ সময় তাই তাকে এ সময় সব দিক থেকে সর্বসেরা কাউন্সিলিং ও চিকিৎসা দেয়া বাঞ্ছনীয়।

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More