This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label লিঙ্গ. Show all posts
Showing posts with label লিঙ্গ. Show all posts

Wednesday, September 14, 2011

লিঙ্গিক বিভ্রান্তি

এটা একদম সার্বজনীন প্রচলিত বিভ্রান্তি পুরুষাঙ্গ যত বড় হবে সঙ্গমে পুরুষের ভূমিকা তত বেশি কার্যকরী হবে। বিভিন্ন সংস্কৃতিতে পুরুষাঙ্গের শিথিল আর উত্তেজিত উভয় অবস্থার আকার ব্যক্তির যৌনতার ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। আকৃতিতে বড় মানে অসাধারণ যৌনক্ষমতাধর পুরুষ। ডিকিনসন সর্বপ্রথম কিছুটা বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে বিভিন্ন পুরুষাঙ্গের আকার বা মাপ পরিমাপ নিয়েছিলেন। তিনি লোয়েব নামের অপর একজন গবেষকের লিঙ্গিক রিপোর্টকেও সমর্থন করেছিলেন-শিথিল অবস্থায় পুরুষাঙ্গের আকার সীমানা হল ৮.৫ হতে ১০.৫ সেন্টিমিটার যার গড় আকার হয় ৯.৫ সেমি। আমাদের ল্যাবরেটরি গবেষণাতে পুরুষ সদস্যদের পুরুষাঙ্গের পরিমাপ আগেকার সে সব পরিমাপের সাথে সাদৃশ্যতা বিদ্যমান।
পুরুষাঙ্গের আকারকে যৌন অক্ষমতার নির্ধারক মনে করা হয়ে থাকে। এমনও ধারণা প্রচলিত উদ্রিক্ত অবস্থায় বড় আকারের পুরুষাঙ্গ আরও বৃহদাকৃতির হয়ে আসে আর ছোট আকারের পুরুষাঙ্গের আকার তেমন বেশি পরিবর্তন ঘটে না। পুরুষ সদস্যদের একাংশের ওপর চালানো গবেষণাতে এটি ভ্রান্ত প্রমাণিত হতে দেখা গেছে। গবেষণার জন্য চলিস্নশ সদস্য বিশিষ্ট দুটো গ্রুপ নেয়া হয়-প্রথম গ্রুপের লোকদের শিথিল অবস্থায় পুরুষাঙ্গের আকার ৭.৫-৯ সেন্টিমিটার ছিল। আর দ্বিতীয় গ্রুপের পুরুষাঙ্গের আকার ১০-১১.৫ সেন্টিমিটার ছিল। মোটামুটি সতর্কতার সাথে এ পরিমাপ নেয়া হয়েছিল। অতঃপর যৌনাঙ্গের উত্তেজিত অবস্থায় ঊর্ধ্বস্থিতি পর্যায়ে উদ্রিক্ত পুরুষাঙ্গের আকার নেয়া হয়। ছোটো আকৃতির পুরুষাঙ্গ গ্রুপে (৭.৫-৯ সেন্টিমিটার) যৌন শিহরণের ঊর্ধ্বস্থিতি পর্যায়ে গড় হিসেবে ৭.৫-৮ সেমি পরিমাণ বাড়তে দেখা গেছে। হিসেবটা শিথিল অবস্থায় প্রায় দ্বিগুণের সমান। অপরদিকে বৃহদাকৃতির পুরুষাঙ্গ গ্রগ্রুপে (১০-১১.৫ সেমি) ঊর্ধ্বস্থিতি পর্যায়ে পুরুষাঙ্গের আকার ৭-৭.৫ (সেমি পরিমাণ) বাড়তে দেখা গেছে।
পুরুষাঙ্গের পরিমাণ খুবই সতর্কতার সাথে নেয়া হয়েছিল। এ সময়ে ব্যক্তির মনে কোনো ধরনের প্রাক উদ্দেশ্য কাজ করেনি। বর্ণনার খাতিরে পরিমাপগুলোকে ০.৫ সেমি পর্যন্ত হিসেব করা হয়। পুরুষাঙ্গের গোড়ার দিককার পিউবিক সিমকায়োসিম অগ্রবর্তী মার্জিন হতে পুরুষাঙ্গের পৃষ্ঠ বরাবরে পুরুষাঙ্গ অগ্রভাগ পর্যন্ত মাপা হয়। ৮০ জন লোকের পুরুষাঙ্গ শিথিল আর উদ্রিক্ত অবস্থায় একজন লোক দ্বারা পরিমাপ করিয়ে নেয়া হয়েছিল ও পরপর তিনবার এটি করা হয়েছিল। একজন লোক দিয়ে সমস্ত পরিমাপ করা হয়েছিল, যে কোনো ব্যক্তিনির্ভর সক্ষ্ম বিভ্রান্তি থাকলে তা যেনো সবার বেলাতে ঘটে থাকে। তিনটি পরিমাপের একটা নেয়া হয়েছিল হস্তমৈথুনকালে অপর দুটো পরিমাপ সক্রিয় সঙ্গমের ঊর্ধ্বস্থিতি পর্যায়ে ফান্ড দিয়ে পুরুষাঙ্গের মাপ নেয়া হয়। মাপ নেয়ার বেলাতে লক্ষ্য রাখা হয়েছিল পুরুষাঙ্গের ঊর্ধ্বস্থিতি পর্যায়ের শেষ বিন্দু না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা হয়। এ কারণে একই পুরুষাঙ্গের বার বার মাপ নেয়া হয়েছে।  এ সমস্ত পরিমাপ হতে যেটি বের হয়ে আসে-শিথিল অবস্থায় বৃহদাকৃতির পুরুষাঙ্গ শিথিল ক্ষুদ্রাকৃতির পুরুষাঙ্গ অপেক্ষা তেমন বেশি মাত্রায় স্ফীতি ঘটে না। উত্তেজনাজনিত স্ফীতির গড় আকার ছোটো বড় পুরুষাঙ্গের মাঝে তেমন একটা পার্থক্য দেখা যায়নি।
গবেষণাতে আরও কিছু দিক খুবই উল্লেখযোগ্য। পুরুষদের মাঝে পুরুষাঙ্গের সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল অপর এক পুরুষের মাঝে যাকে এ গবেষণা দলে অন্তর্ভুক্তি করা হয়নি। শিথিল অবস্থায় তার পুরুষাঙ্গের আকার ছিল ৭.৫ সেন্টিমিটার। উদ্রিক্ত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের আকার ৯ সেমির বেশি বৃদ্ধি পেতে দেখা যায়। এক্ষেত্রে উদ্রিক্ত অবস্থায় পুরুষাঙ্গ শিথিল অবস্থার আকারকে দ্বিগুণ ছাড়িয়ে গিয়েছিল। পুরুষাঙ্গের আকারের সবচেয়ে কম পরিমাণ বৃদ্ধি ঘটেছিল এমন এক পুরুষের বেলাতে যার পুরুষাঙ্গ মোটামুটি বৃহদাকৃতির ছিল। শিথিল অবস্থায় তার পুরুষাঙ্গের আকার ছিল প্রায় ১১ সেন্টিমিটার। উদ্রিক্ত অবস্থায় তার পুরুষাঙ্গ মাত্র ৫.৫ সেমি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়েছিল। এ দুটো পুরুষাঙ্গের পরিমাপও আগের পদ্ধতি মোতাবেক করা হয়েছিল।
গবেষক পিয়ারসল আগেই অভিমত দিয়েছিল দেহের অন্যসব অঙ্গের মত সাধারণ দৈহিক বিকাশের সাথে যে একটা মোটামুটি স্থির আনুপাতিক সম্পর্ক দেখা যায় তা পুরুষাঙ্গের বেলাতে তেমন একটা দেখা যায় না। আমাদের চারপাশে এমন কিছু অন্ধবিশ্বাস প্রচলিত আছে। নানান সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করা হয়ে থাকে একজন মানুষের কঙ্কালতন্ত্র আর মাংসপেশি যত বেশি বিকাশপ্রাপ্ত হবে মানে দেহ গড়ন বৃহদাকৃতির হবে তার পুরুষাঙ্গও তত বৃহদাকৃতির হবে। এ বাড়তি আকৃতির হিসেব শিথিল আর উদ্রিক্ততা দু’অবস্থাতেই। গবেষণায় অংশ নেয়া ২১-৮৯ বছর বয়সের ৩১২ জন পুরুষের পুরুষাঙ্গের আকার পিয়ারসলের অভিমতেরই সমর্থন দেয়- দেহের গড়ন আর পুরুষাঙ্গের আকারের মাঝে কোনো যোগসত্রতা নেই। এসব পুরুষদের মাঝে সর্ববৃহৎ পুরুষাঙ্গের আকার শিথিল অবস্থায় ছিল ১৪ সেমি কিন্তু পুরুষটি লম্বায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি আর ১৫২ পাউন্ড ওজন বিশিষ্ট ছিল। শিথিল অবস্থায় সবচেয়ে ছোটো আকারের পেনিসের আকার ছিল ৬ সেন্টিমিটারের সামান্য বেশি। এ পুরুষটির উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি আর ওজন ছিল ১৭৮ পাউন্ড।
যদিও শিথিল বৃহদাকৃতির পুরুষাঙ্গ উদ্রিক্ত অবস্থায় শিথিল অবস্থায় ক্ষুদ্রাকৃতির পুরুষাঙ্গ অপেক্ষা বাড়তি মাত্রায় প্রসারিত হয় এর কোনো অবকাশ না থাকলেও ক্ষুদ্রাকৃতির পুরুষাঙ্গ দিয়ে কতটা সার্থকভাবে সঙ্গম করা যাবে তার তাত্ত্বিক শঙ্কা থাকতে পারে। যদিও ক্ষুদ্রাকৃতির পুরুষাঙ্গ (৯ সেমির কম দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট্য বৃহদাকৃতির পুরুষাঙ্গ ১০ সেমির বেশি দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট্য) মত সমানভাবে সঙ্গম করা যায়। শিথিল অবস্থায় যে পুরুষাঙ্গ ক্ষুদ্রাকৃতির তা উদ্রিক্ত অবস্থাতেও ক্ষুদ্রাকৃতির থাকে। তাত্ত্বিক পর্যালোচনায় পুরুষাঙ্গের সঙ্গম ক্ষমতার বেলাতে যেটিকে প্রায়ই কোনো গুরুত্ব দেয়া হয় না তা হল- যোনি পুরুষাঙ্গকে ধারণ করে একটা বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ সম্পর্কে পরবর্তীতে  আলোকপাত করা হবে।

পর্দার অন্তরালে (পায়ুকাম চর্চা )

পঞ্চাশের দশক হতে আলফ্রেড কিসে মানুষের যৌনাবরণের উপর যে গবেষণা শুরু করেছিলেন, তা আমাদের সামনে প্রতিনিয়ত নানান নতুন নতুন তথ্য উন্মোচিত করছে। তা আমাদেরকে এমন সব তথ্যের মুখোমুখি করছে যার অনেকগুলো আমরা কখনো কল্পনাতেই আনিনা। হোমোসেক্সুয়ালিটি বা সমকামিতা সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? সবারই একদম বদ্ধমল বিশ্বাস সমকামিরা পায়ুকাম চর্চা করে থাকে আর এটিই তাদের একমাত্র যৌনতা। যৌনসমীক্ষকদের চালানো গবেষণাতে দেখা গেছে, পায়ুকাম কিন্তু্তু সমকামিদের মুখ্য বা একমাত্র যৌনতা নয়, যে যৌনতা তাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা হল মাস্টারবেশন পক্রিয়াতে পরসপরকে উত্তেজিত করে তোলা। এটিকে যৌন বিজ্ঞানের পরিভাষাতে ‘মিউচুয়াল মাস্টারবেশন’ বলা হয়। সমীক্ষণে আরেকটি লক্ষণীয় দিক হলো পায়ুকাম চর্চা কেবলমাত্র সমকামীদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, সাধারণ দম্পতিদের অনেকেই এটির কমবেশি চর্চা করে থাকেন। অন্তত গবেষণাতে এটি দেখা গেছে। সমকামীদের যে পারসপরিক স্বমেহন বা মিউচুয়াল মাস্টারবেশনে- এটিতো পুরুষ আর নারী সমকামী দু’জনার বেলাতে সমভাবেই চর্চা করতে দেখা যায়। নারী সমকামিদের বেলায়তো পায়ুকামের কোনো অবকাশ নেই, সুতরাং ওদের নিয়ে আমাদের ধারণাটি নিয়ে পুনর্বার বিবেচনা করা উচিত।


সাধারণদের মাঝে যারা এ পায়ুকাম চর্চা করে থাকেন তারা কারা? তাদের সংখ্যাই বা কেমন? আমেরিকার বহুল প্রচারিত নারী পত্রিকা বেডবুক ম্যাগাজিন পরিচালিত গবেষণাতে এক লক্ষ মহিলার সমীক্ষণ নেয়া হয়। এতে অংশ নেয়া মহিলাদের তেতালিস্নশ শতাংশ স্বীকার করেছে তারা দাম্পত্য যৌনতায় অন্তত একবার এটির চর্চা করেছেন। যারা এটির চর্চা করেছেন তাদের চলিস্নশ শতাংশের অভিমত- এ পায়ুকাম যৌনতা বেশ উপভোগ্য, অন্তত ভিন্ন স্বাদের। পঞ্চাশ শতাংশের ভাষ্য-তারা এর মাঝে কোনো বিশেষ স্বাদ পাননি। দশ শতাংশের অভিমত তারা নিতান্ত অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কেবলমাত্র স্বামীদের পীড়াপিড়িতে এতে প্রবৃত্ত হয়েছিলেন। এ সমীক্ষণ তথ্য আশা করি পাঠকদের পর্দার অন্তরালের কিছু তথ্য সম্পর্কে অবগত করে তুলবে।

Sunday, July 31, 2011

লিঙ্গ

পুরুষের প্রধান যৌনাঙ্গ হলো লিঙ্গ লিঙ্গের দৃঢ়তার উপর নির্ভর করে পুরুষের যৌন মিলনে অংশ গ্রহণের ব্যাপারটি এই লিঙ্গের মধ্য দিয়ে বীর্য এবং মূত্র বের হয় লিঙ্গ হলো পুরুষের বহিঃ যৌনাঙ্গের মধ্যে অন্যতম লিঙ্গের সামনে একটি আবরণ ত্বক থাকে খতনার দ্বারা একে কেটে ফেলা ইংরেজীতে এই ত্বককে বলে ফোর স্কিন লিঙ্গে অসংখ্য কোষ কলা রয়েছে এগুলোর প্রভাবে উত্তেজনার সৃষ্টি হয় পুরুষের লিঙ্গের ভেতর সবচেয়ে পুরু কৌষিক ঝিল্লির নাম হলো করপরা কে ভারনোসা
অন্ডথলি-
অন্ডকোষ হলো দুটো বলের মতো থলি যেখানে শুক্র তৈরী হয় এগুলোর স্বাভাবিক পরিমাপ হলো দেড় ইঞ্চি এগুলো লিঙ্গের নিচে ঝুলে থাকে পুরুষের যৌন হরমোন এবং বীর্য ৎপাদনই হলো অন্ডকোষ দুটোর কাজ
এপিডিডাইমিস-
প্রতিটি অন্ডকোষের উপরের অংশকে এপিডিডাইমিস বলে এপিডিডাইমিস হলো বীর্যের সংরণের স্থান টিউব এবং অন্যান্য নালী বেয়ে বীর্য এপিডিডাইমিস থেকে অন্ডকোষে চলে আসে
ভাস ডিফারেন্স-
প্রোস্টেট গ্ল্যন্ড থেকে দুটো সেমিনাল কোষ সেমিনাল তরলের মিশ্রণ নিয়ে এপিডিডাইমিসে এসে পৌঁছায়। এই চলাচলের নালী হলো ভাস ডিপারেন্স।এটি পুরুষের আভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গ
প্রোষ্টেট গ্ল্যান্ড
মূত্র থলির উপরে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের অবস্থান এই গ্ল্যান্ডের প্রোস্টেট তরল ৎপাদিত হয় শতকরা ৩৮ ভাগ এবং সেমিনাল তরল ৎপাদিত হয় ৬০-ভগ,বাকি এক ভাগ বীর্যে ৎপাদিত হয়

যৌনতার নানা সমস্যা

যৌনতার প্রতি নারী এবং পুরুষের আকর্ষণ একেবারে প্রাকৃতিক নারীর যৌনাতা বিষয়ে অনেকেরই ধারণা যে, নারীর যৌন উপলদ্ধি কেবলমাত্র পুরুষের সংস্পর্শে এলেই বিকশিত হয়। কিন্তু এটি সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা নারী বয়ঃপ্রাপ্তির পর থেকেই যৌনতার ব্যাপারে আকাঙিত থাকে। পুরুষের যেমন একটা সুবিধা আছে যে,যৌনমিলনের হাতে খড়ি তার খুব সহজেই করতে পারে,কিন্তু নারীর ক্ষেত্রে এই ব্যাপাটি সম্ভব হয় না। অধিকাংশ নারী বিয়ের মাধ্যেমে যৌনজীবনে তথা দাম্পত্য জীবনে প্রবেশকরে এবং যৌনতার স্বাদ গ্রহণ করে। মানুষ মাত্রই যৌন জীবনের একটা প্রয়োজন রয়েছে। তবে এই যৌন জীবনের ফলস্বরূপ কেবল মাত্র প্রজননের তাগিদে যৌনতায় অংশ নেয় না। মানুষ জগতের আর দশটা প্রাণীর চাইতে আলাদা এবং উন্নত।প্রজনন ছাড়াও যৌনতার দ্বারা শারীরিক এবং মানসিক অপার আনন্দ নারীর কাম্য হয়ে উঠে। নারীর যৌন জীবনে একটি অবগুন্টিত ভাব রয়েছ তার কারণ নারী ধীরে ধীরে উদগ্রীব হয়ে উঠে।এক্ষেত্রে নারী পুরুষের মতো অতি দ্রুত উত্তেজনায় পৌঁছে যেতে পারে না। বরং নারীর উত্তেজনা আসে ধীরে ধীরে নারীর শরীরে প্রায় সবটুকু যৌন উদ্দীপক। পুরুষের মতো নারী শুধু যৌনাঙ্গে উত্তেজনা ধরে রাখে না। নারীর ঠোঁট, স্তন, নিতম্ব, তলপেট, স্তনবৃন্ত, উরু ইত্যাদি স্থানে চুমু , মৃদু দংশন এবং সোহাগের দ্বারা নারী উত্তেজিত হয়ে উঠে। একে যৌন ক্রীড়া বলে। যৌনক্রীড়া যৌনমিলনের আনন্দকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। বিয়ের ফলে একজন নারী যৌন জীবনে পদার্পণ করে। বিয়ে হচ্ছে একটি সমাজিক বন্ধন। একজন পুরুষ এবং একজন নারী একত্রে সহাবস্থানকে বিয়ে বলা হয় নারী জীবনে বিয়ের প্রথম রাত একটি গুরুত্বপূর্ন ঘটনা। অনেক নারী এই রাতটিকে ভয় পায়। বিষেশ করে যারা ধর্মীয় কুসংস্কার দ্বারা আচ্ছন্ন তারা বিয়ের প্রথম রাতে নানা প্রকার অপ্রীতিকর কর্মকান্ড ঘটাতে পারে। আমাদের এই উপমহাদেশের বিয়ের সময় নানা প্রকার অনুষ্ঠানের আড়ম্বর থাকলেও বিয়ের পরবর্তী যৌন জীবনে নানা প্রকার শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এই জাতীয় সমস্যাগুলো জেনেটিক বা বংশগত হতে পারে। আবার অনেক সময় এর কারণ নিতান্তই শারীরিক হয়ে থাকে। তবে যৌন জীবনে যে কোনো প্রকার সমস্যাই নারী এবং পুরুষ উভয়কেই ভাবিয়ে তুলতে পারে

অকাল বীর্যপাত

পুরুষ যদি উত্তেজনার শুরুতেই বীর্য ত্যাগ করে তবে তাকে অকাল বীর্যপাত বলে। নারীর সাথে দৈহিক মিলনের সময় পুরুষ নানা ভাবে নারীকে উত্তেজিত করে। এই সময় উভয়েই উভয়েই শরীর স্পর্শ করে এবং নানাভাবে আদর করে। অনেক পুরুষের এই সময়েই বীর্যপাত হয়ে যায়। এতে করে পরবর্তী যৌন উত্তেজনা আর তীব্র হয় না। অকাল বীর্যপাতের ব্যাপারে কয়েকটি পরামর্শ হলো
লিঙ্গে স্পর্শ না করা।
প্রথমেই তীব্র উত্তেজিত না হওয়া
পারস্পরিক হস্তমৈথুন
লিঙ্গের উত্তেজনা ধরে রাখইত্যাদি
চিকিৎসা
ডায়াজিপাম অথবা লিব্রিয়ামের ব্যবহার
যৌনমিলনের আধাঘন্টা আগে ট্যাবলেট মেলারিল থেকে ১০ মিঃগ্রাম সেবন।
ফোঁটা ফোঁটা বীর্যপাত পুরুষের যৌন জীবনের একটি সমস্যা। বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে। সাইকোজেনিক কারণে অবশ এই সমস্যা হয় বেশি। অনেক ক্ষেত্রে আঘাতজনিত কোনো কারণে এটি হতে পারে। বিভিন্ন কারণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হলো
কঠিন ধর্মীয় কুসংস্কার
গর্ভাবস্থার ভয়
নারীর কাছ থেকে লাঞ্ছিত হওয়া
সেলিবেসি অবস্থার চাপ
বীর্যদানে কার্পণ্য মনোভাব ইত্যাদি

পুরুষত্বহীনতা এবং যৌনতা

কোন পুরুষের প্রাথমিক পুরুষত্বহীনতা হবে তা আগে থেকে বলা যায় না। আবার কেউ অন্যকে শেখাতে পারে না লিঙ্গ উত্থানের বিষয়টি। লিঙ্গের উত্থান একটি প্রাকৃতিক অবস্থা। রেসপিরেটোরি, সারকুলেটরী এবং স্নায়ুবিক কারণে লিঙ্গ উত্থিত হয়। কিন্তু আসল কারণটি হলো প্রাকৃতিক। তবে অনেক ক্ষেত্রে যৌন মনোদৈহিক সামাজিক কারণে অনেকের পুরুষত্বহীনতা হতে পারে। যে কারণগুলো পুরুষত্বহীনতার জন্য স্বাভাবিকভাবে দায়ী সেগুলো হলো
কঠিন ধর্মীয় বিশ্বাস।
যৌনতার জন্য প্রচুর শক্তি না থাকা।
মাতৃত্বের কঠিন চাপ।
সমকামিতা পছন্দ করা।
নারীদেরকে ঘৃণা করা।
পতিতার সাথে সঙ্গমে ব্যর্থ হওয়ার পরে মনে পাপ বোধের সৃষ্টি।
পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা-
প্রায়শই পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা কঠিন হয়ে দাঁড়ায় এবং রোগের কারণ ধরতে না পারলে চিকিৎসা ব্যবস্থা প্রলম্বিত হতে পারে। যৌন বিশেষজ্ঞ মাস্টার এবং জনসনের মতে যৌন সঙ্গিনী বদলের ফলেও অনেক সময় রোগের সমস্যা সমাধান করা যেতে পারে। নারীর উচিত পুরুষকে ব্যাপারে সহায্য করা। স্ত্রীর উচিত স্বামীকে সাহায্য করা। নৈতিক, সমাজিক,আর্থ-সমাজিক প্রোপটে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসায় বর্তমানে যে বিষয়গুলো গ্রহন করা হয় সে গুলো হলো
যৌনত পরিপূর্ণ শিক্ষাদান।
সাইকোথেরাপী।
রোগীকে হস্তমৈথুনের দ্বারা তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়ানো।
দুশ্চিন্তাগ্রস্ত রোগীকে এ্যাংজিওলিটিঙ দেয়া।
নিচু মাত্রার ৫০ গ্রাম টেসটোস্টেরন ইনফেকশন সপ্তাহে তিনবার দেয়া।
যদি রোগীর কেবলমাত্র উত্থানজনিত সমস্যা হয় তবে রোগীকে নগ্ন নারীর সমনে উপস্থিত করা।
ক্ষেত্রে পতিতাদের সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
পেপাভেরিন ইনকেজশন লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে।
রোগীর জন্য সামাজিকতার প্রয়োজন।
যৌন উদ্দীপক গ্রন্থ পড়া উচিত।
চূড়ান্ত মাত্রার পুরুষত্বহীনতা-
অনেক পুরুষের পুরুষত্বহীনতা সাময়িক। দেখা যায় যে খুব বেশি ত্রায় উদ্বিগ্ন থাকলে বা কোনো কিছু নিয়ে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকলে যৌনমিলনের সময় পুরুষ তার যৌন উত্তেজনা হারাতে পারে। আবার খুব বেশি মাত্রায় এলকোহল সেবনের ফলেও পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা নষ্ট হয়ে যায়। সাইকোজেনিক অথবা অর্গানিক নানা কারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে। মনোদৈহিক যে যে কারণে পুরুষত্বহীনতার সৃষ্টি হতে পারে
. দাম্পত্য সমস্যা।
. ধর্মীয় কুসংস্কার।
. কঠিনভাবে পিতা বা মাতার অনুশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকা।
. পূর্বের যৌন অমতার জন্য পাপবোধ।
. অকাল বীর্যপাত।
. যৌনতার ব্যাপারে অনাগ্রহ।
. যৌনমিলনে সফলতা আসবে কিনা এই নিয়ে ভয় এবং দুশ্চিন্তা।
অর্গানিক কারণে সৃষ্ট পুরুষত্বহীনতা-
. এনাটোমিকাল বড় হাইড্রোসেল টঙিকুলার ফাইব্রোসিস।
. কার্ডিওরেসপেরেটোরী মায়োকার্ডিয়াল ইনফ্রাকশন ইনজিনা ফাইমোসিস।
. জেনিটো ইউরিনারী প্রিয়াপিজম প্রোসটাটিটিস ইউরেথ্রিটিস প্রোসটাটেকটমী।
. এন্ড্রোক্রাইনাল, ডায়াবেটিস থাইরোটঙিকোসিস স্থুলতা ইনফা্যান্টালিজম ক্যাসট্রেশন এক্রোমেগালি।
. নিউরোলজিক্যাল, মাল্টিপোল, সিরোসিস, অপুষ্টি, পারকিনসন্স অসুখ, টেমপোরাল লবের সমস্যা, স্পাইরাল কর্ডের আঘাত, .সি.টি।
. ইনফেকশন, টিউবারকিলোসিস, গনোরিয়া, মাম্পস।
. ড্রাগ নির্ভরতা, এলকোহল সেবন, স্নায়ু শিথিলকারী ওষুধ, এন্টিহাইপারটেনসিভ ওষুধ, সাইকোট্রপিকস ওষুধ, যেমন-ইমিপ্রামিন, ডিউরেটিঙ। যেমন-রেজারপাইন।
রোগ নির্ণয়-
যে কোনো ধরণের পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার জন্য তার রোগ নির্ণয়ের প্রয়োজন রয়েছে। ডাক্তারকে জানতে হয় পুরুষের ক্রমগত যৌন সমস্যা কেন সৃষ্টি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মনোদৈহিক কারণের চাপ শরীরের উপর এসে পড়ে এবং এই জন্য পুরুষ উত্থান সমস্যায় ভোগে। রোগ নির্ণয়ের জন্য ডাক্তারকে যে বিষয়গুলো জানতে হয়
. রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস,
. রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস।
. রোগীর শারীরিক পরীক্ষা।
. রোগীর লিঙ্গ পরীক্ষা।
. ল্যাবটেষ্ট।
. মিনেন সোটা মালটিফেজিক পারসোনালিটি ইনভেনটোরি।
রোগীর পারিবারিক ডাক্তারী ইতিহাস এবং রোগীর ব্যক্তিগত ডাক্তারী ইতিহাস জানা এই জন্য জরুরী যে, এতে করে রোগ নির্ণয় করা সুবিধা হয় ডাক্তার বুঝতে পার পুরুষত্বহীনতার এই সমস্যাটির কারন শারীরিক নয় মানসিক। অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত এলকোহল সেবনজনিত কারণে পুরুষের পুরুষত্বহীনতা দেখা দেয় এবং অনেকের অকাল বীর্যপাতের সমস্যা দেখা দিতে পারে। রোগীর শারীরিক পরীক্ষা নিরীার মধ্যে প্রধান বিবেচ্য বিষয় থাকে তার রেসপিরেটোরী এবং কার্ডিওভাসকুলার ঠিকমত কাজ করছে কিনা তা ল্য করা। এছাড়া স্নায়ু এবং তলপেট ব্যবস্থা কতটুকু সুস্থ আছে এটিও ডাক্তারদেরকে জানতে হয়। লিঙ্গ পরীক্ষার সময় ডাক্তার যে বিষয়গুলো ল্য করেন।
প্রিপিউজ-ফাইমোসিসের জন্য।
মূত্রনালীর মুখ- স্টেনোসিসের জন্য।
অন্ডথলি-হাইড্রসেলের জন্য।
করপরা কেভারনোসা-যে কোনো প্রকার ফাইব্রেসিসের জন্য।
ল্যাবরেটরী টেষ্ট-
ল্যাবরেটরীতে ডাক্তার রোগীর বিভিন্ন শারীরিক বিষয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে থাকেন। এতে করে দ্রুত সমস্যা নির্ণয় করা সহজ হয়। ল্যাবরেটরীতে পুরুষত্বহীনতার জন্য যে সমস্ত টেষ্ট করানো হয় সেগুলো হলো
সি.বি.সি।
.এস.আর।
মূত্র পরীক্ষা।
লিভারের এনজাইম পরীক্ষা।
বীর্য পরীক্ষা।
থুথু পরীক্ষা।
এস এম ১২।
টেসটোসটেরন স্তন পরীক্ষা।
প্রেল্যাকটিন স্তন পরীক্ষা।
পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসা-
পুরুষত্বহীনতার চিকিৎসার ব্যাপারে অধিকাংশ পরামর্শ এসেছে মাস্টার এবং জনসন কাছ থেকে। তারা তিনটি বিষয়ে প্রাথমিকভাবে গবেষণা করে থাকেন যে কোনো একজন পুরুষ পুরুষত্বহীনতার ভোগে। এই তিনটি কারণকে বিশ্লেষণ করে তারা এমন কিছু কৌশল এবং পদ্ধতির কথা বলেন যাতে করে পুরুষত্বহীনতা সমস্যা কাটানো যায়। তাদের গভেষণার বিষয় তিনটি হলো
. যৌনতার ব্যাপার পুরুষ এবং নারীর ভ্রান্ত ধারণা।
. পুরুষের পুরনো চিন্তা ভাবনা এবং উঁচু মাত্রার শারীরিক এবং মনোদৈহিক চাপ। বিশেষ করে স্বামী স্ত্রী মধ্যকার যৌনতার ব্যাপারে আলোচনা কম হওয়া। মনে রাখা উচিত স্বামী স্ত্রী মধ্যকার যৌন আলোচনা যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে।
. পুরুষত্বহীন পুরুষের মানসিক চাপ বেশি থাকে সেই কারণে স্ত্রীর বা যৌন সঙ্গিনীর উচিত তাকে আশ্বস্ত করা যে এটি কোনো রোগ নয়। মাস্টার এবং জনসনের পুরুষত্বহীনতার ব্যাপারে দেয়া পরামর্শগুলো হলো।
যৌন সঙ্গী এবং সঙ্গিনীর মধ্যে খোলামেলা যৌন আলোচনা করা উচিত। এটি পরস্পরের যৌনানুভূতিকে চাঙ্গা করতে পারে এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা সৃষ্টি করে।
যৌনতার ব্যাপারে কোনো প্রকার ধারণা পোষণ করা উচিত নয়। এবং পুরুষ উভয়েরই উচিত যৌনতার ব্যাপের একজন অন্যজনকে সাহায্য করা। এর ফলে যৌন অনুভূতি এবং পুরুষের লিঙ্গের দৃঢ়তা তৈরী হতে পারে।
যদি নারী বা পুরুষের যে কোনো একজনের যৌনতা ব্যাপারে কোনো প্রকার সন্দেহ ভয় ভীতি বা দুশ্চিন্তা কাজ করে তাহলে সাথে সাথে তা ডাক্তারকে জানানো উচিত। অনেক নারী যৌনতার ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা খুব পছন্দ করে। হয়তো তার যৌন সঙ্গী বা স্বামী ওরাল সেক্স পছন্দ করছে অথচ নারী সেটি পছন্দ করছে না। এতে করে উভয়ের যৌন অনুভূতির মধ্যে একটা পার্থক্য তৈরী হতে পারে। ব্যাপারটি দিকে খেয়াল রাখা উচিত।
পরস্পরের সাথে গভীর স্পর্শের সম্পর্ক থাকা উচিত।
পুরুষদের যদি উত্তেজনা কম থাকে সে ক্ষেত্রে নারীর উচিত পুরুষকে উত্তেজিত করে তোলা। নারী বিভিন্ন ভাবে পুরুষকে উত্তেজিত করতুলতে পারে। বিশেষ করে নারী তার স্তন, স্তনবৃন্ত, কিটোরিস ইত্যাদি উত্তেজক শারীরিক অংশের স্পর্শ দ্বারা পুরুষকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে।
পুরুষত্বহীনতা সমস্যা মোকাবেলায় নারীর ভূমিকা রয়েছে খুব বেশি। নারী পুরুষকে বিভিন্ন ভাবে উত্তেজিত করে আবার তাকে শিথিল করে তার লিঙ্গের দৃঢ়তা বাড়াতে পারে। স্ত্রী দিনে অন্তত তিন চার বার স্বামীর দৃঢ়তা বাড়াতে কাজটি করতে পারে।
লিঙ্গের উত্তেজনা দীর্ঘণ ধরে না রেখে পুরুষের উচিত একবার লিঙ্গ শিথিল করে আবার লিঙ্গের উত্তেজনা তৈরী করা। এতে করে পুরুষত্বহীনতার সমস্যা কিছুটা কমতে পারে।
সূত্রপ্রফেসর ডাঃ মোহাম্মদ ফিরোজ

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More