This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label ধর্ম. Show all posts
Showing posts with label ধর্ম. Show all posts

Tuesday, July 5, 2011

বিবাহ বহির্ভূত যৌনতা ও প্রগতিশীলদের ভাবনা।


ধর্ম প্রবর্তক ও প্রচারকদের চিন্তাজগতের একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল নারী পুরুষের যৌন সম্পর্ক। এ ব্যাপারে তারা ছিলেন যার পর নাই উদ্বিগ্ন। ফলশ্রুতিতে ধর্ম গ্রন্থসমূহে এসেছে যৌনতা সম্পর্কিত নানা বিধি নিষেধ। প্রচলিত ধর্মগুলো মানুষের তৃপ্তি ও আকাঙ্খা পুরনের প্রশ্নে উদার নয়। তবুও মানুষ তার সমগ্র শক্তি দিয়ে সৃষ্টির ঊষা লগ্ন থেকেই খুঁজে ফিরেছে যৌন সুখ এবং উপেক্ষা করেছে আরোপিত সকল বিধি নিষেধ। স্বয়ং ধর্ম প্রবর্তকেরাও লঙ্ঘন করেছেন স্বীয় প্রচারিত ধর্মীয় বিধান; হয়েছেন বহুগামী, কখনো কখনো লিপ্ত হয়েছেন বিবাহ বহির্ভূত যৌনতায়! 

কোন কোন ধর্ম শুরুতে যৌনতাকে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করেছিল। যেন যৌনতাই ধর্মের প্রধান শত্রু! কিন্তু সব বাধা ডিঙ্গিয়ে বিজয়ী হয়েছে রিপুর অদম্য তাড়না এবং পরাজিত ও সংশোধীত হয়েছে ওই সকল ধর্মীয় বিধান। বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্কের প্রশ্নে মোটামুটিভাবে সব ধর্মই কঠোর দৃষ্টিভঙ্গি পোষন করে। কোন কোন ধর্ম এরূপ সম্পর্কের ক্ষেত্রে রীতিমত মৃত্যু দন্ডের বিধান আরোপ করেছে এবং পৃথিবীর বহু সমাজে তা আজও প্রতিপালিত হচ্ছে। 

ধর্ম সমূহ সাধারণত কিছু কিছু মানুষের পারস্পারিক আত্মীয়তার সম্পর্কের কারনে তাদের মধ্যকার যৌন সম্পর্ককে নিষিদ্ধ করেছে, এধরনের সম্পর্কের দুজন নর-নারীর মধ্যে বিবাহও নিষিদ্ধ হয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে আমরা যৌন সম্পর্কে আবদ্ধ হতে দেখেছি মা ও পুত্র, পিতা ও কন্যা, শশুড় ও পুত্রবধূ, জামাতা ও শাশুড়ি, ভাই-বোন সম্পর্কের নর-নারীকেও। 
এমন কোন পারস্পারিক সম্পর্ক পৃথিবীতে খুঁজে পাওয়া যাবে না যে সম্পর্কের মধ্যে কখনো কোথাও যৌনতা সংঘঠিত হয়নি। বরং বাস্তবতা হলো এই যে, এধরনের যৌনতা বিশ্বে এখনো বিদ্যমান, বেশ প্রকটভাবেই বিদ্যমান। আর যে সকল পারস্পারিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘বিবাহ নিষিদ্ধ’ হয়নি, সে সকল সম্পর্কের মধ্যে বিবাহ বহির্ভূত যৌনতা খুবই স্বাভাবিক ও প্রচলিত একটা বিষয়- পৃথিবীর সব প্রান্তেই। 

বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা যথেষ্ট রক্ষনশীল। কোন সন্দেহ নেই যে, সামাজিকভাবে এখানে বিবাহ বহির্ভূত যৌনতা অগ্রহনযোগ্য এবং ক্ষেত্র বিশেষে দন্ডনীয়। আবার একই সাথে অন্য সকল ‘নিষিদ্ধ বিষয়ের’ মত যৌনতা প্রশ্নেও আমাদের সমাজ দারুনভাবে নির্লিপ্ত থাকতে পারঙ্গম। বিবাহ বহির্ভূত যৌনতা এখানে কেবল চর্চিতই হচ্ছে না, দিন দিন জনপ্রিয়ও হচ্ছে। যৌনতা বিষয়ে সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি দ্রুতই পরিবতিত হচ্ছে। প্রেমের সম্পর্ক এখন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ধাবিত হচ্ছে যৌন সম্পর্কের দিকে। এধরনের সম্পর্কে কেবল অবিবাহিত নারী-পুরুষই জড়িয়ে পড়ছে না, তুমুলভাবে জড়িয়ে পড়ছে বিবাহিত নারী পুরুষও। পরকীয়ার কারনে ভেঙ্গে যাচ্ছে অনেক সংসার। স্বামী-স্ত্রীর বিবাহপূর্ব যৌন সম্পর্কের ঘটনা প্রকাশিত হওয়ার ফলেও ভাঙ্গছে অজস্র সংসার। 

অনেক কথা বললাম। এখন আসল কথায় আসি। যৌন সম্পর্ক সেটা পরকীয়া হোক বা অন্য যে কোন বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্কই হোক, ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি কি সেটা আমরা সকলেই কম বেশি জানি। এই পোস্টে আমরা এবিষয়ে ধর্মীয় বিধি বিধানের দিকে যাবো না। আমরা আলোচনা করব একজন প্রগতিশীল মানুষ হিসেবে আপনি বিবাহ বর্হিভূত যৌনতাকে কিভাবে দেখেন। 

আমি ধরেই নিচ্ছি আপনি নিজেকে একজন আধুনিক ও প্রগতিশীল বলে মনে করেন। এখন নিম্নোক্ত ক্ষেত্রগুলি সম্পর্কে আপনার অবস্থান কি?
১) ধরে নিচ্ছি আপনি একজন মুসলিম বংশোদ্ভূত নাস্তিক। একটি মুসলিম মেয়েকে বিয়ের পরে আপনি যদি নিশ্চিত হন যে, বিয়ের আগে আপনার স্ত্রী একজনের সঙ্গে মাস ছয়েক লিভ টুগেদার করেছিল বা তাদের যৌন সম্পর্ক ছিল। সেক্ষেত্রে আপনার প্রতিক্রিয়া কি হবে? আপনি কি বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাবেন? উক্ত পরিস্থিতিতে আপনি কি নিজেকে প্রতারিত মনে করবেন? উত্তর হ্যা/না এর পক্ষে কিছু বলুন।

২) আপনি নাস্তিক নন। ইসলামে বিশ্বাসী এবং নিজেকে আধুনিক ও প্রগতিশীল মনে করেন। নিয়মিত না হলেও মাঝে মাঝেই মসজিদে যান নামাজ পড়তে। আপনি অবিবাহিত এবং এপর্যন্ত অনেক মুসলিম নারীর সাথেই আপনার যৌন সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। আপনার ভাইয়ের একজন হিন্দু মেয়ে বন্ধু আছে। তাদের মধ্যে যৌন সম্পর্কও আছে। তবে তারা পরস্পরকে বিয়ে করতে প্রতিশ্রুতি বদ্ধ নয়। তাদের সম্পর্কটিকে আপনি কিভাবে দেখবেন? এই মেয়েটি হঠাৎই একটি হিন্দু পরুষকে বিয়ে করলো, আপনি কি মনে করেন ওই মেয়েটি তার স্বামীকে বঞ্চিত/প্রতারিত করেছে? আপনার নিজের যৌন সম্পর্কগুলো সম্পর্কে আপনার প্রতিক্রিয়া কি? আপনি কি আপনার স্ত্রীকে বঞ্চিত করেছেন?

৩) বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে একজন নারী বা পুরুষ কি আদৌ তার স্বামী/স্ত্রীকে কিছু বঞ্চিত করে? করলে কিভাবে? 

Monday, June 27, 2011

যৌনতা,ধর্ম,সমাজ ও জীবন

যৌনতা শব্দটি শুনলেই লজ্জায় কুকড়ে যায় আর আড়ষ্টতায় আকড়ে নিজেকে গুটিয়ে নেয়
যৌনতা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন জীবনের
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন একটি অংশ।সভ্য দেশগুলোতে বয়সণ্ধি কালীন সময়ে বিদ্যালয়গুলোতে সম্যক জ্ঞান দেবার জন্য
আলাদা করে পাঠ্যসূচীতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা আছে।

মুসলমান সমাজ যৌনতা শব্দটিকে ভয় পায়।
বাঙালি সমাজ এই বিষয়টিকে এড়িয়ে যাবার ভান করে।

কিন্তু, প্রকৃতি কোনো সমাজ বা ধর্মের ছেলে মেয়েদেরকে আলাদা চোখে দেথে না।
প্রতিটি মেয়েকেই পেরুতে হয় প্রতি মাসের গোপন ইশারার রক্তচক্ষু ডিঙিয়ে।
প্রতিটি ছেলে শিশুকেই কৈশোর ডিঙোতে ডিঙোতে অনুভব করতে হয় যৌবনের সর্বগ্রাসী চরম ক্ষুধা।
অন্ধকার আর আলোর সংমিশ্রনে তখন তাদের মনে তৈরী হয় এক অপার অশেষ আলেয়া।

এই রহস্য আর রহস্য অনুসন্ধানে কখনো কখনো দিক হারিয়ে অনুসন্ধিতসু মনে বেড়ে ওঠে বিকৃত,দূষিত,ক্ষতিকর,ভয়াবহ চিন্তা চেতনা।

নদীর বহমান ধারা আটকে দিলে সেটা প্রকৃতির বিরুদ্ধাচরন।
ক্রমবর্ধমান সবুজ ঘাসের উপর কোনো পাথর চাপা দিয়ে রাখলে তা অর্ধমৃত আর হলুদ হয়ে যায় ।

যথাযথ জ্ঞানের অপ্রতুলতা থাকার কারনে..আমাদের তথাকথিত প্রাগসর সমাজের অধিকাংশ কিশোরী প্রথম রক্তস্রাবের দিন হয়ে ওঠে চরম আতঙ্কিত আর নিজের প্রতি এক ধরনের ঘৃনায়
সে হয়ে ওঠে মানসিক ভাবে ভীষন ক্ষতিগ্রস্ত আর ঘরকুনো।
অথচ..যদি সে জানতো প্রকৃতি তাকে শৈশবের সীমানা পেরিয়ে এই ঘটনার ভেতর দিয়ে তাকে দিয়েছে মাতৃত্বের অধিকার আর এই বিষয়টি অত্যন্ত গৌরবময় সার্টিফিকেট ..তাহলে সে নিশ্চই এই নারী হয়ে ওঠার শুভ সঙ্কেতকে জীবনের নতুন জাগরনী গানের শিহরনে নতুন করে উদ্দীপ্ত হতো !

আমি অনেক মেয়েকে বলতে শুনেছি ..তার শরীর খারাপ করেছে..অসুস্থ..এই ধরনের শব্দাবলী।

কিন্তু,মজার ব্যপার হচ্ছে..নিয়মিত রেড সিগন্যাল
একমাত্র মেয়েদের জীবনে একটি কাঙ্খিত অবধারিত সুস্থতা আর সবুজ সঙ্কেত।
মিনষ্ট্রেশন কোনো অসুস্থতা নয় বা এটি কোনো রোগের পূর্বলক্ষনও নয়।
বরং বিষয়টি অনিয়মিত হলে বা বন্ধ হয়ে গেলে ভাবনার বিষয়।
দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরনাপন্ন হওয়া একান্ত জরুরী।
শুধুমাত্র গর্ভবতী হলেই যে এটি অনিয়মিত হবে বিষয়টি সেরকমও নয় হরমোনের অসামান্জস্যতার কারনেও তা হতে পারে।


এটা তো গেল শারীরিক দিক।
মানসিক ক্ষতিও হতে পারে অপরিসীম।

প্রসঙ্গত: ছোট্ট একটা কাহিনী বলি..
সারাজীবন খুব বাধ্যবাধকতার ভেতর বড় হয়েছে সীমা।
বিয়ের প্রথম রাতে স্বামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার মুহূর্তে ধরা পড়ে তার মানসিক রোগ।যৌনতা সম্পর্কে দীর্ঘদিনের লালিত একটি ভয় তাকে পাথরের
মতো শক্ত করে তোলে।
সমস্যা এই পর্যন্ত হলে হয়তো তার বিয়েটা টিকে যেতো সময়ের ব্যবধানে।

কিন্তু,বিয়ের প্রথম তিনমাসে পাঁচবার সংগমের ঠিক প্রবেশের মুহুর্তে সীমা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।এক ধরনের কোমার মতো অবস্থা হয় আর দুচোখ হয়ে ঘন লাল ..পাশাপাশি মুখ দিয়ে গো গো শব্দ আর ফেনা বেরুতে থাকে।

সীমা সুন্দরী,শিক্ষিত,ভদ্র আর সম্পদশালী ঘরের মেয়ে। তার স্বামী তাকে হারাতে চাইবে কেন ?আরো ছ মাস চেষ্টা করেও যখন এই সমস্যা থেকে বের হতে পারে না.. তখন.আলাদা হয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো উপায়ই খোলা থাকে না।


:
কিশোরী বয়েসে আনিকাকে তার মা বলে যে..
কেউ যেন তাকে চুমু না খায় বা কাউকে যেনো শরীরে ধরতে না দেয়..সেরকম কিছু হলে তার পেটে বাচ্চা হয়ে যাবে।

পূর্নাঙ্গ জ্ঞানের অভাব মেয়েটিকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেবে..তা কখনো কল্পনাও করতে পারে নি আনিকার মা।

মধ্যবয়েসী গৃহশিক্ষক একদিন একা পেয়ে অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী আনিকাকে কোলে টেনে নেয,স্তন স্পর্শ করে আর গালে ,কাঁধে চুমু খায়।
আনিকা ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে পালিয়ে যায় নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে এবং তার পেটে বাচ্চা হবে এরকম একটি ভয়ে ফুলের টবে দেয়ার কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করে।

মেয়েটির জানা ছিলো না ..শুধুমাত্র মেয়েদের যৌনাঙ্গে
পুরুষাঙ্গ বা শিশ্ন প্রবেশ করলে যৌনক্রিয়ার ফলে..গর্ভে শিশু ভ্রূন জন্ম নিতে পারে।

শুধুমাত্র যৌনক্রিয়া করলেই যে গর্ভে শিশু ভ্রুন জন্ম নেবে বিষয়টি তা ও নয়।
যৌন-সম্ভোগের পর যদি বীর্য কোনো মেয়ের যোনীতে
স্খলিত হয় এবং সেটি যদি একটি নির্দিষ্ট উর্বর সময় হয়..তাহলেই কেবল মাত্র বীর্যের শুক্রানু যোণীর ডিম্বানুর ভেতরে প্রবেশ করে জীবনের সূচনা করতে পারে।

বলা হয় অল্প বিদ্যা ভয়ংকর।তাই বলা যায় অর্ধ শিক্ষা বা আংশিক শিক্ষা অনেক সময় জীবন নাশী..যেমন হয়েছে কোমল মতী আনিকার ক্ষেত্রে ।


পলাশের গল্পটাই কেন বলি না ?
....

হঠাত করে একদিন ঘুম ভেঙে গেলো তার ভোর চারটায়।
তার পুরুষাঙ্গ থেকে এক ধরনের আঠালো সাদা তরল বের হয়ে এসেছে।
তার লুঙ্গির একটা অংশ ভরে গেছে।
খুব ভয় পেয়ে যায় পলাশ।

এই সমস্যার কথা সে ভুলতেও পারে না বা কাউকে বলতেও পারে না।

তার রুমে একসাথে ঘুমায় তার থেকে ৩ বছরের বড়ো কাজের ছেলেটা।রহমান।

শেষ পর্যন্ত রহমানকে সমস্যাটা বলে ফেলে পলাশ।
রহমান গম্ভীর হয়ে বলে -ভাই জান , এইটা পুরুষ মানুষের অনেক খারাপ একটা রোগ।আফসন তড়াতড়ি কবিরাজেরর কাছে যান।গাছের শিকড় ধুইয়া পানি খাইলে এইটা সাইরা যাইবো। অনেক মর্দা পোলা..যোয়ান মানুষের এই রোগ হয় আর এইটা বেশী বাইরা গেলে আপনের ঐ জায়গাটা পচন শুরু হইবো।

পলাশ অত্যন্ত ভয় পেয়ে যায়। কবিরাজের ঠিকানা সংগ্রহ করে স্কুল পালিয়ে কোচিং সেন্টারের বেতন চুরি করে সে যায় কবিরাজের কাছে।
গোপনে সেবন করে শেকড় বাকর।

কিডনীতে দেখা দেয় তার সমস্যা।আর একটি কিডনী
নষ্ট হয়ে যায় ভুল চিকিতসায়।

যদি ছেলেটি জানতো..মাঝে মাঝে এরকম হওয়া ..ঘুমের ভেতর বীর্যপাত হওয়া জীবনেরই একটি অংশ..তাহলে হয়তো তার কিডনীটি বেঁচে যেত!
এটি নিয়ে খুব ভয়ের কিছু নাই।তবে ..এই বিষয়টি মাত্রারিক্ত হলে যৌন রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া দরকার।

আমাদের বাঙালি সমাজে বিষয়টিকে একটি দোষ বা স্বাস্হ্য সমস্যা হিসেবে দেখা হয় ।
বলা হয়-স্বপ্ন দোষ।


কিন্তু আমি বলে দিতে চাই মেডিকেল সাইন্স একে দোষ বা গুন বলে না। এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।


এই বয়েসে অনেক ছেলেরা হস্ত-মৈথুনের আশ্রয় নেয়।
হাতের মুঠো গোল করে পুরুষাঙ্গে উপরে নীচে ঝাকানোকে হস্তমৈথুন বলে ।
অনেকে উঠতি যুবক আবার ধর্মীয় অপরাধবোধ আর ব্যক্তি-জ্ঞানের অ পর্যাপ্ততা থেকে মানসিক ভাবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয় এই ঘটনা সম্পাদনের পর।
ক্ষতি টা যত না শারীরিক ,তার চেয়ে হাজার গুন মানসিক।


রক্ষনশীল সমাজের ৯০ ভাগ তরুন এই গোপন আনন্দ করে। নিজের সঙ্গে নিজের মধু ভাগ করে নেয় ।

এই ব্যপারে ধর্মীয় দৃষ্টিকোন যাই হোক না কেন..
আইনগত ভাবে এটি বেআইনি নয়।
এবং মেডিকেল সাইন্স একে দোষ বা গুন বলে না। এটি হতে পারে।

তবে যে কোনো বিষয় মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতির কারন হতে পারে।পুরুষাঙ্গের ভেইন গুলো ক্ষতিগ্রস্হ হতে পারে।

তবে..এরুপ কর্মকান্ডে অতি উতসাহে এবং অতি সুখ,আনন্দ,রোমাঞ্চ লাভের প্রত্যাশায় জোকের তেল বা কোনরুপ মালিশ বা ইয়াবা বা ভায়াগ্রা ব্যবহার করা অনুচিত।সমূহ সমস্যার উদ্ভব ঘটতে পারে।


অনেক মেয়ে মিনষ্ট্রেশন এর সময় অস্বাস্হ্যকর কাপড় ব্যবহার করেন..যেগুলো থেকে পরবর্তীতে ভাইরাস যোনীর ভেতরে ঢুকে রক্তে প্রবাহিত হতে পারে আর ওভারিয়ল সিস..টিউমার এবং দীর্ঘসূত্রী অ কল্যান হিসেবে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
তাই পরিচ্ছন্ন আর সচেতন থাকা সুস্থ জীবনের জন্য
একান্ত জরুরী।

সমাজে সমাজে অনেক ব্যবধান ।
বিশেষ করে যৌনতা বিষয়ক চিন্তার ক্ষেত্রে।

হাওয়াই দ্বীপ পুঞ্জে বিবাহ দেবার পূর্বে মেয়েদের সতীচ্ছদ
ছেড়ার জন্য প্রফেশনাল ভাড়া করে।প্রথমবার সংগম করার জন্য সেই পেশাদাররা মোটা অংকের টাকা নিয়ে থাকে।

সৌদি আরব আর মিশরের কিছু কিছু অঞ্চলে মেয়েদের বিবাহ দেবার পর অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে পিতারা অপেক্ষা করেন কখন প্রথমবার -এর প্রমান স্বরুপ শাদা চাদরে লাল ইশারার প্রমান আসবে।
এলেই তারা উল্লাসে ফেটে পড়েন।

কোনো কোনো ধর্মে বিবাহের পর প্রথম সংগমের অধিকার থাকে ধর্মগুরুর। এটিই ধর্মীয় রীতি।তাই নববিবাহিত স্ত্রীকে তুলে দিতে হয় ধর্মগুরুর কাছে।
এটিই তাদের জন্য ধর্মীয় রীতি।

হিন্দু সমাজে মাসতুতো পিসতুতো ভাই বোনদের মধ্যে বিবাহ পূর্ব যৌনতা তো বটেই..এমনকি বিবাহও নিষিদ্ধ। যা আবার মুসলিম সমাজে নয় ।

পশ্চিমা সমাজে যৌনতার সম্পর্কটি ধর্ম বা সমাজ নিয়ন্ত্রন করে না। এই বিষয়টি দুজনের সম্পূর্ন মানসিক বোঝাপড়ার উপর নির্ভরশীল।

মানুষ যখন গোত্রভুক্ত হয়ে বসবাস করতো ..
সমাজ ও সভ্যতা সৃষ্টির গোড়ার দিকে
একজন নারী থাকতো দলীয় প্রধান আর তার অধীনস্থ সকলেই তার সঙ্গে যৌন সম্ভোগে জড়িত হতো।

মুসলিম সমাজ দাসী এবং যুদ্ধবন্দিনীদের সঙ্গে যৌনসম্পর্কের অনুমোদন দেয় ।
কিন্তুু..
মানবিকতার প্রশ্নে আধুনিক সমাজ তা নাকচ করে।
একইভাবে মুসলিম সমাজে স্বামীর ইচ্ছানুযায়ী যখন তখন সংগমে অংশগ্রহন করতে নারী বাধ্য হলেও
মানবাধিকার অনুযায়ী এবং ধর্ষনের প্রচলিত আন্তর্জাতিক সজ্ঞা অনুযায়ী ইচ্ছের বিরুদ্ধে জোর করে
স্ত্রীর সঙ্গেও সংগম করা শাস্তিযোগ্য এবং সেটি ধর্ষন বলেই চিহ্নিত।

সমকামিতা আমাদের সমাজে অত্যন্ত গর্হিত অপরাধ হলেও কোনো কোনো সমাজ আর কোনো কোনো দেশের নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে তাদের অধিকার সংরক্ষণ শুরু হয়েছে।
তবে..
প্রকৃতি বলে.. নারী ও পুরুষ পরষ্পরের জন্য সৃষ্টি হয়েছে।
সেই ধারাকে ভেঙে এই অভিনব বিষয়টি অনেক সমাজেই ভীষনভাবে অগ্রহনযোগ্য আর নিন্দনীয়।

সমাজ ভেদে চিন্তা চেতনার কতো ফারাক !



অনেক মেয়ে রোমাঞ্চ সামলাতে না পেরে আঙুলের সহযোগীতা নিয়ে মাষ্টারভেশন করে..কিন্তু সেই মুহুর্তে ধারালো কিছুর ব্যবহার ..যেমন..পেন্সিল,কলম ইত্যাদির ব্যবহার
পারফরেশন বা ইউট্রাস আলসারসহ নানারকম ঝুকি থেকে যায়।

তাই অপ্রাকৃতিক পদ্ধতিতে সাবধনতা জরুরী। পরবর্তী জটিলতা থেকে রক্ষা পেতে হলে।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পিং পং শো বলে একটা শো হয়-যেখানে মডেল মেয়েরা বোতল এবং ধারালো বিভিন্ন দ্রব্যাদির ব্যবহার পাবলিকলি প্রদর্শন করে।
মনে রাখতে হবে..এটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং একই সাথে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে আনন্যাচারাল সেক্সুয়াল বিহেভিয়র।ন্যাচারাল নয় ,এরকম কোনো বিষয় যৌনতার ক্ষেত্রে মনে খুব বেশী কাজ করলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া একান্ত কর্তব্য।
তবে ..এই রকম বিষয়ে পারফেক্ট হচ্ছে ..সাইক্রিয়াটিষ্ট।মনের ডাক্তার।
বিকৃতি এক রকমের মানুষিক রোগ।
তাই একে অবহেলা বা লজ্জায় ঢেকে রাখার চেয়ে সুন্দর জীবনের বৃহত স্বার্থে চিকিতসতের শরনাপন্ন হতে হবে।


বিবাহ পূর্ববর্তী যৌনতা অনেক সময় মেয়েদেরকে অনেক রকম অনাকাঙ্খিত উদ্ভট সমস্যার মুখোমুখি করে।
তার মধ্যে..
১.গর্ভ ধারন
২.অবিশ্বস্ত পুরুষ সঙ্গীর ব্ল্যাকমেইলিং
৩.যৌনবাহিত রোগের সংক্রমন
৪.মানসিক ভাবে ভেঙে পড়া

প্রভৃতি সমস্যার উদ্ভব ঘটায়।
মনে রাখতে হবে..
নিজেকে নিয়ন্ত্রন করতে পারাটা সব দিক থেকে নিরাপদ।
যেহেতু অনেক সময় আবেগের চূড়ান্ত মুহুর্তে নীতির চেয়ে প্রয়োজন টা এবং আত্মতৃপ্তিটাই বড়ো হয়ে দাড়ায়..সেরকম কিছু হলে .
পরামর্শ হচ্ছে..
সঙ্গী যেনো অবশ্যই বিশ্বস্হ,সচেতন এবং বুদ্ধিধমান বা বুদ্ধিমতী হয়..
নতুবা পরবর্তীতে মুশকিলের কোনো অন্ত থাকবে না।
কনডোম এবং পিল দুটোর সহযোগিতা নিলে পরবর্তী অনেক সমস্যার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

পরিশেষে বলতে চাই.মুহুর্তের চরম আনন্দ যদি
শান্ত জীবনে টর্নেডো হয়ে সুন্দর জীবনকে ছারখার করে দেয়ার সম্ভাবনা থাকে...
তাহলে তা সে যত আকর্ষনীয় সুখই হোক না কেন..
তা পরিত্যাজ্য ।


আবদুল্লাহ-আল-মাসুম ‍সামহোয়ারইন ব্লগ

Saturday, June 18, 2011

যৌনতার ইতিহাস আর কিছু যৌনসর্ম্পকের ভিডিও বিষয়ক আলোচনা..


সূচনা:
যদিও পূণরুৎপাদনের বিষয়টা একেবারেই সামাজিক একটা দৃষ্টিভঙ্গীতেই শুরু হইছিলো বইলা সমাজবিজ্ঞানীরা দাবী করেন। যৌন সম্পর্কের বিষয়টা কিন্তু তাদের কাছেই একদম ব্যক্তিগত একটা বিষয়। যৌন সম্পর্কের সাথে সবসময় প্রজনণ প্রাসঙ্গিক না বইলা এইখানে ব্যক্তিগত আনন্দ কিম্বা পরিতৃপ্তির আকাঙ্খাও যূক্ত থাকে। আমার জানা নাই পোশাক প্রথার শুরু হইলো কবে, মানুষের শরীর ঢাকার প্রয়োজন কেনো তৈরী হইলো। ইসলাম ধর্মে পর্দা প্রথার শুরু কেমনে শুরু হইলো তার একটা ব্যখ্যাই কেবল আমার শোনা আছে। হযরত মুহাম্মদ একবার তার সাহাবাদের দৃষ্টিভঙ্গী আর আলোচনায় বিবি আয়েশার শারীরবৃত্তীয় প্রসঙ্গ শুনতে পাইয়া একটু বিব্রত হইলেন। আর সেই রাইতেই নাজিল হইলো পর্দা প্রথা বিষয়ক বিধান। আমি জানি না এই তাফসীর কদ্দূর সত্য, কিন্তু ইসলাম ধর্মে যৌনতার পরিধী ছোট কইরা নিয়া আসনের কারণ ছিলো পারিবারিক উপলব্ধি। ঠিক যৌনতার পরিধী ছোট কইরা আনা যদিও হয় নাই, যৌনতার সাথে নৈতিকতার বিভিন্ন শর্ত আর দৃষ্টিভঙ্গীরে যূক্ত কইরা দেয়া হইছিলো ইসলামে।
সেমেটিক ধর্মগুলিতে যৌনতারে সবসময়েই একটা নৈতিক আওতার মধ্যে নিয়া আসনের তাগীদ ছিলো। এই সকল নৈতিকতার মূল অ্যাপ্রোচ সভ্যতার সাথে সাথে পরিবর্ধিত হইছে কিছুক্ষেত্রে পাল্টাইছে। কিন্তু এই সকল অ্যাপ্রোচ মূলতঃ সামাজিক প্রসঙ্গ হইছে। যৌনতার সংজ্ঞা কিম্বা এর সীমা পরিসীমা নির্ধারনের ক্ষেত্রে মানুষ আর মানুষের ধর্মসমূহ সামাজিক নৈতিকতারেই গুরুত্ব দিছে। অথচ যৌনতা যে একেবারেই ব্যক্তিগত বিষয়, যেই কারনে তার লুকোছাপা চলে। ব্যক্তিগত বিষয়ের উপর সামাজিক পুলিশিং বা নজর রাখার পদ্ধতিটা কি সেইটা নিয়া ইতিহাসে অল্পস্বল্প হইলেও তর্ক জারী ছিলো নিয়তঃ'ই। আবার ধর্মগুলিতে নারীর অবস্থান অধঃস্তন হওয়াতে যৌনতায় পুরুষের ভূমিকা সবসময়েই প্রধান থাকছে, যার প্রভাব এইসব নৈতিকতা আরোপের পদ্ধতিতেও পড়ছে।
যৌনতায় নারী আর পুরুষের শারিরীক পারফরম্যান্স কিভাবে নির্ধারিত হয় তার কোনো নৈতিক মানদণ্ড যদিও কখনো তৈরী হয় নাই। তবে সভ্যতা আর ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় কিছু বিষয়রে নীতিমালার মধ্যে নিয়া আসা হয়, যেমন শিশু আর সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণরে সামাজিকভাবে নৈতিকতার সঙ্কটের মধ্যে ফালাইয়া দেয়া হয় অধিকাংশ সমাজেই। তবে পুরুষ যেহেতু সবসময় এর মানদণ্ড তৈরী করার অধিকার পাইছে সকল পর্যায়ে, তাই নারীর ভূমিকা যৌনতায় বেশিরভাগ সময় হইছে উত্তেজনা তৈরীর হাতিয়ার, আর পুরুষের বাসনা মিটানের অবলম্বন হিসাবে। পশ্চিমে এর ধরণ অবশ্য অনেক্ষেত্রে পাল্টাইছে কারণ যৌনতায়ও বোরডোম তৈরী হয়(!)। পরিবেশের সাথে সংগ্রামের ধরনের কারনে পশ্চিমে অবশ্য যৌনতার ধরনে অনেকসময় পরিবর্তন আসছে। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণে মাত্রাগত পরিমাণ কেবল যৌনতায় না সম্পর্কের অন্য সকল ধরনেও সেমেটিক নৈতিকতার সাথে অল্পস্বল্প বিরোধ সূচীত হইছে এই এলাকায়।
আর সকল অধিকারের মতোন যৌনতায়ও নারীর অধিকার সীমিত হইছে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায়। ইসলামিক ব্যখ্যায় অবশ্য কিছু যৌক্তিক বা যূক্তির পরম্পরাগত ব্যখ্যা হাজিরের চেষ্টা হইছে কিছু ক্ষেত্রে, যেমন পরিবার প্রথার বা বংশের পরম্পরাতে পিতৃপরিচয় রক্ষার একটা তাগীদ সামাজিক নৈতিকতা হিসাবে তার আগেই পরিচিত হইছে গোত্র আর কৌম গুলির মধ্যে। নারীর যৌনতা এই কারনে একমূখীন রাখার একটা মূল্যবোধ প্রয়োজন আছে সমাজে। পুরুষের বহুগামীতারেও নিয়ন্ত্রিত করার চেষ্টা ছিলো হযরত মুহাম্মদের নৈতিকতা আরোপের মধ্যে। নৈতিকতার এইরকম নিয়ন্ত্রণ পরবর্তীতে পরিবর্তীত না হইলেও প্রশ্নের সম্মুখীন হইছে পুরুষের বেলায়, কিন্তু নারীর বেলায় বিষয়টা সেই আদিম পর্যায়েই রইছে।
পরবর্তী কাল:
যদিও ফ্রয়েড আইসা এইসব নৈতিকতার চর্চা নিয়া বা এইসব চর্চার মনস্তত্ত্বগত ব্যখ্যারে ভালোই প্রশ্নের মুখোমুখি করেন। নারী আর পুরুষের সম্পর্ক নির্ভর সাইকিতে আসলে যৌনতা কিভাবে বিরাজ করে আর সমাজ সেইটারে কিভাবে দেখতে চায়, এই দুইয়ের মাঝে যে দ্বান্দ্বিক বিরোধ বা কন্ট্রাডিকশন তৈরী হইয়া গেছে কালের প্রবাহে তার একটা বৈপ্লবিক অনুধাবন আমরা দেখি ফ্রয়েডিয়ান আলোচনায়। মূলতঃ ফ্রয়েডের বেলা স্বপ্নে স্বপ্নে গেলেও যৌনতা সেইখানে মাথায় আর চিন্তায়ও ভালোই ছিলো আসলে। সে ইতিহাস আর মিথোলজী থেইকা যৌনতার লেজ ধইরা টান দিয়া দেখায় বহুকিছু। নারী যে পুরুষতন্ত্রের নৈতিক ধামাচাপার ভিতরে থাইকাও অন্যরকম ভাবনারে প্রশ্রয় দেয় সেইটা তারে আলোচনা করতে দেখি আমরা।
তবে ফ্রয়েডিয়ান আলোচনার পরে পুরুষ যৌনতা নিয়া তার দৃষ্টিভঙ্গীতে একটা সমতা আনয়নের চেষ্টা শুরু করে। এর পেছনে হয়তো যৌনতায় শীর্ষানুভূতি পাওনের একটা গোপন ইচ্ছা তাদের ভিতরেও ছিলো। পুরুষ তার নিজের রুচীর উপর গইড়া উঠা সমাজরেতো হুমকীর সম্মুখিন করতে পারে না, নারীর আকাঙ্খা যদি একসময় তার জন্য হুমকীর বিষয় হইয়া দাঁড়ায়! সভ্যতার এই পর্যায়ে নারী তাই একটু ভিন্ন রূপে আসে...যৌনতায় নারী আসে প্রধান কল্পচিত্র হিসাবেই। নারীদেহের বক্রতা ছাড়া ঠিক যৌনতা জমেনা। নারীর অজান্তেই তারে আরো্ বেশি অধিনস্ত করার পরিকল্পণা কইরা ফেলে পুরুষেরা। নারীরে তারা যৌন প্রক্রিয়ায় নায়িকাই বানায়, এই নায়িকার ভূমিকা যৌনতার সময় বিশাল থাকে। সে যৌন প্রক্রিয়ার সময় অনেক্ষেত্রেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা পায়। এই ক্ষমতা হয়তো নারীরে আবদ্ধ রাখতে বা তার আনুগত্যরে নিশ্চিত করবো এইরম সম্ভাবনা থেইকাই পুরুষের এতোটা দরদ!

মূল প্রসঙ্গ:
যেই বিষয়ে আলোচনা করতে চাই সেইটা বেশ সেন্সিটিভ হওয়ার জন্য ভূমিকাটারে প্রাসঙ্গিক মনে হইলো। হয়তো পাঠকরে প্রস্তুত করতে চাইছি আলোচ্য প্রসঙ্গের উপস্থাপণরে গ্রহণযোগ্য করার জন্য। সম্প্রতি মিডিয়াতে পরপর একাধিক সেলিব্রিটি'র(লোকশ্রুতিতে আরো বেশি) যৌনতার ভিডিও মানুষের কম্যুনিকেশন মডিউলে ঘোরাফেরা করতে দেইখা আমি নিজে খানিকটা শংকিত হইছি। যৌন কর্মকাণ্ড আমার এই শংকার হেতু নয়। শরীরের চাহিদা বা মানসিক আকাঙ্খার বিস্তারে একজন নারী আর একজন পুরুষের শারিরীক সম্পর্কে লিপ্ত হইলে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাতে কোনো অপরাধ দেখি না। সামাজিক নৈতিকতার এই আরোপ কইরা দেওয়া আচরণরে আমি প্রশ্নবিদ্ধ করতে রাজী আছি যেকোনো সময়। একজন পুরুষ হিসাবে এইটা নতুন কোনো উপলব্ধি না, পশ্চিমা সমাজে এই নিক্তির উদ্ভব ঘটছে বহু আগেই। আমার শংকা তবে কোথায়!?
শুরুতে আরবান মানুষের মডেলাইজার হইয়া উঠাতে খানিকটা আরাম পাইলেও পরবর্তীতে শংকিত হই সেই মানুষের ম্যানিপ্যুলেটিভ আচরনে। যেই মানুষ সামাজিক নিক্তিতে ঠিক করছে যৌনতা হইলো ব্যক্তিগত বিষয় কারণ তার শারিরীক আনন্দ-সুখ প্রাপ্তি ঘটে যৌনতার সম্পর্কের সঠিক চর্চার মাধ্যমে। যেই আরবান মানুষ নারীরে যৌনপ্রক্রিয়ায় প্রোটাগনিস্ট বানাইছে। তারাই হঠাৎ এইসব ভিডিও প্রচার কইরা বিষয়টারে সার্বজনীন বানাইয়া ফেলতেছে। তারাই ভিডিওতে নারী সেলিব্রিটির পারফরম্যান্সগত ভঙ্গীমারে নিয়া হাসিঠাট্টা করতেছে। এই আচরণটা যদি একান্ত'ই বাঙালিগো হইতো তাইলে হয়তো আমার শংকা কিছুটা কম হইতো, কারণ বাংলাদেশের মানুষ আসলে এখনো তাদের ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে চিন্তাপদ্ধতির কথা ভাবতেই পারে না। (ধর্ম নারী-পুরুষের সম্পর্ক নিয়া কিভাবে তা এই আলোচনার শুরুর দিকেই আমি উল্লেখ করছি।) কিন্তু উদারতার ধারক-বাহক পশ্চিমেও দেখি তাগো উঠতি তারকা লিন্ডসে লোহানের ন্যুড ভিডিও নিয়া পত্রপত্রিকায় বেশ উত্তেজনা বিরাজ করে। সামাজিক মানসিকতার গঠনের জন্য লোহানের তেমন কিছু আসে যায় না হয়তো। সুপারম্যানের পরবর্তী ভার্সনে তার নায়িকা হইয়া উঠার সম্ভাবনা তাতে খুব একটা হ্যাম্পার্ড হয় না হয়তো। কিন্তু আমাগো প্রভা কিম্বা চৈতির তো ঘর থেইকা বের হওয়াটাই বিপজ্জনক হইয়া উঠে।
ভিডিও ধারণটারেও আমার তেমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য লাগে না এই বিষয়ে। বরং ভিডিও'র প্রচারে যেই অসদুদ্দেশ্য থাকে সেইটা আমার চোখে লাগে। একজন মডেলাইজার পুরুষ আসলে এই ভিডিও প্রচারের মধ্য দিয়া একজন তারকার বা আরো সুনির্দিষ্ট কইরা বললে একজন উঠতি তারকার জীবনরে হুমকীর সম্মুখিন কইরা তার পুরুষালি দাপটের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। সমাজের সকল পুরুষ আর পুরুষালি চেতনার নারীরাও এই ভিডিও দেইখা দুই ধরনের স্বার্থ সিদ্ধি করে, ১. একটা যৌন প্রক্রিয়া তার উত্তেজনা নিজের শরীরে উত্তেজনা আনে। যেহেতু সে ফ্যান্টাসাইজ করতে ভালোবাসে। ২. একজন নারী সেলিব্রিটি'র এই পতনোম্মুখ প্রয়াসে সামাজিক পৌরুষ জয়যূক্ত হয়। এই ধরনের যৌনপ্রয়াস তো এই সমাজে হরহামেশাই ঘটে। সামাজিক নৈতিকতারে বুড়া আঙ্গুল দেখানোর এই ঔদ্ধত্য আমাগো সমাজেও বহু আগেই বিস্তৃত হইছে। শরীর তার চাহিদার রাজনীতি দিয়া এই পরিস্থিতি তৈরীতে উদ্যোগী হইছে। সামাজিক নীতিমালার বাইরেও তাই নারী-পুরুষের শারিরীক সম্পর্কের ধরনে ভিন্ন ভাষা প্রয়োগ হয়।
কিন্তু ভিডিও প্রচারণার বিষয়টা আসলেই অ্যালার্মিং লাগে। পুরুষের পৌরুষ যখন এমন নোংড়া প্রকাশে তার চেহারা দেখায় তখন মনে হয় আদিম প্রবণতাগুলিই অনেক ভালো ছিলো, কি লাভ হইছে সভ্যতার এতোদূর পরিভ্রমণে!? এই সব বিচ্ছিন্ন ভিডিও আসলে শোবিজ সম্পর্কে মানুষের ভিন্ন মূল্যবোধ তৈরী করতেছে। যার ফল খুবেকটা ভালো হওয়ার কথা না...

Friday, June 17, 2011

অসতী দাহ


এটি একটি আরব মেয়ের গল্প। শুধু আরব নয় মুসলমান আরব।
একটা সিঙাড়া আর এক কাপ চা নিয়ে আরাম করে বসুন। গল্পটা খুব আরামের নয়। মেয়েটির নাম সোয়াদ। আগেপিছে কিছু নেই, শুধুই সোয়াদ। পারিবারিক নাম আছে একটা, কিন্তু ওটা সে ব্যবহার করেনা, পাছে কোন বিপদ হয়। পৈতৃক পরিচয় বহন করবার অধিকার তার নেই। তার বাবা-মা জানে না যে সে বেঁচে আছে। জানলে হয়তো তাকে দ্বিতীয়বার মরতে হবে!
আজ থেকে প্রায় ত্রিশ বছর আগে প্যালেস্টাইনের একটি ছোট্ট গ্রামে এ গল্পের শুরু। সোয়াদরা চার বোন, এক ভাই। ছোট দুটি সৎ বোনও আছে তার, বাবার দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান। ওর মায়ের বিয়ে হয়েছিল চৌদ্দ বছর বয়সে। প্যালেস্টানের মেয়েদের ওটাই হলো বিয়ের বয়স। তার বেশী হয়ে গেলে গ্রামের লোকের কানাঘুষা শুরু হয়ে যায়। কড়াকড়ি পর্দাপ্রথা না থাকলেও মেয়েদের নিষেধাজ্ঞাগুলো পর্দার চেয়ে কম নয়। মাথা নিচু করে হাঁটবে, প্রসাধন করে বের হবে না, কোন পুরুষের দিকে তাকাবে না, পুরুষের সাথে কথা বলবে না। এক মায়ের পেটের ভাই ছাড়া আর কোন যুবকের সাথে চোখাচুখি হলে সবাই চার্মুটা বলে গাল দিতে শুরু করে। চার্মুটা অর্থ হল খারাপ মেয়ে, বেশ্যা। আসলে সমাজের নিয়মটাই এই যে পরপুরুষের দিকে মেয়েদের চোখ পড়ার মুহূর্ত থেকেই তার পাত্র খোঁজা শুরু করতে হবে।

ধর্মীয় পতিতাবৃত্তি

ধর্মীয় বা পবিত্র পতিতাবৃত্তি (ইংরেজি ভাষায়: Sacred prostitution) হচ্ছে এক ধরনের সামাজিক রীতি যেখানে একজন মানুষ যৌন সংগম করে নিজ পতি বা পত্নী ব্যতীত অন্য কারও সাথে পবিত্র বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যে। এ ধরনের কাজে যে ব্যাক্তি জড়িত থাকেন তাকে বলে দেবদাসী বা ধর্মীয় পতিতা

প্রাচীন প্রাচ্য দেশে

ধর্মীয় পতিতাবৃত্তি প্রাচীন প্রাচ্য দেশে বেশি মাত্রায় হত। প্রাচীন মেসোপটেমিয়ানরা ধর্মীয় যৌনতার প্রতিটি সু্যোগই কাজে লাগাত। গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডটাস বলেনঃ ব্যাবলীয়ানদের সবচেয়ে খারাপ রীতি ছিল জীবনে একবার হলেও প্রত্যেক মহিলাকে বাধ্য করা আফ্রিদিতি মন্দিরে যেতে, যেখানে তাকে একজন অপরিচিত ব্যাক্তির সাথে যৌন কর্মে লিপ্ত হতে হত। যেসব মহিলারা ধনী ও গর্বিত ছিলেন তারা মিলিত হতে চাইতেন না। তাদের তখন দড়ি দিয়ে বেঁধে আনা হত মন্দিরে। প্রচুর অনুগামী লোক ভিড় করত তখন। এভাবে বিপুল সংখ্যক মহিলাকে আনা হত। মহিলারা বাড়িতে ফিরে যেতে পারত না যৌন কর্মে লিপ্ত হওয়ার আগে। অপরিচিত কোন লোককে অবশ্যই টাকা দিতে হত বন্দিনী মহিলার আঁচলে এবং তাকে আহবান করতে হত মাইলিত্তা দেবীর নামে। তাদের মন্দিরের বাইরে মিলিত হতে হত। টাকার পরিমাণ যাই হোক না কেন তা নিতে আস্বীকার করা পাপ। এভাবে সুন্দরী মহিলারা সহজেই মুক্তি পেত অল্প দিনে। অসুন্দরীদের থাকতে হত দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত কোন লোকের সাথে মিলনের আগ পর্যন্ত। খ্রিস্টপূর্ব ৪৬৪ বছর আগে গ্রিসে জেনোফন নামের একজন অলিম্পিক বিজয়ী দেবীর মন্দিরে ১০০ জনের মতো তরুণীকে উপহার হিসেবে দান করে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ। করিন্থ নামক ঐ শহরে দেবী আফ্রিদিতির মন্দির ছিল। রোমান যুগে ঐ মন্দিরে প্রায় হাজারের উপর দেবদাসী ছিল।

বাইবেলে সমকামীতার বিষয়ে কি বলা আছে ? সমকামীতা কি পাপ?

প্রশ্ন: বাইবেলে সমকামীতার বিষয়ে কি বলা আছে ? সমকামীতা কি পাপ?

উত্তর: 
বাইবেল আমাদের দৃঢ়ভাবে বলে যে সমকামীতা পাপ (জেনেসিস্ 19:1-13; লেভিটিকাস্ 18:22; রোমান্‍স 1:26-27; 1 কোরিন্থিয়ান্‍স 6:9)৷ রোমান্‍স 1:26-27 নির্দিষ্টভাবে আমাদের শেখায় যে সমকামীতা হল ঈশ্বরকে অমান্য এবং অস্বীকার করার ফল৷ মানুষ যখন পাপ এবং অবিশ্বাসের পথে চলে তখন ঈশ্বর “আরো সুযোগ দেন” তাদের দুর্নীতিপরায়ণ ও কলুসিত হতে কারণ তার মাধ্যমেই মানুষ বুঝতে পারবে যে ঈশ্বরকে ছাড়া যে জীবন তা কতখানি ব্যর্থ এবং নৈরাশ্যজনক৷ 1 কোরিন্থিয়ান্‍স 6:9 দাবী করে যে যারা সমকামীতা করে সেই “পাপীরা” ঈশ্বরের রাজত্বে প্রবেশের অধিকার পায় না৷

হস্তমৈথুন – এটি কি বাইবেল অনুযায়ী পাপ?

প্রশ্ন: হস্তমৈথুন – এটি কি বাইবেল অনুযায়ী পাপ?

উত্তর: 
বাইবেলে স্পষ্টভাবে কিছু বলা নেই যে হস্তমৈথুন করা বা হস্তমৈথুন না করা পাপ কিনা৷ এই ধর্মগ্রন্থের জেনেসিস্ 38:9-10-এর ওনান এর গল্পে হস্তমৈথুন সম্পর্কে নির্দেশ করা হয়েছে৷ কেউ কেউ এই অনুচ্ছেদের বর্ণনায় বলে যে মাটিতে “তোমার শুক্র ছড়ানো” পাপ৷ যদিও, অনুচ্ছেদে নির্দিষ্টকরে এটিই বলা নেই৷ ঈশ্বর ওনানকে “তার শুক্র ছড়ানো”র জন্য শাস্তি দেননি, বরং শাস্তি দিয়েছিলেন কারন ওনান তার ভাইকে উত্তরাধিকার দেওয়ার কর্তব্য পালন করেনি৷ এই অনুচ্ছেদটি হস্তমৈথুন বিষয়ে ছিল না, বরং ছিল পারিবারিক কর্তব্য পালন করার বিষয়ে৷ ম্যাথিউ 5:27-30-র দ্বিতীয় অনুচ্ছেদটি কখনো কখনো হস্তমৈথুনকে পাপ হিসেবে প্রমান করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে৷ যীশু কামনাজনিত চিন্তার বিরুদ্ধে মত দিয়েছেন এবং বলেছেন, “যদি তোমার ডান হাত পাপের কারন হয়, তবে তা কেটে ফেলে দাও৷” “যদিও এই অনুচ্ছেদ এবং হস্তমৈথুন সমান্তরাল, তবে এটা বোঝা যায় না যে প্রভূ যীশু এখানে পরোক্ষভাবে হস্তমৈথুনকেই উল্লেখ করতে চেয়েছেন৷” 

বাইবেলে বিয়ের আগে যৌনতা/বিবাহপূর্ব যৌনতা সম্পর্কে কি বলা আছে?

প্রশ্ন: বাইবেলে বিয়ের আগে যৌনতা/বিবাহপূর্ব যৌনতা সম্পর্কে কি বলা আছে?

উত্তর: 
কোনো হিব্রু বা গ্রীক শব্দ নেই যার সাহায্যে বাইবেলে নির্দিষ্টভাবে বিয়ের আগে যৌনমূলক আচরনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে৷ বাইবেলে নিশ্চিতভাবে অশ্লীলতা এবং যৌন অবৈধতাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু বিয়ের আগে যৌনতা কি যৌনমূলক অবৈধতাকে নির্দেশ করে? 1 কোরিন্থিয়ান্‍স 7:2 অনুসারে, “হ্যাঁ” কি স্পষ্ট উত্তর : “কিন্তু যেহেতু প্রচুর অবৈধতা রয়েছে, তাই প্রতিটি পুরুষের নিজের স্ত্রী থাকা এবং প্রতিটি নারীর নিজের স্বামী থাকা একান্ত প্রয়োজনীয়৷” এই পদ্যে, পল্ বলেছেন যে বিবাহ হল যৌন অবৈধতার “চিকিত্সা”৷ প্রথম কোরিন্থিয়ানস 7:2 প্রয়োজনীয় ভাবে বলেছে যে, যেহেতু মানুষরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না এবং তাই তারা বিয়ের আগেই যৌন জীবন যাপন করে, তাই মানুষের বিয়ে করা উচিত৷ তখন তারা সঠিক পথে নিজেদের কামনাকে পূরণ করতে পারবে৷ 

যৌনতা বিষয়ে ভাবনা

দেবদাসী, মন্দিরবাসীনি কিংবা অন্য যেকোনো নামেই অভিহিত করা হোক না কেনো তাদের, প্রাচীন সভ্যতায় সুন্দরী তরুণীদের একাংশকে সব সময়ই কোনো না কোনো উপাসনালয়ে অন্য সব পুরোহিত এবং আমত্য ও উচ্চ বংশীয় পুরুষদের যৌনলিপ্সা এবং অন্যান্য মানসিক চাহিদা পুরণ করে কাটাতে হতো।

তারা সমাজের সবার জন্য উৎসর্গকৃত নগরনন্দীনি। ইশরাত, মেসোপটোমিয়া, ব্যাবিলন এবং ফনিশিয়ান সভ্যতার একক দেবী, ক্রমশ পুরুষের আধিপত্যে তার উর্বরতা ব্যতীত অন্য কোনো পরিচয় টিকিয়ে রাখতে পারে নি। কিংবা অন্য ভাবে বলা যায় সভ্যতা মাতৃতান্ত্রিকতা ছেড়ে পিতৃতান্ত্রিক হয়ে উঠবার পথেই ইশরাত পরম দেবীর আসনচ্যুত হয়ে সাধারণ এক দেবি হয়ে উঠেন, যাকে পরবর্তীতে যখন সেমেটিক ধর্মের সৃষ্টি হলো, তখন পাপিষ্ঠা অভিধা দেওয়া হলো।

Monday, June 13, 2011

খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের যৌন কেেলংকারি ধর্মীয় নৈতিকতা আজ কোথায়


শাকিল আহমেদ মিরাজ : মনুষ্যত্ব হীনের ঘৃন্যতা বিশ্বব্যাপী আজ বড় এক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে ৷ নৈতিক অবক্ষয়ের মাত্রা কোন পর্যায়ে নেমে এসেছে তা নিয়ে মনোবিজ্ঞানীদের মধ্যে চলছে তোলপাড় ৷ হিন্দু-মুসলাম-খ্রিষ্টান, সাদা-কালো কিংবা বাদামি, ইউরোপ-আমেরিকা কিংবা এশিয়া যেখানে যে জাতির কথাই বলুন সব জায়গায় মানুষের আচার-আচরণ দেখে মনে হচ্ছে মানবতা আর সুন্দরের যেন মৃত্যু ঘটেছে ৷ তত্ত্বের বিচারে দৃশ্যমান (!) মানবতাবাদী হিসেবে সকল ধর্মেই সাধারণ ধর্মীয় প্রধানকে মেনে নেয়া হয় ৷ সংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীতে এখন খ্রিষ্টান ধর্মালম্বী বেশি এবং স্বভাবতই তাদের ধর্মীয় প্রধান বা ধর্মযাজকের সংখ্যাটাও অন্য ধর্মের চাইতে ঢের বেশি ৷ নৈতিক অবক্ষয় আজ টান দিয়েছে সেই শিকড় ধরে! প্রত্যেক ধর্মই মানুষকে সংযমী হওয়ার শিক্ষা দেয় ৷ শিক্ষা দেয় পাপ, মন্দ অনিষ্টকর কাজ থেকে দূরে থাকার ৷ নিজের ভেতরে পশুত্ব, কামপ্রবৃত্তিকে দমন করার ৷ এ ক্ষেত্রে একজন ধর্মীয় গুরুর দায়িত্ব তো আরও অনেক বেশি ৷ তিনি ধর্মের নিয়ম- নীতি নিজে মেনে চলবেন, পাশাপাশি মানুষকে সঠিক পথ দেখাবেন ৷ মানুষের কাছে তিনি হবেন অনুস্মরণীয় ৷ সেই ধর্মীয় গুরু যখন বিপথগামী হন, তখন সাধারণ মানুষের আর যাওয়ার জায়গা থাকে না ৷ ক্যাথলিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মযাজকদের অনেকে এখন এমনই বিপথগামী হয়ে পড়েছেন ৷ নিজেদের আদিম বাসনা পূরণ করতে গিয়ে ভুলতে বসেছেন যে তারা নিজেরা মানুষকে সুপথে আনার কাণ্ডারি ৷ তাদের এই বিপথগামিতায় ষোড়শ পোপ বেনেডিস্ট পড়েছেন অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে ৷ এমনকি গোটা ক্যাথলিক সম্প্রদায়কে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে ৷ অবশ্য তাদের এই যৌন নির্যাতনের ঘটনা নতুন কিছু নয় ৷ তবে গত কয়েক বছরে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে বিশ্বজুড়ে একের পর এক যাজকের যৌন নির্যাতনের কাহিনী ফাঁস হয়ে যাচ্ছে ৷ আর এসব ঘটনা বিশ্বজুড়ে পবিত্র গির্জার মতো উপসানালয়ের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে ৷ রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে চার্চের শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নতুন কোনো ঘটনা নয় ৷ তবে নতুনত্ব হলো চার্চের যাজকদের এই সব কুকর্মের খতিয়ান প্রভাবশালী গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়ে পড়ার ঘটনা ৷ সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে ৷ আর এতে করে বিশ্বের দেশে দেশে রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে ‘ছি ছি’ রব উছে ৷ চরম ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে ভ্যটিকান ৷ এমনকি খোদ পোপের বিরুদ্ধেও রয়েছে যৌন নিপীড়ক ধর্মযাজকদের প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগ ৷ অবস্থা বেগতিক দেখে পোপ যৌন নিপীড়নের শিকার শিশু ও তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ৷ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা যুক্তরাষ্ট্রের এক ক্যাথলিক ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নিপীড়নের খবর প্রকাশ করে করেছে, ফাদার লরেন্স মার্ফি নামের উইন্সকনসিনের ওই যাজকের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক বধির শিশুকে যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগ ছিল ৷ ফাদার লরেন্স মার্ফি ২৪ বছর ধরে উইন্সকনসিনের একটি বধির শিশুদের স্কুলের শিক্ষক ছিলেন ৷ ১৯৯০ সালে সংঘটিত ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এক আর্চবিশপ ফাদার লরেন্স মার্ফির বিরুদ্ধে ভ্যাটিকানে দুবার চিঠি লিখে অভিযোগ পাঠিয়েছিলেন ৷ বর্তমান পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট তখন রোমান ক্যাথিলকদের সর্বোচ্চ সংস্থা কংগ্রেশন ফর দ্য ডকট্রিন অব দ্য ফেইথের প্রধান ছিলেন ৷ কিন্তু এ ব্যাপারে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং কর্তৃপক্ষ লরেন্সের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেননি ৷ বরং ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছিলেন ৷ এ ঘটনার প্রায় ২০ বছর পর বেনেডিক্ট পোপ হয়েছেন ৷ শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগের বিষভয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে ভ্যাটিকান বলেছে, যুক্তরাস্ট্রের কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের তদন্ত এবং তা বাতিল করেছে ৷ তবে ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কেন তখন ফাদার লরেন্স মার্ফিকে পুলিশে দেয়া হয়নি!’ ইতিম্যে পাঁচজন ভুক্তভোগীর পক্ষে দুজন আইনজীবী এই বিষয়ে মামলাও করেছেন ৷ নিউইর্য়ক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিস্তর অভিযোগ প্রকাশিত হতে থাকে ৷ সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশিত হয় ৷ এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্যাটিকান বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ে ৷ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টসহ সব রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকের চারিত্রিক সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও নেতৃত্ব নিয়ে সবার মনেই দেখা দিয়েছে চরম সন্দেহ ৷ আর রোমান ক্যাথলিকদের সবোর্চ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে এর দায়ভার এককভাবে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের ওপর বর্তায় ৷ পোপের ক্ষমা প্রর্থনা : আয়ারল্যান্ডের ঘটনার পর ভ্যাটিকান নড়েচড়ে ওঠে ৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট আয়ারল্যান্ডে ধর্মযাজকদের দ্বারা শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন ৷ তিনি এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে একে ‘পাপ ও অপরাধ’ ব েঅভিহিত করেছন ৷ পোপ নিজে আয়ারল্যান্ডের রোমান ক্যাথলিকদের কাছে এ ব্যাপারে একটি চিঠি লিখেছেন ৷ চিঠিতে তিনি যাজকদের ভর্ত্সনা করে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আত্মমর্যাদা নষ্ট করেছ ৷ এটা বিশপদের বিবেকের ত্রুটি ও নেতৃত্বের ব্যর্থতা ৷’ ভ্যাটিকারে পক্ষ থেকে এ ধরনের ঘটনাকে ট্র্যাজেডি বলে উল্লেখ করা হয়েছে ৷ তারা তাদের ব্যাখ্যায় একে প্রতিষ্ঠানিক ত্রুটি বলেও চিহ্নিত করেছেন ৷ তবে পোপ তার চিঠিতে এই ত্রুটি সংস্কারের কোনো বথা বলেননি এবং কোনো অভিযুক্ত যাজককে এই ঘটনায় পদত্যাগ করতেও বলেননি ৷ যদিও অনেক যাজক ইতোমধ্যে নিজ থেকেই পদত্যাগ করেছেন ৷ তবে পোপের এই মায়া প্রার্থনায় ভুক্তভোগীরা মোটেও সন্তুষ্ট নন ৷ কেবল ভর্ত্সনা নয়, তারা চান যৌন নিপীড়ক যাজকদের কঠোর শাস্তি ৷ শুধু তা-ই নয়, পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের নিজ দেশ জার্মানি থেকেই তার পদত্যাগের দাবি উঠেছে ৷ কারণ পোপ নিজেও এ ধরনের অভিযাগ ধামাচাপা দেয়ার সাথে জড়িত ছিলেন ৷ তাই তার নিজেরই সংস্কার হওয়া উচিত বলেই ভুক্তভোগীদের অনেকেই মত দিয়েছন ৷ তাদের মতে, যাজকেরাই যখন নিপীড়কের ভূমিকা পালন করেন’
সপ্তাহের সারাবিশ্ব

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More