This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label বিবাহোত্তর যৌনতা. Show all posts
Showing posts with label বিবাহোত্তর যৌনতা. Show all posts

Tuesday, September 27, 2011

মধ্যজীবনে আমাদের যৌনতার ভ্রমণ

যখন আমরা মধ্য জীবনে পৌঁছাই তখন আমাদের জীবন অর্ধেক শেষ হয়ে যায়। শিশুকালের সময় থেকে আমরা অনেকটা পথ অতিক্রম করে এসেছি। অনেক লোকই ভুলবশত একথা ভেবে থাকেন যে, বিবাহ করার পর অথবা কারো সাথে অনেক বছর পর্যন্ত জীবনযাপন করার পর জীবনটা বোরিং লাগবে। এটা সত্য হওয়ার নয়। আমাদের যৌনতার বৃদ্ধি কখনো থেমে যায় না, ২৯ বছর বয়স পর্যন্ত তাতে কোনো পরিবর্তন আসে না অথবা তার ব্যবহারে কোনো কমতি হয় না। আমাদের যৌবনপ্রাপ্ত মধ্য জীবনের সময় হচ্ছে একটি নতুন এবং উত্তেজনাপূর্ণ যৌন ভ্রমণের একটি অঙ্গস্বরূপ। মধ্য জীবন বা মধ্যবয়সকে সাধারণত বিবেচনা করা হয় ৪০ বছর বয়স থেকে ৫৫ বছর বয়স পর্যন্ত। আমাদের মধ্য জীবনের যৌনতাকে ঘিরে রয়েছে দুটি বৃহত্তম কল্পকথা-(১) বেশি বয়সী লোকেরা এখন আর যৌনতার প্রতি আগ্রহী নন এবং এখন আর যৌনমিলন করে না এবং (২) বেশি বয়সী লোকেরা যৌনতায় অসমর্থ।
এই অংশে আমরা মধ্যবয়সী লোকদের সাথে সম্পৃক্ত যৌনতা নিয়ে গবেষণা করব। আমরা তার সাথে আরো তাকিয়ে দেখব আমাদের মধ্যবয়সের সাথে সংযুক্ত আরো কিছু বিষয়ের দিকে। আমাদের যৌন ইচ্ছা এখন আর সেরূপ যৌবনকালের মতো ততটা উচ্ছ্বাসপ্রবণ এবং ততটা আকর্ষণীয় নয়। আমরা এখন আমাদের গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গীর এবং আমাদের নিজেদের চিন্তাভাবনা নিয়ে ব্যস্ত। এখন আত্মমূল্যায়ন হয়ে উঠেছে শারীরিক চেহারার চেয়ে অনেক বেশি মূল্যমানের। এই নিয়েই এখন আমাদের চিন্তাভাবনা।

মধ্য জীবনের সময়ের দৈহিক পরিবর্তনসমূহ
জীবনের এই সময়ে আমরা এমন একটি স্তরে এসে পৌঁছাই যাতে আমাদের শরীরের এমন পরিবর্তন ঘটে যা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং নাটকীয়। পরিবর্তনের এই স্তরকে বলা হয় বয়ঃস িবা ঋতুজরা। বয়ঃস িহচ্ছে মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনের পর্যায়ক্রম, যা আমাদের মধ্য জীবনে ঘটে থাকে। নারী-পুরুষ উভয়েরই এই বয়ঃসকিাল আসে। নারীদের জন্য এটা আরো বেশি নিশ্চিত এবং চূড়ান্ত স্তর কারণ তারা এ সময়ে উর্বরতা থেকে অনুর্বরতা স্তরে চলে যায়। পুরুষেরা এই পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা লাভ করে না। পুরুষরা মৃত্যুর দিন পর্যন্ত উর্বর থাকে। নারীরা তাদের মধ্য জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা লাভ করে। পুরুষের পরিবর্তন ততটা লক্ষণীয় হয় না এবং তাদের অনেক কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়।

চুক্তি বা ঐকমত্য পিতৃত্ব-মাতৃত্বের জন্য

দুজন সঙ্গীই একমত হবেন যে তারা সন্তান চান কিংবা চান না। এটাও খুবই জরুরি যে দুজনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে তারা কয়টি সন্তান চান।
বিবাহ করলেই তা আমাদের জন্য সবকিছু যথাস্থানে ঠিকঠাক করে দেবে না। অন্য যে কোনো আত্মীয় সম্পর্কের মতো বিবাহোত্তর সমঝোতার প্রয়োজন আছে। আমরা একে অন্যের সাথে তাল মিলিয়ে চললেই হলো না, আমাদের বু-বাব ও পরিবারের সাথেও তাল মিলিয়ে চলতে হবে। বিবাহিত হলে তা আমাদের একটি নতুন সামাজিক পরিচয় দেয় এবং আমরা নিজেদের দেখতে পারি যে, আমাদের বু-বাব ও পরিবারের সাথে ভিন্নভাবে মেলামেশা করতে শুরু করেছি। আর একটি জরুরি পরিবর্তন হচ্ছে টাকা।
যখন দুজন লোক বিয়ে করে রাষ্ট্র কর্তৃক তাদের একটি একক সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর অর্থ হচ্ছে এটা শিক্ষা করা যে, কীভাবে একটি পরিবারের জন্য আয়ের, খরচের এবং সরকারি কর পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হয়। সকলেই সমভাবে আয়, ব্যয় এবং অর্থ সঞ্চয় করে না। অনেক দম্পতিই টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং দুশ্চিন্তার শিকার হয়। কী করে টাকার সমস্যার উপরে সমঝোতা ও সংবাদ আদান-প্রদান করতে হয় তা হচ্ছে খুবই জরুরি একটি জিনিস। যে কেউ টাকা আয় করুন না কেন উভয় সঙ্গীর মিলিত মতামতের ওপর অর্থ ব্যয় করা হলেই তা সবচেয়ে সুখকর হয়।
সম্ভবত আমাদের যৌনতার মধ্যে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হচ্ছে যে আমরা কীভাবে তা ব্যক্ত করি। পুনর্বার বলা চলে যে, খোলাখুলি এবং সৎভাবে সংবাদ আদান-প্রদান এই অবস্থার প্রাপ্তির সময়কাল সহজ করতে পারে এবং প্রত্যেকটি সঙ্গীকে শিখতে সাহায্য করতে পারে যে, কীভাবে আমরা আন্তরিকতার সাথে পরসপর পরসপরকে যৌনতার সম্পর্কে পরিতৃপ্ত করতে পারি। এর জন্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে-
  • কত ঘন ঘন আমরা যৌনমিলন করব
  • কখন কোন সময়ে আমরা সেক্স করব
  • যৌন কাজকর্মকে বাছাই করে নেব
  • কতটা অযৌন বিষয়ে একে অন্যের প্রতি মনোযোগী হব।
এটাও খুব জরুরি যে, প্রত্যেকটি সঙ্গীরই অধিকার থাকবে সেক্সের বেলায় ‘না’ বলার, তাতে কোনো পরিণতির ভয়-ভীতির কথা আসতে পারবে না। আমাদের সকলেরই সময় আছে যখন আমাদের এটা করার প্রয়োজন। এ বিষয় নিয়ে সঙ্গীর সাথে খোলামেলা আলোচনা করলে সঙ্গী আপনার অনুভবের অবস্থার কথা বুঝতে পারবে। অমৌখিকভাবে ফিরিয়ে দিলে আপনার সঙ্গীর মনে সম্পর্কের বিষয়ে দুশ্চিন্তা আসতে পারে। আমাদের সকলেরই রয়েছে নিজস্ব পছন্দ। আমাদের সঙ্গীদের পছন্দ-অপছন্দের ব্যাপারটা জানা এবং তার সাথে মিলমিশ করা অনেক কষ্টকর হতে পারে, কিন্তু পারসপরিক যৌন জীবনকে পরিতৃপ্ত করা হচ্ছে একটা আশ্চর্যজনক পুরস্কার।

নব্য যৌবনপ্রাপ্তিকালে সামাজিক চাপ ও দায়দায়িত্ব স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একসাথে বসবাস করা

অনেক লোক আত্মীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে একত্রে বসবাস করার পূর্বে বিবাহবনে আবদ্ধ হয় না। অবিবাহিত অবস্থায় একসাথে বসবাস ও যৌন সম্পর্ক গঠনকে অনেক সময় কো-হেবিটেশন বা একত্রে বসবাস বলা হয়। অনেক লোকে এটা করে থাকে, কারণ তারা আইনসঙ্গতভাবে বিবাহ করতে প্রস্তুত নন। অন্যরা এমনও আছেন যারা কখনোই বিবাহ করতে চান না। অনেক লোক আছেন যাদের পূর্বে বিয়ে হয়েছিল এবং আর কখনো বিয়ে করতে চান না। লেসবিয়ান নারীরা এবং গাই পুরুষরা আইনসঙ্গতভাবে বিয়ে করতে পারেন না। তাদের দেখা যায় সব নারী-পুরুষের মতোই একই ইচ্ছা ও যুক্তি রয়েছে একজনের সাথে বসবাস করার জন্য- কারো কারো আন্তরিকতা লাভ করার জন্য, কাউকে সাথী করে নিরাপত্তা পাওয়ার জন্য এবং আর্থিক দিক দিয়ে আরো সচ্ছলভাবে বসবাস করার জন্য।
আমাদের একত্রে বসবাসের ধারণা গঠিত হয় আমাদের নৈতিক মূল্যবোধের এবং আমাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাসের দ্বারা। বিবাহ ছাড়া একত্রে বসবাস করাটাকে সকল দম্পতি সমর্থন করে না। অনেক ধর্মেই বিবাহপূর্ব যৌনসঙ্গম সমর্থন করে না, যার কারণে একত্রে অবিবাহিত বসবাসকে তারা গ্রহণযোগ্য মনে করে না। একত্রে বসবাস করার সিদ্ধান্তগ্রহণ নির্ভর করে দুজন সঙ্গীর মধ্যের মূল্যবোধ ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে মতামতের মিলের ওপর। একসাথে বসবাস করা হচ্ছে দুজন সঙ্গীর মধ্যে দেয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি। বিবাহের মতো এর জন্য সংবাদ আদান-প্রদানের চাতুর্যের প্রয়োজন। একটি আলাপ-আলোচনা করার মতো এবং সমঝোতা করার মতো একটি প্রতিশ্রুতির দরকার। এটা উভয় লোকের জন্য খুব জরুরি যে, তারা তাদের উদ্দেশ্য সম্ব েপরিষকার ধারণা রাখবে এবং তাদের সম্পর্কের জন্য আশা-আকাঙ্ক্ষার বিষয়ে সম্যক উপলব্ধ হবে।
বিবাহ
আমেরিকাবাসীরা বিবাহবনে আবদ্ধ হতে চায়, যদিও পূর্বের চেয়ে আজকাল অনেক কম সামাজিক চাপ আছে যেমনটি ছিল আমাদের দাদা-দাদীদের জামানায়। এর একটা কারণ হচ্ছে এই যে, এর জন্যে অনেক কম সামাজিক নিন্দা রয়েছে একক মাতৃত্বের ব্যাপারে। অনেক নারীই বিবাহ ছাড়াই সন্তান ধারণ পছন্দ করেন। আর একটি কারণ হচ্ছে এই যে, অনেক নারীই এখন স্বনির্ভর এবং বিবাহের উপরে তাদের নির্ভরশীল থাকতে হয় না আর্থিক নিরাপত্তার জন্য।
বিবাহ হচ্ছে একটি জনস্বীকৃতি যে, দুজন লোক একসাথে বসবাস করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন। আরো হচ্ছে এটা একটি আইনগত চুক্তি। এক্ষেত্রে আমাদের খুবই সতর্ক থাকা প্রয়োজন যে কাকে আমি বিয়ে করছি, কখন করছি অথবা আদৌ আমি বিয়ে করছি কি না। সকলের জন্য বিয়ে নয়। অনেক লোক আছে যারা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও আবেগিক দিক দিয়ে বিবাহের জন্য সাবালক নয়। আমরা কীভাবে জানব যে কখন আমরা বিবাহের জন্য প্রস্তুত। নিম্নবর্ণিত জিনিসগুলোর ওপর চিন্তা করলে ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য হতে পারে।
বয়স
যখন আমরা বিয়ে করি তখন আমাদের বয়স কত? এই প্রশ্নটি একটি কৃতকার্য বিবাহের ক্ষেত্রে একটি ভালো নির্দেশক হতে পারে। সাধারণত আমরা যত বেশি বয়সের হই ততই মঙ্গল। অল্পবয়সী চারজন বালক-বালিকার বিয়ের মধ্যে তিনটিই ভেঙে যায়।
স্বাধীনতা
আর্থিক দিক দিয়ে স্বাধীন হলে এবং একজন নিজের জীবন পালনের জন্য উপযুক্ত হলে একটি কৃতকার্য বিবাহিত জীবনের জন্য তা খুবই জরুরি।
আবেগী সাবালকত্ব
আমাদের আবেগী প্রয়োজনগুলো এমনভাবে মেটাতে সক্ষম হতে হবে যে তার দ্বারা অন্য কাউকে বিরক্ত করা না হয়। এর ফলে বিবাহিত জীবন ভালো কাটানোর সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
সামাজিক সাবালকত্ব
মিথস্ক্রিয়ার মাধ্যমে সামাজিকভাবে অভিজ্ঞ হলে যেমন পূর্বে ডেটিং করা, বিবাহপূর্বে একাকী স্বাধীনভাবে জীবন-যাপন করার অভিজ্ঞতা এবং অর্থনৈতিক সমস্যার ব্যবস্থা করার অভিজ্ঞতা বিবাহিত দম্পতির মধ্যে সমতা রক্ষার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়।
নমনীয়তা
সকল বিবাহিত জীবনের জন্য মিলমিশ, সমঝোতার প্রয়োজন। আমরা অর্ধেক পথেই আমাদের সঙ্গীদের মেলানোর চেষ্টা করব, কারণ স্বাদ গ্রহণে, প্রয়োজনে, ইচ্ছায়, কখনোই দুজন লোক এরকম নয় এবং অবশ্যই আমরা একে অন্যের পার্থক্যগুলো সমর্থন করব এবং তার প্রশংসা করব।
ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্য
এটাতে অনেক সাহায্য হয় যদি দুজন সঙ্গীর ব্যক্তিত্ব একই রকমের হয় এবং যদি মৌলিক, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ দুজনেরই একরকম হয়।
পারসপরিকতা
এটা বোঝা খুব দরকার যে, বিবাহ দুজন সঙ্গীরই প্রয়োজনীয়তাকে পূর্ণ করে। এটা যদি একতরফা হয় তার কারণে মানসিক চাপ ও নৈরাশ্য বাড়ে।
শক্তির ভারসাম্য
কীভাবে শক্তির ব্যবহার হয় এবং ভাগাভাগি হয় এর দ্বারা সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়িত্ব নির্ধারিত হয়।
সংবাদ আদান-প্রদান
এটা প্রয়োজনীয় যে আমরা যে কোনো বিষয় নিয়ে আমাদের সঙ্গীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করতে পারব।

Sunday, July 31, 2011

বিবাহোত্তর যৌনতা

যৌবন প্রাপ্তির পর পরই পুরুষ যখন বিয়ে করে তখন নতুন করে যৌনজীবন শুরু হয়। বিবাহোত্তর যৌনতার ফলে পুরুষ এবনারীর স্বাভাবিক জীবনে যৌন নানা বিষয়ে পরিবর্তন দেখা দিয়ে থাকে। যেমন আগে যখন পুরুষ হস্তমৈথুনের দ্বারা যৌন ইচ্ছার সমাপ্তি ঘটাতো তখন যৌনতার চিত্র ছিল এক রকম। কিন্তু বিয়ের পর যৌনতার ভিন্ন চিত্র দেখা দেয়। বিয়ের পরে পুরুষ এবং নারীর ব্যক্তিত্ব সংক্রান্ত পরিবর্তন এবং শারীরিক আবেগীয় পরিবর্তন দেখা দেয়। পাশাপাশি যে বিষয়টি লক্ষণীয় হয় তা হলো বিয়ের পরে পুরুষের নৈতিক চিন্তা ধারার ক্ষেত্রে পরিবর্তন দেখা দেয়। ফ্রয়েডের মতে, বিয়ের পরে এবং বিয়ের পূর্বে পুরুষের যৌন চিন্তা চেতনা থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম। এই সময়ে পুরুষের যৌন ইচছার এবং যৌনতার অংশ গ্রহণের ব্যাপারেও পরিবর্তণ লক্ষণীয় হয়। বিবাহোত্তর যৌনতার বাইরেও বেশকিছু ক্ষেত্রে পুরুষকে যৌন জীবনে অভ্যস্ত হতে দেখা যায়। যেমন কেউ কেউ পতিতা সঙ্গমে অভ্যস্ত হয়, আবার কেউ কেউ অন্য যে কোনো উপায়ে যৌন ইচ্ছা অবদমন করে থাকে

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More