This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label যৌন-দর্শন. Show all posts
Showing posts with label যৌন-দর্শন. Show all posts

Thursday, July 21, 2011

স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তির উপায়

১। গালে ঠোঁটে ঘন ঘন চুম্বন করা।

২। স্ত্রীর ঊরুদেশ জোরে জোরে মৈথুনের আগে ঘর্ষণ করা।
৩। সম্ভোগের আগে যোনিদেশ, ভগাঙ্কুর কামাদ্রি আলতো ভাবে ঘর্ষণ করা।
৪। ভগাঙ্কুর মর্দন।
৫। মৈথুনকালে স্তন মর্দ্দন।
৬। সহাবাসের আগে যদি পুরুষাঙ্গের আগায় খুব সামান্য পরিমাণ কর্পূর লাগানো হয় তবে স্ত্রী দ্রুত তৃপ্তি লাভ ক’রে থাকে। তবে কর্পূর যেন বেশি না হয়, তাতে স্ত্রী যোনি ও পুরুষাঙ্গ জ্বলন অনুভূত হ’তে পারে।

দি আর্ট অব সেক্সুয়াল এক্সটাসি-1


উন্নত যৌনতা এই স্বীকৃতি দেয় যে, আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে একটা প্রবল মেরুপ্রবণতা রয়েছে এবং তা আছে গোপন অবস্থায়। একজন পুরুষের প্রধান দিকটি হচ্ছে পুরুষ জাতীয় এবং তার অধীনে হচ্ছে নারী জাতীয়। একজন নারীর মধ্যে প্রধান হচ্ছে নারী জাতীয় ও গোপন হচ্ছে পুরুষ জাতীয় সত্তা। এই পরিপ্রেক্ষিত থেকে নারী ও পুরুষের মধ্যে একটা স্থায়ী ও সুখী বন্ধনের জন্য প্রয়োজন একটা সমঝোতা যার মাধ্যমে একটা ভারসাম্য অন্তরের আত্মীয়তা অবশ্যই গড়ে উঠতে হবে যেটা হবে নারী ও পুরুষের আত্মস্থিত পৌরুষ ও নারীত্বের প্রকৃতির সাথের মিলন। আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে একটা ভেতরের পুরুষ মানুষ আছে যেটা একটা প্রাণবন্ত ও ক্রিয়াশীল গতির সাথে জড়িত, সেটা লক্ষ্যবস্তুকে নির্ধারণ করেও লক্ষ্যে পৌঁছায় এবং জিনিসকে সঠিকভাবে চালায়। এটাকেই টাওয়িস্টগণ আমাদের চরিত্রের ইয়াং আকৃতি বলে অভিহিত করে থাকেন। এটা হচ্ছে অচিন্তনীয়ভাবে সংযুক্ত একটি সত্তা এবং আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে একজন ভেতরের নারী-মানুষ আছে, যা একটা প্রাকৃতিক শক্তি, যার দ্বারা সব জিনিস ঘটে যায়, জীবনের লক্ষ্যবস্তু ঠিক করা ছাড়াই জীবন প্রবাহের সাথে চলতে থাকে, যার দ্বারা শিথিল ও আনন্দময় জীবন চলে।
এটাই যা তাকে টাওয়িস্টগণ  প্রকৃতির ইইন আকৃতি বলে অভিহিত করে থাকেন। আর এটা হচ্ছে- ধ্যানপরায়ণতা, স্বতঃস্ফূর্ততা ও সংক্রমিত হওয়ার সত্তা। একই ব্যক্তিত্বের মধ্যে একজন নারী ও একজন নরের শক্তি একসাথে থাকার ধারণটার একটা জৈবিক ভিত্তিমূল আছে। বৈজ্ঞানিকগণ এর সত্যতা স্বীকার করেছেন যে, প্রত্যেকটি নর ও নারীর প্রকৃতির মধ্যে কতগুলো পুরুষ ও নারী হরমোনের উপস্থিতি আছে আর সেটা হচ্ছে Essential bypolarity of nature বা প্রকৃতির দ্বিমেরুকরণতা হরমোন দেহের ও লিঙ্গের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে এবং আমাদের যৌনশক্তি বর্ধনে সাহায্য করে। তন্ত্রীয় ধারণানুযায়ী পুরুষ দিচ্ছে সম্ভাবনা তার মধ্যস্থিত নারী হরমোনের উপস্থিতির কারণে এবং তাদের নিয়ে নিজের মধ্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার অভিজ্ঞতা লাভের মধ্য দিয়ে একইভাবে নারীর মধ্যে পুরুষ হরমোনের উপস্থিতির কারণে নারীকে তার পৌরুষ জাহির করার বা পুরুষত্বের অভিজ্ঞতা প্রকাশের সম্ভাবনা এনে দিয়েছে। এই জৈবিক সত্যতার নিজস্ব আত্মিক প্রতিরূপী আছে।
C. g. jung এই ধরনের ভিন্ন ভিন্ন অনেক লোকের মনের মধ্যে মেল ও ফিমেল হরমোনের ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়া নিয়ে গবেষণা চালিয়েছেন। তিনি পুরুষের মধ্যে একটা স্ত্রী উপাদান দেখতে পেয়েছেন আর তার নাম দিয়েছেন Animal- এটা একটা ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হচ্ছে Soul বা আত্মা। তিনি লক্ষ্য করেছেন যে, এই এনিমা প্রায় সব সময়ই অবচেতন, বেহুঁশ বা অজ্ঞান অবস্থায় থাকে। তিনি আরো ধারণা করেছেন যে, যেভাবেই হোক না কেন, পুরুষ মানুষের প্রায় বেশিরভাগ সৃষ্টিশীল কাজ তার এই এনিমা থেকেই উৎপত্তি লাভ করে, যেটা তার স্বপ্ন, তার লক্ষ্য, তার অন্তর্দৃষ্টি, অনুপ্রেরণা এবং স্বতঃস্ফূর্ত উপলব্ধি। একইভাবে Jung স্বতঃসিদ্ধভাবে ধরে নিয়েছেন যে, একটা পুরুষ আত্মা বা এনিমাস একজন নারীর মধ্যে অবস্থান করছে এবং তিনি যুক্তি দেখিয়েছেন যে, স্ত্রী-পুরুষ উভয়ই এই বিপরীতমুখী মেরুকরণের উন্নতি দ্বারা উপকৃত হতে পারে।
অন্তর্নিহিত স্ত্রী ও পুরুষের একত্রীকরণ
যা  Jung কল্পনা করেছিলেন আজ তা সত্যে পরিণত হতে যাচ্ছে। নারী-পুরুষ উভয়ই একটা বড় ধরনের জাগরণের মাধ্যমে এই দুটো অন্তঃমেরুকে একত্রীকরণের জন্যে কঠোরভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এটা করার জন্য স্ত্রীকে সেই এনিমাস বা পুরুষ সত্তার কার্যকারিতাকে স্বীকৃতি দিতে হবে- যখন তিনি দৃঢ়তায়, উচ্চাশায়, বুদ্ধিবৃত্তি সংক্রান্ত কঠোর চেষ্টায় এবং জিজ্ঞাসায় নিজেকে প্রকাশ করতে যান। তার ভেতরস্থ পুরুষকে আত্মস্থ বা একত্রীভূত করতে হলে তাকে তার পৌরুষ গুণাবলীকে নিয়ে অনুশীলন করতে হবে, যে গুণগুলো নারীর মধ্যে থাকাটাকে পরিবারের পুরুষকর্তা ও পুরুষশাসিত সমাজ দ্বারা অবদমিত হয়ে এসেছে। একইভাবে  পুরুষ মানুষকে তার ভেতরের নারীত্বের গুণাবলীকে জাগিয়ে তুলতে হবে। যেমন আদর-যত্ন নেয়া, সেবা শুশ্রূষা করা, ইন্দ্রিয় সুখ ত্যাগ এবং গ্রহণযোগ্যতা যেগুলো পূর্বেও অমানবিক বিবেচনা করে অবদমিত করা হয়েছে। একটা প্রেমময় বন্ধনের মাধ্যমে যখন এই স্ত্রীত্বের এবং পৌরুষের গুণাবলীকে উন্নত করা এবং বুঝতে পারা যায় তখন একই মানুষের মধ্যে দুটো মেরুর মিলন ঘটতে পারে। এটাই যাকে তন্তু মতে উৎফুল্লজনক জাগরণ মনে করা হয়। এটা চৈতন্যময় ধারণার একটা অবস্থা, আত্মোপলব্ধির অন্যতম অবস্থা যার দ্বারা উভয় লিঙ্গকেই (পুংলিঙ্গ ও স্ত্রী লিঙ্গ) একই অঙ্গে আলিঙ্গন দেয়া যায় এবং তারপরই ভেতরের দ্বৈধতা কাটিয়ে উঠে একটা একক সত্তায় পরিণত হওয়া যায়। এই অবস্থায় এসে আপনি এই বলে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পারেন এটা শুনতে তো আশ্চর্য লাগে, কিন্তু আমি সেখানে পৌঁছাব কি করে? আনন্দের সাথে আমি একটা পথের নক্সা তৈরি করেছি এবং আপনার প্রথম পদক্ষেপই হচ্ছে নিজের ভেতরের পুরুষ ও ভেতরের নারী চরিত্রগুলোর ওপর আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কি সেটাকে ভালো করে উপলব্ধি করা বা ভালো করে চেনা।
দুটি মনোভাবের পার্থক্য
এখানে কয়েকটি উদাহরণ দেয়া হলো যখন একজন নারীর ভেতরস্থ পুরুষ মানুষটির জাগরণ ঘটেনি তখনকার তার মনোভাব, আর যখন তার মধ্যে দুটো মেরুই জাগ্রত হয়েছে তখনকার মনোভাবের পার্থক্য কি?
অজাগ্রত অবস্থায়
সে কখনোই ‘না’ বলে ফিরিয়ে দেয় না অথবা খুব কম ‘না’ বলে। সে হ্যাঁ বলতে বাধ্য হয়, কারণ সে ভয় করে যে, যদি সে না বলে তার প্রকৃত মনের অবস্থা ব্যক্তি করে তাহলে সে হয়তো পরিত্যক্ত হবে।
জাগ্রত অবস্থায়
সে যখন ইচ্ছা মনে করে তখন ‘না’ বলে দেয়ার ঝুঁকি নেয়। কারণ তখন সে নিজেকে সমমান দেয়। নিজের সীমাবদ্ধতা জানে এবং তাদেরকে প্রকাশ করতে ভয় পায় না।
অজাগ্রত অবস্থায়
সে ভালোবাসার সময় কখনো কখনো কৃত্রিম চরমপুলক দেখায়। এটা শুধু তার সঙ্গীর আত্মবিশ্বাস রক্ষা করার জন্য।
জাগ্রত অবস্থায়
সে তার সঙ্গীকে বলে যে সে এখনো শীর্ষপুলকে পৌঁছায়নি কেন? তার ব্যাখ্যা দেয় এবং সঙ্গীকে পরামর্শ দেয় যে, তারা যৌথভাবে কোনো পন্থায় তাদের আনন্দ বাড়াতে পারে।
অজাগ্রত অবস্থায়
সে একজন খুবসুরত রাজপুত্রের কল্পনা করে অথবা একজন বাকপটু কবির স্বপ্ন দেখে, যিনি তার জীবনটাকে হাতের মুঠোয় তুলে নেবেন। উভয়ের জন্য চিন্তা করবেন এবং দরকারি সব সিদ্ধান্ত নিজেই গ্রহণ করবেন।
জাগ্রত অবস্থায়
সে নিজেকে একজন সুন্দরী রাজকন্যা হিসেবে দেখে, যেন একজন সুন্দর রাজপুত্রের পাশাপাশি ঘোড়ায় চড়ে ভ্রমণ করছে। নিজের জীবন নিজের হাতেই ধরে আছে। তার কাছে জীবনটা হচ্ছে সমান দুজন সঙ্গীর মধ্যের সহসৃষ্টি। এখানে আরো কয়েকটি সদৃশ্য উদাহরণ যেখানে একজন পুরুষ তার ভেতরের নারীর সাথে বিপরীত মনোভাব পোষণ করেন।
অজাগ্রত অবস্থায়
ভালোবাসার সময় সে কোনো কথা বলে না। নারীটি যদি কিছু বলতে চায়, সে উত্তর করে ‘চুপ থাকো’ তুমি জিনিসটাকে খারাপ করে দিচ্ছ।
অধ্যাপক ডাঃ এ এইচ মোহামমদ ফিরোজ
এমবিবিএস এফসিপিএস এমআরসিপি এফআরসিপি
E-mail : professorfiroz@yahoo.com
ফোন ঃ ০১৭১১-৫২১২২২, ০১৯৯-৫২১২২২

http://www.sunagro.info/

Tuesday, July 12, 2011

ছেলে ও মেয়ের দেহের যৌনস্পর্শকাতর অংশগুলির পরিচয়

আগের লেখায় বলেছিলাম যে মেয়েদের দেহে শুধুমাত্র যোনি, স্তন আর নিতম্বই তাদের একমাত্র যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গ নয়। ওদের বলতে গেলে প্রায় পুরো দেহটিই স্পর্শকাতর। তার মাঝেও কিছু কিছু স্থান রয়েছে যেগুলোতে আদর পেলে তারা চূড়ান্ত উত্তেজনার দিকে তড়িৎগতিতে অগ্রসর হয়। তবে ছেলেদের দেহেরও শুধুমাত্র লিঙ্গই একমাত্র যৌন অঙ্গ নয়। আজকালকের দিনে এমনকি আমাদের দেশের ১০-১২ বছরের ছেলে-মেয়েরা পর্যন্ত জেনে যাচ্ছে কিভাবে সেক্স করতে হয়। তাই বলা যায় বিয়ে তো বহুদূরের কথা, এখনকার ছেলেমেয়েদের গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড হওয়ার আগেই তারা এ বিষয়ে বহু কিছু জানে। কিন্ত তাদের এ জানাই কি যথেষ্ট? ছোটকালে বাচ্চারা একটা খেলা খেলে, এটাকে ওরা বলে ডক্টর ডক্টর খেলা। বিশেষ করে একটি বাচ্চা ছেলে ও মেয়ে খেলার সাথী থাকলেই তারা লুকিয়ে এই খেলা খেলে থাকে। এতে দুজনেই কাপড়-চোপড় খুলে নিয়ে একজন-আরেকজনের যৌন-অঙ্গগুলো নিয়ে খেলা করে, তাদের মাঝে পার্থক্য আবিস্কার করে। সবার অবশ্য এ অভিজ্ঞতা হয়না। তবে সে যাই হোক মোটকথা আমাদের সঙ্গী-সঙ্গিনীকে পরিপূর্ন যৌনসুখ দিতে হলে তাদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গগুলো সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারনা থাকা দরকার। অনেকে বলতে পারেন কি দরকার? নিজে মজা পেলেই হল। তাদের জন্য বলছি আমার এ প্রয়াস ভালোবাসার অনুভুতিবিহীন যৌন লালসাময় সেক্সের জন্য নয়। যে তার সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে ভালবাসে সে অবশ্যই চাবে তাকে আনন্দ দিতে এবং এতে সে নিজেও আনন্দ লাভ করে।
মূলত ছেলে ও মেয়ের যৌনকাতর অঙ্গগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই Common রয়েছে এবং তাদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ছেলে বা মেয়ে ভেদে প্রায় একই হলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন। এসকল কিছু উল্লেখপূর্বক এখানে আমি তাদের এ অঙ্গগুলোর বিবরন ছাড়াও কি কি উপায়ে সেগুলোকে উত্তেজিত করে তোলা যেতে পারে তার উপরেও আলোকপাত করেছি। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
মেয়েদের ক্ষেত্রেঃ
মেয়েদের দেহের বেশ কয়েকটি যৌনস্পর্শকাতর অংশ আছে যেগুলো সরাসরি তাদের যৌনত্তেজনার সূচনা ঘটায়। সাধারন অবস্থা থেকে এ অংশগুলোর মাধ্যমেই একটি ছেলে তার মাঝে যৌনাভুতি জাগিয়ে তুলতে পারে। আর কিছু অংশ আছে যেগুলো মেয়েটির যৌনত্তেজনার সূচনা ঘটার পরই উত্তেজিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠে, অথচ সাধারন অবস্থায় এগুলো উত্তেজিত করার চেষ্টা করলে মেয়েটি এমনকি ব্যাথা বা অসস্তিও বোধ করতে পারে। মেয়েদের সবচাইতে যৌনস্পর্শকাতর অংশটিও এই দ্বিতীয় শ্রেনীর অন্তর্ভুক্ত। So, read on for details.
১. ঠোট ও জিহবাঃ ঠোট নারীদেহের সবচাইতে যৌনত্তেজক অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। ঠোটের মাধ্যমেই সমগ্র নারীদেহ উত্তেজনার সূচনার সবচেয়ে জোরালো সংকেতটি গ্রহন করে থাকে। এতে একটি ছেলের ঠোটের স্পর্শ (আমি লেসবিয়ানদের কথা আমার লেখায় আনছি না, সেটা আরেক ধরনের অনুভূতি।) মেয়েটির সারা দেহে যেন বিদ্যুতের গতিতে কামনার আগুন ছড়িয়ে দেয়। তবে আরেকটি ঠোটের স্পর্শই যে শুধুমাত্র মেয়েটিকে উত্তেজিত করে তুলবে তা নয়। ছেলেরা অন্য ভাবেও মেয়েটির ঠোটের মাধ্যমে তার দেহের মাঝে ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে পারে। আঙ্গুল দিয়ে মেয়েটির ঠোটে হাত বুলিয়ে দেয়া, ওখানে নিজের নাক ঘষা এভাবেও ছেলেটি ওকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে। আর ঠোট দিয়েও একবার মেয়েটির উপরের ঠোট আরেকবার ওর উপরের ঠোট চুষে, ফাকে ফাকে ঠোট থেকে একটু সরে গিয়ে থুতনিতে চুমু খেয়ে ওকে tease (এর ভালো বাংলা প্রতিশব্দ আমার জানা নেই। এর অর্থ হিসেবে বলা যেতে পারে কাউকে যৌন আনন্দ দেয়ার উপক্রম করেও না দিয়ে তাকে সে আনন্দ পাবার জন্য আরো পাগল করে তোলা।)করা যেতে পারে। আর মেয়েরা তাদের জিহবা দিয়ে শুধুই খাদ্যের স্বাদ গ্রহন করে না, সঙ্গীর আদরের স্বাদও এর মাধ্যমেই অনুভব করে। তাদের জিহবা একটি ছেলের মুখের ভেতরের উষ্ঞতা খুজে নেয়। এর মাধ্যমে সে ছেলেটির জিহবা থেকে যে অনুভুতি গ্রহন করে তা তার সারাদেহকে ওর কাছে সপে দেওয়ার জন্য উদগ্রিব করে তোলে। চুমু খাওয়ার সময় ছেলেটি মেয়ের মুখের ভিতরে তার জিহবা ঢুকিয়ে দিয়ে নাড়াচাড়া করে তার মুখের ভিতরেও কাঁপন বইয়ে দিতে পারে। আর মেয়েটির জিহবা চুষলে তো কথাই নেই। এভাবে মেয়েটির জিহবার স্বাদ নিয়ে ছেলেটি ওকে আদর করার জন্য মেয়েটিকে আরো উন্মুখ করে তুলতে পারে। তবে মেয়েদের ঠোট ও জিহবা যে শুধুই পরোক্ষ আদরে উদ্বেল হয় তা নয়। মেয়েটি তার সঙ্গীর গালে, গলায়, বুকে, কান এদের স্পর্শ করলে ছেলেটি যেমন আনন্দ পায় তেমনি মেয়েটিও অন্যরকম এক আনন্দ লাভ করে। অনেক পর্ন মুভিতে দেখা যায় যে সেখানে মেয়েগুলো ছেলেদের লিঙ্গ চুষতে খুব পছন্দ করে। বাস্তবে বিশেষ করে আমাদের দেশের বেশিরভাগ মেয়েই ছেলেদের লিঙ্গে মুখ দেয়াটাকে চরম ঘৃন্য একটা কাজ বলে মনে করে। অথচ, বিদেশে বাস্তবেও অনেক মেয়েই ছেলেদের লিঙ্গ শুধু তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই চুষে না। সে নিজেও এতে আনন্দ পায়। এর মূল কারনই হল তার ঠোট ও জিহবার স্পর্শকাতরতা। ছেলেটির দেহের অন্যান্য অংশে এ দুটি দিয়ে স্পর্শ করে সে যে আনন্দ লাভ করে, একই কারনে নিজের ছেলেটির লিঙ্গের স্পর্শে তার আনন্দ হয়। এক্ষেত্রে একমাত্র বাধা হয়ে দাঁড়ায় তার ঘেন্না; যেটা কাটিয়ে উঠতে পারলেই সে এক নতুন ধরনের যৌনসুখ আবিস্কার করে। তার জিহবার সাথে উত্তপ্ত লিঙ্গটির স্পর্শ, তার মুখের ভিতরে সেটির অবস্থান তাকে তার যোনির ভিতরে এর অবস্থানের চেয়ে কম আনন্দ দেয় না যদি সে একবার বুঝে যায় এর মজা। যোনির চাইতে তুলনামূলক কম যৌনকাতর হলেও মেয়েদের মুখের সচেতনতা এর চেয়ে বেশি; ফলে সে ওখানে ছেলেটির লিঙ্গের অবস্থানের সময় সে এমনকি লিঙ্গের মাঝে উত্তেজিত রক্তের চলাচল, কাপুনি, উত্তাপ ইত্যাদি অনুভব করতে পারে। ভালোবাসার সময় এ অনুভুতি ছেলেটিকে আদর করার জন্য ওকে আরো উদ্বেল করে তোলে। আর তার মুখের ভিতরে যখন ছেলেটি বীর্যপাত করে তখন ছেলেটির উত্তেজনা মেয়েটির মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে, তার জিহবা ও ঠোটের মাধ্যমে। যেসব মেয়েরা লিঙ্গ চোষাকে ঘৃনা করে তারা কি করে এর মজাকে আবিস্কার করতে পারে এ নিয়ে আমি কিছুদিন আগে একটা বিদেশি বইয়ের article পড়ে এ বিষয়ে আমার বেশ কয়েকজন close মেয়ে বন্ধুর মতামত নিয়ে ওদের positive response পেয়েছি। শিঘ্রই এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু লিখব।
২. গাল, কপাল, কানের লতিঃ মেয়েদের এ স্থানগুলো তাদের যৌন উত্তেজনার অন্যতম সূচক হিসেবে কাজ করে। এসকল স্থানে ছেলেটির ঠোট ও জিহবার স্পর্শ মেয়েটির দেহের মাঝে তার ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দেয়; মেয়েটি বুঝতে পারে, ছেলেটি তাকে চায়, তার সবকিছুই চায়। মেয়েটির এ স্থানগুলো ছেলেটির দ্বারা অবহেলিত হলে সে পরিপূর্ন ভাবে যৌনসুখ অনুভব করতে পারে না। আমার মতে, সেক্স, সে যার সাথেই করা হোক না কেন, তার মধ্যে সামান্য হলেও ভালোবাসা-আদরের ছোয়া না থাকলে এর আনন্দ অসম্পূর্ন থেকে যায়।
৩. গলাঃ মেয়েদের গলায় স্পর্শ ওদের উত্তেজনায় পথে এগিয়ে নিতে যথেস্ট ভুমিকা রাখে। ছেলেটি মেয়েটির ঠোটে চুমু খেতে খেতে এর ফাকে ফাকেই গলায় ঠোট নামিয়ে এনে ঠোট দিয়ে খেলা করলে ওর দারুন এক অনুভুতি হয়। প্রায় সব মেয়েরই গলার অংশটুকু বেশ সংবেদনশীল। মেয়েটির ঠোটে চুমু খেয়ে তার গলায় নেমে আসলে তার যে সুড়িসুড়ির মত অনুভুতি হয় তাতে ও একই সাথে সুখ ও এক ধরনের অসস্তি লাভ করে। ওর মন চায় ছেলেটি ওর গলায় আরো সোহাগ বুলিয়ে দিক আর ওর ঠোট চায় আবার সেখানে ছেলেটির ঠোটের স্বাদ। এভাবে tease করে ছেলেটি মেয়েটিকে উত্তেজনায় পাগলপ্রায় করে তুলতে পারে।
৪. স্তনঃ প্রায় সব ছেলেরই মেয়েদের দেহের সবচাইতে প্রিয় স্থান তার দুটি স্তন। মেয়েদের দেহের সবচাইতে যৌনকাতর অঙ্গগুলির মাঝে যে এটি যে এক বিশেষ ভুমিকা পালন করে থাকে তা বলাই বাহুল্য। ছেলেদের ওদের প্রতি আকৃষ্ট করায় এর জুড়ি নেই। মেয়েভেদে স্তনের আকার যে ছোট বড় হয় সে হিসেবে তাদের স্পর্শকাতরতারও কিছুটা রকমফের হয়। মেয়েদের স্তনের বেশিরভাগটাই চর্বি দিয়ে তৈরী। দেহের চর্বিবহুল অংশগুলোতে এমনিতেই স্পর্শকাতরতা কম হয়। সে কারনেই যে মেয়েদের স্তন বেশি বড় থাকে স্বভাবতই তাদের স্তনের সংবেদনশীলতা তুলনামূলক ছোট স্তনের মেয়েদের থেকে সামান্য হলেও কম থাকে। এজন্যই বেশিরভাগ বড় স্তনের মেয়েরা বেশ জোরে জোরে ছেলেদের হাতে চাপ খেতে পছন্দ করে; তাদের উত্তেজিত করে তুলতে ছেলেদের একটু রুক্ষ ভাবে তৎপর হতে হয়। অবশ্য ছেলেদেরও এক্ষেত্রে কোন আপত্তি আছে বলে মনে হয়না। তাদের স্তনে জোরে জোরে হাত দিয়ে টিপা ছাড়াও ওগুলো চুষার সময় হাল্কা হাল্কা কামড় দিলে তারা দ্রুত উত্তেজিত হয় তবে কামড়টা হতে হবে বোটার আশেপাশে কিন্ত সরাসরি বোটায় নয়। অন্যদিকে মাঝারি ও ছোট স্তনের মেয়েদের স্তনের সংবেদনশীলতা তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে। তাই তাদের স্তন টিপার সময় শুরুতে একটু ধীরে ধীরেই করতে হবে। আর কামড় দেয়ার ব্যাপারেও সাবধান থাকতে হবে কারন বেশি সংবেদনশীলতার জন্য তারা এক্ষেত্রে বেশ ব্যথাও পেতে পারে। তবে ছোট বড় যে স্তনই হোক না কেন, সেগুলো টিপা বা চুষার সময় ছেলেদের সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন দুটি স্তনেই যেন তাদের হাতের ছোয়া থাকে। একটি চুষার সময় অন্যটি হাত দিয়ে টিপতে থাকতে হবে। আর মেয়েদের স্তনে আনন্দ দেয়ার আরো একটি পদ্ধতি হলো ছোট হলে পুরোটাই আর বড় হলে যতটুকু সম্ভব স্তনটি মুখের ভিতরে ভরে নিতে হবে। তারপর জিহবা দিয়ে বোটার উপরে বুলাতে থাকতে হবে। এতে মেয়েরা দারুন মজা পায়। আর মেয়েদের স্তনের মধ্যেও সবচেয়ে স্পর্শকাতর হল তাদের বোটা। তবে বোটায় আদর করার ব্যাপারে ছেলেদের একটু সাবধান হতে হবে। এ প্রসঙ্গে আগের পোস্টে বলেছি। বোটায় আদর করার জন্য প্রথমে মেয়েটির স্তনের অন্যান্য অংশ টিপে তাকে উত্তেজিত করে নিতে হবে। তারপর এভাবে শুরু করা যেতে পারে; ওর স্তনের বোটার উপর হাতের তালু রেখে পিঠা বানানোর জন্য বেলার মত করে হাত বুলাতে থাকতে হবে। এর আগে ওর স্তনে একটু চুষে নিলে আপনার মুখের লালা সেখানে লেগে থাকলে এভাবে তালু দিয়ে বোটাটি ম্যাসাজ করা অত্যন্ত উপভোগ্য হয়ে উঠবে। তারপর মুখ নামিয়ে দুটি ঠোট দিয়ে শুধু ওর বোটাটি চেপে ধরেও চুষা যায়। ও উত্তেজিত হয়ে উঠলে মুখের আরো ভিতরে নিয়ে বোটায় হাল্কা করে দাঁত বুলিয়ে দিলে ওর উত্তেজনা চরমে পৌছাবে।
৫. দুই স্তনের মাঝের ফাকা স্থান (Cleavage): মেয়েদের দুই স্তনের মাঝের এই যৌনত্তেজক ভাজটি তাদের প্রতি ছেলেদের আকৃষ্ট করতে যথেস্ট ভুমিকা পালন করে, কিন্ত বেশিরভাগ ছেলেই এর দ্বারা প্রলুব্ধ হয়ে অবশেষে যখন ওদের নগ্ন স্তনযুগলের দেখা পায় তখন যে এদের মাঝে ওদের যে একটা বেশ স্পর্শকাতর স্থান রয়েছে তা বেমালুম ভুলে যায়। মেয়েরা তাদের স্তনে ছেলেদের মুখ আশা করার পূর্বে অবচেতন মনে তার দেহের যে অংশটি তার সৌন্দর্যকে অপরূপভাবে ফুটিয়ে তুলেছে সেই স্তনের ভাজে ছেলেটির আদর চায়। আমার কাছে আবেগময় সেক্স এর সূচনা কোনপ্রকার Foreplay (এর অর্থ যে সেক্সের আগে এর জন্য মেয়েটিকে প্রস্তুত করে তোলার আদর তা আশা করি ব্যাখ্যা করতে হবে না।) ছাড়া হতেই পারে না। তাই মেয়েটির গলায় চুমু খেতে খেতে ওর দুই স্তনের ফাকা স্থানে ছেলেটিকে মুখ নামিয়ে এনে, এখানে চুমু খেয়ে, জিহবা বুলিয়ে, আদর করলে এমন অবস্থা হবে যে সে নিজেই আপনার মুখ তার স্তনের দিকে টেনে নিয়ে যাবে।
৬. বগলের নিচঃ এটা হয়তবা আপনাদের কাছে নতুন লাগছে। কিন্ত বাস্তবিকই, মেয়েদের বগলের নিচে যে তাদের যৌনস্পর্শকাতর একটি স্থান রয়েছে তা অনেকেরই অজানা। তবে শুরুতেই বলেছিলাম, মেয়েদের কিছু স্পর্শকাতর অঙ্গ রয়েছে যেগুলোতে আদর করে, মেয়েটি যৌনত্তেজিত অবস্থায় না থাকলে, তাকে যৌনসুখ দেয়া যায় না বরং তার ব্যাথা বা অসস্তি হয়। ওদের বগলের নিচ তেমনই এক স্থান। উত্তেজিত অবস্থা মেয়েটির বগলের নিচে চুমু খাওয়া, জিহবা দিয়ে চেটে দেয়া ওর জন্য বেশ যৌনান্দদায়ক।
৭. নাভীঃ মেয়েদের নাভী ও এর আশেপাশের স্থানগুলো মোটামুটি সংবেদী। ওখানে চুমু খাওয়া, আঙ্গুল দিয়ে চাপ দেয়া, জিহবা বুলিয়ে দেওয়া, চোষা ইত্যাদি করা ওকে tease করার এক অনন্য উপায়।
৮. নিতম্বঃ মেয়েদের দেহের সবচেয়ে চর্বিবৎসল অংশ; দেহের যেকোন স্থানের চেয়ে এর সংবেদনশীলতা তুলনামূলক কম (স্কুলে থাকতে যারা নিতম্ব আর ধরুন হাত দুই স্থানেই শিক্ষকের উত্তম মধ্যম খেয়েছেন তারা আশা করি এখনো ভুলেননি কোন যায়গার ব্যথা সামান্য হলেও সহনীয় ছিল?) তাই বলে মেয়েদের সেক্স উত্তেজনায় এর ভুমিকাকে কোনভাবেই খাটো করে দেখা যাবে না। ছেলেদের আকৃষ্ট করায় এর অবদান অনস্বীকার্য। তাই ছেলেরাও চায় একে নিজ হাতে আকড়ে ধরে তার চোখ তার মনে যে তৃষ্ঞা সৃষ্টি করেছিল তা মিটিয়ে নিতে। আর মেয়েরাও তো তাই চায়। ছেলেরা যতই পাগলের মত তার এ ‘গোপন হয়েও উন্মুক্ত’ অঙ্গটি ধরে ধরে আদর করে তারা ততই উত্তেজিত হয়ে উঠে। উম্মাদ-মাতাল সেক্সের বেলায় মেয়েদের নিতম্বে হাত দিয়ে জোরে জোরে চাপর দিয়ে তাদের বেশ উত্তেজিত করে তোলা যায়। তবে রোমান্টিক সেক্সের সময় (বিভিন্ন রকম Mood এর sex যেমন, Rough, Sensual, forced, surprise, fetish, bondage ইত্যাদি সম্পর্কে পরবর্তী কোন লেখায় বিস্তারিত আলোচনা করবো।) সবচেয়ে ভালো উপায় হল মেয়েটির নিতম্বে হাত দিয়ে ম্যাসাজ করে দেওয়া। তবে একেবারে মোলায়েম ভাবে নয়, একটু জোর দিয়ে করতে হবে।
৯. হাটুঃ মেয়েদের হাটু একটি মোটামুটি স্পর্শকাতর অঙ্গ। সরাসরি সেক্সের সময় এর ভুমিকা তেমন একটা নেই তবে সেক্সের সূচনায় এটি বেশ কিছুটা অবদান রাখে। কোন প্রেমিকযুগল একসাথে বসে পড়াশোনা, খাওয়া এসব করার সময়, ছেলেটি টেবিলের নিচে তার নগ্ন পা মেয়েটির নগ্ন পায়ের সাথে স্পর্শ করিয়ে হাটুতে বুলিয়ে দিতে পারে। মেয়েরা এই জিনিস খুব উপভোগ করে। এই ধরনের আদরকে বলা হয় Footsie. এ আদর মেয়েটিও ছেলের পায়ে করতে পারে, ছেলেদের হাটু এক্ষেত্রে মেয়েদের মত অতটা সংবেদী না হলেও মেয়েটির নরম পায়ের স্পর্শ ওর কাছে দারুন লাগে (এটা আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলা!)। সেক্সের মুড তৈরী করতে এর জুড়ি মেলা ভার।
১০. উরু ও পায়ের পাতাঃ মেয়েদের আরো একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অংশ হল তাদের উরুদ্বয়। বিশেষ করে হাটুর উপরিভাগ থেকে এর স্পর্শকাতরতা বাড়তে বাড়তে উরুসন্ধি, তথা তাদের যোনির আশেপাশে গিয়ে চূড়ান্ত অবস্থায় পৌছে। এটিও সেসব অংশের অন্তর্ভুক্ত যেগুলো দ্বারা সরাসরি মেয়েটির উত্তেজনার সূচনা ঘটিয়ে তাকে যৌন আনন্দ দেয়া যায়। যোনির কাছাকাছি বলে এর মাধ্যমে মূলত মেয়েটিকে যোনিতে স্পর্শ পাবার জন্য উন্মুখ করে তোলা যায়। মেয়েটি যদি স্কার্ট বা নিচ উন্মুক্ত, এমন কোন কাপড় পড়ে থাকে তবে, তাকে চুমু খেতে খেতে যৌনমিলনের শুরুর দিকে তার হাটু থেকে হাত উঠানামা করে উরুসন্ধির কাছে এনে আবার নামিয়ে ম্যাসাজ করলে সে বেশ দ্রুত উত্তেজিত হয়ে উঠে। আর কিছু মেয়ের ক্ষেত্রে শোনা যায় যে তাদের পায়ের পাতা এতটাই স্পর্শকাতর থাকে যে শুধুমাত্র সেখানে আদর পেয়েই অনেকসময় তারা চরম সুখের কাছাকাছি চলে যায়। তবে কমবেশি সব মেয়েরই পায়ের পাতা বেশ যৌনকাতর থাকে। কোন মেয়েকে সারাজীবন আপনার যৌন আদরের পাগল করে রাখার জন্য আমার আগের আর্টিকেলে ওর যোনির প্রতি যে অতিরিক্ত আসক্তি পরিহার করার কথা বলেছিলাম তা অবশ্য পালনীয়। মেয়েটির উপরাংশ উত্তেজিত করেই সহজে তার যোনিতে যাওয়া চলবে না; কারনটি একটু পরে বলছি। তাই মেয়েটির উপরিভাগ উত্তেজিত করে (উপরে সে অংশগুলোর কথা বলা হয়েছে।) সেখান থেকে সরাসরি তার পায়ে চলে যাওয়া যেতে পারে। মেয়েটির পায়ের পাতার নিচ চেটে দেওয়া, তার আঙ্গুলগুলো, বিশেষ করে বুড়ো আঙ্গুল মুখে নিয়ে চুষা, পাতার উপরিভাগে জিহবা বুলিয়ে হাটু থেকে উঠে আসা এসবই তার পা কে উত্তেজিত করে তোলার উপায়। এরপর ওর উরুতে আস্তে আস্তে উঠে সেখানে চুমু দেয়া জিহবা বু্লানো যায়। তবে স্তনের মতই দুই উরুর কোন একটি অবহেলা করে ফেলে রাখা যাবে না। একটিতে আপনার মুখ থাকলে অন্যটিতে একটি হাত থাকতেই হবে। আর এভাবে মেয়েটির নিম্নাংশে, বিশেষ করে উরুতে আদর করার সময় অবশ্যই একটি হাত দিয়ে হলেও সেটি দিয়ে হাত যতখানি যায় মেয়েটির দেহের উপরিভাগের সাথেও স্পর্শ রাখতে হবে। উরুতে জিহবা বুলিয়ে দেয়ার শুরুতে ওর যোনির আশেপাশে জিহবা নিয়ে সেটা স্পর্শ না করেই আবার উরুতে ফিরিয়ে আনবেন, তবে ফাকে ফাকে যোনিতে আঙ্গুলের সামান্য ছোয়া লাগিয়েই আবার সরিয়ে উরুতে নিয়ে যেতে হবে, মেয়েটি আপনার হাত টেনে সেখানে নিয়ে যেতে চাবে। কিন্ত আপনি কিছুতেই নেবেন না। ওর উরুতে জিহবা বুলিয়ে, ফাকে ফাকে উপরে উঠে ওর স্তনে একটু টিপে দিয়ে ওকে আরো উত্তেজিত করে তুলবেন। যতক্ষন পর্যন্ত না ও আপনার মনোযোগ ওর যোনিতে নেওয়ার জন্য বলতে গেলে ধস্তাধস্তি শুরু করে দেয়। এ অবস্থায় ওর অবহেলিত যোনিতে আপনার হাতের স্পর্শ পেলে ও সেখানে আদর পাওয়ার জন্য ও রাক্ষুসী হয়ে উঠে আপনাকেও আদর করতে থাকবে, আর ঠোটের স্পর্শ পেলে কি হবে সেটা আর নাই বা বললাম…আপনি নিজেই দেখে নিন!!
১১. যোনি ও তার আশেপাশের অঞ্চলঃ আহা! এবার সবাই আশা করি একটু নড়েচড়ে বসেছেন? হুম, বসারই কথা। এখন আমরা মেয়েদের সবচাইতে যৌনসংবেদী অঞ্চল সম্পর্কে জানব। এর মাঝে অনেককিছুই হয়তো আপনার জানা আছে এবং অনেককিছুই নেই। সেই না জানা অংশগুলোই হয়তোবা আপনার জানা সবচেয়ে জরুরী। So, read carefully.
মুলত যোনি বলতে আমরা অনেকেই মেয়েদের উরুসন্ধির সমগ্র অঞ্চলটাই বুঝি; কিন্ত প্রকৃতপক্ষে মেয়েদের যে ছিদ্রটি দিয়ে ছেলেদের লিঙ্গ ঢুকে শুধু সেটাকেই যোনি বলে। এর আশেপাশে যে অঞ্চলগুলো রয়েছে, সেগুলোকে বেশ কয়েকটি অংশে ভাগ করা যায়। সংবেদনশীলতায় এদের একটি আরেকটি হতে তুলনামূলক ভিন্ন রকমের। তবে স্পর্শকাতরতায় এ স্থানসমূহ নারীদেহের অন্য যেকোন স্থান হতে বেশি। এতক্ষন পর্যন্ত মেয়েদের দেহের অন্যান্য যৌনকাতর অংশসমূহের কথা আলোচনার সময় আপনারা হয়ত ভেবে বিরক্ত হয়েছেন কেন আমি বারবার বলেছি যে, মেয়েটির অন্যান্য অঙ্গে আদর করে তাকে পাগলের মত উত্তেজিত করার আগ পর্যন্ত তার যোনি ও এর আশেপাশের অঞ্চলে যেতে। এর মূল কারন হচ্ছে যোনির অতিরিক্ত স্পর্শকাতরতা। এর ল্যাবিয়া মাইনরা ও ম্যাজরা অঞ্চল সরাসরি স্পর্শের মাধ্যমে উত্তেজিত করা গেলেও অর্থাৎ মেয়েটিকে উত্তেজিত করে তুলতে যাওয়ার প্রথম দিকে এগুলো নিয়ে খেলা করলে মেয়েটি মজা পায় ঠিকই কিন্ত ওর দেহের সবচেয়ে বেশি যৌনকাতর অঙ্গ, যেটার অন্য নামই হল আনন্দের সুইচ (Pleasure button), সেই ভগাঙ্কুরের (Clitoris) স্পর্শকাতরতা হেলাফেলা করার নয়। মেয়েটি উত্তেজিত না হওয়া অবস্থায় এ স্থানে ছেলেরা তাদের আঙ্গুল ঘষলে বা চুষতে গেলে মেয়েটি আনন্দ তো দুরের কথা বরং হাল্কা অসস্তি থেকে শুরু করে বেশ ব্যথাও পেতে পারে। এর ফলে ওর পুরো সেক্সের মুডটাই নস্ট হয়ে যেতে পারে। আমার ফেসবুকের এক কানাডিয়ান বন্ধুর সাথে একবার এই বিষয় নিয়ে Chat করছিলাম। ও প্রথমবারের মত ওর গার্লফ্রেন্ডের যোনি চুষার সময় হঠাৎ করে ওর গার্লফ্রেন্ড চিৎকার করে ওকে সরিয়ে দিয়েছিল, তার নাকি এতে বেশ ব্যথা লাগছিল। এই ঘটনার পর আমার হতভম্ব ফ্রেন্ড কোনভাবেই ওকে তার যোনি চুষতে দিতে রাজি করাতে পারেনি। আমি ওকে জিজ্ঞাসা করলাম যে ও কিভাবে শুরু করেছিল। ও আমাকে বলল যে সে নিজে সেদিন খুব হর্নি হয়ে ছিল, তাই ওদের Dorm এর রুমে গিয়েই ও পাগলের মত ওর গার্লফ্রেন্ডের জামাকাপড় খুলে তাকে উত্তেজিত করার চেস্টা শুরু করে দিয়েছিল। ওকে সামান্য একটু কিস করেই সে সরাসরি তার যোনিতে গিয়ে আঙ্গুল দিয়ে জোরে জোরে ভগাঙ্কুরটা ঘষে ঘষে সেখানে জিহবা চালাচ্ছিল। আমি তার এ ভুল ধরিয়ে তাকে তার গার্লফ্রেন্ডের বিশ্বাস আবার অর্জন করে তাকে ধীরে ধীরে ভালোবাসার সাথে আদর করার দিকে এগিয়ে যেতে বলি; এ বিষয়ে কিছু টিপস দেই। কিছুদিনের মাঝেই ওদের সম্পর্ক স্বাভাবিক ও আগের চেয়েও বেশি যৌনত্তেজনাপুর্ন হয়ে উঠে। আশা করি আপনাদের এই ছোট্ট ঘটনাটির মাধ্যমে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি, কেন মেয়েদের যোনিতে আদর করার পূর্বে তাদেরকে পর্যাপ্ত পরিমান উত্তেজিত করে নেওয়া উচিত। আর হ্যা অনেক ছেলে আছে যারা নোংরা মনে করে ঘেন্নায় যোনিতে মুখ দিতে চায় না। তাদের জন্য বলছি, মেয়েটি যদি সুস্থ-সবল হয়ে থাকে তবে তার যোনিতে কোন ক্ষতিকর কিছু থাকার সম্ভাবনা নেই। ওদের যোনিরসে (যা মেয়েটি যৌনত্তেজিত না হলেও সাধারন অবস্থায় প্রায়ই কিছুটা নির্গত হয়।) ব্যক্টেরিয়া ও ক্ষতিকর জীবানু নিরুদক পদার্থ থাকে যা যোনিকে জীবানুমুক্ত রাখে। নিচে আলাদা আলাদা করে মেয়েদের যোনি অঞ্চলের অংশগুলোর কথা বলা হল।
ক) মোনস পিউবিসঃ যোনির একেবারে উপরিভাগে যে ফোলা ফোলা অংশ থাকে তাকে মোনস পিউবিস বলে। এ অঞ্চলেই মূলত মেয়েদের যৌনকেশ সবচেয়ে বেশি থাকে। অনেকে এ অঞ্চলটিতে যৌনকেশ পছন্দ করেন আবার অনেকে সেভ করা পছন্দ করেন। তবে যেভাবেই হোক এ স্থানটি বেশ সংবেদী। মূলত যোনিতে মুখ দেয়ার আগে, অন্য কোথাও মেয়েটিকে আদর করার সময় ফাকে ফাকে এখানে চুমু খেয়ে ওকে ছেলেরা tease করে থাকে। এই স্থানে যৌনকেশ থাকলে অনেক ছেলে নিচে যোনি চোষার সময় নিজের ঠোটের উপরের স্থানে ও নাকে এই চুলগুলোর সুরসুরি খেতে পছন্দ করে। শুনেছি এটা নাকি এক দারুন অভিজ্ঞতা। আপনারাও চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
খ) ল্যাবিয়া মেজরাঃ মোনস পিউবিসের নিচেই সমগ্র যোনি অঞ্চলকে ঘিরে থাকা বড় নিম্ন ঠোট হিসেবে পরিচিত পাতলা চামড়ার অংশটিই এটি। ছেলেদের অন্ডথলির চামড়ার মত একই Embryonic tissue দিয়ে এটি তৈরী। মেয়েটি উত্তেজিত হলে এটি প্রসারিত হয়ে যায়। এটি যথেষ্ট স্পর্শকাতর হলেও, যোনির অন্যান্য অঞ্চল থেক তুলনামূলক কম সংবেদী। এর চারপাশে জিহবার আগা লাগিয়ে লাইনের মত টেনে টেনে, ঠোট দিয়ে চেপে ধরে উত্তেজিত করা যেতে পারে।
গ) ল্যাবিয়া মাইনোরাঃ ল্যাবিয়া মেজরার ভিতরে ভাজে থাকে ল্যাবিয়া মাইনোরা (ছোট নিম্ন ঠোট)।এই চামড়ার স্তরটি ভগাঙ্কুর, মুত্রপথ ও যোনিকে ঘিরে থাকে। অনুত্তেজিত অবস্থায় এটি মেয়েটির যোনিমুখ ঢেকে রাখে। এর ভিতরের স্তরে অসংখ্য ছোট ছোট তেল গ্রন্থি রয়েছে। প্রচূর স্নায়ুকোষ সমৃদ্ধ এ অঞ্চলটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং মেয়েটির যোনি অঞ্চলের উত্তেজনায় গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে। মূলত যোনি চোষা বলতে এই অংশটুকু চোষাকেই বোঝায়। ভগাঙ্কুরের নিচে যোনিদ্বার ও মুত্রপথের আশেপাশের প্রায় ফুটন্ত গোলাপের মত দেখতে এই অংশটিতে আঙ্গুল দিয়ে নাড়াচাড়া করে, জিহবা দিয়ে চেটে, আইসক্রিম চোষার মত করে চুষে ক্লাইটোরাল বা জি-স্পট অর্গাজমের (এ বিষয়ে বিস্তারিত একটু পরেই বলছি।) জন্য মেয়েটিকে পর্যাপ্ত উত্তেজিত করে তোলা হয়।
ঘ) যোনিঃ নারীদেহের প্রজনন অংগের প্রধান অংশ। ম্যাবিয়া মাইনোরার ভেতরে ক্লাইটোরিস গ্ল্যনড ও মূত্রছিদ্রের নিচেই এর মুখ অবস্থিত। যোনির কথা বলার পূর্বে কুমারী মেয়েদের যোনিপর্দা (Hymen) নিয়ে একটা সাধারন ভুল ধারনা সম্পর্কে বলে নিই। যৌন বিষয়ে অনভিজ্ঞ কিছু লেখকের চটি পড়ে যারা কখনো সেক্স করেননি তাদের অনেকেরই ভুল ধারনা এই যে যোনির সামান্য একটু ভিতরে যোনিপর্দা অবস্থিত, এ ধারনা একসময় আমারও হয়েছিল। কিন্ত প্রকৃত পক্ষে যোনির প্রবেশ মুখেই যোনি পর্দা অবস্থিত। তবে এ পর্দা যোনিকে আংশিক ঢেকে রাখে; এর মাঝে একটা ফুটো থাকে, যার মাধ্যমে মেয়েদের রজঃস্রাব নিসৃত হয়। বেশিরভাগ কুমারী মেয়ের পর্দার এ ফুটো দিয়ে ইচ্ছে করলে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে হস্তমৈথুন করার মত বড় হলেও, একটি ছেলের লিঙ্গ প্রবেশ করার জন্য এটি যথেষ্ট বড় থাকে না। তাই প্রথম বারের মত কোন ছেলের লিঙ্গ প্রবেশ করার সময় পাতলা এ পর্দাটির মূল অংশটি ছিড়ে যায়। অবশ্য যোনিমুখের আশেপাশে এর অংশবিশেষ থেকে যায়। তবে এটা কিন্ত কুমারীত্বের একেবারে নির্ভরযোগ্য চিহ্ন নয়, অনেক কুমারী মেয়ের জন্মলগ্ন থেকেই পর্দার ফুটো এতই বড় থাকে যে পর্দার অস্তিত্বই খুজে পাওয়া যায় না। সে যাই হোক এবার মূল কথায় আসি। যোনি নারীদেহের অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি অংশ। ছেলেটি মেয়েটিকে আদর করার সময় ওর যোনি উত্তেজিত হয়ে আকারে স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বেড়ে যায়। এ প্রসারনের ফলে যোনিনলের ভেতরের দেয়ালের মিউকাস মেমব্রেন ও যোনিমুখের কাছাকাছি বার্থোলিন গ্লান্ড বা ছোট ভেস্টিবুলার গ্ল্যান্ড হতে কিছু পরিমান তরল নির্গত হয়ে যোনিমুখ ও পথকে পিচ্ছিল করে তোলে। মূলত এই তরলই আমরা যোনিরস হিসেবে চিনি। এটি কিছুটা অম্লধর্মী, তবে এটি গলধঃকরন করলে কোন ক্ষতির আশঙ্কা নেই। যোনির ভেতরের দেয়ালে রয়েছে বহু স্নায়ুপ্রান্ত যা প্রকৃতপক্ষে ক্লাইটোরিসের শাখা। তাই এখানে কোনকিছু প্রবেশ করলে মেয়েটি দারুন আনন্দ লাভ করে। যোনিতে লিঙ্গ দিয়ে মৈথুন করা ছাড়াও জিহবা ঢুকিয়ে, আঙ্গুল দিয়ে যে মেয়েটিকে মজা দেওয়া যায় সেটা তো সবারই জানা। আর মৈথুন শুরুর পূর্বে কি কি কাজ করতে হবে তা তো এতক্ষন ধরে বলছিই তাইনা? যোনিতে মোটামুটিভাবে ১০-৩০ মিনিট ধরে মৈথুন করলে মেয়েদের অর্গাজম হয়ে থাকে। তবে মৈথুনের পূর্বে পরিপূর্ন উত্তেজনার অভাবে বহু মেয়ে তার সারা জীবনেও এ অর্গাজম লাভ করতে পারে না। এরকম যাতে না হয় সেজন্যই যে আমার এসব লেখা তা তো আগেই বলেছি। আর একটা কথা, অনেকেরই ধারনা ভ্যাজিনাল অর্গাজমের (যোনিতে মৈথুনের ফলে অর্গাজম) সময় মেয়েদের যোনি থেকে গলগল করে রস বেরিয়ে আসে। এটা আংশিক ভুল ধারনা। মেয়েটিকে উত্তেজিত করার সময়ই ওর যোনি দিয়ে যে রস চুইয়ে চুইয়ে বের হয়ে আসে তার মাত্রা সামান্য বেড়ে যায় মাত্র। মেয়েদের প্রকৃত এজাকুলেশন (Ejaculation এর বাংলা ছেলেদের ক্ষেত্রে বীর্যপাত, মেয়েদের ক্ষেত্রে কি বলব?) ঘটে থাকে ওর জি-স্পট অর্গাজমের সময়। সে প্রসঙ্গে একটু পরেই আসছি।
ঙ) ক্লাইটোরিস (Clitoris): নারী দেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর অংশ। এটি মূলত কয়েকটি স্পর্শকাতর স্থানের একটি সমন্বয় যা সমগ্র যোনি অঞ্চলের উপরে দৃশ্যমান ও ভিতরের অংশে ছড়িয়ে আছে। অনেকে মনে করে, ল্যাবিয়া মাইনরায় মুত্রছিদ্রের উপরে অবস্থিত সামান্য ফোলা স্থানটিই ক্লাইটোরিস। কিন্ত আসলে সেটি হল সমগ্র ক্লাইটোরিসের অংশসমূহের কেন্দ্রবিন্দু, ক্লাইটোরাল গ্ল্যান্স বা ভগাঙ্কুর। এর একটু উপরে মোনস পিউবিস অঞ্চলের ঠিক নিচেই সামান্য একটু স্থান জুড়ে যে যৌনকেশবিহীন অঞ্চল রয়েছে সেটির চামড়ার নিচে আছে ক্লাইটোরাল শ্যাফট। মেয়েটির ক্লাইটোরাল অঞ্চল উত্তেজিত হলে নলাকার এই অংশটি রক্ত এসে স্ফিত হয়ে যাওয়ায় তা হাত দিয়ে অনুভব করা যায়। এই স্থানে জোরে চাপ না দিয়ে আঙ্গুল বুলিয়ে দেয়া বেশ আরামদায়ক। ক্লাইটোরিসের মূল কেন্দ্র ভগাঙ্কুরে মোটামুটিভাবে প্রায় ৮ হাজারের উপর স্নায়ুকেন্দ্র রয়েছে যা ছেলেদের লিঙ্গের মুন্ডির স্নায়ুকেন্দ্রের তুলনায় প্রায় দ্বিগুন এবং মানবদেহের অন্য যেকোন অংশ থেকে বেশি। এর অত্যধিক স্পর্শকাতরতার জন্য একে উত্তেজিত করে তোলার পূর্বে অবশ্যই মেয়েটিকে চরম উত্তেজনার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে হবে। কারন অনুত্তেজিত অবস্থায় এই টুপির মত অংশটিতে আঙ্গুল ঘষা বা জিহবা বুলানো মেয়েটির জন্য দারুন অসস্তির হতে পারে। ভগাঙ্কুরে আদর মূলত আলতোভাবে আঙ্গুলের স্পর্শ দিয়েই শুরু করা ভালো। সেক্ষেত্রে ভগাঙ্কুরের নিচে মেয়েটির ল্যাবিয়া মাইনোরায় জিহবা দিয়ে চাটতে চাটতে ভগাঙ্কুরে আঙ্গুলি করা যেতে পারে; আস্তে আস্তে আঙ্গুলের গতি বাড়াতে হবে। এভাবে মেয়েটিকে বেশ কিছুক্ষন আদর করার পর আস্তে আস্তে মুখ উপরে এনে জিহবা দিয়ে ভগাঙ্কুরে লাগিয়ে চাটা শুরু করতে হবে। এই সময় মেয়েটির যোনির ভেতরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলে সে আরো উত্তেজিত হতে পারে। যোনির ভেতরে প্রথমে একটা তারপর দুটো আঙ্গুল নিয়ে যতটা সম্ভব গভীরে নিয়ে আবার বের করে আনতে হবে, এসময় যোনির দেয়ালে তেমন একটা চাপ না দিলেই ভালো। এরকম কিছুক্ষন করে আবার মুখ নামিয়ে যোনি মুখ জিহবা দিয়ে চাটতে চাটতে ভগাঙ্কুর আঙ্গুল দিয়ে ঘষা শুরু করা যায়। এসময় যোনির ভেতরে একই সাথে আঙ্গুল ও জিহবা ঢুকিয়ে আবার বের করা যেতে পারে। মূলত এভাবেই যতক্ষন পর্যন্ত মেয়েটির অর্গাজম না হয় চালিয়ে যেতে হবে। আর এই পুরো সময়টাতেই অবশ্যই যে হাতটি খালি থাকবে সে হাত দিয়ে মেয়েটির দেহের উপরাংশে যতটুক পারা যায় একটু হাত বুলিয়ে বা একটু চেপে ধরে সংযোগ রক্ষা করতে হবে। এই ভাবে যে অর্গাজম হয় তাকে বলা হয় ক্লাইটোরাল অর্গাজম।
চ) জি-স্পটঃ মেয়েদের যোনির অংশসমুহের মধ্যে সবচাইতে আলোচিত অংশ এটি। আবিস্কারকের নামানুসারে একে গ্রাফেনবার্গ স্পট বা সংক্ষেপে জি-স্পট বলে। এটি মেয়েদের দেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর ও আনন্দদায়ক অংশ হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক গবেষনায় জানা গিয়েছে, যে জি-স্পট মূলত ক্লাইটোরিসেরই একটি আংশিক বিচ্ছিন্ন অংশ। অত্যন্ত সংবেদনশীল এ অঙ্গটির অবস্থান হল যোনিপথের সম্মুখ দেয়ালের প্রায় দুই ইঞ্চি মতন ভেতরে, মেয়েদের মূত্রথলির (Bludder) নিচে। যোনির ভেতরটা আঙ্গুল দিয়ে অনুভব করলে, এর প্রবেশপথ থেকে কিছুদুর পর্যন্ত সম্মুখ দেয়ালে (যেদিকে পায়ু আছে তার বিপরীত দিকের দেয়ালে) একটু অমসৃন যায়গার আভাস পাওয়া যাবে (অনেকটা আমাদের মুখের ভেতরে জিহবার বিপরীত দিকে উপরে যে অমসৃন অংশটি আছে তার মত)। এ যায়গাটি ফুরিয়ে গেলেই একটি অগভীর গর্তের মত অংশ পাওয়া যাবে। এই গর্তের মত অংশেই জি-স্পট অবস্থিত। কিন্ত আঙ্গুল ঢুকাতে ঢুকাতে যোনির সম্মুখ দেয়ালের অমসৃন যায়গা পার হয়েও জি স্পট না পেয়ে মসৃন কোন অংশে পৌছে গেলে বুঝবেন আপনি জি-স্পট পার করে এসেছেন, তাই আবার আঙ্গুল নিচে নামিয়ে এনে খুজতে হবে। আঙ্গুলের ডগা দিয়ে জি-স্পট টিপে টিপে মেয়েদের সাধারন ক্লাইটোরাল অর্গাজমের থেকেও বেশি আনন্দদায়ক জি-স্পট অর্গাজম করানো যায়। যে মেয়ে সহজে শীৎকার করে না সেও এই অর্গাজমের সময় পাগলের মত শীৎকার করে উঠবে। এই অর্গাজমেই মূলত মেয়েদের এজাকুলেশন হয়। যারা জানেননা তারা অবাক হবেন একথা শুনে যে মেয়েদের এ এজকুলেটরী রস যোনি দিয়ে নয়, ওদের মূত্রছিদ্র দিয়ে বের হয়ে আসে। অনেক মেয়ে এই অর্গাজম লাভ করেও মূত্রছিদ্র দিয়ে মূত্র বের হয়ে এসেছে মনে করে চরম লজ্জিত হয়ে পরে। কিন্ত পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে এই মূত্র নয়। এতে ক্রিয়েটিনিন, Prostatic acid phosphatase, গ্লুকোজ ফ্রুক্টোজ ইত্যাদি রয়েছে। যা অনেকটা ছেলেদের প্রস্টেট থেকে নিসৃত বীর্যের উপাদান গুলোর মত। এই রসের উৎস Para-urethral tissue মতান্তরে Skene’s glands. কিন্ত জি-স্পট অর্গাজমের জন্যও মেয়েটিকে জন্য উপযুক্ত উত্তেজিত করে তোলা ক্লাইটোরাল অর্গাজমের চেয়েও বেশি দরকার। কারন জি-স্পট ক্লাইটোরাল গ্ল্যান্ড বা ভগাঙ্কুর থেকেও স্পর্শকাতর। তাই অনুত্তেজিত অবস্থা সেটা স্পর্শ করা মেয়েটির জন্য চরম অসস্তির। জি-স্পট অর্গাজমের জন্য মেয়েটিকে প্রস্তুত করে তোলা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া বলে আপাতত এ বিষয়ে আর কিছু বলছি না। পরে এ নিয়ে আলাদা ভাবে বিস্তারিত কিছু লিখব।
মোটামুটিভাবে এই কয়টি অংশ নিয়েই মেয়েদের যোনি।
১২. পেরিনিয়াম অঞ্চলঃ পায়ুছিদ্রের উপরে ও যোনির নিচে উভয়ের মধ্যকার ফাকা স্থানটিকেই পেরিনিয়াম বলে। মেয়েদের ক্ষেত্রে এ ফাকা স্থান অনেক ছোট হয়। পেরিনিয়ামের চামড়ার নিচে রয়েছে বেশ কয়েকটি রক্তনালী ও Bulbospongiosus muscle যা পিউডেনডাল নার্ভের (এই নার্ভের বর্ননা নিচে দেওয়া হল।) একটি শাখার সাথে যুক্ত। তাই স্পর্শকাতর এই অঞ্চলে আদর পাওয়া মেয়েদের জন্য যথেস্ট উত্তেজনাকর। যোনিতে আঙ্গুলি করার সময় এ স্থানে অন্য হাতের তর্জনী ও বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে আলতো করে চিমটি দেওয়ার মত ধরে টিপে দেওয়া যেতে পারে।
১৩. পায়ুঃ মেয়েদের দেহের কোন অংশে আদর, যেমন স্তন টিপা বা চুষা, যোনিতে আঙ্গুলি বা চূষা ইত্যাদি করার সময় পায়ুছিদ্রের ভিতরে আঙ্গুলি করা তাদের জন্য বেশ আনন্দদায়ক হতে পারে (কেন তা নিচে পিউডেনডাল নার্ভের বর্ননায় বলা হবে)। কিন্ত সে স্থানে লিঙ্গের প্রবেশ তাদের জন্য অত্যন্ত যন্ত্রনাদায়ক হতে পারে। কারন যোনির মত পায়ুনালী লিঙ্গকে যায়গা দেয়ার মত তেমন মোটা ও ফ্লেক্সিবল না। তবে কিছু কিছু মেয়ের পায়ুছিদ্র তুলনামূলক বড় থাকে, তাদের মধ্যে অনেকে এমনকি পায়ুতে লিঙ্গ প্রবেশ বেশ উপভোগ্যও বলেছেন। তবে সাধারনত পায়ুতে আঙ্গুলি করলেও লিঙ্গ প্রবেশ না করানোই ভালো।
মোটামুটিভাবে এগুলোই মেয়েদের দেহের যৌনস্পর্শকাতর অংশ সমূহ। তবে মেয়েদের ঘাড়, পিঠ, পেট এসকল অংশও মেয়েটিকে যৌনত্তেজিত করে তোলার সহায়ক। তাই ওকে আদর করার সময় এগুলোও অবহেলা করলে চলবে না। প্রবন্ধটির এই পার্টে মেয়েদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গগুলি নিয়েই আলোচনা করলাম। ছেলেদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গ নিয়ে পার্ট-২ লেখা চলছে। আশা করছি আমার ক্লাস যেদিন থেকে শুরু তার আগেই শেষ করে ফেলতে পারব। সে পর্যন্ত ধৈর্য ধরার জন্য পাঠকের কাছে অনুরোধ রইল। আর প্রবন্ধটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না কিন্ত!
পিউডেনডাল নার্ভঃ আমার আগের পোস্টে Liyele নামের এক পাঠক এর নিচের কমেন্টটি পড়ে মানবদেহের নিম্নাঙ্গের এই স্নায়ুটি সম্পর্কে কিছু লিখতে বাধ্য হলামঃ
“anal penetration to any male is orgasmic due to pudendal nerve innervation which has common supply to glans penis and anus, not that prostrate gland.prostrate is responsible for semen.Reaz chapa maro kom”
তবে এটি প্রবন্ধের বিষয়ের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ন নয়। তো সন্মানিত পাঠক Liyele, আপনি আপনার কমেন্টে বলতে চেয়েছেন যে ছেলেদের পায়ুপথ দিয়ে কোন কিছু প্রবেশ করলে যে অর্গাজমের (সামান্য ভালোলাগার অনুভুতিকে কি অর্গাজম বলা যেতে পারে?) অনুভুতি হয় তার কারন পিউডেনডাল নার্ভের স্নায়ু উদ্দিপনা যা লিঙ্গ ও পায়ু উভয় স্থানে ছড়িয়ে আছে এবং ছেলেদের অর্গাজমের সাথে প্রোস্টেটের কোন সম্পর্কই নেই। এইতো? এই বিষয়ে যদি সত্যিই আপনার বিস্তৃত জ্ঞান থেকে থাকে তবে ব্যাপারটা আরো একটু ব্যাখ্যা করে বলার দরকার ছিল নয় কি? অন্যান্য পাঠকের জন্য বলছি, মূলত পিউডেনডাল নার্ভ হল মানুষের পুরো নিম্নাঙ্গ তথা পেলভিক অংশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একটি স্নায়ু যা ছেলে মেয়ে সবারই আছে। এটি স্পাইনাল কর্ড (Sacral area) থেকে শুরু হয়ে তিনটি শাখায় বিভক্ত হয়ে যায়। একটি শাখা যায় পায়ু ও রেচন অঙ্গের দিকে, একটি যায় পেরিনিয়াম অঞ্চলে আর একটি যায় সরাসরি লিঙ্গ বা ক্লাইটোরিসে। একারনে ছেলে মেয়ে উভয়ের অর্গাজম ঘটানোতে ও মুত্র বা মলত্যাগের অনুভুতি সৃষ্টি করতে এটি গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখে। মলত্যগ করার সময় (স্বাভাবিক মলত্যাগ) আমাদের যে একটু আরামের অনুভুতি হয় এর কারন হল, মলত্যাগের সময় আমাদের মলদ্বারের স্ফিঙ্কটার (Sphincter) নামক রিং আকৃতির যে পেশি মলদ্বারকে মলত্যাগের সময় ছাড়া অন্যসময় বন্ধ করে রাখে, সে পেশির প্রসারন ঘটে এবং এ অনুভুতি পিউডেনডাল নার্ভের মাধ্যমে বাহিত হয়। এভাবে অন্যকিছু মলদ্বারদিয়ে প্রবেশ করলেও এ অনুভুতি হয়। তাই ছেলে মেয়ে উভয়ের চিকন মলদ্বার দিয়ে আঙ্গুল প্রবেশ করালে তা কিছুটা আরামদায়ক এবং অনেকটা যৌনানুভুতির মত, অথচ উক্ত কমেন্টের লেখক বলেছেন এ অনুভুতি অর্গাজমিক বা চরম উত্তেজনাপূর্ন। অথচ অনেক্ষন ধরে তাতে আঙ্গুল দিয়ে মৈথুন করলেও প্রথমদিকে যে অনুভুতি হয় কিছুক্ষন পরেও একই অনুভুতি হয়, এর তীব্রতা বাড়ে না। আর অনেক্ষন ধরে মলত্যাগের অনুভুতি কি খুব বেশি সুখকর, পাঠক মহোদয়? সে যাই হোক, কিন্ত যখন এ মলদ্বার দিয়ে লিঙ্গের মত মোটা কিছু প্রবেশ করে তখন তা যে ব্যথার সৃষ্টি করে, তা বিশেষ করে মেয়েরা সামান্য মলত্যাগের অনুভুতির জন্য সহ্য করতে রাজি হবেই বা কেন? এর ব্যতিক্রম হওয়ার কারন একটু আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়াও শুধু আঙ্গুল দিয়েও মেয়েদের মলদ্বারে প্রবেশ করানো তাদের জন্য বারবার চাওয়ার মত কিছু নয়। ছেলেদেরও তাই হওয়া উচিত ছিল। কিন্ত তা নয় কেন? এর মূল কারনই হল ওদের প্রোস্টেট গ্রন্থি, যেটির মধ্যেও পিউডেনডাল নার্ভের শাখা রয়েছে। ছেলেদের প্রস্টেট গ্রন্থি শুধুই বীর্যের কিছু তরল উপাদান সরবরাহ করে না। এটি অত্যন্ত যৌনকাতর একটি অঙ্গও বটে। লিঙ্গের এজাকুলেশন ছাড়াই ছেলেদের আরেক প্রকার অর্গাজমে যে প্রস্টেট প্রত্যক্ষ ভুমিকা রাখে এ নিয়ে অগনিত গবেষনাপত্র রয়েছে। নেটে একটু সার্চ করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন। এছাড়াও ছেলেদের যৌনতা সম্পর্কে যার কিছুটা হলেও ধারনা আছে সেও আপনাকে বলতে পারবে একথা। আমি আপাতত এ নিয়ে আর কথা বাড়াচ্ছি না। প্রোস্টেট নিয়ে বিস্তারিত ছেলেদের দেহের যৌনস্পর্শকাতর অংশগুলো নিয়ে লেখা, এই প্রবন্ধের পার্ট-২ তে আলোচনা করা হবে।
This entry was posted in erotic education. Bookmark the permalink.

কয়েকটি ভুল যা ছেলেরা সেক্সের সময় করে থাকে

বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় আমাদের দেশের ছেলেরা সেক্সের সময় মেয়েদের আনন্দ দেওয়ার চেয়ে তাদেরকে লোভনীয় খাদ্যের মত গপাগপ গিলতেই বেশি পছন্দ করে। তাই এদেশের বহু মেয়ের কাছে (সবাই নয়) চরম যৌন সুখ পাওয়া যেন এক বহু আরাধ্য বস্তু। ছেলেদের এই রাক্ষুসে মনোভাবের কারনেই অনেকসময় দেখা যায় যে তারা তাদের Relationship টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ হয়। এমনকি এর ফলে বিয়ের মত অনেক বন্ধনও ধ্বংসের মুখে পড়ে যাচ্ছে, পরকীয়া প্রেমের সূত্রপাত ঘটছে। এর মূল কারনই হল সেক্স ও মেয়েদের যৌন ইচ্ছা-আকাঙ্খা সম্পর্কে ছেলেদের স্বচ্ছ ধারনার অভাব। বিদেশি ভাষায় এসব বিষয়ে অনেক বই পত্র থাকলেও বাংলায় তেমন নেই বললেই চলে। তাই কিছু বিদেশি বইয়ের সাহায্য নিয়ে ও নিজের অভিজ্ঞতা থেকে সেক্সের সময় ছেলেদের যে সকল ভুলের কারনে তাদের সঙ্গিনীর বিরাগভাজন হতে হয় তার কয়েকটি সংক্ষিপ্তাকারে তুলে ধরলাম। সময়ের অভাবে আপাতত এসকল ভুলের প্রতিকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন জানার বিষয় সম্পর্কে বিস্তারিত লিখতে পারলাম না। তবে লেখা সবার ভালো লাগলে ভবিষ্যতে সম্পুর্ন বাংলায় একটা সারগর্ভ সেক্স গাইড লেখার কথা চিন্তা করব।
১. প্রথমে চুমু না খাওয়াঃ সেক্সের শুরুতেই সঙ্গিনীকে আদরের সাথে চুমু না খেয়ে তার যৌন কাতর স্থানগুলোতে (স্তন, যোনি, নিতম্ব, নাভী ইত্যাদি) চলে গেলে তার ধারনা হতে পারে যে আপনি তাকে টাকা দিয়ে ভাড়া করে দ্রুত সেই টাকা উসুল করার চেষ্টা করছেন। গভীরভাবে ভালোবাসার সাথে সঙ্গিনীকে চুমু খাওয়া দুজনের জন্যই প্রকৃতপক্ষে এক অসাধরন যৌনানন্দময় সেক্সের সূচনা করে।
২. দাড়ি না কামানোঃ অনেকেই দাড়ি না কামিয়ে সেক্স করেন, এই মনে করে যে আসল কাজ তো আমার হাত আর লিঙ্গের! কিন্ত যখন আপনার সঙ্গিনীকে চুমু খাবেন, তার স্তন চুষবেন, তার সারা দেহে জিহবা বুলাবেন এবং বিশেষ করে যখন তার যোনি চুষবেন তখন আপনার ধারালো খোচা খোচা দাড়ি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার সঙ্গিনীকে আনন্দ নয় বরং অসস্তি ও ব্যথা দেবে। তাই সেক্সের আগে ভালোমত দাড়ি কামিয়ে নেয়া উচিত।
৩. প্রথম থেকেই জোরে জোরে স্তন টিপাঃ বেশীরভাগ সময়ই দেখা যায় ছেলেরা মেয়েটির স্তন হাতের কাছে পাওয়া মাত্রই এমনভাবে টিপা শুরু করে যেন ময়দা মাখাচ্ছে। কিছু Extreme মেয়ে এরকমটা পছন্দ করলেও বেশীরভাগ মেয়েই চূড়ান্ত উত্তেজিত হওয়ার আগে এরকম করাতে বেশ ব্যথা পায়। তাই প্রথমে নিজের উত্তেজনাকে একটু দাবিয়ে রেখে হলেও ধীরে ধীরে আদরের সাথে ওর স্তনে হাত বুলিয়ে বুলিয়ে টিপা শুরু করতে হবে। তবে মেয়েই যদি জোরে টিপতে বলে তবে সেক্ষেত্রে কোন সমস্যা নেই।
৪. স্তনের বোটায় কামড় দেয়াঃ কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া প্রায় কোন মেয়েই সরাসরি তাদের স্তনের বোটায় কামড় খেতে পছন্দ করে না। ছেলেরা মনে করে এখানে কামড় দিলে তাকে বেশি বেশি উত্তেজিত করে তোলা যায়। হ্যা কথাটা আংশিক সত্যি। তবে এর সবচেয়ে ভালো উপায় হল। প্রথমে মুখের ভিতরে যতটুক পারা যায় স্তনটা পুরো বা আংশিক ভরে নিতে হবে তারপর হাল্কা করে দাত বুলানোর মত করে মুখ থেকে স্তনটা বের করতে করতে নিপলে আলতো ভাবে দুই দাঁতের ছোয়া লাগাতে হবে।
৫. আঙ্গুল দিয়ে স্তনের বোটা মোড়ানোঃ অনেক ছেলে এমনভাবে সঙ্গিনীর বোটা আঙ্গুল দিয়ে মোড়ায় যেন তারা রেডিও টিউন করছে। এটা ঠিক নয়। হতে পারে বোটা মেয়েদের স্তনের সবচেয়ে স্পর্শকাতর স্থান, কিন্ত শুধুই বোটায় এরকম করলে সেটা আনন্দদায়ক নয়, বরং কিছুটা যন্ত্রনাদায়ক (Teasing) । তাই একহাতের আঙ্গুলে বোটা নিয়ে খেলার সময় অন্য হাত দিয়ে সম্পুর্ন স্তনের উপরও নজর রাখতে হবে।

৬. সঙ্গিনীর দেহের অন্যান্য অঙ্গের দিকে মনোযোগ না দেয়াঃ সেক্সের সময় ছেলেদের একটা কথা সবসময় মনে রাখতে হবে যে মেয়েদের স্তন, যোনি আর নিতম্ব এই তিনটিই তাদের একমাত্র যৌনকাতর স্থান নয়। ছেলেদের মূল যৌন কাতর অঙ্গ তাদের দেহের মাত্র কয়েকটি স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও মেয়েদের প্রায় পুরো দেহই স্পর্শকাতর (মেয়েদের দেহের কোন কোন অংশ গুলো বেশি যৌনকাতর তা আপাতত এই সংক্ষিপ্ত রচনায় আর ব্যাখ্যা করছি না।)।তাই তার দেহের এমন একটি স্থানও যেন না থাকে যেখানে ছেলেটির ঠোটের বা হাতের স্পর্শ যায়নি।
৭. ছেলের হাত আটকে যাওয়াঃ সঙ্গিনী যদি আক্রমনাত্নক (Aggressive) সেক্স পছন্দ করে অথবা ছেলে নিজেই চরম উত্তেজিত হয়ে মেয়ের যোনি, স্তন ইত্যাদি স্পর্শ করার জন্য পাগলের মত হাতরাতে থাকে তবে মেয়েটির প্যান্টি বা ব্রা তে তার হাত আটকে যেতে পারে। ফলে বাধ্য হয়ে থেমে সেটা ছাড়ানোর চেষ্টা করতে গিয়ে যে রোমান্টিক যৌনতার একটা আবেশ (Mood) তৈরী হয়েছিল তা নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই বেশি Aggressive সেক্স শুরুর আগেই ব্রা-প্যন্টি খুলে নেওয়া ভালো।
৮. ভগাঙ্কুরে আক্রমনঃ অনেক ছেলেই মেয়ের যোনি চুষতে গিয়ে তার ভগাঙ্কুরে (clitoris) জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষে বলতে গেলে আক্রমনই করে বসে। যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি ভগাঙ্কুর হলো মেয়েদের সবচেয়ে যৌনকাতর স্থানগুলোর একটি। এর অবস্থান হল যোনির ফুটোর আশেপাশে যে পাতলা চামড়ার মত অংশ (labia) আছে তার উপরের দিকে, মেয়েদের প্রস্রাবের রাস্তার নিচে। মেয়েরা যৌনত্তেজিত হলে এই স্থানটি শক্ত হয়ে একটু ফুলে যায় ফলে তা সহজেই দেখা যায়। এই স্থানটি চরম স্পর্শকাতর হলেও এতে জোরে জোরে আঙ্গুল ঘষা মেয়েদের জন্য পীড়াদায়ক। তাই প্রথম দিকে এতে একটু ধীরে ধীরে আঙ্গুল ঘষতে হবে।
৯. একটু থেমে বিশ্রাম নেওয়াঃ ছেলেরা যেমন চরম উত্তেজনার পথে সামান্য সময়ের জন্য থেমে গেলেও আবার সেই স্থান থেকেই শুরু করতে পারে, মেয়েদের পক্ষে এটা সম্ভব হয়না। তাদের উত্তেজিত হতে যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন। চরম উত্তেজিত হবার পথে হঠাৎ থেমে গেলে তারা আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়, ফলে আবার নতুন করে তাদের উত্তেজিত করে তুলতে হয়। তাই যত কষ্টই হোক মেয়েটির চরম উত্তেজনা না আসা পর্যন্ত তাকে আদর করা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্ট করতে হবে।
১০. এলোমেলোভাবে সঙ্গিনীর কাপড়চোপড় খুলতে থাকাঃ অনেক ছেলেই অতিরিক্ত উত্তেজনায় যেনতেনভাবে তার সঙ্গিনীর কাপড় চোপড় খুলতে থাকে ফলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যেমন ছেলেটি মেয়েটির গেঞ্জি খুলতে গেলে ওর হাতে আটকে যায় বা জিন্স খুলতে গেলে প্যান্টির সাথে আটকে যায়। এরকম হলে মেয়েটি একটি অস্বস্তিকর অবস্থায় পড়ে যায়। এমনিতেই নারীসুলভ লাজুকতায়, নিজের স্বামীর সামনেও নগ্ন হতে গিয়ে অনেক স্ত্রীর সামান্য লজ্জা লাগতে পারে, যা তার যৌনসুখের পথে বাধা হয়ে দাড়ায়। এছাড়াও একটি ছেলে তার কাপড় খুলতে গিয়ে তাকে অর্ধনগ্ন করে আটকে গিয়েছে, এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে মেয়েরা পড়তে চায় না। তাই ছেলেদের অত্যন্ত যত্নের সাথে মেয়েটির কাপড় খুলে তাকে তার নগ্নতার লজ্জাকে কাটিয়ে উঠার সুজোগ দিতে হবে। তবে দুজনের সম্মতিতে উম্মাদ-মাতাল সেক্সের ব্যপার-স্যপার হলে অন্য কথা!
১১. মেয়ের অন্তর্বাস নিয়ে টানাটানি শুরু করাঃ সেক্সের সময় সঙ্গিনীর ব্রা-প্যান্টির উপর দিয়ে হাত বুলিয়ে দেওয়া এমনকি এর উপর দিয়ে চাটা মেয়েটির জন্য অত্যন্ত সেক্সী আনন্দদায়ক হলেও তার ব্রা-প্যান্টি নিয়ে টানাটানি করাটা নয়। এতে তার সংবেদনশীল স্থানগুলোতে ব্যথা লেগে পুরো সেক্সের মুডটাই নস্ট হয়ে যেতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান!
১২. সঙ্গিনীর যোনির প্রতি অতিরিক্ত আসক্ত থাকাঃ অনেক ছেলে মেয়েদের যোনি চোষাটা ঘৃন্য মনে করলেও বেশির ভাগ ছেলেই একবার মুখ দিয়ে সেখানের স্বাদ অনুভব করার পর থেকে এর পরতি চরমভাবে আসক্ত হয়ে পড়ে। এমনকি যারা যোনি মুখ দেয়ও না তারাও অন্তত হাত দিয়ে হলেও মেয়েদের সবচাইতে গোপন স্থানটিকে বারবার আদর করার লোভ সামলাতে পারেন না। সেটা ঠিক আছে। কিন্ত অনেকেই এর প্রতি এতটাই আসক্ত হয়ে পড়ে যে দেখা যায়, তার সঙ্গিনীর যে যোনি ছাড়াও যৌনসংবেদী প্রায় পুরো একটা দেহই রয়েছে সে কথা ভুলে যায়। তাই সেক্সের শুরুতেই এমনকি বেশিরভাগ সময়ই মুখ দিয়ে না হলে হাত দিয়ে ঘুরেফিরে যোনিটাকেই বেশি উত্তেজিত করার চেষ্টা করে। কিন্ত এর জন্য সঙ্গিনী পুরো সময়টাই অসহ্যবোধ করে কারন ছেলেদের মত শুধু লিঙ্গতে সুখ পেয়েই তারা এত সহজে যৌনত্তেজিত হতে পারে না। মেয়েরা তাদের সারা দেহেই তার সঙ্গীর আদর পেতে চায়।
১৩. রুক্ষভাবে সঙ্গিনীর দেহে ম্যাসাজ করাঃ সেক্সের সময় সঙ্গিনীকে উত্তেজিত করে তোলার জন্য যে শৃঙ্গার (Foreplay) বা যৌন আদর করা হয় তার মধ্যে অন্যতম হল তার সারা দেহে ম্যাসাজ করে দেয়া। বিশেষ করে কর্মজীবী মেয়েদের সঙ্গীরা এই উপায়ে সারাদিন কাজ থেকে ফিরে ক্লান্ত অবসন্ন সঙ্গিনীর নিস্তেজ দেহকে এভাবে সেক্সের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে পারেন (এ ব্যাপারে এখন বিস্তারিত কিছু বলছি না কারন, সেক্সুয়াল ম্যাসাজ করা নিয়ে একটা পুরো একটা বইই লিখে ফেলা যায়। তাই এখন নয়)। তবে নিজের উত্তেজনায় অনেক ছেলেই সঙ্গিনী ব্যাথা পাচ্ছে কিনা একথা চিন্তা না করেই জোরে জোরে রুক্ষভাবে ম্যাসাজ করতে থাকে। এরকম করাটা পরিহার করতে হবে।
১৪. মেয়ের আগেই নিজের কাপড় খুলতে শুরু করাঃ মেয়ে কোন কিছু করার আগেই কেউ তার কাপড় চোপড় খোলা শুরু করবেন না। মেয়ে যতক্ষন পর্যন্ত না উত্তেজিত হয়ে আপনার কাপড় খোলায় মনোযোগ না দেয় ততক্ষন পর্যন্ত নিজে কিছু করার দরকার নেই। মেয়ে যদি আপনার প্যান্টের বোতাম খুলতে চেষ্টা করে, শার্ট টেনে ধরে ইত্যাদি কাজগুলোই আপনার কাপড় খোলার জন্য মেয়েটির থেকে সংকেত বলে ধরে নিতে হবে।
১৫. প্রথম থেকেই জোরে জোরে মৈথুন করাঃ লিঙ্গে মেয়ের তপ্ত যোনির স্পর্শ সব ছেলের জন্যই পাগল করে দেওয়া এক স্পর্শ। বেশিরভাগই এ স্পর্শে উম্মাদের মত হয়ে গিয়ে যোনিতে লিং ঢুকার সাথে সাথেই এমনভাবে মৈধুন (থাপানো!!!) করতে থাকে যেন আজ আজই যোনি থেকে বাচ্চা বের করে ফেলবে। কিন্ত এভাবে শুরু করলে বেশ কিছু সমস্যা হয়। প্রথমত, এভাবে জোরে জোরে মৈথুন করলে মেয়েটির যোনি রসে টইটম্বুর হলেও যোনির ভিতরে, বিশেষ করে বেশি টাইট হলে, ছেলেটির লিঙ্গের অবস্থানের সাথে মেয়েটি অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারে না। ফলে তার যৌনসুখ অনেকখানি কমে যায়। এছাড়াও প্রথমে এভাবে জোরে জোরে শুরু করলে কি্ছুক্ষন এভাবে মৈথুন করেই ছেলেটি একটু হাপিয়ে যেতে পারে, তাই স্বভাবতই পরে সে আস্তে আস্তে মৈথুন করতে থাকে। কিন্ত মেয়েটি জোরে মৈথুন করায় যে মজা পেয়ে যায়, পরবর্তীতে এ আস্তে আস্তে করায় তার তৃপ্তি কমে যায়। তার উপর যে সময়টিতে মেয়েটির অর্গাজম (চরম সুখ) সমাগত, সেই সময়েই মেয়েটি চায় আরো বেশি উগ্রভাবে তার সঙ্গীর থাপ খেতে। তাই প্রথমে আস্তে আস্তে শুরু করে তারপর মৈথুনের জোর বাড়াতে হবে।
১৬. শক্ত করে সঙ্গিনীর উপর চড়াও হওয়াঃ আশা করি ছেলেদেরকে মনে করিয়ে দিতে হবে না যে মেয়েদের দেহ তাদের চেয়ে হাল্কা ও নরম? তাই Missionary স্টাইলে মেয়েটির উপরে উঠে সেক্স করার সময় নিজের দুই পায়ের উপর ভালোমত ভর দিয়ে মৈথুন করতে হবে। আপনার শক্ত দেহের জোর চাপ সঙ্গিনীর উপর পড়লে সে সেক্সটা উপভোগ করতে পারবে কিনা তা বলাই বাহুল্য।
১৭. দ্রুত বীর্যপাত করাঃ ছেলেদের সবচেয়ে বড় ভয়। সবার পক্ষে অবশ্য দ্রুত বীর্য পাত নিয়ন্ত্রন করা সম্ভব নয়। অনেকেরই এতটাই দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায় যে তারা তাদের যৌনসঙ্গিনীকে ঠিকমত আনন্দই দিতে পারেন না, এমনকি নিজেরাও আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন। দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা দূর করার নানা পদ্ধতি আছে আপাতত তা উল্লেখ করলাম না। তবে যাদের এ সমস্যা হয় তারা এর জন্য সাময়িকভাবে এক কাজ করতে পারেন। সেক্সের আগে অন্তত একবার হস্তমৈথুন করে নেবেন, তারপর সেক্সের শুরুতে সঙ্গিনীকে আদর (Foreplay) করার সময় তার যোনি চুষা ও তাতে আঙ্গুল ঢুকানো ছাড়া বাকি প্রায় সব কিছুই করবেন। আর ওকে আপনার লিঙ্গ চুষতে দেবেন না। ওকে পর্যাপ্ত উত্তেজিত করে যোনিতে লিঙ্গ ঢুকিয়ে থাপ দেয়া শুরু করবেন। যখনি মনে হবে আপনার বীর্যপাত হতে যাচ্ছে, আপনার লিঙ্গ যোনি থেকে বের করে আনবেন। তারপর নিচু হয়ে ওর যোনি চুষতে চুষতে সেখানে দুই আঙ্গুল ঢুকিয়ে আবার বের করতে থাকবেন। আপনার লিঙ্গ সামান্য শিথিল হয়ে এলে আব্র উঠে ওকে থাপাতে থাকবেন, তারপর বীর্যপাতের সময় হলে আবার বের করে ওর যোনিতে নেমে যাবেন। এভাবে যতক্ষন সম্ভব চালিয়ে যাবেন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনীও মজা পাবে আর আপনারও টাইম একটু হলেও বাড়বে।
১৮. বেশি বিলম্বে বীর্যপাতঃ এটা আবার দ্রুত বীর্যপাতের বিপরীত সমস্যা। অনেকেই আছেন যারা একনাগারে অনেক্ষন ধরে সঙ্গিনীর যোনিতে মৈথুন করে যেতে পারেন, যদিও এদের সংখ্যা খুব বেশি নয়। মেয়েরা অবশ্য এরকটাই পছন্দ করে। কিন্ত অনেকসময় দেখা যায় যে ছেলেটির বীর্যপাত হতে এত বেশি দেরী হয় যে মেয়েটি অধৈর্য হয়ে পড়ে। তাই বীর্যপাত হতে দেরী হলে শুধুই ষাঁড়ের মত সঙ্গিনীকে থাপিয়ে যাবেন না। ফাকে ফাকে ওর স্তন চুষুন, চুমু খান এবং বিশেষকরে পজিশন পরিবর্তন করুন।
১৯. সঙ্গিনীকে জিজ্ঞাসা করা তার অর্গাজম হয়েছে কিনাঃ কতিপয় বোকাোা এই কাজটা করে থাকে। বেশিরভাগ মেয়েরই অর্গাজম হলে শীৎকার করে উঠে। আর না করলেও তার দেহের ভঙ্গিমাতেই এটা বুঝে নিতে হবে। তাকে এটা জিজ্ঞাসা করা চূড়ান্ত বোকামী।
২০. ঘেন্নার সাথে যোনি চুষতে যাওয়াঃ আমাদের দেশে অনেক ছেলেই মেয়েদের যোনি চুষতে চায় না। অনেক সময় স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ডের অনুরোধে বহুকষ্টে যোনিতে মুখ দিলেও তা কোনমতে ঘেন্নার সাথে হাল্কা পাতলা চুষে। এমনটি কখনোই কর যাবে না। এভাবে হাল্কা করে চুষতে গেলে সঙ্গিনী সে স্পর্শ সঠিকভাবে পাওয়ার জন্য আরো উতলা হয়ে উঠে। ফলে সে স্বাদ পাওয়ার জন্য সে অন্যপুরুষের স্মরনাপন্ন হতে পারে। তাই একাজটা মনোযোগ দিয়ে করতে হবে। আপনার ভালোবাসার মানুষের সবকিছুই তো ভালো লাগতে হবে তাইনা? এজন্য ওকে পরিছন্ন থাকতে বললে সে মাইন্ড করবে বলে মনে হয়না। তাছাড়া ও যদি আপনার লিঙ্গ চুষতে অনিচ্ছুক থাকে তাহলে দেখবেন আপনার যোনি চুষার প্রতিদানে ওও একসময় নিজে থেকেই আপনার লিঙ্গ চুষতে চাবে।
২১. সঙ্গিনীর মাথা নিচের দিকে চেপে ধরাঃ সঙ্গিনী যদি Aggressive হয়ে ছেলের দেহে আদর করতে থাকে। যেমন, ছেলের বুকে জিহবা দিয়ে চেটে দিতে থাকে তবে তারা অনেক সময় মেয়েটির মাথা ঠেলে নিচে তার লিঙ্গের কাছে নিয়ে যেতে চায়। এরমকমটা করা যাবে না। কারন মেয়ে যখন Aggressive মুড এ থাকবে তখন সেই চাবে আপনাকে Control করে আনন্দ দিতে।
২২. বীর্যপাতের পূর্বে সঙ্গিনীকে সতর্ক না করাঃ যখন যোনির ভেতরে কনডমবিহীন লিঙ্গ থাকবে, তখন বীর্যপাতের পূর্বে কেন সঙ্গিনীকে সতর্ক করতে হবে তা আশা করি বলে দিতে হবে না। কারন আপনার সঙ্গিনী বার্থকন্ট্রোলে নাও থাকতে পারে। আর ও যখন আপনার লিঙ্গ চুষবে, বিশেষ করে প্রথমবার, তখন অবশ্যই ওকে সাবধান করতে হবে। কারন বীর্যপাতের স্বাদ ও গন্ধ অনেকটা সমুদ্রের নোনা পানির সাথে ডিমের সাদা অংশের মিশ্রনের মত; অনেক মেয়ের তা ভালো নাও লাগতে পারে। তাই এক্ষেত্রে সাবধান।
২৩. সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করাঃ সঙ্গিনী লিঙ্গ চুষার সময় নড়াচড়া করলে এটা তার জন্য যথেষ্ট বিরক্তির কারন হয়ে দাঁড়ায়। ওই যা করার করবে, আপনি নিজে থেকে আপনার লিঙ্গ ওর মুখে ঠেলে দিতে যাবেন না। ওর মাথা চেপেও ধরা যাবে না। মেয়েকে লিঙ্গ চুষতে দেওয়ার সময় সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে শুয়ে থাকা, বা বিছানার কিনারায় বসে থাকা, দাঁড়ানো নয়।
২৪. Porn video থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করাঃ মনে রাখবেন পর্ন ভিডিওতে যা দেখান হয় তার সবই সত্য নয়। বেশিরভাগ পর্ন ভিডিওতে যেসব মেয়েরা পারফর্ম করে তারা সবাই সোজা বাংলায় াগি টাইপের। তাই তারা তাদের মুখের উপর ছেলেদের বীর্য ফালানো, বীর্য খেতে, পিছনদিয়ে (নিতম্বের ফুটো) ছেলেদের লিঙ্গ ঢোকানো ইত্যাদি পছন্দ করা দেখে কেউ বিভ্রান্ত হতে যাবেন না। বাস্তবের চিত্র অনেকাংশেই ভিন্ন। এক্ষেত্রে আপনার সঙ্গিনীর সাথে খোলামেলা হলেই তার পছন্দ অপছন্দ পরিস্কার হয়ে যাবে।
২৫. অনেক্ষন ধরে মেয়েকে উপরে রেখে মৈথুন করতে দেয়াঃ স্বভাবতই মেয়েরা ছেলেদের তুলনায় দূর্বল তাই তাকে অনেক্ষন ধরে উপরে থেকে আপনাকে থাপ দিতে দেওয়া উচিত নয়। এতে সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে। তাছাড়াও ও যখন আপনার উপরে থাকবে তখন আপনিও নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকবেন না যেন…ওর স্তন গুলো টিপে দিন, আদর করুন, মাঝেমাঝে ওর মুখখানি টেনে এনে চুমু খান যেন ও একঘেয়ে হয়ে না পড়ে।
২৬. সঙ্গিনীর অনিচ্ছায় পিছন দিয়ে ঢুকানোঃ এই ভুলটুকু কোনমতেই করবেন না। ছেলেদের পিছনের ফুটোয় কিছু ঢুকালে তার সাহায্যে তার প্রস্টেট গ্রন্থি নামক এক অঙ্গে আনন্দ দেয়া যায়, একে ছেলেদের একপ্রকার অর্গাজম বলে (বিস্তারিত পরে)। কিন্তু মেয়েদের প্রস্টেট গ্রন্থিই নেই। তাই তাদের জন্য পিছন দিয়ে লিঙ্গ ঢুকানো খুব সুখকর অভিজ্ঞতা নয়। তাই শুধুমাত্র সঙ্গিনী চাইলেই এটা করতে হবে।
২৭. ছবি তোলাঃ আহা! এতক্ষনে আসল কথায় এলাম। বিভিন্ন সাইটে বাংলাদেশের যেসব পর্ন দেখা যায় তার ৯০% হল গোপন ক্যামেরায় তোলা। তবে আমি যারা গোপন ক্যামেরায় এভাবে ছবি তুলে তাদের মানা করতে যাবো না, কারন জানি কোন লাভ নাই, তারা এমনটি করবেই। তবে অনেক ছেলে আছে যারা সঙ্গিনীকে দেখিয়েই ছবি তুলে বা ভিডিও করে। এরকম অবস্থায় আপনার সঙ্গিনী যদি নেহায়েত একটা াগি না হয় তবে তাকে ছবি তুলতে দেওয়ার অনুরোধ করতে যাবেন না। কারন “তোমার একটা ছবি তুলি?” এই কথা ওকে বললে তার কানে এই কথাটাও বাজবে, “……আমার বন্ধুদের দেখানোর জন্য বা সাইটে পোস্ট করার জন্য”
২৮. গৎবাধা সেক্সঃ অনেকছেলেই যতবার সঙ্গিনীর সাথে মিলিত হয় তারা একই রকম ভাবে সেক্স করে এর মজাটাই নস্ট করে ফেলে। তাই কিছুদিন পরপরই নতুন কিছু চেষ্টা
করতে হবে। যেমন নতুন নতুন পজিশনে সেক্স করা, সঙ্গিনীর স্তনে চকলেট মাখিয়ে চোষা, জিহবা দিয়ে ওর পিঠে ড্রইং করার চেষ্টা ইত্যাদি।
২৯. সঙ্গিনীর জন্য কষ্টকর পজিশনে সেক্স করাঃ এমনকোন পজিশনে সেক্স করতে যাবেন না যা সঙ্গিনীর জন্য কষ্টকর হয়ে উঠে।
৩০. এলোমেলো ভাবে ‘লাভ বাইটস’ দেওয়াঃ সেক্সের সময় মেয়েরা হাল্কা পাতলা কামড় খেতে পছন্দ করে। লাভ বাইট মানে শুধু কামড়ই নয়। চামড়ার কোন স্থানে বেশ কিছুক্ষন ধরে একনাগারে চুষতে থাকলে, সেখানে গাঢ় লাল একটা দাগ পড়ে যায়, ওটাকেই লাভ বাইটস বলে। বিশেষ করে যারা ফর্সা তাদের এই দাগটা বেশি ফুটে থাকে। এই দাগ প্রায় একদিন ধরে ফুটে থাকে। তাই এমনকোন যায়গায় এভাবে চুষবেন না যেখানে এই দাগ স্পষ্ট দেখা যায়। যেমন, গলা, গাল ইত্যাদি। কারন এই দাগ মেয়েটির জন্য পরে লজ্জার কারন হবে।
৩১. সঙ্গিনীর অর্গাজমের কেয়ার না করাঃ আপনার অর্গাজম যদি আপনার সঙ্গিনীর আগেই হয়ে যায় তবুও তার যোনি চুষে, আঙ্গুল ঢুকিয়ে যেকোনভাবে হোক তারও অর্গাজম করিয়ে দিতে হবে।
৩২. বীর্যপাত করেই সঙ্গিনীর কাছ থেকে সরে যাওয়াঃ এই ভুলটা আমাদের দেশের ৮০% ছেলেরাই করে থাকে। ছেলে ও মেয়ে উভয়েরই অর্গাজম যদি একসাথেও হয় তবুও মেয়েরা চায় সেক্স শেষ হলে ছেলেরা আরো কিছুক্ষন তাকে আদর করুক। তাই বীর্যপাত করেও সঙ্গিনীকে বেশ কিছুক্ষন সময় দিতে হবে।
৩৩. খিস্তিপাত করাঃ অনেকেই আছেন সেক্সের সময় নানা খিস্তিপাত তথা বাজে কথা বলতে থাকেন। এ ব্যপারে একটু সাবধান থাকবেন। আপনার সঙ্গী যদি চায় তবেই খিস্তিপাত করবেন। অনেক মেয়ে সেক্সের সময় খিস্তিপাত সহ্য করতে পারে না, তাদের মজার অর্ধেকটাই এতে নস্ট হয়ে যায়। তাই সঙ্গিনী না চাইলে এ অভ্যাস দূর করার চেষ্টা করতে হবে।
আজ তবে এ পর্যন্তই…পরবর্তীতে আরো কিছু লেখার চেষ্টা করব।
সাহায্যঃ
1. Modern KAMASUTRA by Anne Hooper
2. She Comes First by Ian Kerner
লেখকের কথাঃ আচ্ছা চটি লেখার মত করে সেক্স গাইডেও কি চুদাচুদি, ভোদা, ধোন ইত্যাদি বাজে শব্দ ব্যবহার করা উচিত? তবে কি তা পড়ার জন্য আরো উপভোগ্য হয়ে উঠবে? পাঠকের কাছে প্রশ্ন। আমি নিজে থেকে করিনি কারন আমার ধারনা তাতে অনেকের বিরাগভাজন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
Riaz Ahsan
MBBS 1st year (SSMCH)

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More