This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label বিচিত্র. Show all posts
Showing posts with label বিচিত্র. Show all posts

Thursday, September 12, 2013

১ লাখ পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক


পোল্যান্ডের নারী পুলিশ সদস্য আনিয়া লিওয়াস্কা ১ লক্ষ পুরুষের সাথে যৌনসম্পর্ক করার মিশনে নেমেছেন। তার বর্তমান বয়স ২১ বছর। মাঝারি গড়নের সুন্দরী সে।
এ ব্যাপারে আনিয়া জানান, ‘আমি গত মাস থেকে এই মিশনে নেমেছি। এ পর্যন্ত আমি ২৮৪ জন পুরুষের সঙ্গে বিছানায় শুয়েছি। আমি একজন পুরুষের সাথে ২০ মিনিট করে ব্যয় করতে চাই।’
আনিয়া এক সাক্ষাতকারে অস্ট্রিয়া টাইমসকে বলেন, ‘ আমি পোল্যান্ড, ইউরোপ এবং সারা পৃথিবী থেকে পুরুষ চাই। তাদের সাথে আমি বিছানায় যাব। আমি ৩টা জিনিসকে ভালবাসি- সেক্স, মজা এবং পুরুষ।’
সূত্র: যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেইল অনলাইন ম্যাগাজিন।
ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম/বিকে.
- See more at: http://dhakareport24.com/bichitra/2013/08/31/450#sthash.DnRiG4iE.dpuf

Thursday, August 29, 2013

বন্ধুকে লিঙ্গ দান!

চট্টগ্রাম : মানুষ তার পরম বন্ধুর জন্য চক্ষুদান, কিডনিদান করে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের হাতে পৌরুষ হারানো বন্ধুকে নিজের গোপন অঙ্গ (লিঙ্গ) দান করতে যাওয়ার ঘটনা কে কবে শুনেছে! এই নজিরবিহীন ঘটনাই ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে।

চিকিৎসক ও দুই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার বিকেলে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের বেড়িবাঁধের স্লুইসগেট এলাকায় বেড়াতে যান ইমরান উদ্দিন (২০)। তিনি বেপজা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন। বাড়ি পতেঙ্গার কাঠগড় মুসলিমাবাদ এলাকায়। বেড়াতে যাওয়ার পর তিন যুবকের সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর দেখেন, তাঁর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলা হয়েছে।

খবর পেয়ে তাঁর বন্ধু সালাহউদ্দিন আহত ইমরানকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে সেখান থেকে প্রথমে বেসরকারি একটি হাসপাতালে নিয়ে যান এবং পরে সন্ধ্যা ৬টায় চমেক হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে তাঁকে ভর্তি করা হয়। অঙ্গহানির কারণে শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে ইমরানকে রাতে দুই ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়। তখনো ইমরানের সঙ্গে ছিলেন বন্ধু সালাহউদ্দিন। তিনি ঘটনাটি পরিবারের সবাইকে জানালে তারা মেডিক্যালে ছুটে আসে।

ইমরানের আহাজারি দেখে সালাহউদ্দিন কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছে তাঁর পুরুষাঙ্গ বন্ধুকে দান করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও ইমরানের পরিবারের সবাই এ সময় সালাহউদ্দিনকে বোঝানোর চেষ্টা করে বলেন, মানুষ মানুষকে সব কিছু দান করতে পারে, কিন্তু এটা করা যায় না। এক পর্যায়ে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সালাহউদ্দিনকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার সকালে সালাহউদ্দিন আবার মেডিক্যালে ছুটে এসে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের পাশের বাথরুমে ঢুকে নিজের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন এবং সেটা নিয়ে এসে বন্ধুকে দান করার কথা চিকিৎসকদের বললে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সম্পর্কে ওয়ার্ডের ইনডোর মেডিক্যাল অফিসার ডা. মাহমুদুল ইসলাম রোমেল বলেন, কেটে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সালাহউদ্দিনের অঙ্গটি জোড়া লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০-২৫টি সেলাই দিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা লেগেছে। তবে রক্তক্ষরণ বন্ধ হলেও জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই। আমরা প্রস্রাবের জন্য বিকল্প রাস্তা করে দিয়েছি। 

Saturday, August 13, 2011

সালমার নুড স্টাইল


salma hayek nude photos
হ-বাংলা  বিনোদন রিপোর্ট : হলিউডে পা রাখার শুরু থেকেই যিনি বিভিন্নভাবে আলোচনা-সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়ে আসছেন তিনি হলেন সালমা হায়েক। হলিউড অভিনেত্রীদের মধ্যে শরীর প্রদর্শনের দিক দিয়েও অন্য অনেকের চেয়ে এগিয়ে তিনি। শুধু অভিনয় নয়, পাশাপাশি নিজের যৌন আবেদনের মাধ্যমেও দর্শক মাতিয়ে রাখতে বেশ পারদর্শী সালমা। আর তাই তো শুধু salma_hayek_nude_01পর্দায়ই নয়, বিভিন্ন টিভি শো কিংবা পার্টিতেও অর্ধনগ্ন হয়ে সবার সামনে আসতেও কুণ্ঠাবোধ করেন না তিনি। শরীর প্রদর্শন, বিভিন্নজনের সঙ্গে স্ক্যান্ডালসহ সালমার নগ্ন ভিডিও প্রকাশকে ঘিরে এর আগে সমালোচনা কম হয়নি। কিন্তু এসব সমালোচনাকে একদমই ধার ধারেন না সালমা হায়েক। তারই একটি প্রমাণ সমপ্রতি আবারও তিনি দিয়েছেন। নিজের সামপ্রতিক তোলা বেশ ক’টি ছবি তিনি প্রকাশ করেছেন ওয়েবসাইটে। এসব ছবিতে একেবারেই নগ্ন হয়ে উপস্থাপিত হয়েছেন তিনি। ছবিগুলোতে তিল পরিমাণ কাপড় পর্যন্ত পরেননি সালমা। শুধু গোপন অঙ্গগুলো ঢেকে রেখেছেন হাত দিয়ে। এরকম ধরনের পোজের প্রায় ৮টি ছবি তিনি নিজ উদ্যোগেই প্রকাশ করেছেন। ছবিগুলোর পাশে লেখা রয়েছে- ‘রিসেন্ট নুড স্টাইল অব সালমা’। এ বিষয়ে মিডিয়াকে সরাসরি উত্তর দিতেও দ্বিধাবোধ করেননি সালমা। এই নগ্ন ছবিগুলো তোলা ও প্রকাশের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, সালমা হায়েক সব সময়ই বিভিন্ন স্টাইলে ভক্তদের সামনে আসতে পছন্দ করে। এর আগেও আমি এ ধরনের বেশ কিছু ছবি তুলেছি। সেগুলো নিয়েও অনেকে সমালোচনা করেছেন, কিন্তু কোন লাভ হয়নি। এবারও তাই হবে। আমি শুধু নিজের ভক্তদের জন্যই এ ছবিগুলো প্রকাশ করেছি। আমি জানি তারা আমাকে বিভিন্নরূপে দেখতে চায়।

Monday, August 1, 2011

যৌন মিলনের বেশী আকাঙ্খা থাকে আধ্যাত্মিক মহিলাদের

যে সব মহিলারা আধ্যাত্মিক পথে যান তাদের ভৌতিক সুখ ভোগের প্রতি কোন আকর্ষণ থাকে না৷ জীবনের আনন্দটা তারা ঈশ্বরের সাধনার মধ্যে দিয়েই লাভ করেন৷ এই ধারণা একেবারেই ভ্রান্ত৷ সম্প্রতি একটি গবেষনায় প্রমানিত হয়েছে যে সব আধ্যাত্মিক চিন্তাভাবনা করেন তাদের মধ্যে যৌন মিলনের তীব্র আকাঙ্খা জন্মায়৷ কিছুদিন আগেই কেটুকি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই বিষয়টি নিয়ে গবেষনা করেছেন৷ তাদের রিসার্চে ধরা পড়েছে আধ্যাত্মিক পথে যে সব পুরুষরা যান তাদের নিজেদের মধ্যে সংয্মটা বজায় রাখতে পারেন৷ কিনতু মহিলাদের মধ্যে যাদের বয়সটা কম হয়, তাদের শারীরিক মিলনের তীব্র আকাঙ্খা জন্মায়৷

Thursday, July 21, 2011

বাংলাদেশ সেলিব্রিটি স্ক্যান্ডাল পর্ণ: সব একসাথে ডাউনলোড লিংকসহ

বাংলাদেশে সেলিব্রিটিদের এমএমএস বাইর হওয়া শুরু হইছে বেশীদিন হয় নাই। এর মধ্যে কিন্তু আমাদের প্রগ্রেস খারাপ না।

তিন্নি- হিল্লোল:

তিন্নি একটা চুড়ান্ত মাল। বিয়া কইরা কেমন জানি হয়া গেল। তাও ভাল হিল্লোলের লগে বিয়ার পর একটা এমএমএস বের হইছিল।

তিন্নি হিল্লোল ক্লিপ
ফরম্যাট: 3gp
সাইজ: 411 KB


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন



লিমা এবং ইউরোকোলা চেয়ারম্যান:

লিমারে আসলে সেলিব্রিটি বলা যায় না। তবে এই এমএমএসটার ডায়ালগগুলা খুব ইন্টারেস্টিং।
লিমা-ইউরোকোলা চেয়ারম্যান ক্লিপ
ফরম্যাট: 3gp
সাইজ: 959 KB


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন
 




মডেল নোভা:

নোভার কোন এমএমএস বাইর হয় নাই। তবে তার কিছু টপলেস ছবি বের হইছিল। অছাম দুধ!!!

নোভা টপলেস ছবি
ফরম্যাট: zipped jpg
সাইজ: 286 kb

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন



প্রভা- রাজিব:

বাংলাদেশের সবচাইতে বিখ্যাত সেলিব্রিটি এমএমএস এইটা। সবাই জানেন, বলার কিছু নাই।

প্রভা-রাজিব পার্ট ১
ফরম্যাট: 3gp
সাইজ: 4.66 MB

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

প্রভা-রাজিব পার্ট ২
ফরম্যাট: 3gp
সাইজ:  2.15 MB

ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

আনিকা কবির শখ:

এইটা কতোখানি আসল তা নিয়া সন্দেহ আছে অনেকের। অবশ্য যার এমএমএস বাইর হয় সে সর্বদাই অস্বীকার করে।

শখ সেক্স ক্লিপ
ফরম্যাট: avi
সাইজ: 2.5 MB


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন


চৈতী- নির্ঝর:
গায়িকা উপস্থাপিকা চৈতী আর পরিচালক এনামুল করিম নির্ঝরের সেক্স ভিডিও। দুইজনেই অস্বীকার করসে, তবে তাতে কিছু যায় আসে না। 

নাদিরা নাসিম চৈতি-নির্ঝর
ফরম্যাট:wmv
সাইজ: 11.07 MB


ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন



মিলা:
গায়িকা মিলা-র নামে এই ভিডিও বের হইসে, যদিও সত্যতা নিয়া সন্দেহ আছে।

মিলা সেক্স ক্লিপ
ফরম্যাট: avi
সাইজ: 1.18 MB



ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন






ডাউনলোড কেমনে করতে হবে সেটা দেখতে এইখানে যান।

প্রাচীন গ্রিসে প্রেম ও যৌনজীবন

বিবাহ বিচ্ছেদ
আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু
কোনো গ্রিক স্বামীর জন্য বিয়েতে ব্যভিচার বলে কোনো কিছুর স্থান ছিল না। বিয়ের কারণে তাকে যাবতীয় নান্দনিক ও যৌন উপভোগ থেকে বঞ্চিত হতে হবে এমন কোনো যুক্তি কারো চিন্তারও বাইরে ছিল। তখনকার গ্রিক সমাজ ও নৈতিকতা পুরুষের বহুগামিতাকে অনুমোদন করত এবং গ্রিক পুরুষরা সেভাবে জীবন কাটাতে অভ্যস্ত ছিল।
কিন্তু এ পরিস্থিতি সত্ত্বেও সংখ্যায় স্বল্প হলেও কিছু কিছু কণ্ঠ, যারা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে নৈতিকতা বজায় রাখার দিকটিকে গুরুত্ব দিতেন তাদের মধ্যে অ্যারিস্টটল, আইসোক্রেটস, প্লটাস উল্লেখযোগ্য।
কিন্তু মেয়েদের ব্যভিচার যদি কখনো ধরা পড়ত তাহলে গ্রিক সমাজ কী করত? এর নিশ্চিত সমাধান ছিল বিবাহ বিচ্ছেদ। যার অনিবার্য পরিণতি স্বামীর গৃহ থেকে সংশ্লিষ্ট স্ত্রীকে বহিষকার। কারণ, ব্যভিচারী নারীর গর্ভে জন্মগ্রহণকারী সন্তানের বৈধতা নিশ্চিত করা সম্ভব ছিল না। তাছাড়া স্ত্রীর ব্যভিচারকে স্বামীর মর্যাদার ওপর চরম আঘাত হিসেবে বিবেচনা করা হতো এবং সম্পত্তির মালিকানার অধিকারের ওপর হুমকিস্বরূপ ছিল। আমাদের বিস্মৃত হলে চলবে না যে, ট্রোজান যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল শুধু মেনেলাসের মর্যাদা রক্ষার জন্য।
প্রাচীন গ্রিক সমাজে ‘মর্যাদা’ এবং ‘অসমমান’ এমন দুটি ধারণা অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করত। স্বামীর মর্যাদা এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দীতে এথেন্সের আইনপ্রণেতা ড্রাকোনের (ড্রাকোন ঃ খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতাব্দীর এথেনীয় আইনপ্রণেতা, যিনি সর্বপ্রথম লিখিত আইন তৈরি করেন। এই আইন এত কঠোর ছিল যে, আইনের শব্দগুলো লিখিত হয়েছিল রক্ত দ্বারা) আইন অনুসারে পরিচালিত এক মামলার বিবরণীতে দেখা যায় যে, স্ত্রী ব্যভিচারে লিপ্ত থাকা অবস্থায় স্ত্রীর প্রেমিকাকে স্বামী ধরে ফেলে এবং হত্যা করে। কিন্তু বিচারে স্বামীকে নির্দোষ সাব্যস্ত করা হয়। ক্লাসিক্যাল যুগেও একই আইন কার্যকর ছিল বলে প্রতীয়মান হয়। কারণ ইউফেলিটাসের মামলায়ও সেই আইনের উল্লেখ আছে। জনৈক ইউফেলিটাসকে তার স্ত্রীর ব্যভিচার সম্পর্কে জানানো হলে সে স্ত্রীকে চোখে চোখে রাখে এবং স্ত্রীর সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত অবস্থায় স্ত্রীর প্রেমিক ইরাটোসথেনিসকে ধরে হত্যা করে। বিচারে আইনজীবী ঘাতক স্বামীর পক্ষেই যুক্তি প্রদর্শন করেন। তাছাড়া অ্যারিস্টটল তার ‘এথেনীয় রাষ্ট্র’ গ্রন্থে আমাদের অবহিত করেছেন যে, একই আইন তার সময়েও কার্যকর ছিল।
কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যভিচারী নিষকৃতি পেতে পারত জরিমানা দিয়ে। কিন্তু তার কপাল মন্দ হলে শাস্তি হিসেবে তার গুহ্যদ্বার দিয়ে একটি মুলা ঢুকিয়ে দেয়া হতো। এসবের মধ্যেও যারা প্রভাবশালী ছিল ও ফন্দিফিকির জানত, তারা বিনা শাস্তিতেই পার পেয়ে যেত। জনৈক অ্যালসিবিয়াডেসের ঘটনাটি ছিল এরকম-তিনি সপার্টায় নির্বাসিত জীবন কাটানোর সময় রাজা অ্যাগিসের স্ত্রী তিমাইয়ার সাথে যৌন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন এবং তিমাইয়ার গর্ভজাত সন্তানে অ্যালসিবিয়াডেসের সন্তান বলে পরবর্তীতে ধারণা করা হয়। তার স্ত্রী হিপারেটি যখন তাকে পরিত্যাগ করে এবং আইনানুগভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা দেয় তখন অ্যালসিবিয়াডেস সমাজপতিদের সিদ্ধান্ত অগ্রাহ্য করে জোর করে তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিয়ে যায় এবং শাস্তি থেকে নিজেকে রক্ষা করে।
আইনপ্রণেতা সলোনের মতে, ‘কোনো মহিলা যদি ব্যভিচারে লিপ্ত অবস্থায় ধরা পড়ে তাহলে সে অলংকার পরতে পারবে না এবং কোনো মন্দিরেও তার গমন করা উচিত নয়। তাহলে সে অন্য মহিলাদের ব্যভিচারে প্ররোচিত করতে পারে। কিন্তু সে যদি তা করে অথবা নিজেকে সাজায় তাহলে তার সাথে যে পুরুষের সাক্ষাৎ হবে তার উচিত তার পরিধেয় বস্ত্র ছিঁড়ে ফেলা, অলংকার খুলে নেয়া এবং তাকে প্রহার করা। কিন্তু তাকে হত্যা করা অথবা পঙ্গু করে দেয়া উচিত হবে না।’
ব্যভিচারী স্ত্রীকে গৃহ থেকে বহিষকার ও পরে বিবাহ বিচ্ছেদের অর্থ দাঁড়াবে, স্ত্রীর পরিবার যে উপহারসামগ্রী প্রদান করেছিল তা আবার তাদের ফিরিয়ে দেয়া, যা এক ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির শামিল। এ পরিস্থিতিতে অনেক স্বামী-স্ত্রীর ব্যভিচারের অপমান হজম করে স্ত্রীর অনুশোচনাকে অনুমোদন করে তাকে গ্রহণ করত।
অবশ্য বিবাহ বিচ্ছেদের একমাত্র কারণ যে শুধু ব্যভিচার ছিল তা নয়। অনেক কারণেই কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে পরিত্যাগ করতে পারত। যেমন- স্ত্রীর বন্ধ্যাত্ব। বিবাহ বিচ্ছেদের কারণ দুজন সাক্ষীর সামনে বর্ণনা করতে হতো। কিন্তু কোনো স্ত্রীর পক্ষ থেকে স্বামীকে পরিত্যাগ করার প্রক্রিয়া কঠিন ছিল। কারণ আইনগত দিক থেকে মহিলাদের সারাক্ষণ প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে কাটাতে হতো। ফলে তাদের পক্ষে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা সম্ভব হতো না। তাকে আরকনের (Archon) কাছে লিখিতভাবে জানাতে হতো যে, সে কেন বিবাহ বিচ্ছেদ চাচ্ছে। আরকন অন্যান্য দায়িত্বের মধ্যে নাগরিক অধিকারবঞ্চিতদের বিষয়ে দায়িত্বশীল ছিলেন। যা হোক লিখিত বিবৃতি পাওয়ার পর আরকন সেই বিবৃতির সত্যতা যাচাই করে তার সিদ্ধান্ত প্রদান করতেন।
ইতিমধ্যে বলা হয়েছে যে, কোনো মহিলা তার স্বামীর ব্যভিচারের বিষয় উল্লেখ করতে পারত না, যদিও বিবাহ বিচ্ছেদের প্রকাশ্য কারণ তাই থাকত। এছাড়াও স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে শারীরিক যাতনা ও প্রহারের ঘটনা প্রমাণিত হলেও তা বিবাহ বিচ্ছেদে গড়াত। বিবাহ বিচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট মহিলার নাম প্রকাশ্যে আলোচিত হতো এবং এটা সবচেয়ে অবাঞ্ছিত একটি ব্যাপার ছিল। তালাকপ্রাপ্তা মহিলাদের পুনঃবিবাহে যদিও কোনো বাধা ছিল না, কিন্তু তাদের সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখা হতো।
সপার্টায় যেখানে আইন এবং নৈতিকতা সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের ছিল সেখানে বিদ্যমান পরিস্থিতি সম্পর্কে প্লুটার্ক আমাদের জানিয়েছেন যে, ‘প্রবীণ এক সপার্টান, গেরাডসকে এক বিদেশী প্রশ্ন করেছিল যে সপার্টানরা ব্যভিচারীদের কিভাবে শাস্তি দেয়? তিনি তাকে উত্তর দিয়েছেন- আমাদের মধ্যে কোনো ব্যভিচারী নেই। বিদেশী আবার প্রশ্ন করে, কিন্তু যদি কোনো ব্যভিচারী থাকে? গেরাডসের উত্তর ছিল-তাহলে শাস্তি হিসেবে ব্যভিচারীকে নির্দেশ দেয়া হয় যে, তাকে টেগেটাস পর্বতের ওপর দিয়ে মাথা দেখা যাবে, এমন একটি বড় ষাঁড় দিতে হবে। বিদেশীর তৃতীয় প্রশ্ন ছিল পৃথিবীর কোথায় পাওয়া যাবে এত বিরাট একটি ষাঁড়? এবং গেরাডস উত্তর দেন ঃ অতএব সপার্টায় কোনো ব্যভিচারীর সাক্ষাৎ পাওয়া সম্ভব নয়।’
এছাড়া আরেকটি পদ্ধতি অনুসরণ করতে দেখা যায়, লাইকারগাসের আইন অনুসারে কোনো বয়স্ক অনুর্বর স্বামী তার স্ত্রীর সাথে কোনো যুবকের পরিচয় করিয়ে দিতে পারত, যাতে সেই যুবকের বীর্যে সুন্দর ও বলবান সন্তানের জন্ম ঘটে। এই প্রক্রিয়ায় বিবাহের কোনো ক্ষতি হতো না। অভিজাত বংশোদ্ভূত কোনো পুরুষ বিবাহিত রমণীর গুণে বিমুগ্ধ হয়ে তার স্বামীর অনুমতি চাইতে পারত তার সাথে যৌনমিলনের জন্য, যাতে সে উত্তম বংশের শক্তিশালী সন্তান নগরীকে উপহার দিতে পারে।
এই আইনটি সম্ভবত সুপ্রজননতত্ত্ব হতে উদ্ভূত, যা প্রাচীন গ্রিসে প্রচলিত ছিল এবং এর দ্বারাই নির্ধারিত হতো বিয়ে এবং সন্তানের জন্মদান। এর ফলে দম্পতির মধ্যে ঈর্ষার অনুপস্থিতিও ছিল লক্ষণীয়। তাছাড়া কোনো সপার্টান পুরুষ যদি মনে করত যে, স্ত্রী তাকে যথেষ্ট সন্তান দিয়েছে তাহলে তার জন্য এটা অতি সাধারণ ব্যাপার ছিল স্ত্রীকে তার বন্ধুর কাছে ন্যস্ত করা, যাতে বন্ধুটি তার স্ত্রীর সাথে মিলনের সুখ উপভোগ করতে পারে।
এথেন্স এবং অন্যান্য গ্রিক নগর রাষ্ট্রেও দেখা গেছে যে, কোনো স্বামীর সাথে যদি তার স্ত্রীর গুরুতর বিবাদ উপস্থিত হয় অর্থাৎ স্ত্রী যদি সন্তান ধারণে অক্ষম হয় অথবা পুত্রসন্তান জন্ম দিতে না পারে তাহলে স্বামী সাধারণত স্ত্রীকে তালাক দিতে চায় না, যৌতুক হিসেবে প্রাপ্ত সম্পদ ফিরিয়ে দিতে হবে বলে। বরং সে রক্ষিতার কাছে যায়।
 http://www.sunagro.info

Friday, July 8, 2011

সাড়ে ৫ হাজার নারী-পুরুষের সঙ্গে যৌন মিলন করেছে এক জুটি

পরপুরুষ কিংবা পরনারীর সঙ্গে বিছানায় যাওয়ার রগরগে কাহিনি নিয়ে ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলোকে সরব হতে দেখা যায়৷

তবে স্বামী এবং স্ত্রী উভয়ই যখন জেনেশুনে দিনের পর দিন অন্যের সঙ্গে যৌনমিলন করেন এবং নিজেদেরকে ‘সুখি জুটি' বলে পরিচয় দেন, তখন সে সংবাদ নিশ্চয়ই অনেক বেশি চাঞ্চল্যকর৷ 
লন্ডনের স্যারা মুর এবং জেফ ড্যানিয়েল তাই সংবাদ শিরনামে৷ ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড সান জানিয়েছে, ২০ বছর ধরে চলছে অবিবাহিত এই জুটির সংসার৷ দু'জন এই সময়ের মধ্যে নাকি ৫ হাজার ৪৮৫ জন নারী ও পুরুষের সঙ্গে বিছানায় গিয়েছে৷
আদতে এই দুজনই পেশায় সেক্স থেরাপিস্ট৷ নিয়ম অনুসারে এ নিয়ে যদি কেউ কোন সমস্যায় পড়েন তাহলে তারা এই থেরাপিস্টদের কাছে আসবে, তারা পরামর্শ দেবে৷ প্রয়োজনে ‘কী করিলে কী হয়' জাতীয় কথাবার্তা জানাবেন৷ কিন্তু স্যারা মুর এবং ড্যানিয়েল ভিন্ন কাজ করেন৷ তারা একটু ‘বিশেষ' বলে চিকিৎসকরা তাদের কাছে রোগীদের পাঠান৷ এবং বেশিরভাই সময় ঐ ব্যক্তিদের সঙ্গে বিছানায় যেতে হয় তাদের৷‘থেরাপি’র খাতিরেই এমন অভিনব উদ্যোগ‘থেরাপি’র খাতিরেই এমন অভিনব উদ্যোগ
স্যারা মুর ১৯ বছরে ৩ হাজার ৩২৩ জন পুরুষের সঙ্গে বিছানায় গিয়েছেন৷ আর এদের মধ্যে ৫২ জন ছিল কৌমার্য হারায়নি এমন পুরুষ৷ আর স্যারার দীর্ঘদিনের বয়ফ্রেন্ড ড্যানিয়েল, যার বয়স ৪০, তিনি বিছানায় গিয়েছেন ২ হাজার ১৬২ জন নারীর সঙ্গে৷ আর তিনি ৪৯ জন নারীর কৌমার্য ভাঙাতে সহায়তা করেছেন৷ স্যারা মুর বললেন, ‘বিষয়টিকে আমরা কেবল সাহায্য বলেই মনে করছি৷ এটাকে কোনভাবেই গণিকা পেশা বলে মনে করি না আমরা৷ তিনি বলেন, সমস্যায় পড়া মানুষকে সহায়তা করা হচ্ছে চিকিৎসকদের পরামর্শে৷ এ থেকে আমাদের রোজগারও বেশ৷ আমাদের সঙ্গে মিলনের পর স্বভাতই সেই পুরুষ কিংবা মহিলা যৌনভীতি থেকে মুক্তি পান৷' 
১৫ বছর বয়সে নিজের কুমারীত্ব হারান মুর৷ ২০ বছর বয়সে তার পরিচয় হয় ড্যানিয়েলের সঙ্গে৷ সেই থেকে তারা একসঙ্গে আছেন৷ আর তখন থেকেই তারা এই পেশাতেই রয়েছেন৷
প্রতিবেদন: সাগর সরওয়ার
সম্পাদনা: আব্দুল্লাহ আল-ফারূক

প্রাইমারি স্কুলে সেক্স এডুকেশনের লাভক্ষতি

বিলাতের প্রাইমারী স্কুলের কোমলমতি ছেলেমেয়েদের সিলেবাসে সেক্স এডুকেশন বা যৌনশিক্ষার অন্তর্ভূক্তি একটা অবিশ্বাস্য খবর। কিন্তু বাস্তবে তাই হতে যাচ্ছে। বিলাতের বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রুপ এবং বিবেকবান বুদ্ধিজীবীদের আপত্তি সত্ত্বেও বর্তমান সরকার প্রাইমারী স্কুলে যৌনশিক্ষা বাধ্যতামূলক ভাবে চালু করতে যাচ্ছে। সরকার প্রকাশ্যে বলছে, টিন-এইজার প্রেগন্যান্সি প্রতিরোধের জন্যেই প্রাইমারী স্কুলে যৌনশিক্ষা চালু হচ্ছে। কিন্তু আসলে কি তাই? 

বিলাতে অপ্রাপ্ত বয়স্ক বা টিন-এজার মেয়েদের অন্তসত্ত্বা হবার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। বলাবাহুল্য বিবাহ বহির্ভূত অবস্থায়-ই এ সকল মেয়ে অন্তসত্ত্বা হচ্ছে। ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় বৃটেনে টিন-এইজ প্রেগন্যান্সির হার অনেক বেশি। এ ব্যাপারে মার্কিনযুক্তরাষ্ট্র থেকেও আমরা এগিয়ে আছি। অথচ এ দেশে তুলনামূলক হিসেবে জন্মনিরোধক বটিকার ব্যবহার অনেক বেশি। জন্মনিরোধের অন্যান্য পন্থাও এখানে সর্বত্র সহজলভ্য। সাম্প্রতিক এক সার্ভে অনুযায়ী বৃটেনের ১৫ থেকে ১৯ বছর বয়সী শতকরা ২ দশমিক ৯ টি মেয়ে সন্তান জন্ম দেয়। এ হার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দশমিক ৭৬, ফ্রান্সে দশমিক ৭৫ এবং জাপানে দশমিক ৫৯ মাত্র। 

এ দেশের আইন অনুযায়ী টিন-এইজার ছেলে বা মেয়ে কারো-ই ১৮ বছর না হলে বিয়ে করার অধিকার নেই। মা-বাবা যদি ১৬ বছর হবার পূর্বে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন তা হলে আইন ভঙ্গের দায়ে তাদের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। মেয়েদের বিয়ে করার বয়স ১৮ বছর হলেও ইমিগ্রেশন আইনের ধারা মতে ২১ বছর না হলে তারা স্বামীকে এ দেশে নিয়ে আসার জন্য আবেদন করতে পারে না। ইকুয়াল অপরচুনিটির দেশে স্থানীয় বাসিন্দদের জন্য এক আইন এবং বহিরাগতদের জন্য ভিন্ন আইন। এটা কি বর্ণবৈষম্য নয়? 
এ দেশে প্রাইমারী স্কুলে যৌনশিক্ষা প্রদানের দাবি অনেক পুরানো প্রসঙ্গ। শুধু লেবার পার্টি নয়, লিবারেল ডেমোক্রেট দলের পক্ষ থেকে ২০০৩ সালে ৭ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের যৌনশিক্ষা দেয়ার দাবি উত্থাপিত হয়েছে। তাদের মতে যৌন হয়রানী, ড্রাগ এবং অন্তঃসত্ত্বা হওয়া প্রতিরোধে এটাই সবচেয়ে কার্যকরী পন্থা। তবে টিন-এইজারদের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টা-ই তারা বেশি আলোচনায় টেনে আনছেন। রক্ষনশীল মহলের আপত্তির কারণে এতদিন বিষয়টা আটকে ছিল। এখন মনে হচ্ছে সরকারের যারা নীতি নির্ধারক তারা এ ব্যাপারে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। 

টিন-এইজার মেয়েদের অধিকমাত্রায় আন্তঃসত্ত্বা হবার ঘটনায় উদ্বিগ্ন কতিপয় চিন্তাবিদ এর আসল কারণ অন্বেষণ না করে নিজেরা একটা কারণ তৈরি করেছেন। বর্তমান লেবার সরকার এ সকল মাথামোটা থিংক ট্যাঙ্কারের তৈরি কারণকে টিন-এইজারদের আন্তঃসত্ত্বা হবার সত্যিকার কারণ বলে ধরে নিয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০১০ সাল থেকে প্রাইমারী স্কুলের ছেলেমেয়েদের বাধ্যতামূলক ভাবে যৌনশিক্ষা প্রদান করতে হবে। 
শিশু বয়স থেকে যৌনশিক্ষা দিলে টিন-এইজারদের অন্তঃসত্ত্বা হবার হার কমে যাবে, এটা একটা হাস্যকর দাবি। এ ব্যাপারে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের সাথেও তা সাযুজ্যপূর্ণ নয়। যে সকল অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হচ্ছে তাদের মধ্যে ১৫ বছর বয়সের চেয়ে ছোট মেয়ের সংখ্যা নিতান্তই নগন্য। এ দেশে ১১ এবং তদুর্ধ বয়সের ছেলেমেয়েরা সেকেন্ডোরী স্কুলে যায়। সেকেন্ডারী স্কুলে অনেক দিন থেকেই বাধ্যতামূলক ভাবে যৌনশিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। জন্মনিরোধক বটিকা বা অন্যান্য উপকরণের ব্যবহারও এ দেশে ইউরোপের অন্যান্য দেশ থেকে অনেক গুণ বেশি। 

গত বছর সাউথাম্পটন ইউনিভার্সিটির এক জরিপে দেখা গেছে, জন্মনিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে বৃটেনের টিন-এইজার মেয়েদের উন্নতমানের জ্ঞান রয়েছে। জরিপ অনুযায়ী প্রতি ১০ জনের ৭ জন টিন-এইজার মর্নিং-আফটার পিলের ব্যাপারে পুরোপুরি ওয়াকিবহাল রয়েছে। সুতরাং প্রাইমারী স্কুলে যৌনশিক্ষা দেয়া হলে টিন-এইজ প্রেগন্যান্সি কমে যাবে বলে যারা প্রচার করছেন তাদের এ দাবি সঠিক নয়। 
নীতিগত ভাবে আমরা ছেলেমেয়েদের যৌন বিষয়ে শিক্ষাদানের পৰক্ষ। মানব জীবন এবং মানব সমাজের জন্যে মানুষের যৌনজীবন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক। কোনভাবেই আমরা যৌনশিক্ষাকে উপেক্ষা বা অবহেলা করতে পারি না। আমরা জানি, মানুষের মতো পশুর মধ্যেও যৌন আকাঙ্খা রয়েছে। তবে পশুর এবং মানুষের যৌন-জীবন সমান নয়। পশুর যৌন-আকাঙ্খা মেটানোর জন্য যাচাই-বাচাই করার প্রয়োজন পড়ে না। তারা যার সাথে যখন ইচ্ছা মিলিত হতে পারে। কিন্তু মানুষকে এ ব্যাপারে একটা বিশেষ নিয়মের আওতায় চলতে হয়। ইসলাম, খৃষ্টান, ইহুদি, হিন্দু ও বৌদ্ধসহ পৃথিবীর সকল ধর্মে মানুষের যৌনজীবন সম্পর্কে বিধিবদ্ধ বিধান রয়েছে। সকল ধর্মই বিবাহ-বহির্ভূত যৌনসম্পর্ককে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। এ সকল বিধান সম্পর্কে আমাদের ছেলেমেয়েরা পারিবারিক এবং সামাজিক ব্যবস্থার আওতায় অবহিত হয়। ইসলাম ধর্মের কুরআন-হাদীস এবং ফেকাহ শাস্ত্রে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে। কিন্তু যৌনশিক্ষার নামে কোমলমতি ছেলেমেয়েদের অবাধ যৌন স্বাধীনতা বা বক্তি-স্বাধীনতার নামে স্বেচ্ছাচারিতা শিক্ষা দেয়াকে আমরা সমর্থন করতে পারিনা। সরকার আসলে প্রাইমারী স্কুলে যৌনশিক্ষার অজুহাতে এ সব জিনিসই শিক্ষা দিয়ে বিশৃঙ্খল সমাজকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিতে যাচ্ছে। এটা কোন অবস্থায়ই মেনে নেয়া যায় না। 

আদমশুমারীর হিসাব মতে বিলাতের অধিকাংশ মানুষ খৃষ্টান ধর্মমতের অনুসারী। কিন্তু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় খৃষ্টধর্মের কোন আধিপত্য নেই। এমন কি স্কুল বা কলেজে যারা আরই বা রিলিজিয়াস এডুকেশন শিক্ষা দেন তাদের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাসী নয় অথবা এগনষ্টিক বা সংশয়বাদী। বর্তমানে বৃটেনের সেকেন্ডারী স্কুলে সেলফ এন্ড সোসাইটি বা পিএসএইচই-এর যারা শিক্ষক তারা-ই সাধারণতঃ যৌনশিক্ষা প্রদান করেন। মানুষের যৌন জীবন সম্পর্কে বিভিন্ন ধর্ম যে নির্দেশনা প্রদান করেছে স্কুলের যৌনবিদ্যার আওতার মধ্যে তা নেই। 

স্কুলগুলো কোন বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয় যে বৃটেনের অবাধ যৌন স্বাধীনতা থেকে তা দূরে থাকতে পারবে। সমাজ ও স্কুলের পরিবেশের সাথে শিৰকদের মানসিকতা যোগ হবার ফলে ধর্মীয় বিধি-নিষেধের ব্যাপারে ছেলেমেয়েদের মধ্যে এক ধরণের উন্নাসিকতা সৃষ্টি হচেছ। সম্প্রতি হমোফোবিয়া প্রতিরোধের নামে অনেক স্কুল ধর্মীয় এবং সামাজিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে রীতিমত জেহাদ শুরু করেছে। বিবাহ বহির্ভূত যৌন সম্পর্কের পৰক্ষ এ ভাবে ক্যাম্পেইন চালালে টিন-এইজ প্রেগন্যান্সি বৃদ্ধি পাবে, এতে অবাক হবার কিছু নেই। 
আমাদের মতে বৃটেনে টিন-এইজারদের অধিক হারে অন্তঃসত্ত্বা হবার অন্যতম কারণ হচ্ছে যৌন বিষয় শিক্ষা দেয়ার নামে সেকেন্ডারী স্কুলে লাগামহীন বা অনিয়ন্ত্রিত যৌন বিষয়ক আলোচনা। টিন-এজার ছেলেমেয়েদের সাথে খোলামেলা ভাবে যৌন বিষয়ক আলোচনা করলে তাদের মধ্যে এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে বাধ্য। এর সাথে পাশ্চাত্য সমাজের অবাধ যৌন স্বাধীনতা, ব্যক্তি-স্বাধীনতার নামে অবাধ যৌনাচার, প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার উলঙ্গ প্রচারনা, পারিবারিক জীবনে ধ্বস ইত্যাদিও এর পেছনে ভূমিকা রাখছে। অপর দিকে সোশ্যাল সার্ভিসের বাড়াবাড়ি মূলক খবরদারির কারণে ছেলেমেয়েদের উপর শিক্ষক এবং পিতা-মাতা বা অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই কমে আসছে। ফলে ছেলেমেয়েরা বিদ্রোহী এবং বেপরোয়া হয়ে গড়ে উঠছে। এমনি অবস্থায় সরকারী সিদ্ধান্ত মোতাবেক প্রাইমারী স্কুলে যৌনশিক্ষা প্রদান শুরু হলে দেশে টিন-এইজার মায়ের সংখ্যা আরো কয়েক গুণ বেড়ে যাবে বলে আমারা আশঙ্কা করছি। 

বিলাতের প্রায় সকল ধর্মীয় গ্রুপ প্রাইমারী স্কুলে যৌনশিক্ষার বিরুদ্ধে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। কিন্তু শুধু প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে সরকারী সিদ্ধান্ত রোধ করা যাবেনা। দলমত নির্বিশেষে এর প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। আশার বিষয় যে মুসলিম কমিউনিটির কয়েকটি গ্রুপ এর বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। মুসলিম কমিউনিটির হাজার হাজার প্রাইমারী স্কুলগামী ছেলেমেয়ে রয়েছে। তাদের ভবিষ্যত জীবনকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্যে আবশ্যই আমাদের চেষ্টা করতে হবে। আমাদের মসজিদের ইমাম সাহেবরা এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাকতে পারেন। তবে শুধু মুসলমানদের এবং শুধু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের চেষ্টায় আমরা সফল হতে পারবো না। সকল ধর্মীয় সম্প্রদায়কে এর সাথে জড়িত করতে হবে। বিলাতের সমাজে এমন অনেক লোক রয়েছে যারা কোন ধর্মে বিশ্বাস না করলেও সামাজিক এবং পারিবারিক মূল্যবোধ সংরক্ষণের ব্যাপারে আন্তরিক। তাদেরকেও জনমত গঠনের কাজে অংশীদার করতে হবে। টেলিভিশনের টক শ, পত্র-পত্রিকায় লেখালেখি এবং সভা-সমাবেশের মাধ্যমে বিলাতের সর্বত্র এর বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে হবে। 

টাওয়ার হ্যামলেটস এবং নিউহাম এলাকার মতো মুসলিম বা এশিয়ান অধ্যুষিত বরার বাসিন্দাদের এ ব্যাপারে বাড়তি দায়িত্ব রয়েছে। আগামী নির্বাচনে বিভিন্ন দল থেকে যারা এমপি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন তাদের সকলের কাছে আমাদের যেতে হবে। সকল দলের এমপি প্রার্থীর নিকট থেকে এর বিরুদ্ধে কথা বলার অঙ্গীকার আদায় করতে হবে। 
সব শেষে একটি ছোট্র কথা বলে আলোচনার ইতি টানতে চাই। বিলাতের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা বা কারিকুলাম আমাদের ছেলেমেয়েদের একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার ব্যাপারে কতটুকু উপযোগী সে ব্যাপারে শিক্ষাবিদদের মধ্যে প্রবল বিতর্ক রয়েছে। ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান এবং ইউরোপের বর্তমান প্রজন্মের সাথে বিলাতের বর্তমান প্রজন্ম কি শিক্ষা, দক্ষতা বা যোগ্যতায় প্রতিযোগিতা করে বিজয়ী হতে পারবে? বর্তমান শতাব্দী গত শতাব্দী থেকে অনেক বেশি দ্রতগামী এবং প্রতিযোগিতামূলক। বিলাতের প্রাইমারী ও সেকেন্ডারী স্কুলে বিজ্ঞান, অংক এবং আইসিটি শিক্ষার জন্যে যে সময় নির্ধারিত আছে তা কি যথেষ্ট? এ সময় থেকে কিছু অংশ কেটে নিয়ে সে সময় যৌনশিক্ষার লেসনে দেয়া কতটুকু যৌক্তিক - তাও বিবেচনা করা দরকার। প্রকৃতিগত ভাবে মানুষ যে রকম খাওয়া-পরার জ্ঞান অর্জন করে তেমনি কিছুটা যৌনশিক্ষাও লাভ করে। যৈবিক জীবন-যাপনের জন্যে এর পর যে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন তা তারা পরিবার এবং সমাজ থেকে লাভ করতে পারে। আমাদের মতে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি শিক্ষার জন্যে নির্ধারিত সময় কেটে নিয়ে সে সময় যৌন শিক্ষার জন্যে ব্যয় করা বুদ্ধিমত্তার লক্ষণ নয়।
 from internet

Thursday, July 7, 2011

নারী খৎনা


নারী খৎনা যা নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদনারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ, এবং নারী যৌনাঙ্গ ছাঁটাই নামেও পরিচিত; বলতে বোঝানো হয় সে সকল কার্যপ্রণালী যেগুলোতে স্ত্রী যৌনাঙ্গের আংশিক বা পুরোপুরি অপসারণ করা হয় অথবা সাংস্কৃতিকধর্মীয় বা অন্য কোনো চিকিৎসা বহির্ভূত কারণে নারীর যৌন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি করা হয় বা ক্ষত সৃষ্টি করা হয়। এটি সেই ধরনের কার্যপ্রণালীগুলোর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয় যেগুলো আন্তলৈঙ্গিকদের জন্যে লিঙ্গ প্রতিস্থাপন সার্জারি বা যৌনাঙ্গ পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়। এর চর্চা সারা পৃথিবীতেই আছে, কিন্তু প্রধানত আফ্রিকা ওইন্দোনেশিয়াতেই এর চর্চা বেশি দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রক্রিয়াটিকে চার ভাগে ভাগ করেছে: টাইপ ১, ২, ৩ এবং ৪। তিন নম্বর কার্যপ্রণালীটিকে ঘিরে অনেক বিতর্ক রয়েছে, কারণ এই প্রক্রিয়াটির নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ ও প্রক্রিয়াটির ফলাফল। গত কয়েক দশক ধরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ছাড়াও বহু স্বাস্থ্য সংস্থা এর চর্চা বন্ধ করতে তাদের চাপপ্রয়োগমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছে। যদিও ঐতিহ্য ও ধর্মীয় জীবনের প্রয়োজনে এটির চর্চা এখনো অনেক সমাজে রয়ে গেছে।
জাতিসঙ্ঘ বিশ্ব জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) ৬ ফেব্রুয়ারিকে আর্ন্তজাতিক নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ বিরোধী দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।

পারিভাষিক ইতিহাস

নারী যৌনাঙ্গের অস্ত্রোপচার বা এ ধরনের অন্যান্য কার্যপ্রণালীগুলোকে বর্ণনা করতে বিভিন্ন রকম পরিভাষা ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়াগুলো সাধারণত নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ/খৎনা নামে উল্লেখ করা হতো, কিন্তু নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণএবং নারী যৌনাঙ্গ ছাঁটাই পরিভাষা দু’টি এখন আর্ন্তজাতিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রাধান্য বিস্তার করছে। এই চর্চাটির বিপক্ষে যাঁরা আছেন তাঁরা প্রায়ই "নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ" পরিভাষাটি ব্যবহার করেন। কিছু গোষ্ঠী বিকৃতকরণশব্দটি ব্যবহারের বিরোধী, কারণ তারা মনে করেন এটি নারীর জন্যে অবমাননাকর, তাই তারা নারী যৌনাঙ্গ ছাঁটাই পরিভাষাটি ব্যবহার করাকেই শ্রেয় মনে করেন। কিছু সংস্থা ইতোমধ্যেই দু’টি পরিভাষাকে একত্রিত করে সম্মিলিত পরিভাষা ব্যবহার করা শুরু করেছে, আর তা হলো নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ/ছাঁটাই (FGM/C)।

নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ/খৎনা

চিকিৎসা অভিধানসহ বিভিন্ন অভিধান লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ শব্দটিকে সংজ্ঞায়িত করেছে যে, শব্দটির প্রযোজ্য হবে তখনই যখন এই প্রক্রিয়াটি নারীর উপর সম্পাদিত হবে। মরিসন এট অল. বলেন, “নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ/খৎনা হলো এই প্রক্রিয়াটির জন্য সচারচর ভাবে ব্যবহৃত পরিভাষা।” কুক বলেন যে, “ঐতিহাসিকভাবে নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ/খৎনা পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়েছিল, কিন্তু এই কার্যপ্রক্রিয়াটি বা যে প্রক্রিয়াতেই এটির চর্চা করা হয়ে থাকুক না কেন তা পুরুষ খৎনার সাথে পুরোপুরি সাদৃশ্যপূর্ণ নয়।” শেল-ডানকান বলেন, “নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ/খৎনা পরিভাষাটি হলো একটি সুভাষণ, যা নারী যৌনাঙ্গের পরিবর্তনের অনেক গুলো কার্যপ্রক্রিয়ার মধ্যে একটি।” টোউবিয়া ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, “নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ/খৎনা পরিভাষাটি অবিকৃত পুরুষ খৎনার সাথে প্রতারণামূলক সাদৃশ্যতার ইঙ্গিত বহন করে।”

নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ

"নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ" পরিভাষাটি ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে সমর্থন পেতে শুরম্ন করে। "বিকৃতকরণ" শব্দটি শুধুমাত্র যে পুরুষ খৎনার থেকে একটি ভাষাতাত্বিক স্বাতন্ত্রতা সৃষ্টি করে তাই নয়, বরং এ কাজটির গুরুত্বকেও জোরের সাথে তুলে ধরে। ১৯৯০ সালে আদ্দিস আবাবাতে আন্ত-আফ্রিকান কমিটির তৃতীয় কনফারেন্সে যেসকল ঐতিহ্যগত চর্চা নারী ও শিশুর স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে সেগুলো সম্মন্ধে আলোচনা করা হয়। সেখানেই প্রথম এ পরিভাষাটি ব্যবহৃত হয়। ১৯৯১ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (যা জাতিসঙ্ঘের একটি বিশেষ সহায়ক সংস্থা) সুপারিশক্রমে জাতিসঙঘ এই পরিভাষাটি গ্রহণ করে। তারপর থেকে এটি জাতিসঙেঘর দাপ্তরিক কাগজপত্রে ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
এ প্রসঙ্গে বলতে হয় যে, "নারী লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ/খৎনা" পরিভাষাটি প্রধানত "নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণ" পরিভাষাটির স্থলাভিষিক্ত হয়েছিল।

নারী যৌনাঙ্গ ছাঁটাই

১৯৯৬ সালে উগান্ডা ভিত্তিক

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রক্রিয়াকরণ

কাটা-ছেড়ার সীমার উপর নির্ভর করে বিশ্বে বিভিন্ন রকম নারী খৎনার চর্চা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, অর্থাৎ যৌনাঙ্গের টিশ্যু কতো বেশি কেটে ফেলা হবে তার ওপর। প্রধানত চার ধরনের প্রক্রিয়া দ্বারা নারী খৎনাকে ভাগ করা হয়েছে। যদিও নারী খৎনার সকল প্রচলিত প্রক্রিয়াগুলো এই চারটি প্রক্রিয়াতে সন্নিবেশিত হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে, সেই সাথে এই বিষয়গুলোর উপর দাখিল করা প্রতিবেদনের উপত্তের নির্ভরযোগ্যতা নিয়েও।

টাইপ ১

পুরো ভগাঙ্কুর বা ভগাঙ্কুরের অগ্রভাগ সম্পূর্ণ বা লম্বালম্বিভাবে কেটে অপসারণ করাকে টাইপ ১ নারী খৎনা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেছে; যা হুডেক্‌টোমি বা ক্লিটোরোডটোমি নামেও পরিচিত। ভগাঙ্কুরের অগ্রভাগ ও পুরুষাঙ্গের অগ্রত্বককে পরস্পর সাদৃশ্যপূর্ণ ধরা হয়, যা খৎনার সময় কেটে ফেলা হয়। এখানে যে নারীরা লেবিয়াপ্লাসটি করাতে ইচ্ছুক তারা ভগাঙ্কুরের অগ্রভাগ অপসারণের তীব্র বিরোধী কারণ এর ফলে ক্ষত সৃষ্টি ও স্নায়ুর ক্ষতি হবার সম্ভাবনা থাকে।

টাইপ ২

টাইপ ২ নারী খৎনাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এভাবে সংজ্ঞায়িত করেছে- ক্লাইটোরিসের সম্পূর্ণ অপসারণের সাথে লেবিয়া মাইনরার আংশিক বা সম্পূর্ণ অপসারণ। এই ধরণের নারী খৎনাকে "খাফ্‌দ"-ও বলে, আরবিতে যার অর্থ "হ্রাস"।

টাইপ ৩ : অপসারণের সাথে ইনফিবুলেশন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা টাইপ ৩ নারী খৎনাকে কে সংজ্ঞায়িত করেছে যে, বর্হিযৌনাঙ্গের অংশ বিশেষ বা পুরো বর্হিযৌনাঙ্গের অপসারণ এবং যোনিদ্বারকে সেলাই বা চিকন করে ফেলা (ইনফিবুলেশন)। এটি নারী খৎনার সবচেয়ে মারাত্নক রূপ এবং জরিপে দেখা যায় এটি সকল নারী খৎনার প্রায় ১৫%। ইনফিবুলেশনকে ফারাওনিক খৎনা বা নামেও পরিচিত।
হর্ন অফ আফ্রিকাতে ইনফিবুলেশনের উপর এক পর্যবেক্ষণে, পিয়েটারস লক্ষ করেন এই প্রক্রিয়ায় বর্হিযৌনাঙ্গের বেশ অনেকখানি টিশ্যু কেটে ফেলা হয়, লেবিয়া মেজরার ভেতরের অংশসহ পুরো লেবিয়া মাইনরা। এরপর লেবিয়া মেজরা কাঁটা বুনে বা সেলাই করে রাখা হয়। নড়াচড়া যেন না করতে পারে সেজন্য কিছু ক্ষেত্রে মেয়েটির দুই পা দুই থেকে ছয় সপ্তাহের জন্য বেধে রাখা হয়, যাতে তার ভালভার দুই পাশ সেরে ওঠে। পিউবিস থেকে মলদ্বার পর্যন্ত মাংস প্রাচীর ছাড়া আর কিছুই অবশিষ্ট থাকে না, সাথে শুধু ভালভার নিচের অংশে ছোট একটি জায়গা খোলা থাকে যাতে প্রস্রাব ও রজঃস্রাবের রক্ত বেরিয়ে যেতে পারে। সাধারণত এই কাজটি যিনি করেন তিনি এই প্রক্রিয়াটি করার ব্যাপারে অভিজ্ঞ ও প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পন্ন, এবং এজন্য স্থানীয় চেতনানাশক ব্যবহৃত হয়। প্রত্নন্ত অঞ্চলে যখন এই কাজটি করা হয়, তখন এটি সাধারণত করেন বয়স্ক মাতৃকা বা ধাত্রীরা এবং তখন কোন চেতনানাশক ব্যবহৃত হয় না।
যৌনমিলনের সময় বা কোন কাজের জন্য একটি উল্টো ইনফিবুলেশন সম্পাদিত হতে পারে। এই কাজটি করেন মহিলা আত্নীয়রা যাদের দায়িত্ব হলো ক্ষতটি কয়েক সপ্তাহ পর পর পরীক্ষা করা এবং যদি প্রয়োজন হয় তবে খোলা স্থানটি আরো একটু সম্প্রসারণ করা। শিশু প্রসবের সময় ঐ স্থানটি সাধারণ স্বাভাবিক প্রসব বা যোনিজ প্রসবের জন্য খুব ছোট হওয়ায় ইনফিবুলেশন সম্পূর্ণ খুলে ফেলা হয় এবং প্রসবের পর আবার লাগিয়ে ফেলা হয়। এবং আবার পা দুটো কিছু দিনের জন্য বেধে রাখা হয় যেন ৰতটি সেরে ওঠে। যখন শিশু প্রসবের প্রক্রিয়াটি হাসপাতালে হয় তখন ডাক্তার শিশু প্রসবের জন্য ইনফিবুলেশটিকে ঠিক রেখে গভীর এপিসিয়োটোমাইস-এর মাধ্যমে যোনিকে বড় করেন। পরবর্তীতে রোগিনী তার ভালভা আবার বন্ধ করে দেবার জন্য জোর করতে পারেন।
পর্যাপ্ত আধুনিক ওষুধ ও অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থা না থাকায় এই চর্চাটির কারণে চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা বেড়েই চলেছে।
সুদানে ৩০০ জন নারী ও ১০০ জন পুরম্নষের মধ্যে পাঁচ বছর ব্যপী এক পর্যবেৰণে দেখা গিয়েছে যে নারীরা এই মারাত্নক যৌনাঙ্গ বিকৃতকরণের শিকার হয়েছিলেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগ যৌনাকাঙক্ষা, সুখ এবং অর্গাজম বা শীর্ষসুখের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন, এদতসত্ত্বেও তারা তাদের এই অনুভূতিগুলো তাদের সংস্কৃতিতে তারা লুকিয়ে রাখতে বাধ্য। এই প্রক্রিয়াটির সমর্থকেরা এটি চালিয়ে যাবার পৰপাতি কারণ তারা এটিকে আদর্শ সুন্দরের অনুগামীতা বলে মনে করে এবং এটি পশ্চিম থেকে অনেক আলাদা। অনেক ইনফিবুলেটেড নারী মত দেয়, এই প্রক্রিয়াটির কারণে তাদের সঙ্গীরা যে সুখ লাভ করবে তা সুনির্দিষ্টভাবে একটি সফল বিবাহিত জীবন ও আনন্দপূর্ণ যৌন জীবনের অংশ।

টাইপ ৪ : অন্যান্য প্রক্রিয়া

অন্যান্য রূপগুলো যৌথভাবে টাইপ ৪ হিসেবে উলেস্নখ্য এবং এটার সাথে কোন রকমের টিশ্যু অপসারন জড়িত নয়। এটির সাথে বিভিন্ন সীমা চর্চার জড়িত, যেমন: ভগাঙ্কুরে সূচ ফোটানো, যৌনাঙ্গ পুড়িয়ে ফেলা বা ৰত সৃষ্টি করা সেই সাথে যোনি চিরে বা ছিড়ে ফেলা অথবা যোনির ভিতরে তৃণলতা প্রবেশ করানো যাতে রক্তপাত হয় এবং যোনিদ্বার চিকন হয়। টাইপ ৪-এর চর্চা প্রাথমিকভাবে কিছু বিচ্ছিন্ন নৃ-তাত্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে দেখা যায়, সেই সাথে অন্যান্য টাইপের সাথে একত্রেও দেখা যায়।

ব্যপকতা

অ্যামেনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ধারণায় প্রতি বছর প্রায় ১৩০ মিলিয়ন (১৩ কোটি) নারী এই নারী খৎনার কোন না কোনো একটি প্রক্রিয়া দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে ।
বর্তমানে নারী যৌনাঙ্গ ছাটাই-এর চর্চা প্রধানত আফ্রিকান দেশগুলোতেই হয়। এটা একটি সাধারণ বলয় যার বিস্তৃতি পশ্চিম আফ্রিকার সেনেগাল থেকে পূর্ব উপকূলের ইথিওপিয়া, সেই সাথে উত্তরে মিশর থেকে দৰিণে তানজানিয়া পর্যন্ত। এছাড়াও আরব উপদ্বীপের কিছু গোষ্ঠীর মধ্যেও এটির চর্চা দেখা যায়। যে সমস্ত দেশে নারী খৎনার ব্যপকতা সবচেয়ে বেশি সেগুলো হলো মিশর, সেই সাথে সুদানইথিওপিয়া ও মালি-তে। সাম্প্রতিক কালের সংখ্যায় ধারণা করা হয় ৯০% মিশরীয় নারী খৎনার শিকার হয়েছে। সম্প্রতি মিশর নারী খৎনা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি আইন পাস করেছে।
নারী খৎনার চর্চা যখন আফ্রিকানদের মাঝে বিশ্বাসের জোরে প্রকাশ্যে ও ব্যপকভাবে হচ্ছে, তখন মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশে এটির চর্চা হচ্ছে গোপনীয়তার সাথে। বিশেষ করে আরবদের মধ্যে (আফ্রিকান শিষ্টাচারসম্মত নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীগুলো যারা ইনফিবুলেশনকে অধিকতর শ্রেয় মনে করে) সাধারণত সুন্না লিঙ্গাগ্রচ্ছেদ বা খৎনা সম্পাদিত হয়। চর্চাটি সাধারণত ঘটে থাকে বিশেষত উত্তর সউদি আরব, দৰিণ জর্ডান ও ইরাকে। সাম্প্রতিক কালে ইরাকের হাসিরা গ্রামের একটি পর্যবেৰণে দেখা যায় যে, ৬০% নারী ও বালিকা বলেছেন যে তারা এই প্রক্রিয়াটির শিকার হয়েছিলেন। পর্যবেৰণের আগে সেখানে এই প্রক্রিয়াটির কোন শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায় নি। সেখানে আরো কিছু আনুষঙ্গিক প্রমাণ আছে যা বলে, নারী খৎনার চর্চা সিরিয়া, পশ্চিম ইরান এবং দৰিণ তুরস্কেও আছে। ওমানে কিছু সমাজে এখনো নারী খৎনার চর্চা আছে; বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বিশ্বাস করেন এসব ৰেত্রে এগুলোর সংখ্যা কম এবং তা বাৎসরিকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সউদি আরবে এটির চর্চা মূলত সেসকল বিদেশী শ্রমিকদের মাঝে যারা পূর্ব আফ্রিকা ও নীল উপত্যকা থেকে এসেছে।
এটির চর্চা আরো আছে দৰিণ আমেরিকার কিছু নৃ-তাত্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে এবং খুব কম সংখ্যায় ভারতে (দাঊদি বহ্‌রা গোষ্ঠীতে)। ইন্দোনেশিয়ার মুসলিম নারীদের মধ্যে মোটামুটি ভাবে এটির চর্চা খুব সাধারণ। অবশ্য আফ্রিকার সাথে তুলনা করলে প্রায় সবই টাইপ ১ ও ৪। ৪ নম্বর টাইপটি সাধারণত নির্দেশ করে প্রতিকীভাবে সূচ ফোটানোকে যা রক্ত বের করার জন্য করা হয়।
অভিবাসনের মাধ্যমে এটির চর্চা ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকাতেও ছড়িয়ে পড়েছে। কিছু ঐতিহ্যমনা পরিবার তাদের মেয়েদের খৎনার ভেতর দিয়ে যেতে হয় যখন তারা তাদের মাতৃভূমিতে ছুটিতে যায়। যেহেতু পশ্চিমা সরকার নারী খৎনার ব্যপারে খুব সচেতন, তাই তাদের আইনগুলো বহুদেশে নারী খৎনাকে আইনের লঙঘন হিসেবে সাব্যাস্ত করতে সাহায্য করেছে। খালিদ আদেম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম ব্যক্তি যাকে ২০০৬ সালে তার কন্যাকে খৎনা করানোর জন্য শাস্তি প্রদান করা হয়।

সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় রূপ

ইসলাম ও খ্রিস্টান উভয় ধর্মই ঐতিহ্যগত সাংস্কৃতিক নারী খৎনার চর্চার শিকার। খ্রিস্টপূর্ব ১৬৩ অব্দের একটি গ্রিক প্যাপিরাসে উলেস্নখ আছে যে, মিশরীয় মেয়েদের খৎনার ভিতর দিয়ে যেতে হতো এবং এটা ব্যপকভাবে স্বীকৃত যে এটির জন্ম হয়েছিল ফারাওদের আমলে মিশর ও নীল উপত্যকায়। মমি থেকে প্রাপ্ত প্রমাণেও টাইপ ১ ও ৩ নারী খৎনা থাকার প্রমাণ মেলে। এখনো নারী খৎনার চর্চার বিস্তৃতি সম্মন্ধে কিছু জানা যায় না, তবে এই প্রক্রিয়াটির চর্চা এখন মুসলিম, খ্রিস্টান ও সর্বপ্রাণবাদীদের মধ্যে আছে।
যদিও নারী খৎনার চর্চা কিছু বিশেষ ধর্মীয় উপ-সংস্কৃতিতে হয়, তারপরও প্রাথমিকভাবে নারী খৎনা ধর্মকে ছাপিয়ে একটি সাংস্কৃতিক চর্চা। ইউনিসেফ বলে যখন আমরা স্বাধীনভাবে ধর্মের দিকে তাকাই, তখন নারী খৎনার সাথে সাধারণত কোন সংশিস্নষ্টতা খুজে পাওয়া যায় না।” নারী খৎনার সপৰে যেসব যুক্তি ব্যবহৃত হয় তাদের মধ্যে হেরফের হয়, যুক্তিগুলো স্বাস্থ্য থেকে সামাজিক সুবিধা সম্পর্কিত বেশি।
  • পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা
  • সুস্বাস্থ্য বজায় রাখা
  • কুমারীত্ব অক্ষূণ্ন রাখা
  • উর্বরতাশক্তি বাড়ানো
  • ঊচ্ছৃঙ্খলতা প্রতিরোধ করা
  • বৈবাহিক সুযোগ বৃদ্ধি পাওয়া
  • নান্দনিকতার অনুসরণ
  • পুরুষের যৌনক্ষমতা ও সুখ বৃদ্ধি করা
  • সামাজিক ও রাজনৈতিক আসঞ্জনতার প্রবতন করা

Tuesday, July 5, 2011

ইনসেস্ট (Incest)

আপন আত্মীয় স্বজন যাদের সাথে সামাজিক বা ধর্মীয় ভাবে বিবাহ নিষিদ্ধ তাদের সাথে যৌনাচার করাকে ইনসেষ্ট বলা হয়। আপন মাবাবা,ভাইবোনমামাচাচাখালাফুফুনানাদাদানানীদাদীভাগ্নাভাগ্নিভাতিজাভাতিজি সৎ ভাই বোনসৎ মা-বাবা (হিন্দু ও খৃষ্ট ধর্মে আপন চাচাতো / মামাতো ভাইবোন) এদের সাথে বিবাহ ধর্মীয় ভাবে নিষিদ্ধএদের সাথে কোনো অবস্থায় যৌন সম্পর্ক স্থাপনই ইনসেষ্ট হিসেবে গন্য হয়। সাধারণত মাতাল বা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এমনটি ঘটে থাকেএছাড়া চরম যৌন উত্তেজনাকর অবস্থায়অল্পবয়সে একাকী এবং ঘনিষ্টভাবে থাকার কারনেও এমনটি হয়ে থাকতে পারে। পরবর্তীতে পরিণত বয়সে এ জন্য মানুষ কে চরম অনুতপ্ত হতে হয় এবং এজন্য অনেকেই অনেক ধরনের মানসিক ব্যধিতে ভুগে থাকে।

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More