This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label সেক্স সিক্রেট. Show all posts
Showing posts with label সেক্স সিক্রেট. Show all posts

Wednesday, September 14, 2011

চুম্বন আর যৌনতা

যৌনতার সাথে চুম্বনের এক সুগভীর সম্পর্ক! আগেই বলা হয়েছে ঠোঁট দেহের একটা গুরুত্বপূর্ণ এরোজেনাস জোন। ঠোঁটে ঠোঁট মেলানো হলে তা প্রিয়ার মনের মাঝে আবেগ উচ্ছ্বাসের বন্যা বয়ে দেয় না, তা যৌন শিহরণ বোধ জাগায়। স্থান কাল পাত্রভেদে এ শিহরণ অনুভূতি গভীর হতে গভীরতর হতে পারে, এমনকি পাত্র পাত্রীর হৃদয়াবেগ যদি অনেক বেশি তীব্র হয় সেখানে একটা চুম্বন চরমপুলক আশীর্বাদ বয়ে আনতে পারে। ঠোঁটের সপর্শের সাথে মনের আবেগের সম্মিলনে যেন এক যৌন বিস্ফোরণ।
যৌনতার ক্ষেত্রে, চুম্বনের অর্থ হতে পারে রকমারি। ঠোঁটের সাথে ঠোঁট মিলিয়ে যে অনুভূতির প্রকাশ, সে অনুভূতি হতে পারে যৌনমিলন, হতে পারে প্রেম, ভালবাসা, হৃদয়াবন্ধন। মানুষের সবচেয়ে উন্মুক্ত দৈহিক অংশ যে মুখ সেই মুখের পশ্চাতে আড়ালে থাকে মনের সুপ্ত বাসনা। হয়তবা এ কারণে আমাদের সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে চুম্বন অনেকটা দৈহিক মিলন সমপর্যায়ের। যৌনতার ক্ষেত্রে শৃঙ্গার এর গুরুত্ব বর্ণনার দরকার নেই। শৃঙ্গার মানে হলো যৌনসঙ্গম পূর্ববর্তী যৌনলীলা খাতে পাত্র-পাত্রীর শিহরণবোধ পুঞ্জীভূত হয়। অনেক ধরনের যৌন অক্ষমতার ক্ষেত্রে অপর্যাপ্ত শৃঙ্গারকে দায়ী করা হয়। মেয়েদের অর্গাজম না হবার অনেক কারণের মাঝে এটি একটি। শৃঙ্গার মানে তো আসলে মিষ্টি রসালাপ আর চুম্বনলীলা। এতো যৌনতার ক্ষেত্রে একটি ধাপ বা সিঁড়ি। সুতরাং একটা ধাপ বাদ গেলে তো মল লক্ষ্যে বিঘ্ন ঘটানো স্বাভাবিক।
ওরাল সেক্স
চুম্বনের প্রশস্তিগীত গাওয়া হবে অথচ ওরাল সেক্স প্রসঙ্গ আনা হবে না তাতো সেক্স থেরাপিস্টরা ভাবতেই পারেন না। ওরাল সেক্স এক বিশেষ চুম্বনলীলা যাতে ঠোঁটের ছোয়া প্রেয়সীর ঠোঁটকে ছাড়িয়ে খায়। যৌনাঙ্গে চুম্বনের ব্যাপারটা আমাদের দেশে অনেকেই অত্যন্ত নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে থাকেন, যৌনাঙ্গকে ঘিরে নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গিই মলত এর প্রধান কারণ। পাশ্চাত্য গবেষণাতে দম্পতিদের যৌনতায় এর গ্রহণযোগ্যতা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এসব দম্পতিদের চরমপুলক উপভোগ মাত্রাও অনেক বেশি। ওরাল সেক্সে নোংরার যে অভিযোগ আনা হয় তাও পুরোপুরি মেনে নেয়া যায় না। দেহের স্বাভাবিক যে জীবাণু সম্ভার (মরবটফ এফমরট) তার মাত্রা যৌনাঙ্গ অপেরা মুখে অনেক বেশি। বিষয়টা অবশ্য সংস্কৃতিনির্ভর। তবে সময়ের সাথে সাথে এতে পরিবর্তন আসছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
ফরাসি চুম্বন
এইডস যুগে ‘ফরাসি চুম্বন’ প্রসঙ্গ বেশ আলোচিত সমালোচিত। কারণ এটি নাকি এইডস ছড়াতে পারে। সাধারণ চুম্বনে কি এইডস ছড়ায় না? তাহলে সাধারণ চুম্বন হতে এ ফরাসি চুম্বনের বাড়তি বিশেষত্ব কি? আসলে সাধারণ চুম্বনে ঠোঁটের সাথে ঠোঁটের সপর্শ ঘটানো হয়। কিন্তু ফরাসি চুম্বনে কেবলমাত্র ঠোঁটের সপর্শ ঘটে না, জিহ্বাও এতে সক্রিয় ভূমিকা নেয়। জিহ্বার সাথে জিহ্বার মিলন মানে তো লালার আদান প্রদান। ঘাতক এইডস জীবাণু কিন্তু আক্রান্তদের লালাতে ঘুরে বেড়ায়। সুতরাং অসতর্ক হলে বিপদ ঘটে যেতে পারে। এক্ষেত্রে কি ফরাসি চুম্বন একদম বন্ধ করে দিতে হবে? সেক্স নিয়ম হল এটি আপনার অতি নিকটের অন্তরঙ্গ মানুষটির জন্য সংরক্ষণ করুন

যৌন শিহরনে হরমোন এর ভূমিকা

আমরা এতদিন শুনে এসেছি আমাদের মনের যে যৌন শিহরণ বোধ তার মল উৎস হল সেক্স হরমোন; পুরুষদের বেলাতে টেস্টোস্টেরন আর মহিলাদের বেলাতে এস্টোজেন প্রজেস্টেরন। পুরুষ আর মহিলাদের বেলাতে যথাক্রমে শুক্রাশয় আর ডিম্বাশয় এ সেক্স হরমোনের ক্ষরণের দায়িত্ব পালন করে থাকে। এ সেক্স হরমোনের প্রভাবে বয়ঃসন্ধিকালে কিশোর-কিশোরীর দেহে সেকেন্ডারি সেক্স বৈশিষ্ট্যের বিকাশ ঘটে। যৌবনের বন্যা বয়ে যায়। এটি একদম স্বতঃসিদ্ধ।
সাম্প্রতিক গবেষকরা এর পাশাপাশি এক অভিনব নতুন তথ্য দিচ্ছেন। আমাদের মনের যৌনতাড়না বোধ বা লিবিডো এর মল নিয়ামক হলো এ টেস্টোস্টেরন বা টেস্টোস্টেরনজাত ক্ষরণগুলো। শেষোক্তগুলোকে এন্ডোজেনও বলা হয়। এটি পুরুষ আর মহিলা দু’জনার বেলাতেই প্রযোজ্য। লিবিডো শব্দের পারিভাষিক অর্থ হলো যৌন কামনা বাসনা। মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েড এ লিবিডোকে মানবের মল চালিকা শক্তি বলে এমন অভিমতও করেছিলেন। পুরুষ দেহে না হয় শুক্রাশয় হতে ক্ষরিত হয়ে সহজাতভাবে বর্তমান থাকে এ টেস্টোস্টেরন। মহিলা দেহে টেস্টোস্টেরন বা এন্ড্রোজেন আসবে কোথা হতে? তাহলে মহিলাদের লিবিডো নিয়ন্ত্রিত হয় কিভাবে? গবেষকরা মহিলাদের রক্তস্রোতে সক্ষ্ম মাত্রার এন্ড্রোজেনের উপস্থিতি দেখেছেন- এর মাত্রা পুরুষদের তুলনায় হাজার ভাগেরও কম। এত কম মাত্রার এন্ড্রোজেন কি শারীরবৃত্তীয় প্রভাব রাখতে পারে? অথচ পুরুষ আর নারীর লিবিডোর মাঝেতো বিস্তর ফারাক নেই। এতটা সক্ষ্ম মাত্রার এন্ড্রোজেন নিয়ে মহিলারা পুরুষদের সমপর্যায়ের লিবিডোর অধিকারী হলো কিভাবে?
গবেষকরা এ প্রশ্নের জবাব দেন ভিন্ন আঙ্গিকে। গবেষকদের ব্যাখ্যা মহিলা দেহে ক্ষরিত টেস্টোস্টেরন আর এন্ড্রোজেন মাত্রা কম হতে পারে, কিন্তু্তু মহিলা দেহ এর প্রতি অতিমাত্রায় সংবেদনশীল। একারণে সক্ষ্ম মাত্রাও অনেক বেশি শারীরবৃত্তীয় প্রভাব তৈরি করে থাকে, মহিলা দেহের এড্রিনাল কটেক্স নামের হরমোন গ্রন্থ্থি হতে এ এন্ড্রোজেন ক্ষরিত হয়। (পুরুষ আর মহিলা উভয়ের বেলাতে ডান বা বাম উভয় বৃক্কের উপরিভাগে এড্রিনাল কটেক্স হরমোন গ্রন্থ্থি  বিদ্যামান।) পাশাপাশি ডিম্বাশয় নিজেও সামান্য মাত্রার টেস্টোস্টেরন ক্ষরণ করে থাকে।
এ সাম্প্রতিক উদ্ভাবিত তথ্যের ব্যবহারিক প্রয়োগ হচ্ছে রজনিবৃত্তি পরবর্তী হরমোন থেরাপিতে। রজনিবৃত্তিকালে অনেক মহিলা যৌন ইচ্ছে কমে যাবার কথা বলে থাকেন। সাম্প্রতিককালে মহিলাদের রজনিবৃত্তিকালীন হরমোন থেরাপিতে ইস্ট্রোজেন আর প্রজেস্টেরন পাশাপাশি পুরুষ সেক্স হরমোন টেস্টোস্টেরন নেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। এতে নাকি হরমোন থেরাপির উপযোগিতা অনেক বেশি বেড়ে যেতে দেখা গেছে।

পর্দার অন্তরালে (পায়ুকাম চর্চা )

পঞ্চাশের দশক হতে আলফ্রেড কিসে মানুষের যৌনাবরণের উপর যে গবেষণা শুরু করেছিলেন, তা আমাদের সামনে প্রতিনিয়ত নানান নতুন নতুন তথ্য উন্মোচিত করছে। তা আমাদেরকে এমন সব তথ্যের মুখোমুখি করছে যার অনেকগুলো আমরা কখনো কল্পনাতেই আনিনা। হোমোসেক্সুয়ালিটি বা সমকামিতা সম্পর্কে আপনার ধারণা কি? সবারই একদম বদ্ধমল বিশ্বাস সমকামিরা পায়ুকাম চর্চা করে থাকে আর এটিই তাদের একমাত্র যৌনতা। যৌনসমীক্ষকদের চালানো গবেষণাতে দেখা গেছে, পায়ুকাম কিন্তু্তু সমকামিদের মুখ্য বা একমাত্র যৌনতা নয়, যে যৌনতা তাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তা হল মাস্টারবেশন পক্রিয়াতে পরসপরকে উত্তেজিত করে তোলা। এটিকে যৌন বিজ্ঞানের পরিভাষাতে ‘মিউচুয়াল মাস্টারবেশন’ বলা হয়। সমীক্ষণে আরেকটি লক্ষণীয় দিক হলো পায়ুকাম চর্চা কেবলমাত্র সমকামীদের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়, সাধারণ দম্পতিদের অনেকেই এটির কমবেশি চর্চা করে থাকেন। অন্তত গবেষণাতে এটি দেখা গেছে। সমকামীদের যে পারসপরিক স্বমেহন বা মিউচুয়াল মাস্টারবেশনে- এটিতো পুরুষ আর নারী সমকামী দু’জনার বেলাতে সমভাবেই চর্চা করতে দেখা যায়। নারী সমকামিদের বেলায়তো পায়ুকামের কোনো অবকাশ নেই, সুতরাং ওদের নিয়ে আমাদের ধারণাটি নিয়ে পুনর্বার বিবেচনা করা উচিত।


সাধারণদের মাঝে যারা এ পায়ুকাম চর্চা করে থাকেন তারা কারা? তাদের সংখ্যাই বা কেমন? আমেরিকার বহুল প্রচারিত নারী পত্রিকা বেডবুক ম্যাগাজিন পরিচালিত গবেষণাতে এক লক্ষ মহিলার সমীক্ষণ নেয়া হয়। এতে অংশ নেয়া মহিলাদের তেতালিস্নশ শতাংশ স্বীকার করেছে তারা দাম্পত্য যৌনতায় অন্তত একবার এটির চর্চা করেছেন। যারা এটির চর্চা করেছেন তাদের চলিস্নশ শতাংশের অভিমত- এ পায়ুকাম যৌনতা বেশ উপভোগ্য, অন্তত ভিন্ন স্বাদের। পঞ্চাশ শতাংশের ভাষ্য-তারা এর মাঝে কোনো বিশেষ স্বাদ পাননি। দশ শতাংশের অভিমত তারা নিতান্ত অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কেবলমাত্র স্বামীদের পীড়াপিড়িতে এতে প্রবৃত্ত হয়েছিলেন। এ সমীক্ষণ তথ্য আশা করি পাঠকদের পর্দার অন্তরালের কিছু তথ্য সম্পর্কে অবগত করে তুলবে।

গোপন এক স্পট!


অপরাধ জগত, কালোবাজার বা খুন রাহাজানির কোনো গোপন সপট এটি নয় অথবা নয়নাভিরাম সৌন্দর্যমন্ডিত কোনো পিকনিক সপট এটি নয়। ডঃ লাডাস, ডঃ পেরি আর ডঃ ইতপলি নামের তিনজন গবেষক এ সপটকে বিশ্বজনতার কাছে পরিচিত করে তোলেন। নারী দেহ মানচিত্রে এর অবস্থান। অবশ্যই গোপনীয় কারণ গোপনাঙ্গে এর অবস্থিতি। কৌতূহল মানব মনে এ সপটের আবিষকার তোলপাড় করে তোলে সারা বিশ্বজুড়ে। এ সপটের নাম ‘জি সপট’ সাংকেতিক নাম। গবেষক নারী যৌনাঙ্গের যোনি গাত্রে লুকানো অতিমাত্রায় সংবেদনশীল জায়গা খুঁজে পান। যখন যৌনাঙ্গের এ অংশটি উদ্দীপিত করা হয় তা নারীর মাঝে চরমপুলকের অনুভূতি আর শিহরণ জাগায়। গবেষকত্রয় এর অবস্থানের একদম সক্ষ্ম হিসেব বাতলে দিয়েছেন-এটি যোনির অগ্রবর্তী গাত্রের মাঝে অবস্থান করে যা মুখ হতে পাঁচ সেঃমিঃ পরিমাণ ভেতরে থাকে। আকারে শিমের বিচির মত হলেও যৌন উত্তেজনায় এর আকার বেড়ে যায়। এ সপটের আবিষকার এতদিনকার প্রচলিত নানা তত্ত্বকে পাল্টে দিয়েছে। অর্গাজমকে ঘিরে মনোগবেষক সিগমন্ড ফ্রয়েড দেয়া যে তত্ত্ব আলফ্রেড কিংসে পঞ্চাশের দশকে বাতিল করে দেন আশির দশকে এ জি সপট আবিষকার ফ্রয়েড তত্ত্বকে নতুন গ্রহণযোগ্যতা দান করেছে। এতো গেলো এক দিকের ব্যাপার। অপরদিকে যৌন সমীক্ষকদের মাঝেও এ নিয়ে চলছে তুমুল বিতর্ক। একদল তো এ সম্পর্কিত সপটের উপস্থিতিই মানতে রাজি নন। অন্যদের অভিমত নারী যৌনাঙ্গে এ জি সপট থাকতে পারে কিন্তু্তু সবার মাঝে নেই। এক গবেষক মাত্র দশ শতাংশ মহিলাদের বেলাতে এর উপস্থিতির কথা বলেছেন। অপর একদল বলেন প্রতি তিনজনে দু’জন মহিলার বেলাতে এর উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায়। গবেষকত্রয় এ নানান বিতর্ক সম্পর্কে অভিমত দেন ঠিক এভাবে কোনো নারীর যৌনাঙ্গে এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রব্য করতে গেলে প্রথমেই দেখতে হবে তার যৌন দৃষ্টিভঙ্গি আর যৌন সচেতনতা কেমন? এ কারণেই যতই দিন যাচ্ছে এ বিশেষ সপট অধিকারিনী নারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। এবার নামের রহস্য? এত নাম বাদ দিয়ে জি সপট নাম হলো কেনো? জি নামেরও রহস্য আছে কারণ গ্রাফেন বাজ নামের একজন ফরাশী গাইনোকলজিস্ট সর্বপ্রথম এর ধারণা দিয়েছিলেন। গ্রাফেনবাজ পুরুষ ছিলেন নারী নন।

Monday, August 1, 2011

যৌন মিলনের তৃপ্তি

কিছুদিন আগেই বৃটেনে সেক্স নিয়ে একটা সমীক্ষা চালানো হযেছিল৷ সমীক্ষার মূল বিষয়টা ছিল দম্পতিরা কোন সময়ে তাদের যৌন মিলনে পরম তৃপ্তি লাভ করেছেন? এতে বিভিন্ন প্রেমিক-প্রেমিকা এবং দম্পতিদের মতামত ভোটের মাধ্যমে জানা হয়৷ এতে বেশীরভাগই জানিয়েছেন একসঙ্গে চার বছর কাটানোর পরেই তারা জীবনে যৌন মিলনের চরম তৃপ্তিটা লাভ করেছেন৷ এই সমীক্ষায় মোট 3000 ভোট পড়েছে৷
এতে এক চতুর্থাংশ এর মতে কয়েক বছর একসঙ্গে কাটানোর পরেই তারা শারীরিক মিলনের ক্ষেত্রে বেশী পারদর্শী হতে পেরেছেন৷ অপরদিকে 60 শতাংশ মানুষ জানিয়েছেন তারা এখনও নতুন জিনিস শেখার চেষ্টা করছেন৷ এক দশমাংশের মতে বিয়ের পরেই যৌন মিলনের বিষয়ে তারা বেশী পরিমাণে শিখতে পেরেছেন৷
এই প্রসঙ্গে সার্ভের অধিকর্তা জানিয়েছেনসেক্স হল জীবনের অন্যান্য সম্পর্কের মত একটা অংশ৷ সময়ের উপরেই এর বৃদ্ধি এবং উন্নতি নির্ভর করে৷

Sunday, July 31, 2011

দৈহিক মিলনে উত্তেজনার চারটি ধারা

নারী এবং পুরুষ যখন দৈহিক মিলনে উপনিত হয়, তখন উভয়ের শরীরে দৈহিক উত্তেজনা চলে আসে নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই এই উত্তেজনার চারটি ধারা হলো-
উত্তেজনার ধারা।
যৌনমিলনের ধারা।
চরমপুলকের ধারা।
শিথিলতার ধারা।
উত্তেজনার স্তরে পুরুষ এবং নারী একে অন্যের স্পর্শে বা আদরে উত্তেজিত হতে পারে। উত্তেজনার ধারাটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ যৌন আনন পাবার ক্ষেত্রে। যদি কেউ যৌনমিলনের আগে পূর্ণাঙ্গ উত্তেজিত না হয় তবে যৌন চরমপুলক সে পুরোপুরি পায় না। এজন্য উত্তেজিত হবার দরকার আছে। নারীর সাধারণত পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে যৌনমিলন পছন্দ করে। কেননা এই সময়ে শরীর অবসন্ন থাকে এবং নারীর স্তন যৌনকাতর হয়ে উঠতে পারে। স্বাভাবিক ভাবে যৌনমিলনের ক্ষেত্রে পুরুষ এবং নারী উভয়ের যৌন উত্তেজনার মাত্রা বাড়তে থাকলে এক সময় উভয়েই চূড়ান্ত মিলন আশা করে। নারীর নিতম্ব, স্তন, স্তনবৃন্ত এবং যোনি মিলনের আনন্দে উত্তেজিত হয়ে উঠে। এই পর্যায়ে পুরুষের লিঙ্গ দৃঢ় হয় এবং লিঙ্গ যৌনমিলনের জন্য উন্মুখ হয়ে উঠে। জেনে রাখা ভালো যে কোনো কোনো নারী যৌনমিলনের আগে উত্তেজনার স্তরেই তার যৌনি থেকে তরলের রণ হতে পারে। এটা নারী যে উত্তেজিত তার প্রমাণ এবং এটি যৌনিকে পিচ্ছিল করে তোলে, যাতে করে লিঙ্গ চালনা সহজ হয়। পুরুষের লিঙ্গের মাথাতেও এই সময় সাদাটে পানির মতো পদার্থ বের হতে দেখা যায়। থেকে বোঝা যায় যে পুরুষ যৌন উত্তেজনার চরমে উঠেছে এবং পর্যায়ে পুরুষও নারী চূড়ন্ত যৌনমিলনে স্তরে পুরুষের লিঙ্গ নারীর যোনির ভেতর চালনার ফলে নারীর যৌন আনন্দ ঘনিভূত হয়। এবং এই পর্যায়ে পুরুষের র্বীযপাত হবার সম্ভাবনা দেখা দেয়। পুরুষ মোটামুটি ভাবে নারীর যোনিতে অর্থা প্রবেশের পর থেকেই যৌন আনন্দ পায়। প্রথম প্রথম যৌনমিলনের সময় নারীর যৌনাঙ্গে ব্যথার সৃষ্টি হলেও পরে অবশ্য তা এমনিতেই কেটে যেতে পারে। যৌনমিলন যখন চলতে থাকে তখন উভয়েরই শারীরিক এবং মানসিক অবস্থা চূড়ান্ত উত্তেজিত পর্যায়ে পোঁছে যায়। এই সময়ে নারীর এবং পুরুষের শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত এবং রক্ত চলাচলের গতি বেড়ে যায়। এরপর চরমপুলকের ধারায় পুরুষ এবং নারী যৌন আনন্দ পায়। পুরুষের মতো নারীর বীর্যপাত না হলেও তার যোনির ভেতরে তরলের রণ হয়। পুরুষের বীর্যপাত ঘটলে তার চরমপুলক এসে যায়। কোনো কোনো নারী একবার যৌনমিলনেই কয়েকবার যৌন আনন্দ লাভ করে। একে মাল্টিপোল অর্গাজম বলে। কিন্তু পুরুষের ক্ষেত্রে রকম ঘটতে দেখা যায় খুব কম। পুরুষের বীর্যপাত হলে তার লিঙ্গ শিথিল হয়ে পড়ে এবং নারীর যোনি ধীরে ধীরে শুষ্ক হয়ে উঠতে থাকে। এই পর্যায়ে শিথিল ধারায় আবির্ভাব ঘটে। অর্থা পুরুষ এবং নারী উভয়ের দেহই শিখিল হয়ে পড়ে। কেননা যৌনমিলনের সময় যে শারীরিক এবং মানসিক গতির সঞ্জার হয় তা ধীরে ধীরে কমে আসে এবং সেই সাথে হৃদপিন্ডের ক্রিয়া শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি স্বাভাবিক হয়। চরমপুলকের পরে পুরুষ এবং নারীর দৈহিক শিখিলতা অবস্থা শারীরবৃত্তীয় স্বাভাবিক কারণ সংঘটিত হয়। পুরুষ এবং নারী শিথিল অবস্থার পরবর্তী সময়ে আবার যৌনমিলনের জন্য উত্তেজিত হয়ে উঠতে পারে নারীর ক্ষেত্রে যৌনমিলনের আনন্দ কোনো কোনো সময় খুব বেশি কাঙিত আবার কোনো কোনো সময় ততোটা কাঙিত হয় না। পুরুষের ক্ষেত্রে অবশ্য কোনো শারীরিক এবং মানসিক চাপ না থাকলে পুরুষের যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়

যৌনমিলনে চরমপুলক

চরমপুলক হলো যৌনমিলনের মূল কথা চরমপুলকের মাধ্যেমে নারী এবং পুরুষের দেহ যৌনানন্দ লাভ করে। নারীর সাথে পুরুষের দৈহিক মিলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে চরমপুলক ব্যাপাটি সংঘটিত হয়ে থাকে। চরমপুলকের আগে নারী এবং পুরুষ যৌনক্রিড়া এবং যৌনমিলনে অংশ নেয়। যৌনমিলনের একেবারে শেষ ধাপ হলো চরমপুলক। শারীরিক আনন্দের চরমপর্যায়ে উভয়ের শরীর শিথিল হয়ে আসে। এই সময় স্নায়ু চাপ একেবারে কমে যায়। চরমপুলক হলে পুরুষের বীর্যপাত হয় এবং নারীর যোনি ভিজে যায়। উভয়ের মধ্যেই চরমপুলকের পর মানসিক ৎফুল্লতা বিরাজ করে। চরমপুলক নারী এবং পুরুষের একসাথে আবার আগে পরে হতে পারে। এটি নির্ভিক করে যৌনমিলনের কৌশলের উপর। একেক দম্পতি একেক কৌশলে যৌনমিলনে রত হয়। ফলে চরমপুলকের ক্ষেত্রে বিভিন্নতা পরিলতি হওয়াই স্বাবাভিক

Sunday, July 24, 2011

দি আর্ট অব সেক্সুয়াল এক্সটাসি-2

প্রস্তুতি
এই অনুশীলনের জন্য তরতাজা শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রয়োজন। সুতরাং শুরু করার পূর্বে কিছুটা সময় নিন; দাঁত ব্রাশ করুন এবং জিহ্বার উপর কয়েক ফোঁটা পুদিনার সুঘ্রাণ রেখে দিন।
অনুশীলন
একে অন্যের মুখোমুখি হয়ে বসুন। জাপানি স্টাইলে হাঁটু গেড়ে বসুন। শরীরকে ঢিলা করুন এবং পেটকে ঢিলেভাবে ঝুলে থাকতে দিন। আপনি আপনার সঙ্গীর সাথে একটা শ্বাস-প্রশ্বাসের যোগাযোগ তৈরি করতে যাচ্ছেন সুতরাং এই সমস্ত পদ্ধতিটাতেই মুখ দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস করুন। কয়েক মুহূর্তের জন্য একে অন্যের দিকে তাকান। তারপর অন্তরের অভিবাদন জানান। চোখ দুটো ব করুন। বস্তির দোলদোলা শুরু করুন এবং তা তিন মিনিট পর্যন্ত চালু রাখুন। যখন আপনাদের মনে হয় আপনারা একটা উত্তম ছন্দে পৌঁঁছতে পেরেছেন এবং নিজেদের মধ্যে কেন্দ্রস্থ অনুভব করছেন তখন চোখ খুলুন, একে অন্যের দিকে তাকান কিন্তু বস্তিদেশের দোলদোলা চলতেই থাকবে। এতো তাড়াতাড়ি বস্তিদেশের দোলদোলায় ঐকতান আনার প্রয়োজন নেই। নিজেকে যে কোনো প্রকার সমালোচনার বা তুলনার ভয়ভীতি থেকে অনাক্রান্ত রাখুন ‘সে আমার চেয়ে ভালো করছে’ অথবা ‘আজ আমার চেহারাটা ভালো দেখা যাচ্ছে না’ যা আপনার মনে উঁকি দিচ্ছে এটা একটা হাস্যরসিকতাপূর্ণ একটা ভাব গম্ভীরহীন অনুশীলন। যেনো আপনারা এক শিশু দম্পতি আনন্দ করছেন অথবা ঘোড়ায় চড়া খেলছেন। যখন আপনারা সহজবোধ করেন তখন নিজেদের মধ্যে ছন্দের ও শক্তির গ্রন্থনা শুরু করুন।
পথের সান করুন কিভাবে দোলদোলার সমতায় পৌঁছে এক সাথে শ্বাস-প্রশ্বাস ও দোলদোলা চালিয়ে যেতে পারেন। এ বিষয়ে সজাগ থাকুন যে, কার শ্বাস-প্রশ্বাস দীর্ঘ বা হ্রস্ব হচ্ছে এবং একে অন্যের জন্য কিছুটা ছাড় দিন, সুতরাং যাতে করে দুজনেই একটা সমতার ছন্দে পৌঁছাতে পারেন যেটা হবে আরামদায়ক ও সুখপ্রদ। নিজেদের ইচ্ছা মতো সময় নিন এবং শিথিল থাকুন। এই অভ্যাসের সময় কোনো বিষয়ে বুঝতে অসুবিধা হলে কখনো তা বলতে লজ্জাবোধ করবেন না, যেমন আপনি বা তুমি একটু পো করো বা তুমি কি একটু আস্তে করতে পার? অথবা অনুগ্রহ করে তোমার শ্বাস-প্রশ্বাসকে আমার সাথে মিলাও। তারপর সন্নিকটে সরে আসুন এবং একে অন্যের হাত ধরুন। এই পদ্ধতির মধ্যে একে অন্যের সাথে একটা বিশ্বাসের অনুভব গড়ে তুলুন। আপনার অন্তরের মধ্যে আপনার সঙ্গীর জন্য একটা জায়গা করে নিয়ে একাত্মতাবোধ করতে পারেন কি না দেখুন। আত্মদর্শনের ধ্যান শুরু করুন যেটা আপনারা শিখেছেন ৪র্থ অধ্যায়ে। একে অন্যের চোখে চোখ রেখে এক সাথে শ্বাস গ্রহণ করুন, আপনাদের বস্তিদেশসমূহকে পেছনের দিকে দোলা দিন এবং অনুভব করুন যে আপনার সঙ্গীকে যেনো ‘পান করে’ নিজের মধ্যে নিয়ে নিচ্ছেন। একসাথে শ্বাস ত্যাগ করুন এবং আপনাদের বস্তিদেশসমূহকে সামনের দিকে দোলা দিন এবং অনুভব করুন যে, আপনি যেনো নিজেকেই নিজের শক্তি সামর্থ্যকেই আপনার সঙ্গীর মধ্যে দিয়ে দিচ্ছেন। এভাবে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত চালিয়ে যান।
উল্টানো শ্বাস-প্রশ্বাস
যখন আপনারা একটা আনন্দপ্রদ চলাচল গঠন করতে পেরেছেন তখন শ্বাস-প্রশ্বাস এর পদ্ধতি উল্টো করে চেষ্টা করুন। সঙ্গী ‘ক’ তার পেলভিককে পেছনের দিকে নিয়ে শ্বাস গ্রহণ করবেন এবং পিসি মাসলকে সংকুচিত করবেন এবং কল্পনা করবেন যে তার পুরুষ সঙ্গীর ‘খ’ এর শক্তিকে তিনি পান করছেন। একই সময়ে সঙ্গী ‘খ’ শ্বাস ত্যাগ করবেন সামনের দিকে দোলা দেবেন। পিসি মাসলকে শিথিল করবেন এবং তার শক্তি সঙ্গী ‘ক’ এর মধ্যে ঢেলে দেবেন। এই উল্টানো শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে আপনারা যখন সামঞ্জস্যে পৌঁছে যাবেন, মনে করুন যেনো আপনারা শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ভালোবাসা করছেন। ভালোবাসা করছেন দৃষ্টি ও চলাচলের মাধ্যমে। সঙ্গী ‘খ’ যখন আপনি শ্বাস ত্যাগ করবেন মনে করুন আপনি যেনো ঠোঁট বাঁকা করে আপনার সঙ্গী ‘ক’-এর চারদিকে একটা চুনো উড়িয়ে দিচ্ছেন এবং তার ঠোঁটের দিকে বাতাস প্রবাহিত করে দিচ্ছেন, যেভাবে একটা বড় খড়ের মধ্য দিয়ে বাতাস প্রবাহিত করে দিচ্ছেন। অনুভব করুন যে আপনি আপনার শ্বাস-প্রশ্বাস, আপনার শক্তি, আপনার ভালোবাসা সবকিছু তার মধ্যে ফুক দিয়ে প্রবেশ করিয়ে দিচ্ছেন।
সঙ্গী ‘ক’ যখন আপনি শ্বাস গ্রহণ করা শুরু করেন তখন অনুভব করুন সঙ্গী ‘খ’ এর শ্বাস আপনার দিকে প্রবাহিত করে দেয়া হচ্ছে এবং সেটাকে ভেতরে গ্রহণ করুন। যেমন আপনি তাকে পান করতেন। আপনার শ্বাসের সাথে আপনার সঙ্গীর শ্বাসটাও ভেতরে নিন। আপনার গলার মধ্য দিয়ে প্রবেশ করিয়ে ভেতরের বাঁশির সংযোগে বুকের মধ্য দিয়ে মধ্যচ্ছদা হয়ে নাভি, তলপেট হয়ে নিচে একদম যৌনাঙ্গের মধ্যে নিয়ে যান।
শ্বাস গ্রহণ শেষ হয়ে গেলে এক মুহূর্তের জন্যে সেটাকে সেখানে ধরে রাখুন, তখন পিসি মাসলকে টাইট করে রাখবেন শ্বাস ত্যাগ করার সময় আপনার বস্তিদেশকে সামনের দিকে দোলা দিন এবং কল্পনা করুন যে আপনার যৌনাঙ্গের মধ্যে যে শক্তি সঞ্চিত ছিল তা ভেতরের বাঁশির মধ্য দিয়ে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে এবং মুখের মধ্য দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে এবং তা গিয়ে সঙ্গীর ঠোঁটে উড়ে পড়ছে, যিনি পর্যায়ক্রমে তা গিলে খেয়ে ফেলছেন বা শ্বাসের মধ্য দিয়ে ভেতরে টেনে নিচ্ছেন। এটা পাঁচ মিনিট পর্যন্ত চালিয়ে যেতে থাকুন। অনুভব করুন যে আপনি একজন আন্তরিক বুর সাথে একটা শক্তিকে একই অনুভূতিকে একটা অন্তরকে ভাগ করে উপভোগ করছেন। আমি এটা ‘আত্মার চুম্বন’ (The kiss of the spirit) বলে আখ্যা দিতে পছন্দ করি।
কারণ এটা এতই সূক্ষ্ম এবং উন্নততর কম পক্ষে হলেও পাঁচ মিনিট পর্যন্ত চালিয়ে যান খুবই আস্তে এবং শান্তভাবে। শ্বাস-প্রশ্বাসকে গভীর এবং শরীরকে শিথিল হতে দিন। আপনার উন্নতির সাথে সাথে দোলদোলার ছন্দ এবং লয় বাড়িয়ে বা কমিয়ে দিতে পারেন। আপনার আবেগকে অনুসরণ করুন। শুধু ঘটে যেতে দিন নিজের শক্তিকে নিজে অনুসরণের চেষ্টা করুন। তারপর ধীর গতিতে আসুন এবং দোলদোলা ব করে দিয়ে শেষ প্রান্তে চলে যান। চোখ ব করুন এবং এক মিনিটের জন্য আপনার মনোযোগ শরীরের মধ্যে নাভির নিচে তলপেটের একটা কেন্দ্রে ফোকাস করুন এটাই আপনার শক্তি কেন্দ্র। একজন সঙ্গীর সাথে যখন অভ্যাস শেষ করেন তখন এটা জরুরি যে আপনাদের একত্রতা থেকে নিসঙ্গতার দিকে চলে যান, যাতে করে আপনি স্বাধীনভাবে অন্যের ছাড়া নিজের ব্যক্তিত্ব ও ক্ষমতা অনুভব করতে পারেন। অনুভব করুন কিভাবে আপনার শক্তি পরিবর্তিত হয়েছে এবং প্রসারিত হয়েছে, কারণ এই অনুশীলনীতে আপনি এটা আপনার সঙ্গীর সাথে ভাগ করে উপভোগ করেছেন।
সবশেষে একটা অন্তরের অভিবাদন লেনদেন করুন। আপনারা কি অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন সে বিষয়ের উপর আলোচনা করতে ১৫ মিনিট সময় নিন। বর্ণনা করুন যে, শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে দু’জনের মধ্যে একটা সূক্ষ্ম আন্তরিকতার সৃষ্টি হয়েছে কি না। শ্বাস-প্রশ্বাস করাটা খুব কঠিন না খুব কোমল হয়েছিল; আপনাদের শ্বাস-প্রশ্বাসের ছন্দ সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল কি না। যদি আপনারা কোনো কষ্ট বা অসুবিধার সমমুখীন হয়ে থাকেন-যেমন ধরুন, শ্বাস-প্রশ্বাসের ছন্দের মধ্যে পার্থক্য যেটা আপনারা ঐকতানে আনতে পারেননি- সে বিষয়ে কথা বলুন, আলোচনা করুন সেটা থেকে আপনারা কি শিখলেন এবং কিভাবে পরবর্তী সেশনে সেটাকে পরিবর্তন করতে পারবেন। এই পর্যালোচনাটা ইতিবাচক মন্তব্য দিয়ে শেষ করুন। একে অপরকে বলুন কোন কোন জিনিস এই বিনিময়ের মধ্যে আপনাদের বেশি পছন্দ হয়েছে বা ভালো লেগেছে।

নির্দেশিকা
আপনি এই অনুশীলনীতে যদি সরাসরি শ্বাস-প্রশ্বাস বিনিময় করতে না চান তাহলে নাক দিয়ে শ্বাস নিন। অথবা আপনি আপনার সঙ্গীর পাশে মিশে বসতে পারেন। আপনার ঠোঁট আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর ডান কানের কাছে রাখুন এবং কানের মধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস করুন যাতে করে আপনি শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি প্রবাহ শুনতে ও অনুভব করতে পারেন। হঠাৎ করে কমন রিদম-এ পৌঁছে যাওয়া সবসময় হয়ে ওঠে না। এর জন্য প্রয়োজন ঘন ঘন অনুশীলনের। যদি নিজেকে উত্তেজনায় কঠিন মনে হয়, অধৈর্য অথবা ভয়ানক মনে হয়; তাহলে এর অর্থ এই দাঁড়াবে যে আপনি কৌশলটির উপরে অত্যধিক বেশি মনোযোগ দিয়ে ফেলেছেন এবং ক্রিয়াকর্মের লাক্ষণিক জটিলতায় (Performance Syndrome) এ সঠিকভাবে কাজ করতে গিয়ে জড়িয়ে পড়েছেন। এই টানটান অবস্থার মধ্যে কোনো কিছুই হচ্ছে না। আরাম করুন একটু অবসর নিন, আপনার হাস্য কৌতুক ও স্বতঃস্ফূর্ততার জ্ঞান পুনরায় ফিরিয়ে আনুন এবং নতুন করে আবার শুরু করুন।
এই অধ্যায়ে আপনি আবিষকার করেছেন যে, কিভাবে আপনার যৌন শক্তিকে ভেতরের বাঁশির সহায়তা চক্রসমূহের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত করে উপরে নিচে আনা নেয়া যায় এবং কিভাবে পিসি পাম্পের মাধ্যমে আপনার যৌনপুলক শিহরণ শক্তিকে আরও বেশি উত্তেজক ও প্রসারক করতে সমর্থ হন। এছাড়া আরো আপনি দেখতে পেয়েছেন যে, যৌন শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে আপনি সমস্ত দেহের মধ্যে একটা যৌনপুলক শিহরণ এর সৃষ্টি করতে তাদেরকে র্রে র্রে ছড়িয়ে দিতে এবং সমস্ত পথ অতিক্রম করে মস্তিষক পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারছেন। যার ফলে অন্তরের ভালোবাসার জাগরণ ঘটিয়ে তাকে উৎফুল্ল ধ্যানমগ্নতার ইন হিসেবে ব্যবহার করতে পারছেন। আপনি আরো আবিষকার করেছেন যে কিভাবে আপনার সঙ্গীর সাথে একত্রে প্রথম পদক্ষেপেই শক্তিকে ভেতরের বাঁশির মধ্য দিয়ে একটা যৌথ সাধারণ ছন্দে প্রবাহিত করা যায়। এটা জেনে আপনি অনুপ্রেরণা লাভ করতে পারেন যে উঁচু শ্রেণীর তন্ত্র মতে দেহের মধ্য দিয়ে শক্তিকে উপরের দিকে প্রেরণের এই অভ্যাসকে দেখা হয় শেষ মুহূর্তে শিব ও শক্তির মিলন হিসেবে। শক্তি হচ্ছে বিশ্বব্রহ্মান্ডের বা জাগতিক শক্তির প্রতীক যা কুন্ডলিনী বেশে মেরুদন্ডের মূলে বসবাস করে। আর শিব হচ্ছে স্বর্গীয় আত্মজ্ঞানের মূলতন্ত্র। সে বাস করে মাথার চাঁদির মধ্যে। মেরুদন্ডের মূল থেকে কুন্ডলিনী শক্তির ভাইটাল এনার্জিকে প্রত্যেকটি চক্রের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করে বা চালিয়ে নিয়ে চাঁদি চক্র পর্যন্ত পৌঁছিয়ে নারী ও পুরুষের দুটি মেরু একত্রিত হয় এবং একটা স্বর্গীয় মহানন্দ লাভ করে।
পরবর্তী অধ্যায়ে আসছে আত্ম আনন্দের অনুষ্ঠান। তখন আপনার সুযোগ হবে পূর্ববর্তী অনুশীলনগুলোকে একত্র করে অভ্যাস করার এবং আত্ম আনন্দের মধ্যদিয়ে যৌনতার সূচীতে পৌঁছে যাওয়ার। প্রত্যেকেই হস্তমৈথুন বা আত্ম আনন্দ সম্ব েঅবগত আছেন। কিন্তু কেউ কখনও ভেবেছেন যে, এটা একটা আরোগ্য লাভের কৌশল উপকরণ হতে পারে? সপ্তম অধ্যায়ে আপনি এই অভ্যাসগুলোকে ব্যবহার করুন যা এখানে শিখেছেন তাতে আপনার প্রেমোদ্দীপনা ও আনন্দ অনেকাংশে বেড়ে যাবে। আর আপনি আবিষকার করতে পারবেন যে আত্ম আনন্দ হচ্ছে আপনার ভেতরের প্রেমিককে জাগানোর অন্যতম কৌশল।
আত্ম-আনন্দ লাভের অনুষ্ঠান
আপনার মনে আছে কি, প্রথমবারের জন্য যখন আপনি আবিষকার করলেন যে যৌন অনুভূতিটা কতো আনন্দদায়ক হতে পারে? একজন বালিকা হিসেবে, আপনি কি স্মরণে আনতে পারছেন যে, কোনো গাছে ওঠার সময় দুই পায়ের মাঝে গাছের জালের ঘষায় একটা বিদ্যুৎ প্রবাহের মতো স্নায়বিক উত্তেজনা, উষ্ণ এবং জীবন্ত অনুভূতি লাভ করেছিলেন? অথবা আপনি কি মনে করতে পারেন যে নির্দোষভাবে কখনো আপনার গোসলের সময় গরম সাওয়ার (ঝর্ণা) টার নজেলটি আপনার পিউবিস (Pubis) এর উপর ধরেছেন এবং সেই ঝর্ণার গরম জল পিউবিসের উপর দিয়ে গড়িয়ে আপনার ভগাঙ্কুর এর উপর (Clitoris) পড়ে একটা উষ্ণ অনুভূতি জেগেছে, কতো সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্মভাবে অপ্রত্যাশিত আনন্দ শিহরণ! ছেলে হিসেবে আপনি হয়তো কখনো অনুভব করেছেন স্কুলে ডেক্স এর পেছনেই আপনার শিশ্নটি উষ্ণতায় শক্ত হয়ে উঠেছে এবং জীবনে প্রথমবারের মতো আপনি সেটাকে ছুঁয়ে দেখেছেন। আপনার শরীরের রক্ত দৌড়াদৌড়ি করছিল, আপনার শক্তি চামড়ার মধ্য দিয়ে ফেটে পড়ছিল এবং বলছিল ‘হ্যালো! আমি এখানে আছি, এবং আমাকে যখনই তুমি সপর্শ করবে আমি তোমাকে আনন্দ পাইয়ে দেব।
আমার সেমিনারে যোগদানকারী অনেক লোকই এই বালক বয়সের নির্দোষ আনন্দঘন মুহূর্তগুলোর কথা স্মরণ করেন, যখন প্রথম জীবন নৃত্যের বুত্বপূর্ণ আহ্বানে সাড়া দিয়েছিলেন। কিন্তু তা হতে পারে না, তা হওয়া উচিত নয়। এটা বড়দের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। এটা ছিল ভয়াবহ। না বলা ভয় এই ছিল যে, যৌন অঙ্গ সমূহই ভয়ানক ধরনের ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে যা একটা লাগামহীন সহজাত আবেগ এবং অনুভূতি যাকে কঠিন বাধা নিষেধের মধ্যে রাখতে হবে। অতএব আমাদের ওস্তাদগণ আমাদের মাতা-পিতা, আমাদের ধর্মযাজক ও স্কুল শিক্ষকগণ যৌন অঙ্গসমূহ সম্বন্ধে খারাপ মতামত প্রদান করতেন। ফেলে দেয়া অথবা একটি জীর্ণ শীর্ণ দেহের এই অঙ্গসমূহকে উৎসাহজনকভাবে দোষারোপ করা হয়েছে এবং যার ফলশ্রুতিতে তাদেরকে অশিষ্ট, বীভৎস নাম দেয়া হয়েছে যেমন- ছুঁচলো যন্ত্র, হাড়, পুরুষের অঙ্গের জন্য এক চক্ষু পাজামা-সাপ। স্ত্রীদের যৌনাঙ্গকে বলা হয়েছে-চেরা গর্ত, কান্ট (Cunt) নিশ্লেষণ যন্ত্র, পুসি ইত্যাদি। তাদের মর্যাদাকে অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের শক্তিকে নিষ্পেষিত করা হয়েছে এবং তার সাথে সাথে আপনার শরীরের যে প্রকৃতিগত স্বাভাবিক আনন্দ উপভোগ করার ক্ষমতা এবং যৌনাঙ্গসমূহের মাধ্যমে যৌনপুলক লাভের যে সহজাত প্রবৃত্তি তাকে অনেকাংশে কমিয়ে দেয়া হয়েছে।

অধ্যাপক ডাঃ এ এইচ মোহাম্মদ ফিরোজ
এমবিবিএস এফসিপিএস এমআরসিপি এফআরসিপি

মূল রচনাঃ মার্গো আনন্দ
যৌন পুলকের কলাকৌশল
পাশ্চাত্যের প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্য পবিত্র যৌন মার্গো
পূর্ব প্রকাশিতের পর.....

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More