This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label স্বপ্নদোষ. Show all posts
Showing posts with label স্বপ্নদোষ. Show all posts

Thursday, August 29, 2013

স্বপ্নের দোষ নিয়ে কথা

ঢাকা : স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।


স্বপ্নদোষের মাত্রা


স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.২৩ বার থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৫ বার হয়।


কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।’


একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।


বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।


স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।


যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।


মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে। - See more at: http://primenewsbd.com/index.php?page=details&nc=22&news_id=3646#sthash.ZR5qcyNi.dpuf

Monday, August 1, 2011

পুরুষের স্বপ্নদোষ


স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকেভেজাস্বপ্ন বলা হয়।
১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনোসেক্স ড্রিমবলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।
স্বপ্নদোষের মাত্রা
স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে .৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে .১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে .২৩ বার কে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে .১৫ বার হয়।
কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।
একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।
বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।
স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।
যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।
মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে।

Sunday, July 31, 2011

পুরুষের স্বপ্নদোষ

প্রতিটি পুরুষের জীবনে স্বপ্নদোষের ব্যাপারটি ঘটে থাকে অন্তত একবার হলেও এটি ঘটবেই প্রথম প্রথম অনেক ছেলে বুঝতে পারেনা এটা কি হলো রাত্রিতে ঘুমানোর পরে গভির নিদ্রায় গিয়ে পুরুষ স্বপ্নে যৌনতার নানা বিষয় দেখতে পায়। হয়ত সে দেখে সে করো সাথে যৌনমিলন করছ অথবা যৌনতা সংশ্লিষ্ট নানা ব্যবহারিক আচার-আচরণ দেখতে পায় কিনসের মতে এই সময়ে বহু ছেলেই তার চেনা এবং পরিচিত নারীর সাথে যৌনমিলনের বা যৌনচরণের স্বপ্ন দেখে এতে করে চুড়ান্ত পর্যায়ে গিয়ে তার চরমপুলক হয় এবং বীর্যপাত ঘটে একে স্বপ্নদোষ বলা হয় অনেক ছেলের ছেই এটি ভীতিকর উপসর্গ হিসাবে চিহ্নিত হয় কেননা তারা মনে করে এর ফলে পাপ হচ্ছে এবং পাশাপাশি লিঙ্গের দৃঢ়তা কমে যাচ্ছে। বাস্তব বিষয়টি হলো স্বপ্নদোষ একেবারেই স্বাভবিক এবং শারীরবৃত্তীয় কারণে সংগঠিত একটি শারীরিক প্রক্রিয়া মাত্র এই বয়সে যে কোন ছেলের ক্ষেত্রেই এটি ঘটতে পারে এতে ভীতির কোনো কারন নেই

Friday, June 24, 2011

আমার প্রথম স্বপ্নদোষ ১

আমার প্রথম স্বপ্নদোষ কত বৎসর বয়সে হয়েছিল ঠিক মনে নেই। মনে ১৩/১৪ বছর এ হবে। সে সময় যৌনতা কাকে বলে জানতাম না। মেয়েদের স্তন্য, পাছা দেখে লিঙ্গ দাড়াত না। এখন যেমন হয..। লিঙ্গ এর গোরায় তখনো যৌন কেশ গজায় নি। যাকে আমরা বাল  বলি। বন্ধু-বান্দব অনেকেই তখন যৌনতা নিয়ে নানা রসালো গল্প বলত। আমি কিছুই বুঝতাম না। শুধু ভাবতাম জিনিস টা কি আসলে। মেয়েদের ওটা তো প্রসাবের জায়গা, আর আমাদের এটা ও তো একি কাজ করে। প্রসাব চাপার পর প্রসাব করি আর ওরা তো একি কাজ করে, ওদের ছোট চেপটা ছিদ্র পথ দিয়ে। বন্ধুরা বলত অমুক অমুকের সাথে পাট ক্ষেতে যৌন করম করেছে, অমুকে আর চাচাত বোনের সাথে করেছে। ভাবতাম ওরা এসব কি বলে? এত খারাপ ওরা। প্রসাবের যায়গা ছোয়াছুয়ি খেলে, কি বি্শ্রি। আমি বলতাম এরকম পচাঁ কাজ আমার দ্বারা হবে না ভাই। তো এক বন্ধু একদিন বলে বসল, বিয়ের পর বউকে না চুদে পারবা না। আমি লজ্জায় কি বলব বুঝলাম না। এ কথা শুনার পর অনেক দিন ভেবেছি বউকে কিভাবে চুদব। সরি খাটি বাংলা ব্যবহার করার জন্য। আজ ও বিয়ে করা হয়ে উঠেনি তাই বউ চোদা তো চরের কথা কোন নারীকেই চোদার অবিজ্ঞতা হলোনা। তাই বরে পাঠক ভাববেন না যে আমার যৌনতা নাই। খুব কষ্টে দমন করি আ কি। মাসে তিন চার বার স্বপ্নদোষ হয়। হাত মারলে আর স্বপ্নদোষ  হযনা। আমার প্রথম যেদিন স্বপ্নদোষ হয়, সেদিন খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম..স্বপনে দেখলাম একটা মেয়ে ল্যাংটা হয়ে আমার সামনে আসল দুধু ২টো অনেক সুন্দর। ওর যোনির পথটা অনেক লাল। এ অবস্থায মেয়েটিকে স্বপ্নে দেখে আমার লিঙ্গ অনেক শক্ত হয়ে গেল। আমি মেলেটার কাছে যেয়ে ওকে জগিয়ে ধরে চুমু খাওয়া শুরু করলাম এবং ওর স্তন্য দুটু টেপা শুরু করলাম। একটু পর স্বপ্নের মাঝেই েদেখি যে আমার লিংগটি মেয়েটির যোনীতে ডুকছে আর বের হছে। আর আমার খুব আারাম লাগছে। হঠাৎ লিঙ্গতে ব্যথা ও প্রচন্ড জালাপোড়া শুরু হয়ে গেল। অমনি লাফ দিয়ে ঘুম থেকে েউঠে পড়লাম। আমার নিশ্বাস খুব দ্রুত পড়ছে। আর লিংগর জালা পোড়া এখনো শেষ হয়নি। লুঙ্গি পরে শুয়েছিলাম, লুংগিটা উঠিয়ে দেখি যে, ওটার মাথার ছিদ্র পথ দিয়ে সাদা সাদা আঠালো কি যেন বেড় হচ্ছে আর সোনাটা লাফা্চ্ছে। কি করব বুঝে উঠতে পাড়লামা না। একটু পড় প্রচন্ড বেগে বীর্য বেড় হযে সোনাটা নেতিয়ে পড়ল। কি আর করব লুঙ্গি দিয়ে সোনাটা মুছে আবার ঘুমিয়ে পড়েছিলাম একথা ভাবতে ভাবতে যে, আমার কি কোন অসুক হয়ে গেল, এগুলা কি বেড় হলো.. ইত্যাদি ইত্যাদি.. পড়ে যেনে ছিলাম যে এগুলাকে বীর্য বলে আর এগুলা দিয়ে বাচ্চা পয়দা হয়, যখন কোন মেয়ের সাথে যৌন কাজ করে তার যোনি পথ দিয়ে লিঙ্গ প্রবেশ করিয়ে জরায়ুর ভীতরে বীর্যপাত গঠানো হয়। সেই যে স্বপ্নদোষ শুরু হলো তা আজ ও থামেনি...হাহা..কত যে তাবিজ কবজ. বাজারের হকারদের বড়ি খেয়েছি এই স্বপ্নদোষ বন্ধ কারার জন্য, কিন্তু কোন কাজ হয়নি। একবার গ্রামরে হাটে স্কুল থেকে আসার পথে ক্যানবাসার এর ওষুধ বিক্রি দেখার জন্য দাড়িয়েছিলাম। সে দেখি আমার মতো অনেক ছেলেকে কানে কানে কি যেন বলছে। তো আমাকে ও ডাকলো এবং বলল যে আমি হাত মারি কিনা, আমি ওনার কথা কিছুতেই বুজতেছিলাম না, তাই সে নিরুপায় হয়ে খোলামেলা ভাবে আমাকে বলল যে, হাতা দিয়ে সোনা ঘষে কিছু বেড় করি কিনা। আমি বরি নাতো, তবে মাঝে মাঝে রাতে বাজে স্বপ্ন দেখে আঠালো কি যেন বেড় হয়। লোকটা বলল এটা খুব খারাপ, এর নাম স্বপ্নদোষ। এটা একটা অসুখ, এই অসুখ ভাল করতে হলে আমার থেকে বড়ি খেতে হবে। তো আমি রাজি হয়ে গেলাম তার থেকে বড়ি কেনার জন্য। সে নিয়ম বলে দিল যে, এই বড়ি ৭দিন খেলে আর জীবনে ও স্বপ্নদোষ হবে না। তবে দুখের বিষয় এই যে, ওনার বড়ি খাবার পড় আমার স্বপ্নদোষ আরো বেড়ে গিয়েছিল। ..:( আগে যেখাসন মাসে দুএকদিন হতো, এখন সেখানে ৭দিনে ৩/৪ দিন হয়। পড়ে গেলাম মহা চিন্তায়..চলবে  কেন যে এর নাম স্বপ্নদোষ হলো.. আজো বুঝলাম না।

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More