This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label যৌন স্বাস্থ্য. Show all posts
Showing posts with label যৌন স্বাস্থ্য. Show all posts

Sunday, September 29, 2013

পুরুষের স্পার্মের মান উন্নত করে যে ৬টি খাবার!

আজকাল বাড়ির খাবারের চাইতে বাইরের ফাস্ট ফুড আর তেলে ভাজা খাবারের প্রতি সবার আকর্ষণ একটু বেশিই বেড়ে গেছে। বাইরের খাবার, বিশ্রামের অভাব, খাবারের ভেজাল, ধূমপান ও মদ্যপান ইত্যাদি নানান কারণে পুরুষের স্পার্মের গুনাগুণ কমে গেছে অনেকটাই। তাই আগের তুলনায় পুরুষের বন্ধ্যাত্বের হারও বাড়ছে। কোমল পানীয়ের প্রতি অতিরিক্ত আসক্তিও স্পার্মের গুনাগুণ নষ্ট হওয়ার অন্যতম একটি কারণ। স্পার্মের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে এবং এর গুনাগুণ বাড়িয়ে তুলতে দরকার সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও সচেতনতা। আসুন দেখে নেয়া যাক স্পার্মের গুনাগুণ বাড়ায় এমন ৬টি খাবারের তালিকা।

ডার্ক চকোলেট

চকোলেট ভালোবাসেন? তাহলে আপনার জন্য সুখবর হলো ডার্ক চকোলেট স্পার্মের পরিমাণ বাড়ায় এবং গুনাগুণ বৃদ্ধি করে। ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা যৌন উদ্দিপনা বৃদ্ধি করতে ভুমিকা রাখে। এছাড়াও ডার্ক চকোলেটে আছে L-Arginine HCL ও অ্যামিনো এসিড। এই উপাদানগুলো স্পার্মের সংখ্যা এবং পরিমাণ বৃদ্ধি করে। গবেষণায় দেখা গেছে যে যে সব পুরুষ নিয়মিত অল্প করে হলেও ডার্ক চকোলেট খায় তাদের যৌন ক্ষমতা অন্যদের তুলনায় বেশি।

গরুর মাংস

কি অবাক হচ্ছেন? গরুর মাংসে আছে প্রচুর পরিমাণে জিংক। জিংক যৌন উদ্দীপনা কমানোর জন্য দায়ী টেস্টোস্টেরন কে এস্ট্রোজনে রূপান্তরিত করতে বাঁধা দেয়। ফলে যৌন ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার ঝুঁকির থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তাছাড়াও গরুর মাংসে প্রচুর প্রোটিন আছে যা স্পার্মের পরিমাণ ও গুন বৃদ্ধি করে।।

কলা

কলা স্পার্মের পরিমাণ উল্ল্যেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করে। কলায় বোমেনাইল নামের বিশেষ এক ধরণের এঞ্জাইম আছে যা যৌন উদ্দিপক হরমোন গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। এছাড়াও কলায় ভিটামিন বি১, ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি আছে যেগুলো শরীরের শক্তি বাড়ায় এবং স্পার্ম উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করে।

তেল যুক্ত মাছ

হিউমান রিপ্রোডাকশনের একটি গবেষনায় জানা গেছে যে তৈলাক্ত মাছ স্পার্মের গুন বাড়াতে সহায়ক। তৈলাক্ত মাছে আছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। গবেষনায় যারা ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যুক্ত মাছ খেয়েছে তাদের স্পার্মের গুনাগুণ ও পরিমাণ যারা খায়নি তাদের তুলনায় বেশি। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিডের DHA ও EPA ডোপামিনের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় এবং মস্তিকে যৌন উদ্দীপনার অনুভুতি জাগাতে সহায়তা করে।

রসুন

যারা বাবা হতে চাইছেন তাদের জন্য রসুন একটি আদর্শ খাবার। রসুনে আছে সেলেনিয়াম নামক একটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা স্পার্মের সক্রিয়তা বাড়ায়। এছাড়াও রসুনে আরো আছে আলিকিন যা যৌনাঙ্গের রক্তচলাচল বৃদ্ধি করে উদ্দিপনা সৃষ্টি করে এবং স্পার্মের পরিমাণ বাড়ায়।

কালজিরা

কালোজিরা বা নাইজেলা সিডে ১৫টি অ্যামোইনো এসিড আছে। এছাড়াও কালোজিরায় ২১ শতাংশ প্রোটিন রয়েছে ও ৩৮ শতাংশ শর্করা আছে। নিয়মিত কালোজিরা সেবনে স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং স্পার্মের গুনাগুণ বাড়ে।

Tuesday, May 29, 2012

দ্রুত বীর্যপাত হওয়া বা প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন

দ্রুত বীর্যপাত হওয়া বা  প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন

প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন বা দ্রুত বীর্যপাত হওয়া।
 

প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন একটি সাধারণ যৌনগত সমস্যা। পরিসংখ্যানে ভিন্নতা রয়েছে। তবে কিছু বিশেষজ্ঞের মতে, প্রতি তিনজন পুরুষের মধ্যে একজন এ সমস্যায় আক্রান্ত হন। যদিও এটি একটি সাধারণ সমস্যা যার চিকিৎসা রয়েছে কিন্তু অনেক পুরুষ এ বিষয়ে তাদের চিকিৎসকের সাথে কথা বলতে কিংবা চিকিৎসা নিতে সঙ্কোচ বোধ করেন।

এক সময়ে ধারণা করা হতো, প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন বা দ্রুত বীর্যপাতের কারণ হলো সম্পূর্ণ মানসিক কিন্তু বর্তমানে বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, দ্রুত বীর্যপাতের ক্ষেত্রে জীববিজ্ঞান সংক্রান্ত বিষয়গুলো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে দ্রুত বীর্যপাতের সাথে পুরুষত্বহীনতার সম্পর্ক রয়েছে।

আপনি আর দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা নিয়ে জীবন কাটাবেন না বর্তমানে অনেক চিকিৎসা বেরিয়েছে যেমন বিভিন্ন ওষুধ, মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সিলিং এবং বিভিন্ন যৌনপদ্ধতির শিক্ষা। এগুলো আপনার বীর্যপাতকে বিলম্ব করে আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর যৌনজীবনকে মধুর করে তুলবে। অনেক পুরুষের ক্ষেত্রে সমন্বিত চিকিৎসা খুব ভালো কাজ করে।

উপসর্গ
একজন পুরুষ বীর্যপাত করতে কতটা সময় নেবেন সে ব্যাপারে চিকিৎসা বিজ্ঞানে কোনো আদর্শ মাপ নেই। দ্রুত বীর্যপাতের প্রাথমিক লক্ষণ হলো নারী-পুরুষ উভয়ের পুলক লাভের আগেই পুরুষটির বীর্যপাত ঘটে যাওয়া। এ সমস্যা সব ধরনের যৌনতার ক্ষেত্রে ঘটতে পারে।

প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনকে সাধারণত দু’ভাগে ভাগ করা হয়ঃ

এক. প্রাইমারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনঃ এটা হলো আপনি যৌন সক্রিয় হওয়া মাত্রই বীর্যপাত ঘটে যাওয়া।

দুই. সেকেন্ডারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনঃ এ ক্ষেত্রে আগে আপনার যৌনজীবন তৃপ্তিদায়ক ছিল, কিন্তু বর্তমানে দ্রুত বীর্যপাত ঘটছে।

কারণ
কী কারণে বীর্যপাত হচ্ছে তা নিরূপণ করতে বিশেষজ্ঞরা এখন পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এক সময় ধারণা করা হতো যে এটা সম্পূর্ণ মানসিক ব্যাপার। কিন্তু বর্তমানে আমরা জানি, দ্রুত বীর্যপাত হওয়া একটি জটিল ব্যাপার এবং এর সাথে মানসিক ও জৈবিক দু’টিরই সম্পর্ক রয়েছে।

মানসিক কারণ
কিছু চিকিৎসক বিশ্বাস করেন, প্রাথমিক বয়সে যৌন অভিজ্ঞতা ঘটলে তা এমন একটি ধরনে প্রতিষ্ঠিত হয় যে, পরবর্তী জীবনে সেটা পরিবর্তন করা কঠিন হতে পারে। যেমন
লোকজনের দৃষ্টি এড়ানোর জন্য তড়িঘড়ি করে চরম পুলকে পৌঁছানোর তাগিদ।
অপরাধ বোধ, যার কারণে যৌনক্রিয়ার সময় হঠাৎ করেই বীর্যপাত ঘটে যায়।
অন্য কিছু বিষয়ও আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে।

এর মধ্যে রয়েছে

পুরুষত্বহীনতা
যেসব পুরুষ যৌনমিলনের সময় তাদের লিঙ্গের উত্থান ঠিকমতো হবে কি না তা নিয়ে চিন্তিত থাকেন, কিংবা কতক্ষণ লিঙ্গ উত্থিত অবস্থায় থাকবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভোগেন সেসব পুরুষের দ্রুত বীর্যস্থলন ঘটে।

দুশ্চিন্তা
দ্রুত বীর্যপাত হয় এমন অনেক পুরুষের দ্রুত বীর্যপাতের একটি প্রধান কারণ দুশ্চিন্তা। সেটা যৌনকাজ ঠিকমতো সম্পন্ন করতে পারবেন কি না সে বিষয়ে হতে পারে। আবার অন্য কারণেও হতে পারে।

দ্রুত বীর্যপাতের আরেকটি প্রধান কারণ হলো অতিরিক্ত উত্তেজনা।

জৈবিক কারণ
বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন, কিছুসংখ্যক জৈবিক বা শারীরিক কারণে দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে। এসব কারণের মধ্যে রয়েছে

হরমোনের অস্বাভাবিক মাত্রা
মস্তিষ্কের রাসায়নিক উপাদান বা নিউরোট্রান্সমিটারের অস্বাভাবিক মাত্রা
বীর্যস্খলন ব্যবস্থার অস্বাভাবিক ক্রিয়া
থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা
প্রোস্টেট অথবা মূত্রনালীর প্রদাহ এবং সংক্রমণ
বংশগত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য।
খুব কম ক্ষেত্রে নিচের কারণগুলোর জন্য দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে পারে
সার্জারি কিংবা আঘাতের কারণে স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি হওয়া।

নারকোটিকস বা মাদক কিংবা দুশ্চিন্তার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ ট্রাইফ্লুপেরাজিন প্রত্যাহার করা এবং অন্য মানসিক সমস্যা থাকা।

যদিও অধিকাংশ প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশনের ক্ষেত্রে শারীরিক ও মানসিক দু’টি বিষয়ই দায়ী। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে দায়ী হলো শারীরিক কারণ যদি সেটা জীবনভর সমস্যা হয়ে থাকে (প্রাইমারি প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন)।

ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়ঃ 
বিভিন্ন বিষয়ে আপনার দ্রুত বীর্যপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। যেমন
পুরুষত্বহীনতাঃ যদি আপনার লিঙ্গ ঠিকমতো উত্থিত না হয়, কিংবা মাঝে মাঝে উত্থিত হয় কিংবা উত্থিত হলেও বেশিক্ষণ উত্থিত অবস্থায় না থাকে তাহলে আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। যৌন সঙ্গমের সময় আপনার লিঙ্গের উত্থান অবস্থা বেশিক্ষণ থাকবে না এমন ভয় আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে। প্রতি তিনজন পুরুষের মধ্যে একজনের এ ধরনের লিঙ্গোত্থান সম্পর্কিত দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা থাকে।

স্বাস্থ্য সমস্যাঃ যদি আপনার এমন স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকে যার কারণে আপনি যৌন মিলনের সময় উদ্বেগ অনুভব করেন, উদাহরণ স্বরূপ যদি আপনার হৃদরোগ থাকে তাহলে আপনার দ্রুত বীর্যপাতের ঘটনা ঘটতে পারে।

মানসিক চাপঃ আপনার জীবনে আবেগজনিত কিংবা মানসিক চাপ দ্রুত বীর্যস্খলনের ব্যাপারে ভূমিকা রাখে।

ওষুধঃ
 কিছু ওষুধ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে দ্রুত বীর্যস্খলন ঘটাতে পারে।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেনঃ বেশির ভাগ যৌনমিলনের সময় যদি আপনি আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর আকাঙ্ক্ষার চেয়ে দ্রুত বীর্যপাত করে ফেলেন তাহলে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন। আপনার যৌন জীবন মধুর করার জন্য আপনার চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রোগ নির্ণয়ঃ 
চিকিৎসক আপনার বিস্তারিত যৌন ইতিহাস জেনে, তার ওপর ভিত্তি করে দ্রুত বীর্যপাত রোগ নির্ণয় করেন। চিকিৎসক আপনাকে অনেক একান্ত ব্যক্তিগত প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে পারেন এবং আপনার সঙ্গিনীকেও উপস্থিত থাকতে বলতে পারেন। যদিও সেক্স সম্পর্কে খোলাখুলি কথা বলতে আপনাদের দু’জনেরই অস্বস্তিবোধ হতে পারে। তবুও বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে আপনার চিকিৎসক আপনার সমস্যার কারণ নিরূপণ করতে সাহায্য করবেন এবং সবচেয়ে ভালো চিকিৎসাটা দিতে পারবেন।

আপনার চিকিৎসক আপনার স্বাস্থ্যের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেন। তিনি আপনার সাধারণ শারীরিক পরীক্ষা করতে পারেন।

আপনার চিকিৎসক আপনার কাছে এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইতে পারেনঃ

কত দ্রুত আপনার বীর্যপাত ঘটে?

একজন বিশেষ সঙ্গিনীর বেলায় কি আপনার দ্রুত বীর্যপাত হয়?

আপনি যতবার যৌনমিলন করেন, ততবারই আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটে?

আপনি কতবার যৌনমিলন করেন?

দ্রুত বীর্যপাত আপনার যৌন আনন্দ লাভে এবং আপনার সার্বিক জীবনে কতটা বিরূপ প্রভাব ফেলে?

আপনার লিঙ্গ উত্থান হতে কি দীর্ঘ সময় উত্থান অবস্থায় থাকতে কি সর্বদা সমস্যা হয়?
আপনি এ সমস্যার জন্য কী কী ওষুধ গ্রহণ করেন?

আপনার দ্রুত বীর্যপাতের কারণ উদঘাটন করতে আপনার কিছু মানসিক বিষয়ও জানা প্রয়োজন। আপনার চিকিৎসক আপনার নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে চাইতে পারেনঃ

আপনার ধর্মীয় শিক্ষাদীক্ষা

আপনার প্রাথমিক যৌন অভিজ্ঞতা

আপনার অতীত ও বর্তমানের যৌন সম্পর্ক

আপনার বর্তমান সম্পর্কের মধ্যে কোনো সংঘর্ষ

যদি আপনার দ্রুত বীর্যপাত ঘটতে থাকে এবং আপনার লিঙ্গোত্থানে সমস্যা হয় তাহলে আপনার চিকিৎসক আপনার পুরুষ হরমোনের মাত্রা (টেসটোসটেরন) দেখার জন্য আপনার রক্ত পরীক্ষাসহ আরো কিছু পরীক্ষা করতে দিতে পারেন।

জটিলতাঃ
 যদিও দ্রুত বীর্যপাত আপনার মারাত্মক স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের ঝুঁকি বাড়ায় না, কিন্তু এটা আপনার ব্যক্তিগত জীবনে ধস নামাতে পারে। যেমন

সম্পর্কে টানাপড়েনঃ দ্রুত বীর্যপাতের সবচেয়ে সাধারণ জটিলতা হলো যৌন সঙ্গিনীর সাথে সম্পর্কের অবনতি। যদি দ্রুত বীর্যপাতের কারণে আপনার সঙ্গিনীর সাথে মনোমালিন্য চলে, আপনি দেরি না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। আপনার চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে দ্বৈত থেরাপিও থাকবে। 

বন্ধ্যত্ব সমস্যাঃ দ্রুত বীর্যপাত মাঝে মাঝে আপনার বন্ধ্যত্ব ঘটাতে পারে।

যেসব দম্পতি সন্তান নেয়ার চেষ্টা করছেন সেটা অসম্ভব হতে পারে। যদি দ্রুত বীর্যপাতের ঠিকমতো চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে আপনার ও আপনার সঙ্গিনীর দু’জনেরই বন্ধ্যত্বের চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।



Friday, October 21, 2011

বিকৃত যৌনতায় মুখে আলসার

যৌনতা মানুষের আদি সহজাত প্রবৃত্তিগুলোর অন্যতম। বিকৃত যৌনতায় মুখ, ঠোঁট, জিহ্বা, যৌনাঙ্গ এবং মলদ্বার ব্যবহƒত হচ্ছে। বিকৃত যৌনতার কারণে মুখে আলসার থেকে শুরু করে শরীরে বিভিন্ন জটিল রোগের বিস্তার লাভ করেছে। মুখের আলসারের চিকিৎসায় ওরোজেনিটাল সেক্স সত্যিই বড় এক চ্যালেঞ্জ। ওরাল সেক্সের ক্ষেত্রে অসাবধানতা এবং অজ্ঞতার জন্য মুখের জটিল রোগ থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিকৃত যৌনতায় কেউ যদি অভ্যস্ত থাকে তা হলে চিকিৎসককে বিষয়টি না জানালে আপনার মুখের আলসারের যথার্থ চিকিৎসা করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। সব চেয়ে ভালো হয় বিকৃত যৌনাচার পরিহার করে স্বাভাবিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত হওয়া।
ওরাল সেক্সের মাধ্যমে যৌনসংক্রমিত রোগ (ঝঞউ) বিস্তার লাভ করে। সব চেয়ে বেশি বিস্তার লাভ করে হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস। এ ভাইরাস টাইপ-১ সাধারণত ঠোঁটকে আক্রান্ত করে, যা কোল্ডসোর নামে পরিচিত। হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাসের মাধ্যমে ফ্যারিনজাইটিস, গলাব্যথাসহ আলসার হতে পারে। আপনার ঠোঁটে যদি কোল্ডসোর থাকে তা হলে আপনার সঙ্গীকে ঠোঁটে চুমু দেয়া থেকে বিরত থাকুন এবং ওরাল সেক্সের কথা তো এক্ষেত্রে চিন্তাই করা যাবে না। ওরাল সেক্সে অংশগ্রহণকারী একজন যদি অন্যজনের সংক্রমণজনিত খোলা আলসারের সংস্পর্শে আসে তা হলে সিফিলিসে সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এভাবে সিফিলিসজনিত জিহ্বার আলসার দেখা দিতে পারে। ওরাল সেক্সে অংশগ্রহণকারী দু’জনের একজনের যদি হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস থাকে তা হলে অন্যজনের জন্য তা ভয়াবহ বিপদ ডেকে আনতে পারে। ভাইরাস জেনিটাল ওয়ার্টস বা গোটার সৃষ্টি করে থাকে। ওরাল সেক্সের মাধ্যমে একজন যদি হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস সংক্রমিত অবস্থায় থাকে তা হলে অন্যজনের দেহে তা সংক্রমিত হতে পারে এবং মুখের পাশে বা ভেতরে ওয়ার্টস বা গোটা অর্থাৎ মুখের ভেতরে ভাইরাসের গোটা দেখা দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে ওরাল সেক্সের অভ্যাসের কথা ডাক্তারকে রোগী অবগত না করলে বা লুকিয়ে গেলে চিকিৎসা করা কোনভাবেই সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন যদি ওরাল সেক্স চলতে থাকে তা হলে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস থেকে ক্যান্সার পর্যন্ত হতে পারে।
ওরো অ্যানাল সেক্স অর্থাৎ মুখ ও পায়ু পথের যৌনতায় সালমোনিলা, শিগেলা ব্যাকটেরিয়া সংক্রমিত হতে পারে। এর মাধ্যমে মুখে আলসার ছাড়া পেটে ব্যথা এবং ডায়রিয়া হতে পারে। হেপাটাইটিস ‘এ’ ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে জন্ডিস ও পেটে ব্যথা হতে পারে। ভাগ্য খারাপ হলে ওরো অ্যানাল সেক্সের মাধ্যমে হেপাটাইটিস ‘এ’ ভাইরাস বিস্তার লাভ করে। ওরাল সেক্স করার সময় যদি রক্ত বের হয় আর সঙ্গীর যদি হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাস থাকে তা হলে তা সংক্রমিত হতে পারে। এইডস রোগের ক্ষেত্রেও রক্ত সঞ্চালিত না হলে ওরাল সেক্সের মাধ্যমে বিস্তার লাভের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ‘বি’ ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। বিভিন্ন প্যারাসাইট ওরো অ্যানাল সেক্সের মাধ্যমে সংক্রমিত হতে পারে। তাই মুখের আলসার প্রতিরোধে ওরাল সেক্স পরিহার করা উচিত।
ডা. মোঃ ফারুক হোসেন
মুখ ও দন্তরোগ বিশেষজ্ঞ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
যুগান্তর

আমি কি বিয়ে করতে পারব না?

সেক্স সমস্যা যুবকদের কৌতূহল কি দায়ী
বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে, দোকানে, বাসে, রাসত্মাঘাটে যত রকমের পোস্টার ও লিফলেট চোখে পড়ে তার মধে সেক্স সমস্যা, সেক্সে চিকিৎসার ওষুধ ও চিকিৎসার নাম সংবলিত পোস্টারই বেশি। আর এই সুযোগে বিভিন্ন আপত্তিকর ও সেক্স উত্তেজক লেখা পড়ে উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে প্রবল ঈঁৎরড়ংরঃু তৈরি হবার ফলে অনেকে নিজের সেঙ্ পাওয়ার ঠিক আছে কিনা যাচাই করতে প্রবল আগ্রহের সঙ্গে বিভিন্ন হোটেলে, বান্ধবীর সঙ্গে অথবা পাড়ায় গিয়ে পরীৰা করে তখনই বিপত্তি হয় বৎবপঃরষব ভধরষঁৎব এই শুরু নানা ধরনের টেনশন, বিভিন্ন ধরনের নেগেটিভ চিন্তা-লিঙ্গের সাইজ নিয়ে, ৰমতা নিয়ে, শক্তি নিয়ে, বিয়ে নিয়ে, বাচ্চা হওয়া নিয়ে, বউ থাকবে কিনা, বউর সামনে লজ্জা পেতে হবে কিনা? সোজাকথা অনেক ছেলে বলেই ফেলে আমি বিয়ে করতে পারব কি না?
কারণের মধ্যে :
১. বয়োসন্ধিকালে হসত্মমৈথুনের কারণে শরীর থেকে সমসত্ম শক্তি বের হয়ে যায়, কর্ম ক্ষমতা কমে যায়, শরীর ভেঙ্গে যায়_যৌবনের শুরুতেই শেষ করে দিয়েছে।
২. বিভিন্ন ধরনের পর্নোগ্রাফী
৩. যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট
৪. নেশা দ্রব্য যেমন ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজা, হিরোইন, মদ ইত্যাদি।
৫. সেঙ্ সম্পর্কে অজ্ঞতা
৬. বন্ধ-বান্ধবের কাছ থেকে সেঙ্ সংক্রান্ত ভুল তথ্য শিৰা লাভ করা
৭. হাটে-বাজারে ছোট ছোট মাইকিং করে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য শেখানো
৮. শিৰা কারিকুলামে কোন সেক্স এডুকেশন না থাকা।
৯. কিছু অবসেস্ট ধরনের ছেলে-মেয়েদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
১০. নিজের পুরম্নষত্ব যাচাই করতে পাড়ায় গিয়ে ভয়ের কারণে প্রথম প্রথম সমস্যা দেখা যায়। আগেই বির্যপাত হয় অথবা ঠিকমতো গরম হয় না। আর তখনই বিপদ ডেকে আনে যে, আমি বোধহয় ব্যর্থ পুরম্নষ।
লৰণ :
১. রোগীদের অভিযোগ থাকে-প্রস্রাব দিয়ে ক্যালসিয়াম যায়, ধাতু যায়, শরীয় ৰয় হয়ে যায়।
২. কেউ কেউ হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে যায়, ফিট হয়ে যায়। বার বার মূর্ছা যায়। পরে ইতিহাস নিয়ে জানা গেল যে, তার মাথায় সব সময় লিঙ্গ নিয়ে বিভিন্ন বিভ্রানত্মি মূলক চিনত্মা কাজ করছে।
৩. আবার কারও মধ্যে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, পেট ব্যথা, মাথা ব্যথা, তলপেটে ব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, কিট কিট করে কামড়ায় ইত্যাদি থাকে।
৪. এই সেঙ্ সমস্যা নিয়ে ফকির কবিরাজ এই ডাক্তার ঐ ডাক্তার দেখায়ে ঘুরে বেড়ায়ে সর্বস্বানত্ম হয়েছে।
৫. সেঙ্রে সমস্যার কারণে অনেকে অবসেশনের মতো হয়ে যায়।
৬. এই ভ্রানত্ম ধারণা নিয়ে ধর্ম-কর্ম বাদ দিয়ে সারাৰণ ঘুরে বেড়ায় সমাধানের জন্য। আমি তো ব্যর্থ, আমার দ্বারা কিচ্ছু হবে না।
৭. কেউ কেউ যৌন সংক্রামক রোগ বেঁধে নিয়ে আসে
৮. লিঙ্গ ছোট-বড়, আগা চিকন গোড়া মোটা, এই রকম হাজারো উদ্ভট উদ্ভট চিনত্মা মাথায় আসতে থাকে।
৯. নাইট প্রেসার নিয়ে থাকে হরেক রকম নেগেটিভ চিনত্মা। বির্য যাতে নষ্ট না হয় এই ভয়ে বাবা-মা ছেলেকে বিয়ে করিয়ে দেন।
১০. অনেকে চুপ চাপ থাকে, থম মেরে বসে থাকে কোন কথা বলে না, কাজ করে না, ঘুম হয় না সব কিছুতেই নেগেটিভ চিনত্মা। জীবন নিয়ে, ভবিষ্যত নিয়ে, সংসার নিয়ে ধীরে ধীরে বিষণ্ন্নতার দিকে ধাবিত হয় এবং আত্মহত্যার প্রবণতা নিয়ে আসে।
যদি কোন যুবকের সেঙ্ নিয়ে, বিয়ে নিয়ে টেনশান থাকে তাহলে সাইকিয়াট্রিস্টের দ্বারা চিকিংসা করায়ে বিয়ে করা উচিত।
ডা. মোঃ দেলোয়ার হোসেন
সহকারী অধ্যাপক
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
জনকন্ঠ

Monday, August 1, 2011

ভায়াগ্রা এবং যৌনতা নিয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্নত্তর

যৌন আচরণ এবং ভায়াগ্রা নিয়ে আমাদের সমাজে এবং উন্নত রাষ্ট্রগুলোতেও অনেক ভুল ধারণা, কুসংস্কার ইত্যাদি প্রচলিত রয়েছে। প্রায়শ এগুলো আমরা একজন আরেকজনকে লজ্জা, অস্বস্তিবোধ এবং কতক সামাজিক রীতিনীতির কারণে জিজ্ঞেস করতে পারি না। কিন্তু প্রশ্নগুলো আমাদের মনে প্রায়শ বিরাজ করে। উল্লেখ থাকে যে, এসব প্রশ্নোত্তরগুলো প্রাপ্ত বয়স্কদের জানা উচিত। ভায়াগ্রা এবং যৌনতা বিষয়ক তাই প্রচলিত কিছু প্রশ্ন এবং উত্তর সোজা সাপটাভাবে পাঠকদের যৌনজ্ঞান বাড়ানোর উদ্দেশ্যে আমরা নিম্মে আলোচনা করলাম।
প্রশ্ন : ভায়াগ্রা কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে?
উত্তর :- ভায়াগ্রা একটি ট্রেড নেম বা ড্রাগের রাসায়নিক নামাকরণ। এর মূল উপাদান হলো সিলডেনাফিল সাইট্রেট। এটি আকস্মিকভাবে আবি®কৃত হয়েছিল। এর মূল কাজ পেনিসে বা লিঙ্গের উত্থানের সাথে সম্পর্কিত। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি হার্ট ডিজিজের ওষুধ হিসেবে পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং আশাপ্রদ কোনো ফল পাওয়া যায়নি। কতক গবেষক এসকল ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল পরিচালনার সময় তাদের রোগীদের ইরেকশনের ব্যাপাটির বা যৌনভাবে যারা অক্ষম তাদের লিঙ্গ উত্থানের ব্যাপাটির হঠা করে পর্যবেক্ষণ করে। এভাবেই শুরু হয় ভায়াগ্রা নিয়ে গবেষণার সূচনা।
ভায়াগ্রা মূলত কাজ করে থাকে অনৈচ্ছিক মসৃণ কোষগুলোর শিথিলতার সময়কালকে বাড়ীয়ে এবং পেনিসের যেসকল রক্ত গহ্বর রয়েছে সেগুলোতে রক্ত প্রবাহের মান উন্নয় করে। অবশ্য এটি ঠিক যে, এটি সাধারণভাবে পেলভিক এরিয়া বা শ্রোণী এলাকাতেও রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে থাকে। গবেষণার শেষের পর্যায়ে যে ফল বেরিয়ে এসেছে তা হলো শতকরা ৮৮ ভাগ পুরুষ যাদের ইরেকশন বা উত্থানজনিত কোনো না কোনো দুর্বলের কারণে যৌনভাবে অক্ষম ছিল তারা যৌন সঙ্গমে ভায়াগ্রা সেবনের ফলআশাতীত ফল লাভ করেছিল।এদের কতকের আবার লিঙ্গ উত্থানজনিত অবস্থা ধরে রাখতে সমস্যা হতো। উল্লেখ থাকে যে, লিঙ্গ উত্থান কারো কারো ক্ষেত্রে খুব ভালোভাবে হয়ে থাকলেও দেখা গেছে কতক পুরুষের এই উত্থানজনিত অবস্থা ধরে রাখতে সমস্যা হয়। এদের ক্ষেত্রেও ভায়াগ্রা সেবনে এই উতথানজনিত অবস্থানকালীন সময় অনেক দীর্ঘায়িত হয়েছে ফলে যৌনানন্দ অনেক বাড়ে।
প্রশ্ন :- ভায়াগ্রা নিয়ে কি কি দুশ্চিন্তা রয়েছে?
উত্তর :- সাধারণ ভাষায় বলতে গেলে ভায়াগ্রার মূল জটিলতা হলো হার্টে কোনো অসুখ থাকলে এবং এটি যদি এমনটি হয়ে থাকে যেজন্য শারীরিক কার্যক্রম পর্যন বন্ধ করে দিতে হয়। এজন্য ভায়াগ্রা সেবনের পূর্বে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ ফিজিশিয়ানের মাধ্যমে মেডিকেল ইতিহাস এবং সম্পূর্ণ শারীরিক পরীক্ষা- নিরীক্ষা করে নিতে হবে। হার্ট ফেইলিওর, হার্টএ্যমিটাক , স্ট্রোক বা মস্তিষ্কে রক্তক্ষণ, হার্টের মায়োকার্ডিয়ামে ইনফেকশন, খুব বেশি মাত্রায় রক্তচাপ, খুব অল্প মাত্রার রক্তচাপ ইত্যাদি অবস্থায়, ওষুধটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূূর্ণ এবং তাত্ত্বিকভাবে অনির্দেশয়ান। ফিজিশিয়ান আপনাকে পরীক্ষা- নিরীক্ষার মাধ্যমে দেখবেন আপনার ইরেকশনে সমস্যা হওয়ার পেছনে মূল শারীরিক বা মনোগত কারণ কি এবং সে মতেই তিনি ঠিক করবেন আপনাকে সিলডেনাফিল সাইট্রেট দেবেন কি দেবেন না। ভায়াগ্রা সেবনজনিত আরেকটি মূল জটিলতা হলো আপনি এর সাথে অন্য আর কোনো ড্রাগ বা ওষুধ সেবন করছেন। নানা ধরনের ড্রাগের সাথে ভায়াগ্রার ইন্টারেকশন বা রাসায়নিক ক্রিয়া হতে পারে। এখন পর্যন্ত সব ধরনের ড্রাগের সাথে এর কি ধরনের ক্রিয়া পতিক্রিয়া হয় তা সম্পূর্ণভাবে জানা যায়নি। তবে নাইট্রেটস(জিহ্বার নিচে প্রয়োগযোগ্য গ্লিসারিন টাইনাইট্রেটস ট্যাবলেট, ¯েপ্র, ডাইনাইট্রেটস ইত্যাদির সঙ্গে) জাতীয় ওষুধের সঙ্গে ভায়াগ্রা সেবন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বাজারে প্রচলিত কতক অর্গানিক নাইট্রেটসের মধ্যে রয়েছে নাইটোগ্লিসারিন, আইসোসরবাইটডাইনাইট্রেটস, নাইটোডুর, নাইটোপেস্ট এবং আইসোবিউটালনাইট্রে নামক কতক ওষুধ। আপনি এগুলোর যে কোনোটি সেবন করতে থাকলে একই সাথে ভায়াগ্রা বা সিলডেনাফিল সাইট্রেট সেবন করলে রক্তচাপ অস্বাভাবিকভাবে এবং অপরিবর্তনীয়ভাবে স্বাভাবিক লেভেলেরা অনেক নিচে নেমে যেতে পারে। এটি যেমন নানাবিধ মেডিকেল অসুস্থতার সৃষ্টি করতে পারে তেমনি দুটি একই সাথে সেবনে মৃত্যুর ঘটনাও অনেক ঘটেছে। যেসকল রোগীরা সিমেটিডিন, ইরাইথ্রোমাইসিন, কেটোকনাজল অথবা ইট্রাকনাজল জাতীয় ওষুধ সেবন করেছেন তাদের এসকল ওষুধের সাথে সিলডেনাফিল সাইট্রেস বা ভায়াগ্রা সেবন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ক্লিনিক্যাল গবেষণায় দেখা গেছে যে , ভায়াগ্রা উপরোল্লিখিত ওষুধগুলোর সাথে রাসায়নিকভাবে বিক্রিয়া করে থাকে। একে আমরা ড্রাগ ইন্টারেকশন বলি। তাই আপনি যদি ওপরের কোনো ধরনের ওষুধ সেবন করে থাকেন তবে ডাক্তারকে অবশ্যই অবহিত করবেন।
ভায়াগ্রা নিয়ে এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে যেহেতু নানা গবেষণা হয়েছে তাই অনেকক্ষেত্রে বিরুদ্ধ ফলাফল বা এর কি কি পার্শ্বপতিক্রিয়া হতে পারে তা নিয়ে অনেকের মাঝে দ্বিমত রয়েছে। তবে গড়পড়তা সাধারণভাবে প্রচলিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ক্ষেত্রদেখা যায় শতকরা ১৬ ভাগের মাথাব্যথা , শতকরা ভাগের ক্ষেত্রে মুখমন্ডল রক্তবর্ণ ধারণা করা এবং শতকরা ভাগের ক্ষেত্রে দৃষ্টি শক্তিতে সামান্য অসুবিধা পরিলক্ষত হয়েছে। তবে এটা ঠিক যে দৃষ্টিশক্তিজনিত যে সমস্যা দেখা দিয়েছে তা অত্যন্ত সাময়িক এবং অল্প মসয়ের জন্য হয়থাকে এবং এটি আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যায়। তবে কারো যদি আগে থেকে রেডিনাল ডিসফাংশন যেমন রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা থেকে থাকে তাহলে ওষুধটি সাবধানতার সাথে সেবন করতে হবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো চক্ষুর সাথে জড়িত দৃষ্টি শক্তি সম্পর্কীয় ব্যাপারটি সাধারণত অধিকমাত্রায় ভায়াগ্রা সেবনে হয়ে থাকে। তথাপি এই সমস্যার জন্য ভায়াগ্রা বন্ধ করতে হয়েছে এমন রোগীর সংখ্যা নিতান্তই কম।

কি ডোজে ভায়াগ্রা সেবন করবেন:
বেশিরভাগ রোগীর ক্ষেত্রে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে প্রতিষ্টিত হয়েছে যে, ৫০ মিঃ গ্রাঃ এর নির্দেশিত মাত্রায় পুরুষের পেনিসের ইত্থান নিশ্চিত হয়েছে এবং এই মাত্রায় খেলে স্বাস্থ্যজনিত ঝুঁকি সবচেয়ে কম। তবে এটি রোগীর বয়স এবং নিচের কতক শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। রোগীর যদি যকৃত বা লিভার, কিডনি ইত্যাদি কোনো ধরনের কার্যগত সমস্যা দেখা দেয় তবে সিলডেনাফিল সাইট্রেটের ডোজ কমিয়ে ২৫ মিঃ গ্রামে আনা উচিত। আবার অনেক রোগীর ক্ষেত্রে ৫০ মিঃ গ্রাঃ ভায়াগ্রা সেবন ইরেকশনের জন্য যথেষ্ট নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে তার যদি অন্যান্য স্বাস্থ্যজনিত ঝুঁকি না থাকে তবে ডাক্তার সাহেব তার ডোজ বাড়িয়ে ১০০ মিঃ গ্রাঃ পর্যন্ত করতে পারেন। তবে কখনোই ১০০ মিঃ গ্রাঃ এর বেশি ভায়গ্রা এক সাথে সেবন করা উচিত নয়। এতে করে আপনার তীব্র নিুরক্তচাপ দেখা দিতে পারে যা স্বাস্থ্যের জন্য খুব হুমকিস্বরূপ। আরেকটি কথা বিষেশভাবে প্রনিধানযোগ্য তা হলো ভায়াগ্রা বা সিলডেনাফিল সাইট্রেস একদিন বা ২৪ ঘন্টা সময়ের ভেতরে একেবারে বেশি সেবন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ তা যে ডোজেই সেবন করা হোক না কেন।
ভায়াগ্রা কখন সেবন করবেন:
ভায়াগ্রা নিয়ে গবেষণার প্রারম্ভিক পর্যায়ে এটি কখন সেবন করা সবচেয়ে বেশি কার্যকর তা নিয়েও দ্বিমত দেখা দিয়েছে। শেষে প্রতিষ্টি হয়েছে যে, যৌন সঙ্গম বা যৌনমিলনের এক ঘন্টা পূর্বে এটি সেবন করা সবচেয়ে বেশি যুক্তিযুক্ত।
ভায়াগ্রা সম্বন্ধে আপনার আর কি জানা উচিত:
যৌনজ্ঞান সম্পর্কীয় বিজ্ঞান ভিত্তিক বই সেক্স গাইডে আমরা এফরোডাইসিয়াক নামে যৌন উদ্দীপক এবং যৌন ইচ্ছা বর্ধক পদার্থ নিয়ে আলোচনা করছি। এখানে জেনে রাখা ভালো ভায়াগ্রা কিন্তু এফরোডাইসিয়াক হিসেবে কাজ করে না। এটি আপনা আপনি সেক্সুয়াল আগ্রহ বাড়াবে না। এটি কোনো সেক্সুয়াল ডিভাইস বা যন্ত্র , উদ্দীপককারী ¯ত্ত নয়। নারী-পুরুষের পারস্পরিক সম্পর্কজনিত নানা বিধ দ্বন্দ্ব যদি থেকে থাকে উভয়ের মাঝে উষ্ণ সন্নিধ্যেও সমঝোতার অভাব যদি পরিলক্ষিত হয় তাহলে স্বাভাবতই যৌন আচরণ চাপা পড়যায়। তাই ভায়াগ্রা বা সিলডেনাফিল সেবন করলেই পেনিস ইরেক বা উত্থিত হয়ে যাবে ধারণাটি ঠিক নয়। কথাটির মূল মানে হল ইন্টাকোর্স বা যৌনসঙ্গমের জন্য যে পরিমাণ যৌন উদ্দীপনাকর যৌন আচরণ সেক্স এবং সেক্স পার্টনারদের করতে হয় তা করা ব্যতীত ইরেকশন বা লিঙ্গ উত্থান সম্ভব নয়। তাই যৌন সঙ্গম বা যৌনমিলনের ব্যর্থতা যদি মনোগত কোনো কারণে হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই মনের সেই দ্বন্দ্ব মিটিয়ে ফেলার জন্য অভিজ্ঞ সাইকিয়াট্রিস্টের পরামর্শ নিতে হবে ভায়াগ্রা সেবন করেও আপনি কেমন ধরনের যৌনানন্দবোধ করবেন তা অনেকাংশে নির্ভর করে আপনার সেক্স পারটনারের যৌনতা সম্পর্কে মনোভঙ্গি বা দৃষ্টিভঙ্গি, আপনাদের মুড বা মেজাজ-মর্জি, আশপাশের পরিবেশ, মিউজিক বা সঙ্গীত এবং যৌন উদ্দীপক ইরটিক ইস্টিমিউলির ওপর। ওপরে যে ব্যাপারগুলো উল্লেখ করা হলো তার প্রত্যেকটিই কিন্ত ইরেকশন বা লিঙ্গ উত্থানের গুণগত মনোন্নয়ন বা কোয়ালিটিকে অনেকখানী নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তাই যৌন সঙ্গমের ক্ষেত্রে বা যৌনমিলনের ক্ষেত্রে আমরা মনে করি যৌনতা সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান, সাবলীল স্বচ্ছ, সুন্দর মনোভঙ্গি বা দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি না থাকলে ভায়াগ্রা সেবন করলেও যৌন আচরণের তেমন কোনো পার্থক্য পরিলক্ষিত হবে না।
ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে আরেকটি ব্যাপার দেখা গেছে সেটি হলো যৌন অক্ষম বা পুরুষত্বহীনতায় ভুগছে এমন পুরুষটি প্রথমবার হয়তোবা সিলডেনাফিল সাইট্রেট বা ভায়াগ্রা সেবন করল কিন্ত এতেও তার যে লিঙ্গ উত্থান বা ইরেকশন হলো তা খুব দুর্বল ধরনের ছিল। এক্ষেত্রে অনেকে মনে করতে পারে ওষধটি ভালো নয় এবং তার ক্ষেত্রে অকার্যকর। প্রকৃতপক্ষে ধারণাটি সম্পূর্ণ অমূলক সিলডেনাফিল সাইট্রেট সম্পর্কে এবং এর যৌন আচরণের ওপর কার্যকারিতা সম্পর্কে জানার জন্য বোঝার জন্য অন্তত চার পাঁচবার এটি সেবন করে দেখা দরকার (পুরুষত্বহীনদের জন্য) প্রথমিক পর্যায়ে এটি সেবনে তেমন উপকার না পাওয়ার একটি মূল কারণ থাকে এন্টিসিপিটরি এ্যাংজাইটি বা ওষুধটি কাজ করবে কি না এটি নিয়ে আগের তীব্র দুশ্চিন্তাবোধ। সেক্ষেত্রে সেক্সুয়াল পারফরমেন্স বা যৌন আচরণ বিঘ্নিত হতেই পারে।
নারীরা কি ভায়াগ্রা সেবন করতে পারে?
নারীরা ভায়াগ্রা সেবন করতে রে কিনা এটি এখানো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ভায়াগ্রা সেবন করে তারা যৌন ইচ্ছা, যৌন আগ্রহ বা অতিরিক্ত যৌনপুলক বা অর্গাজম লাভ করতে পারে কিনা নিয়ে এখনো অনেক বৈজ্ঞানিক স্টাডি পরিচালিত হচ্ছে। যেগুলোর ফলাফল এখনো পাওয়া যায়নি। তবে এটি ঠিক যে, কতক ডাক্তার কিন্তু ঠিকই নারীদের জন্য ভায়াগ্রা প্রেসক্রাইব করা শুরু করেছে। কতক নারী যারা যৌনমিলনের আগে ভায়াগ্রা সেবন করেছে তারা যৌনতায় এক ধরনের উষ্ণতার কথা বলেছে এবং অতিরিক্ত যৌনানন্দও যৌন শিহরণ লাভের অনুভূতি পেয়েছে। এর মূল কারণ হলো পুরুষের যেমন পেলভিক এরিয়া বা শ্রোণী এলাকায় যেমন রক্ত সরবরাহ বাড়িয়ে থাকে ঠিক তেমনি নারীদের শ্রোণী এলাকায় যেহেতু এটি রক্ত সরবরাহ বাড়ায় ফলশ্রতিতে জেনিটাল বা যৌনাঙ্গে এক ধরনের আনন্দদায়ক সাড়া হতে পারে এবং এতে ইন্টারকোর্সে অন্যরকম যৌন সুখ বা যৌন আরাম পাওয়া যেতে পারে। তবে এটি এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি কথাটি স্মরণ রাখা প্রয়োজন। কতক পুরুষের দেখা যায় নারীর সঙ্গে মিলত হবে এর সঙ্গে সঙ্গে নানা ধরনের যৌন আচরণ বা যৌনক্রীড়া শুরু করে দেয়। অনেকের ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে যৌন আচরণের এবং যৌন সঙ্গমের মাঝামাঝি সময় টুকুতে পেনিসের ইরেকশন বা লিঙ্গের উত্থান বিলম্বিত হয়। ভায়াগ্রা সেবনে পেনিসের ইরেকশন বিশেষ সময়কালীন বেশ ত্বরান্বিত হয়

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More