This is default featured post 1 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured post 2 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured post 3 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured post 4 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
This is default featured post 5 title
Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.
Saturday, September 28, 2013
চিরস্থায়ী যৌন উত্তেজনার এক ভয়াবহ রোগ!
Thursday, September 12, 2013
১ লাখ পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক
Tuesday, May 29, 2012
যৌনতা নিয়ে নারীর অস্বাচ্ছন্দ্যতা
অনেক নারী যৌনতা নিয়ে অস্বাচ্ছন্দ্যতা বা এক ধরনের চিন্তা, বা শঙ্কায় ভোগেন। তারা স্বাভাবিক শরীরের অধিকার হলেও যৌনাঙ্গ নিয়ে অনেক সময় বেশ অস্থির থাকেন। অবশ্য নারীরা চরমপুলক বা যৌন শিহরণমূলক অনুভূতি অথবা অন্যদের মতো সেক্স তারা কেন করতে পারেন না এ নিয়েও দুশ্চিন্তায় ভোগেন। হঠাৎ করে কোনো যৌনসঙ্গম একটু ব্যথাদায়ক হলে তাদের উদ্বেগের সীমা থাকে না।
যৌন আচরণ অনুভূতি আর যৌন ইচ্ছার নির্দিষ্ট কোনো সীমা নেই। বিভিন্ন ধরনের আসন, বিভিন্ন রকমের টেকনিকে অনেকে খুব যৌনমুখ পান-আবার অনেকে পান না। একজন নারী যৌন আনন্দ বা যৌনসুখের জন্য যে আসন বা ব্যবস্থাটিই বেছে নিক না কেন তা কিন্তু সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। অন্য নারীরা যা করে তা আপনাকে একইভাবে করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। তবে কারো অনিচ্ছা আর আপত্তি সত্ত্বেও তার সাথে যৌন সঙ্গম করা অন্যায়। বলাৎকার এবং অপব্যবহার এই দুটিই আইনের দৃস্টিতে অপরাধ।
আসলে এ সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে একজন নারীকে অবশ্যই তার শরীর বা বডি ইমেজ সম্পর্কে স্বচ্ছ সাবলীল ধারণা থাকা চাই। এক্ষেত্রে নারী তার যৌনসঙ্গীর সাথে যোগাযোগ করে ও পরামর্শ নিয়ে উপকৃত হবেন। নারীকে অবশ্যই জানতে হবে কিসে যৌনানন্দ বোধ হয় এবং তিনি কি অপছন্দ করেন।
নারী যৌনাঙ্গের সবচেয়ে সংবেদনশীল স্পর্শকাতর ফুলের মতো বা ঠোঁটের মতো অংশটাকে ক্লাইটোরিস বা ভগাংকুর বলে। এতে সুখস্পর্শ করলে নারীর দেহমনে এক অন্যরকমের যৌনসুখ অনুভূত হয়।যৌন সঙ্গমের সময় একজন নারী ঠিক যেভাবে বা যেরকম স্পর্শ তার ক্লাইটোরিসে চায় সেরকম হয় না। তাই যৌনসঙ্গমের সময় এমন একটা পথ বেছে নিন যাতে কিনা ক্লাইটোরিসের সাথে মৃদু বা মাঝারি ঘর্ষণ নিশ্চিত হয়। নারী নিজে বা তার যৌনসঙ্গী যৌনক্রিয়ার সময় ক্লাইটোরিসকে উদ্দীপিত করতে পারে বা বীর্যস্খলনের পর নারীকে চরমপুলক বা যৌন শিহরণ দেয়ার জন্য এটাকে উদ্দীপিত করতে পারে। নারী নিজেই আবিস্কার করবে কার মাধ্যমে হস্তমৈথুনে তিনি বেশি যৌনসুখ পান, তার যৌনসঙ্গীর মাধ্যমে না নিজের মাধ্যমে।
নারী যদি সত্যিকারভাবেই উদ্দীপিত হয় তাহলে কিন্তু যোনি ভিজে যায়। এর ফলে যৌনসঙ্গম সহজতর হয়। কতক নারী-পুরুষ আবার যোনিকে ভেজা রাখার জন্য দ্রবণীয় কোনো পিচ্ছিল তরল ব্যবহার করেন। এটা যে কোনো ড্রাগ ষ্টোর থেকে কেনা যেতে পারে; তবে পেট্রোলিয়াম জাতীয় পিচ্ছিলকারক পদার্থ কখনোই ব্যবহার করবেন না।
একজন নারী তার যৌনানুভূতি বা যৌন ইচ্ছার কথা দেহের ভাষাতে প্রকাশ করতে পারেন। আর আপনি যদি এতে সফল হন তবে আপনার যৌনসঙ্গী আপনার সাথে যৌনকর্মে বা যৌনসঙ্গমে মিলিত হতে চাইতে পারেন-এতে করে উভয়েই যৌনানন্দ আর যৌনসুখ নিঃসন্দেহে পাবেন।
গর্ভসঞ্চারের ভীতি, যৌনবাহিত রোগ হওয়ার শঙ্কা বা দুশ্চিন্তা ইত্যাদি সবকিছুই সেক্সের অনুভূতিকে কমিয়ে দিতে পারে। ক্লান্ত বা অবসাদগ্রস্ত হওয়া, মনোশারীরিক চাপ বা ষ্ট্রেস, অসুস্থতা বা এ্যালকোহল সেবন যৌন আচরণ আর অনুভূতিতে গভীর প্রভাব ফেলে।
সেক্স সম্বন্ধে নেতিবাচক অভিজ্ঞতা যেমন অপব্যবহার, যৌন অত্যাচার বা নিপীড়ন, ধর্ষণ, বলাৎকার বা সেক্স একটা নোংরা ব্যাপার-এরূপ ধারণা সেক্সের ওপরে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। তবে কতক নারীর ফিজিক্যাল বা শারীরিক সমস্যা থাকতে পারে। সেক্স সম্পর্কীয় মানসিক সমস্যার জন্য অবশ্যই সেক্স থেরাপিষ্টের শরণাপন্ন হওয়া দরকার।
Wednesday, March 28, 2012
নারীদের প্রকারভেদ
ঘরপ্রিয় নারী :
এই ধরনের নারীরা সাধারণত ঠাণ্ডা প্রকৃতির হয়। সাংসারিক কাজে আগ্রহ থাকে বেশি। বসে বসে টিভি সিরিয়াল দেখাই এদের বিনোদনের অন্যতম প্রধান উৎস। এরা অল্পতে অভিমান করে , অল্পতেই খুশিও হয়। কারো প্রতি কোন রাগ বা অভিমান থাকলে তা প্রকাশ না করে বছরের পর বছর মনের মধ্যে পুষে রাখতে পারে।
উচ্চাভিলাষী নারী :
এই ধরনের নারীদের জনপ্রিয় হবার বাসনা প্রবল। সবার উপরে কিভাবে যাওয়া যায় সেই চেষ্টায় এরা সর্বদাই মগ্ন থাকে। এই শ্রেণীর নারীদের অর্থের প্রতিও বিশেষ দুর্বলটা দেখা যায়। বিত্তের জন্য এরা যে কোন কিছুই করতে সর্বদা প্রস্তুত। তবে ব্যক্তিগত জীবনে এরা তেমন সুখী হয়না। কারন উচ্চে উঠার বাসনা কখনো বাড়ে বৈ কমে না।
বুদ্ধিমতী নারী :
সবচেয়ে কম সংখ্যক নারী এই শ্রেণীভুক্ত। বাস্তবিকভাবে অনেক নারী নিজেদের বুদ্ধিমতী ভাবলেও তারা এই শ্রেণীভুক্ত হতে পারে না। বিচক্ষণতা ও বুদ্ধিমত্তা দুটো আলাদা জিনিস। বিচক্ষণতার সাথে অভিজ্ঞতা জড়িত, বুদ্ধিমত্তার সাথে নয়। বুদ্ধিমতী নারীরা অনেক সময় জীবনের চরম সত্য গুলো আবিস্কার করে অনেক মূল্যহীনতায় ভুগে। অনেকে তাদের বুদ্ধির জোরেও এই সমস্যাকে মাথা থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে। তবে এরা সাধারনত জীবনের চাওয়া পাওয়ার ব্যাপারে অনেক সন্তুষ্ট হয় অল্পতেও।
ফটকা নারী :
এরা সাধারণত বন্ধু কিংবা বান্ধবী বেষ্টিত হয়ে থাকতে পছন্দ করে। সব ধরনের উৎসবমুখর কর্মকাণ্ডে এদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো। দৈনন্দিন জীবনে এদের বেশিরভাগ সময় কাটে ইন্টারনেটে বিভিন্ন মেসেঞ্জার এ টাংকি বাজি করে। এরা খুবই অস্থির প্রকৃতির হয়ে থাকে। সাংসারিক কাজ এদের ভালো লাগে না যেমন ,তেমনি এক পুরুষকেও বেশীদিন ভালো লাগেনা এদের।
সহজ সরল নারী :
বাংলাদেশে এ ধরনের নারীর সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। এরা সাধারণত খুব সহজেই অন্যর দ্বারা প্রভাবিত হয়। এ কারনে এরাই সবচেয়ে বেশি প্রতারনার ও শিকার হয়। এদেরকে সৎ পথে ও ভালো রাখার জন্য অভিভাবকত্ব খুবই জরুরী। সাংসারিক জীবনেও এরা বেশ সুখী হয়।
ক্যাচাল প্রিয় নারী / ঝগড়াটে নারী :
এরা সাধারনত সব ধরনের কাজেই ঝামেলা করে মজা পায়। দিনের মধ্যে না চিল্লাচিল্লি করলে এদের পেটের ভাত হজম হওয়া কষ্টকর। এরা আধিপত্য করতে ভালোবাসে। এসব নারী প্রেমিকা হিসেবে ভালো হলেও বৌ হিসেবে অত্যন্ত ভয়াবহ।
সন্দেহপ্রবন নারী :
এদের জীবনের মুল লক্ষ্যই হল যেকোনো কাজের মধ্যে গভীর কোন অর্থ খুজে বের করা। এদের জীবন কাটে স্বামীর টেলিফোন ,প্যান্টের পকেট , ড্রয়ার প্রভৃতি জিনিস পত্র চেক করে। এরা তাদের স্বামীকে খুব সাবধানে আগলে রাখতে চায়। জায়গা জমি কিনবা ব্যক্তিগত সম্পত্তি নিয়েও এরা প্রচুর দুশ্চিন্তায় ভোগে।
আত্মাভিমানী নারী :
এরা কোন এক অজ্ঞাত কারনে সব দোষ নিজের উপর টেনে আনতে পছন্দ করে। এরা ইচ্ছা করে নিজেরা কষ্ট পেতে পছন্দ করে। কষ্টের জন্য চোখের জল ঠিকই পড়ে কিন্তু এটা যে নিজেরই তৈরি সেটা কখনো মনে করে না।
এরা সারা জীবনভর শুধু কষ্টই পায়। এদের জীবনে সুখ কম।
আহ্লাদী নারী :
এরা সবসময় ছোট বাবুর মতো নাকি সুরে কথা বলতে ও শুনতে পছন্দ করে। দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারে আহ্লাদী নারী প্রায় জন্মায় না বললেই চলে। এরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উচ্চবিত্ত বেশি হয়। খুব সাধারণ ব্যবহার্য জিনিসে নাক সিটকানোর একটা অদ্ভুত প্রবনতা দেখা যায় । এরা আহ্লাদী হয় কারন এরা তাদের বাবা মা এর কাছ থেকে মানুষ হবার যোগ্য শিক্ষা পায় না।
দু মুখো নারী :
এরা প্রচুর পরিমানে বানিয়ে কথা বলতে পছন্দ করে । মুহূর্তের মধ্যেই কথা ঘুরিয়ে ফেলার আশ্চর্য এক ক্ষমতার অধিকারী এই শ্রেণীর নারীরা । এদের জন্য মানুষে মানুষে সাধারণত হানাহানি , ঝগড়া বিবাদ বেশি হয় । এদের দেখামাত্র ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করা প্রত্যেকের অবশ্য কর্তব্য।
জ্ঞানী নারী :
সমাজে এদের অবস্থান বেশ উপরের দিকে। যদিও এরা নিভৃতে থাকতেই বেশি পছন্দ করে। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় তারা ব্যয় করে উচ্চশিক্ষার পিছে। অর্জিত যে কোন ধরনের জ্ঞান ই তারা ব্যবহার করে তাদের বাস্তব জীবনে আদর্শ নারী সমাজ গড়ে তোলার পিছে তাদের অবদান চিরদিন ছিল,আছে ,থাকবে।
পল্টিবাজ নারী :
এরা খুব স্বার্থপর ধরনের হয়। স্বার্থের জন্য যেটা ভালো , সেটাই এরা করে ছাড়ে। কে কি বলল না বলল তাতে তাদের কিছু যায় আসে না। এরা ন্যায় অন্যায় বিচার করতে পারলেও এটা নিয়ে মনে মনে দুঃখ করা ছাড়া এদের কার কোন কাজ নেই। এরাও খ্যাতির পিছেই ছোটে , কিন্তু খ্যাতিও এদের বোকাই বানায়।
কনফিউজড নারী :
যে কোন ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে এরা হতাশায় ভোগে। এদের সবসময় মনে হয় সে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ,সেটা সঠিক নয়। এ ধরনের নারীরা খুব অল্প ব্যর্থতাতেই খুব আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। এদের জন্য কাউন্সেলিং জরুরী।
আত্মকেন্দ্রিক নারী :
নিজেকে নিজের মাঝে গুটিয়ে রাখতে এরা পছন্দ করে। এদের পৃথিবীতে অন্যর হস্তক্ষেপ কিনবা অভিবাসন এরা একেবারেই পছন্দ করে না। এরা বেশিরভাগই কল্পনাপ্রবন হয়। এদের আত্মসম্মান বোধ অতিমাত্রায় প্রবল। এরা গৃহিণী হিসেবেও বেশ ভালো ।
ধার্মিক নারী :
এদের সাধারণত আপাদমস্তক সবসময়ই ঢাকা থাকে। এরা সবাই রক্ষণশীল নীতি মেনে চলে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারের মাঝে এধরনের নারী বেশি থাকলেও উচ্চবিত্তদের মাঝে এদের সংখ্যা কম নয়। এরা সাধারণত ঠাণ্ডা প্রকৃতির ও স্থির মেজাজের হয়। মাঝে মাঝে কিছু নারী এই ধার্মিকতার লেবাস ধরলেও তারা আসলে এই শ্রেণীভুক্ত নয়।
ছলনাময়ী নারী / প্রতারক নারী :
পোশাক আশাক কিনবা আচার ব্যবহারে অন্যদের থেকে এদের আলাদা করা অসম্ভব কঠিন। এদের প্রায় পুরোটুকুই মিথ্যা। এরা বেশি থাকে বাস টার্মিনালে, লঞ্চ ঘাট কিনবা ট্রেন স্টেশনে। এসব জায়গায় যেচে পড়ে কেউ এগিয়ে এলে সতর্ক হোন। নিরপরাধ ও সহজ সরল মানুষেরা এদের শিকার হয় প্রায়শই। এদের দেখা আর ১০ নম্বর বিপদ সংকেত দেখা একই কথা।
ক্রিমিনাল নারী :
এরা আমাদের দেশে কম । বাইরের দেশে এদের সংখ্যা বেশি । এরা সাধারণত ভেঙে যাওয়া পরিবারের সন্তান। শৈশবের কিংবা কৈশোরের কোন ঘটনা যা তাকে ভুগিয়ে থাকে ,নির্দোষ হবার পরেও ,তারা সাধারণত অনেক বড় ধরনের অপরাধী হয়। আর এর সাথে যদি যোগ হয় বুদ্ধিমত্তা ,তাহলে তো খবরই আছে। এরা অনেক বেশি প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে থাকে।
লুল প্রিয় নারী :
অবিশ্বাস্য ভাবে পুরো পৃথিবীতেই এদের সংখ্যা খুব দ্রুত বাড়ছে।
কিশোরীর স্তন বিশাল বড় হয়ে যাওয়া
নেট থেকে
স্তনের জন্য ব্রা এর ব্যাবহার ও যত্ন
স্তনের জন্য ব্রা এর ব্যাবহার ও যত্নঅনেক দিন ধরেই চিন্তা করছি মেয়েদের স্তনের যত্ন ও পরিচর্যা নিয়ে লিখবো, কিন্তু লিখবো-লিখবো করে লিখা হয়নি।আমাদের দেশে মেয়েরা যে ব্রা`র সাইজ কিনেন ও ব্যাবহার করেন, তা কতটুকু ঠিক? এই বিষয়ে ই আমার এই লিখা। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে, আর কাজে লাগলে ই আমার এই লিখা সার্থক হবে।সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করলে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই, প্রায় ৯৫% মহিলাদের দেখা যায় ভুল মাপের ব্রা পরতে; হয় খুব আটো (টাইট) কিংবা ঢোলা গড়নের ব্রা পরে যা কিনা পরবর্তীতে শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। মেরুদণ্ডে ব্যাথা, ঘাড়ে ব্যাথা, মানসিক অস্বস্তি খুবই সাধারন যা প্রায়ই দেখা যায়। অনেক বিশেষজ্ঞ দাবি করেন, ভুল মাপের ব্রা ব্যবহারে স্তন ঠিক জায়গায় না থেকে বরং নিচের দিকে ঝুলে পরার প্রবনতাকে বৃদ্ধি করে।এখানে ব্রা এর সঠিক মাপ সম্পর্কে একটা ধারনা পাওয়া যেতে পারে।
Tuesday, September 27, 2011
মেনোপজের সম্ভাব্য লক্ষণসমূহ যা একজন নারীর যৌনতাকে আক্রান্ত করে
- ক্লান্তিবোধ , আকস্মিক উষ্ণ উচ্ছ্বাস , ঘুম ঘুম ভাব
- মাথা ঘুরানি , যোনি শুকিয়ে যাওয়া
- ভারসাম্য রক্ষা করায় কষ্ট , যৌন ইচ্ছার পরিবর্তন
- অনেক বেশি ঘাম দেয়া
- সপর্শে অনেক কম আনন্দ অনুভূত হওয়া
- দ্বিতীয় যৌনাঙ্গের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঃ স্তনের পূর্ণতা কমে আসা, যোনি কপাট, নিতম্ব, কমর এবং বয়স্ক যোনি লোম কমে আসা।
- যোনির টিস্যুগুলো পাতলা হয়ে আসা
- ত্বকে চুলকানি অথবা জ্বালাপোড়া
- কাপড় পরিচ্ছদে অথবা সপর্শে সপর্শকাতরতা
- পায়ের এবং হাতের অনুভব কমে আসা
- এসব অবস্থায় জড়িত হয়ে পড়ে রজঃস্রাবপূর্ব লক্ষণসমূহ।
- এছাড়াও এস্ট্রোজেনের কমতির কারণে খুব বেশি শিরঃপীড়া হতে পারে।
- অল্প সময়ের জন্য স্মৃতিভ্রষ্ট হতে পারে
- মনোযোগ দিতে অসুবিধা হতে পারে
- চাপ এবং দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে।
যদিও মেনোপজ হতে পারে একটা সময়ের ব্যাপার। তবে এর দ্বারা কী আশা করা যায়, তা হচ্ছে এই যে এর বেশিরভাগ লক্ষণই স্থায়ী নয় এবং তা হচ্ছে একটি স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়া। এটা জানা থাকলে কোনো ভয়ের কারণ থাকে না। এখানে কিছু স্থায়ী শারীরিক পরিবর্তন আসতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে একটু বেশি মাত্রায় মুখের পশম গজানো দেখা দিতে পারে এবং কণ্ঠস্বর গভীর হতে পারে। ভগাঙ্কুর অনেকটা বেড়ে যায় এবং যোনিরও পরিবর্তন হয়। যোনি দেয়ালসমূহ পাতলা ও শুকনো হয়ে যায়। স্বাভাবিক পিচ্ছিলতা না থাকায় যৌনসঙ্গম কষ্টদায়ক হতে পারে। এই সমস্যা দেখা দিলে ভেজিটেবল অয়েল অথবা তার পরিবর্তে অন্য লুব্রিক্যান্ট যেমন ‘অ্যাসট্রোগ্লাইড আর অথবা রিপ্লেনস আর’ ব্যবহার করলে সমস্যা দূর হতে পারে।
অনেক নারী এ সময়ে যোনি অঞ্চলের পেশির সুস্থতা হারিয়ে ফেলেন। তারা হাঁচি দেওয়ার সময়, কাশি দেওয়ার সময় অথবা লাফ দেওয়ার সময় সামান্য প্রস্রাব ত্যাগ করতে পারেন। এটাকে বলা হয় incontinence. এটা বিশেষ করে ওইসব নারীর জন্য সাধারণত হয়ে থাকে যারা অনেক বেশি সন্তান জন্ম দিয়েছেন সাধারণ উপায়ে (অর্থাৎ অপারেশন বা সিজারিয়ান ছাড়া)। নিম্নে প্রদত্ত কেজেল ব্যায়ামটি এই ধরনের প্রস্রাব ক্ষরণ ব করে, যোনির দেয়ালকে শক্ত করে ও যৌনপুলক ও শীর্ষ আনন্দকে বাড়াতে পারে।
রজঃনিবৃত্তি
৪০ বছর বয়সের কাছাকাছি সময়ে ডিম্বকোষের মধ্যে এস্ট্রোজেন তৈরি কমে আসে। রজঃস্রাব চলতে থাকলেও তা অনিয়মিত হয়ে ওঠে। অবশেষে ডিম্বকোষে কোনো পরিপক্ব ডিম তৈরি করে না বা হয় না। এটা হওয়ার পর এস্ট্রোজেন তৈরি নাটকীয়ভাবে কমে যায়। লিভার, আড্রেনাল গ্ল্যান্ডসমূহ এবং চর্বিযুক্ত টিস্যু যেভাবেই হোক খুব সামান্য এস্ট্রোজেন তৈরি করতে থাকে। কম মাত্রার এস্ট্রোজেন নারীদের যৌনতাকে আক্রান্ত করে।
Monday, August 1, 2011
যৌন মিলনের বেশী আকাঙ্খা থাকে আধ্যাত্মিক মহিলাদের
Sunday, July 31, 2011
নারীর স্বমেহন
নারীর অভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গ
মহিলাদের সুস্থ জীবন দেয় সহবাস










