This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label মাসিকঋতুচক্র. Show all posts
Showing posts with label মাসিকঋতুচক্র. Show all posts

Tuesday, September 27, 2011

রজঃনিবৃত্তি

নারীর প্রথম বয়ঃসরি স্তরকে বলা হয় পেরিমেনোপজ। গ্রিক ভাষায় পেরি অর্থ হচ্ছে চতুর্দিকে। সুতরাং পেরিমেনোপজ শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় রজঃনিবৃত্তির চতুর্দিক। এটা হলো বদলির সময় যার শেষে রজঃনিবৃত্তি শুরু হয়। এ সময়টা হচ্ছে নারীর মধ্য জীবনে যখন তার রজঃস্রাব শেষ হয়ে যায়। মেনোপজ এক সময়ে ছিল এক ধরনের হেঁয়ালি, প্রকৃতপক্ষে এ বিষয়টি নিয়ে কেউ কথা বলতেন না। আমরা বলতে শুনেছি মেনোপজ সম্ব েলোকে বলে ‘পরিবর্তন’। তা বলাও যথেষ্ট ন্যায়সঙ্গত। পেরিমেনোপজের সময় একজন নারী একটি শারীরিক পরিবর্তনের পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যায়। পরিবর্তনের এই পদ্ধতিটি শুরু হয় ৪০ বছরের মাঝামাঝি সময়ে। কিন্তু আমাদের অন্যান্য যৌনতার ভ্রমণের মতো সব নারীই মেনোপজে এসে পৌঁছায় বিভিন্ন সময়ে। যেহেতু একজন নারীর জীবনকাল ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত আশা করা যায় সুতরাং বেশিরভাগ নারীই তাদের দ্বিতীয় অর্ধেক জীবনের ভ্রমণ কাটিয়ে দেয় রজঃনিবৃত্তির পরেই।
৪০ বছর বয়সের কাছাকাছি সময়ে ডিম্বকোষের মধ্যে এস্ট্রোজেন তৈরি কমে আসে। রজঃস্রাব চলতে থাকলেও তা অনিয়মিত হয়ে ওঠে। অবশেষে ডিম্বকোষে কোনো পরিপক্ব ডিম তৈরি করে না বা হয় না। এটা হওয়ার পর এস্ট্রোজেন তৈরি নাটকীয়ভাবে কমে যায়। লিভার, আড্রেনাল গ্ল্যান্ডসমূহ এবং চর্বিযুক্ত টিস্যু যেভাবেই হোক খুব সামান্য এস্ট্রোজেন তৈরি করতে থাকে। কম মাত্রার এস্ট্রোজেন নারীদের যৌনতাকে আক্রান্ত করে।

Sunday, September 25, 2011

মাসিক (প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রন :সবারই জানা উচিত)

মেয়েদের মাসিকঋতুচক্র (Menstrual cycle) এমন যে এতে এমন কিছু দিন আছে যা নিরাপদ দিবস (Safe period) হিসেবে ধরা হয়।এই দিবস গুলোতে স্বামী-স্ত্রীর অবাধ মিলনের (Sexual act) ফলে স্ত্রীর সন্তান সম্ভবা হবার সম্ভাবনা থাকে না।যেহেতু এই পদ্ধতিটি প্রকৃতি গত ভাবেই নির্দিষ্ট করা তাই একে প্রাকৃতিক পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি বলা হয়।অনেক সময় একে ক্যালেন্ডার পদ্ধতিও বলা হয়।
এ পদ্ধতি কার্যকর করতে অবশ্যই জেনে নিতে হবে আপনার স্ত্রীর ঋতুচক্রের নিরাপদ দিন কোন গুলো।এজন্য সবার আগে জানা চাই তার মাসিক নিয়মিত হয় কি না, হলে তা কত দিন পরপর হয়।এবার সবচেয়ে কম যত দিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১৮ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ঐ দিনটিই হলো প্রথম অনিরাপদ দিন।আবার আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে বেশী যতদিন পরপর মাসিক হয় তা থেকে ১০ দিন বাদ দিন, মাসিক শুরুর ১ম দিন থেকে ঐ দিনটিই হলো শেষ অনিরাপদ দিন।ধরুন আপনার স্ত্রীর মাসিক ২৮ থেকে ৩ ০দিন পরপর হয়।তাহলে ২৮-১৮=১০, অর্থাৎ মাসিকের শুরুর পর থেকে প্রথম ৯ দিন আপনার জন্য নিরাপদ দিবস, এই দিন গুলোতে অন্য কোনো পদ্ধতি ছাড়াই সঙ্গম করা যাবে।১০ম দিন থেকে অনিরাপদ দিবস, তাই ১০ম দিন থেকে সঙ্গমে সংযম আনতে হবে।আবার যেহেতু ৩০ দিন হলো দীর্ঘতম মাসিক চক্র তাই ৩০-১০=২০, অর্থাৎ ২০তম দিন আপনার জন্য শেষ অনিরাপদ দিবস।২১তম দিবস থেকে আপনি আবার অবাধ সঙ্গম করতে পারবেন।এর অর্থ এই উদাহরনে শুধু ১০ম থেকে ২০ম দিবস পর্যন্ত আপনি অবাধ সঙ্গম করলে আপনার স্ত্রীর গর্ভ ধারন করার সম্ভাবনা আছে।তবে এই দিবস গুলোতে কনডম (Condom) ব্যবহার করে আপনারা অতি সহজেই ঝুকিমুক্ত থাকতে পারেন।
জেনে রাখা ভালো অনিয়মিত ভাবে মাসিক হবার ক্ষেত্রে এপদ্ধতি কার্যকর নয়।তবে কারো যদি হিসাব রাখতে সমস্যা হয় তবে সহজ করার জন্য বলা যায় মাসিক শুরুর পর ১ম ৭দিন এবং মাসিক শুরুর আগের ৭দিন অবাধ সঙ্গম করা নিরাপদ।
প্রাকৃতিক জন্ম নিয়ন্ত্রন ৮০% নিরাপদ, বা এর সাফল্যের হার শতকরা ৮০ ভাগ।সাধারনত হিসেবে গন্ডগোল করে ফেলা, অনিরাপদ দিবসেও সূযোগ নেয়া বা ঝুকি নেয়া, অনিয়মিত মাসিক হওয়া এসব কারনে এই পদ্ধতি ব্যর্থ হতে পারে।তাই সঠিক হিসেব জেনে নেবার জন্য ১ম বার চিকিৎসকের স্মরনাপন্ন হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।কিছু পুরুষের শুক্রানুর আয়ু বেশী হওয়ার কারনে তারা এটায় সফল নাও হতে পারেন এবং সেক্ষেত্রে অনিরাপদ দিবস ২দিন বাড়িয়ে নেবার প্রয়োজন হতে পারে।অনেকে এটা Programmed sex বলে একে ঝামেলা পুর্ণ মনে করেন, কিন্ত একবার এতে অভ্যস্ত হয়ে গেলে এটা বেশ সহজ, আরামদায়ক এবং পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াহীন।

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More