This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label জানা-অজানা. Show all posts
Showing posts with label জানা-অজানা. Show all posts

Thursday, July 21, 2011

নারীর শরীর


যে নারী শরীর নিয়ে যুগে যুগে পুরুষেরা নানা জল্পনা-কল্পনা চালিয়ে এসেছেন, রহস্যে ঢাকা কুয়াশায় ঘেরা সেই শরীরের ভেতর আর বাহির নিয়ে আলোচনা এই নিবন্ধে।
শরীর যন্ত্রের ইতিকথন
একই অমৃতের সন্তান হলেও মানুষ আর মানুষীর মধ্যে থেকে যায় নানা স্তরে বিস্তর তফাৎ। সবচেয়ে বড় তফাৎ থাকে শরীরের কাঠামোতে। ভ্রূণ অবস্থা থেকেই একটু একটু করে আলাদা হয়ে যেতে থাকে নারী-পুরুষের শারীরিক গঠন।
গঠন ভেদ
মা হবার সচনা থেকে গর্ভাবস্থার আট সপ্তাহ পর্যন্ত পুত্র বা কন্যা ভ্রূণকে আলাদা করা যায় না। এক সপ্তাহ পরে যখন ভ্রূণটি লম্বায় মাত্র ৩ সেঃ মিঃ আর ওজনে মাত্র ২ গ্রাম তখনই বাইরের যোনিপথের ঝিল্লিগুলো অদৃশ্য হয়ে যায় কন্যা ভ্রূণের।
যোনিদ্বারের প্রারম্ভিক গড়ন তৈরি হয়। একইভাবে পুত্র ভ্রূণের লিঙ্গ দ্বারের একদিকের ভাঁজ বেড়ে যেতে শুরু করে। প্রাথমিক লিঙ্গের আদল নেয়। এগারো সপ্তাহের মধ্যেই যৌনাঙ্গের বাইরের গড়ন সম্পর্ণ হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটা অনেক বেশি জটিল ভ্রূণের ভেতরে। গঠন গত প্রভেদ তৈরি হবার আগে ভ্রূণের দু রকম টিউব থাকে। মুলারিয়ান ও উলফিয়ান। কন্যা ভ্রূণের ক্ষেত্রে সাত থেকে নয় সপ্তাহের মধ্যে উলফিয়ান টিউব প্রায় অদৃশ্য হয়ে যায়। অথচ নিচের মুলারিয়ান টিউব যোনির গড়ন আনে খুব ধীরে ধীরে, তারপর চৌত্রিশতম সপ্তাহ পর্যন্ত জননগ্রন্থি প্রাথমিকভাবে ডিম্বাশয়ে পরিণত হতে থাকে। আর উপরের মুলারিয়ান টিউবটি হয়ে যায় ফ্যালোপিয়ান টিউব। পুরুষ ভ্রূণের ক্ষেত্রে ঠিক উল্টোটা হয়। মুলারিয়ান টিউব অদৃশ্য হয়ে গিয়ে জননগ্রন্থিগুলো জড়ো হয়ে তৈরি করে অন্ডকোষ।
রজঃদর্শন বা বয়ঃসন্ধি
বয়ঃসন্ধি বা রজঃদর্শনের সময়ে নারী বা পুরুষের মধ্যে জনন ক্ষমতা তৈরি হয়। কিশোরী হয়ে ওঠে নারী। যে নারী যৌনক্রীড়ায় সঙ্গিনী হয়, আবার মা-ও হতে পারে। এ সময় মেয়েদের ডিম্বাশয় পরিপক্বতা পায়। শুধু তাই নয়, বয়ঃসন্ধির সবচেয়ে বড় লক্ষণ রজঃস্বলা হওয়ারও সূচনা এই সময়ে হতে থাকে।
কিন্তু এই দুটি পরিবর্তনই একমাত্র বয়ঃসন্ধির লক্ষণ নয়। সারা শরীর জুড়েই তখন পরিবর্তনের ঢল নামে। শরীরের এই হঠাৎ বদলে যাওয়া ছাপ ফেলে বয়ঃসন্ধির কিশোরী মনে ও চেতনায়। এর ফলে তার বালিকা স্বভাব ধীরে ধীরে কমে আসতে থাকে, তার জায়গা নিতে থাকে স্ফুটনোন্মুখ নারীত্ব।
সূচনা সময়
এটা সব মেয়ের জীবনেই গুরুত্বপুর্ণ। যদিও নানা কারণে সময়ের হেরফের হতেই পারে। যেমন বংশগত কারণে, পুষ্টিগত কারণে, মানসিক বা শারীরিক অন্যান্য কারণেও ঋতু শুরু হবার সময়টা অনেক পিছিয়ে যেতে পারে। শৈশবে দীর্ঘ রোগ ভোগ বা মানসিক জোরালো আঘাত কাটিয়ে ওঠার ফল হিসেবেও অনেকের ক্ষেত্রে এর সূত্রপাত হতে পারে নির্দিষ্ট সময়ের পরে।
হরমোন প্রক্রিয়া
বয়ঃসন্ধি একটি কিশোরীর শরীরে যেসব বদলগুলো এনে দেয় তার প্রধান সূত্র লুকিয়ে থাকে মস্তিষ্কের একটি বিশেষ প্রদেশে। তার নাম হাইপোথ্যালামাস। ঋতুর সূত্রপাতের বছর দুই আগে থেকেই হাইপোথ্যালামাসের ক্ষরণ শুরু হয়। একে বলে ‘রিলিজিং ফ্যাক্টটরস’। এই ক্ষরণ পিটুইটারি গস্ন্যান্ডে পৌঁছে রাসায়নিক উপাদান তৈরি করে। এরই নাম হরমোন।
প্রথম যে হরমোন তৈরি হয় সেটাকে বলা হয় ফলিকল স্টিমিউলেটিং হরমোন, সংক্ষেপে এফএসএইচ। এটার প্রভাবেই অন্য ফলিকল ইস্ট্রোজেন তৈরি করে। এই ইস্ট্রোজেনই বুক ও জননেন্দ্রিয়ের গঠনে সাহায্য করে।
হাইপোথ্যালামাস আর একটি যে উপাদান তৈরি করে তার নাম লিউটেনাইজিং হরমোন। এই হরমোনটি একটি ফলিকলকে ফাটিয়ে তার ডিম্বাণুকে বেরোতে সাহায্য করে। এই ডিম্বাণুটির সম্ভাবনা থাকে উর্বর হয়ে ওঠার বাকি মৃত ফলিকলগুলোকে বলা হয় ‘করপাস লিউটিয়াম’।
এগুলো ইস্ট্রোজেন ক্ষরণকে চালু রাখে এবং নতুন ক্ষরণও তৈরি করে। তার নাম প্রজেস্টেরন। এই প্রজেষ্টেরন আবার ইউটেরাসের মধ্যে একটা আস্তরণ প্রস্তুত করে উর্বর ডিম্বাণুটিকে গ্রহণ এবং লালন করার জন্য। ডিম্বাণুটির যদি উর্বরতা না থাকে তাহলে রক্তে ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরনের মাত্রা কমে যায়। তার ফলে জরায়ুর ভেতরের আস্তরণটি ছিড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে যে রক্তস্রাব শুরু হয় সেটাই হলো প্রথম ঋতুস্রাব। এই ঋতু বা রজঃস্রাব বয়ঃসন্ধি থেকে নিয়মিতভাবে হতে থাকে ২৮দিন অন্তর, যতদিন না রজঃনিবৃত্তি হয়।
বয়ঃসন্ধি ও শারীরিক ক্রমবিকাশ
মেয়েদের বয়ঃসন্ধি আসে নয় থেকে চৌদ্দ বছরের মধ্যেই। আর থাকে চৌদ্দ থেকে আঠারো বছর পর্যন্ত। কিন্তু এই বয়ঃসন্ধির প্রভাবে যে পরিবর্তনগুলো আসে তার সূত্রপাত এগোরো থেকেই বদলের প্রক্রিয়াটি চলতে থাকে চৌদ্দ পর্যন্ত। সকলের ক্ষেত্রেই সবরকম পরিবর্তন আসে, তা নয়, কিন্তু এর মধ্যে কয়েকটি গড়ে প্রায় সব মেয়েরই হয়।
আগে ও পরে
বয়ঃসন্ধির আগে পর্যন্ত স্তন থাকে অপরিপুষ্ট। বাহুসন্ধি বা জননেন্দ্রিয়ের কাছে লোমের চিহ্ন থাকে না। দেহের গড়ন থাকে একটি বালকের মতো। ঋতু দর্শন যখন তাড়াতাড়ি হয় এগারো থেকে তেরোর মধ্যে তখন মুখ অনেকটা ভরাট হয়ে ওঠে। শ্রোণী বা তলপেট পরিপুষ্ট হতে থাকে সন্তান ধারণের উপযুক্ত হয়ে ওঠবার জন্য। নিতম্বে মেদ জমতে শুরু করে। স্তন পুষ্ট হয়ে উঠতে থাকে স্তনবৃন্তও।
জননেন্দ্রিয়ের ভেতর ও বাইরের গড়ন সম্পর্ণ হতে থাকে, তার চারপাশে লোমের উন্মেষ হয়। যোনিপথের ভেতরের আস্তরণ মোটা হয়ে ওঠে।
ঋতুস্রাব দেরি করে যখন হয়, চৌদ্দ থেকে ষোলোর মধ্যে স্তন বড় হতে থাকে। ঘন লোমের উন্মেষ হয়, বাহু সন্ধি ও যোনিদ্বারের চারপাশেও ঋতুস্রাব শুরু হয়।
পরিপূর্ণতা (সতেরো থেকে আঠারো)
শরীরের রেখায় রেখায় এই বয়সে আসে পরিপূর্ণতা। কাঠামো বা হাড়ের বৃদ্ধি থেমে যায়। পরিপুষ্ট হয়ে ওঠে জননেন্দ্রিয়। ঋতু আবর্তন নিয়মিত হয়ে উঠতে থাকে আরও বেশি।
একই সময়ে শরীরের অন্যান্য তন্তুগুলোও বেড়ে উঠতে থাকে। গলা সামান্য ভারী হয়; রক্তচাপ, রক্তে লোহিতকণিকা বাড়তে থাকে। হৃদস্পন্দন ধীরে হয়। শরীরের তাপ কমে। নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস ধীরে হতে থাকে, কিন্তু ফুসফুসের ক্ষমতা বাড়ে। হাড় আরও শক্ত হয়ে ওঠে।
আঠারোর মধ্যেই একটি কিশোরী দৈর্ঘ্য প্রস্থে বেড়ে একজন পরিপূর্ণ নারীতে পরিণত হয়।
সমস্যার কথা
হরমোনের কমবেশির দরুন কিছু কিছু ক্ষেত্রে বয়ঃসন্ধির লক্ষণগুলো পরিস্ফুটই হয় না। তবে বেশিরভাগ যে সমস্যা মেয়েদের ক্ষেত্রে দেখা দেয় বয়ঃসন্ধির সময়ে সেটা মানসিক। কারও ব্রণ উঠতে শুরু করে, কারও ব্লাকহেডস দেখা দেয়। কেউ অতিরিক্ত মোটা হয়ে যায়-এবং এই সবকিছুই মনের ওপর ছাপ ফেলে।
বয়ঃসন্ধিতে কিশোরী অনেক সময় একটু উদ্ধত বা মেজাজি হয়ে উঠতে পারে। হয়ে উঠতে পারে অবাধ্য বা আলসেও। এর কারণ যেমন লুকিয়ে থাকে মানসিকতায়, তেমনি শারীরিক কারণেও এসব ঘটতে পারে। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বয়ঃসন্ধির এইসব সমস্যা ক্রমশ কমে আসে। পরিপূর্ণ সেই নারী শরীরের যে কোনো সমস্যাই তখন নারীর সমস্যা, বয়ঃসন্ধি কিশোরীর বিপদ বা জটিলতা নয়।
মেনোপজ বা রজঃনিবৃত্তি
প্রাণীদেহের নিয়ম মেনেই একটা সময়ে মা হওয়ার বয়স ফুরিয়ে যায়। অবশ্য তাতে কোনো নারীর গরিমা ক্ষুণ্ন হয় না, কেননা ইতিমধ্যে সে একজন সন্তানবতী নারী হয়ে ওঠার সময় পার করে এসেছে। তবু প্রজনন ক্ষমতা শেষ হয়ে যাওয়া অবশ্যই একটি নারীর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর বাহ্যিক লক্ষণটি হল নিয়মিত ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া। তবে এর ফলে হরমোনের বৈষম্যের দরুন অন্য কিছু কিছু উপসর্গও দেখা দেয়। যেমন কারও কারও শরীরের কোনো কোনো অংশে বার্ধক্যের ছাপ প্রকট হয়ে ওঠে। এই সময়টায় মেয়েরা কখনও কখনও খুব বিমর্ষ হয়ে পড়েন। কেউ বা শারীরিক একটা ঝঞ্ঝাট এড়ানো গেল ভেবে খুশিও হয়ে ওঠেন।
সূত্রপাত
এক একজনের ক্ষেত্রে রজঃনিবৃত্তির সূত্রপাত হয় এক এক বয়সে। সাধারণত বয়সটা হল পঞ্চাশ। যদিও কিছু ক্ষেত্রে ত্রিশ বছর বয়সেই এটা হতে পারে। তবে অধিকাংশেরই পঞ্চাশ বছরে প্রজনন ক্ষমতা চলে যায়। খুব অল্প সংখ্যক মহিলাই পঞ্চান্ন পর্যন্ত প্রজননক্ষম থাকেন।
অস্ত্রোপচারের পরে রজনিবৃত্তি
কখনও অস্ত্রোপচারের ফলে মেয়েদের ডিম্বাশয় কেটে বাদ দিতে হয়। তখন যে রজঃনিবৃত্তির সচনা হয় সেটাকেই সার্জিক্যাল মেনোপজ বলে। এর ফলে ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যায়, শেষ হয়ে যায় প্রজনন ক্ষমতা। ডিম্বাশয় থেকে জন্মানো হরমোনের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। সেই জন্য এ সময় চিকিৎসকরা অনেকক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন দেন রোগীকে, যাতে এই আচমকা হরমোন ঘাটতি তিনি সামলে উঠতে পারেন।
মেনোপজের উপসর্গ
প্রথম যে উপসর্গটি এসব ক্ষেত্রে দেখা যায়, সেটা হল ঋতুস্রাবের অনিয়মিতা। তাছাড়া এ সময় ঋতুস্রাব কম হতে থাকে, দেরিতে হতে থাকে। কখনও এক দু’মাস নাও হতে পারে। কখনও আবার এক মাসে খুব বেশি স্রাব, পরের মাসে খুব কম এমনও হতে পারে। এরই কয়েকমাস বা বছর পরে ধীরে ধীরে ঋতুস্রাব একেবারে বন্ধই হয়ে যায়। কারও আবার একেবারে আচমকা বন্ধ হয়ে যায়। শেষ ঋতুস্রাবের পর ঠিক এক বছর গেলে তবেই একজন পঞ্চাশোধর্ক্ষ নারীকে জননক্ষমতাশন্য বলা যেতে পারে।
তবে এসব ক্ষেত্রে গর্ভধারণ সম্পর্কে নিরাপদ হবার জন্য এর পরের বছর দুয়েক জন্মনিরোধক ব্যবস্থা নেয়া উচিত। বিশেষত পঞ্চাশের নিচে বয়স হলে এ ব্যবস্থা অত্যাবশ্যক।
রজঃনিবৃত্তি ও সমস্যা
অনেক মহিলার ক্ষেত্রে ঋতু বন্ধ হওয়াই মেনোপজের একমাত্র লক্ষণ। অনেকের অন্যান্য সমস্যাও দেখা দেয়। শরীরের ইস্ট্রোজেন কমে গেলে হাইপোথ্যালামাস গ্রন্থ্থির ক্ষরণে যে বদল দেখা দেয় তার ফলে এসব সমস্যা দেখা দিতে থাকে। মাঝে মাঝে মনে হতে পারে বুকের মধ্যে গরম ভাব, ক্রমশ গলা ও মুখের দিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে। এটা সারা শরীরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে জ্বলুনি হয়ে। ঘামও হতে পারে সঙ্গে। মুখে গরম হাল্কা ভাব মিনিট পনেরো থাকতে পারে এবং দিনে কয়েকবার হতে পারে। আবার অল্পস্থায়ী হয়ে বারবারও হতে পারে। ঋতুর সময়ে এটা হতে পারে। আবার ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে যাবার আগে থেকে থামবার পরও বছর দু’তিন পর্যন্ত এই উপসর্গ থাকতে পারে। এই উপসর্গের খুব বেশি বাড়াবাড়ি হলে বিমর্ষতা, রাতে ঘাম হয়ে ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া ইত্যাদিও হতে পারে। চিকিৎসকেরা এসব ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন বা ক্লমিফেন ওষুধ দিয়ে থাকেন।
হরমোনের পরিবর্তন শরীরের যে কোনো জায়গায় চুলকানি বা জ্বলুনির সচনা করতে পারে বিশেষত যোনিদেশে। তাছাড়া যোনিপথ রুক্ষ খসখসে হয়ে ওঠে। মলম ইত্যাদি তখন দেয়া হয়ে থাকে।
উলেস্নখিত উপসর্গগুলো ছাড়াও অনেক সময় মাথা ঝিমঝিম করা, মাথাব্যথা এবং অনিদ্রা ইত্যাদিও দেখা দিতে পারে। এ সময় অনেকেই বেশি অবসন্ন হয়ে পড়তে পারে, অনুভব করতে পারে উদ্যমের অভাব। কারও আবার হজমের গন্ডগোল, পেটে ব্যথা, ফোলা, অজীর্ণ ইত্যাদি পেটের গোলমাও দেখা দিতে পারে। অনেক সময় দম বন্ধ হয়ে আসা বা বুক ধড়ফড়ানিও হয়ে থাকে। তবে এসব উপসর্গ বা সমস্যা যে সবার ক্ষেত্রেই হবে এমন কথা নেই। প্রকৃতপক্ষে এমন কোনো উপসর্গের কথা হলফ করে বলা যাবে না যা সরাসরি রজঃনিবৃত্তির কারণেই হয়ে থাকে। তবে এরই জন্য পরোক্ষভাবে এসব হয় অনেকেরই।
কারও আবার রজঃনিবৃত্তির সময়ে খিদে বেড়ে যেতে পারে। অথচ এনার্জি কমে আসছে এমনও হতে পারে। ফলে প্রচন্ড মোটা হয়ে যাওয়াটাই অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায়। এ সময়ে খাওয়া কমানো উচিত। শুধু শারীরিক নয় এ সময়ে কিছু মানসিক উপসর্গও দেখা দেয়। খাম খেয়ালিপনা, চট করে রেগে যাওয়া, ভুলে যাওয়া, বেশি উৎকণ্ঠা, বিমর্ষতা ইত্যাদি অনেকেরই হয়ে থাকে। এর কারণ হিসেবে সরাসরি কোনো কিছুতে চিহ্নিত না করলেও বলা যায়, হরমোনের পরিবর্তনের জন্য যে মুখে বা শরীরের জ্বলুনি, মাথাধরা, অনিদ্রা ইত্যাদি দেখা দেয় তার ফলেই এসব মানসিক উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে। তাছাড়া বয়স হয়ে যাওয়ার ভয় অথবা যৌনজীবনে বিরাট পরিবর্তন আসতে চলেছে এমন উৎকণ্ঠাও এসব মানসিক উপসর্গের কারণ হতে পারে। অনেকেই কষ্ট পেতে থাকেন এই ভেবে যে, তিনি আর মা হতে পারবেন না।
রজঃনিবৃত্তি ও যৌনজীবন
অনেক মহিলাই এ সময় একটাই ভয় পান হয়তো এর ফলে তিনি নিজের আকর্ষণীয়তা হারিয়ে ফেলবেন। এরপর তিনি আর মা হতে পারবেন না। তার ফলে অনেকের ধারণা হতে থাকে তিনি হয়তো নারীত্ব হারিয়ে ফেললেন। তবে রজঃনিবৃত্তির সময় বা পরে কোনো সময়ে নারী-পুরুষের শারীরিক আদানপ্রদান বন্ধ রাখাটা প্রয়োজনীয় নয়। যদিও মেয়েদের এ সময়ে শারীরিক চাহিদাটা কমে আসে। কিন্তু এরপরে যৌন ক্ষমতা চলেও যায় না, সৌন্দর্যও নষ্ট হয়ে যায় না কোনো মতেই। আবার এরপরে যৌনমিলনে লিপ্ত হওয়ার মধ্যে অনৈতিক কিছুও নেই, এটাও মনে রাখতে হবে। তবে এ সময়ে অবাঞ্ছিত মাতৃত্বের ব্যাপারে সাবধান হওয়ার জন্য বা যোনিদেশের শুষকতার ব্যাপারে কি করা দরকার সে বিষয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন।
রজঃনিবৃত্তির পরের পরিবর্তন
ইস্ট্রোজেন মেয়েদের স্তন, জরায়ু, যোনিদেশ, পেশির মসৃণতা ও ত্বকের পুষ্টি বৃদ্ধি করে। শুধু তাই নয় আরও নানা রোগ ও ক্যালসিয়ামের ক্ষয়রোধ করে ইস্ট্রোজেন।
তাই ইস্ট্রোজনের ঘাটতি, রজঃনিবৃত্তির সময়ে শরীরে বার্ধক্যের চিহ্ন ফুটিয়ে তোলে। ইস্ট্রোজেনের ঘাটতির কারণেই পেশির টানটান ভাব চলে যায় এবং চামড়া ঝুলে পড়তে থাকে বয়সের রেখা দেখা যায়। একই কারণে স্তন বড় হয়ে ঝুলে পড়তে থাকে। জরায়ু ও ডিম্বাশয় ছোট হয়ে যায়। যোনিপথের দেয়াল পুরু হয়ে যায়। শুষকতা আসে যোনিদেশে, যখন তখন রোগ সংক্রমণের সম্ভাবনা বাড়িয়ে তোলে। এই জন্য যৌনমিলন কখনও কখনও কষ্টকর হয়ে ওঠে।
এছাড়া যোনিদেশের লোম কমে যায়। ওপরের ঠোঁট ও চিবুকে লোম গজাতে পারে। এ সময়ে হৃদরোগের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। স্থূলতা বাড়ে বলে অনেক সময় বাতও দেখা দিতে পারে।
রজঃনিবৃত্তির অনেকদিন পরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেরুদন্ড বাঁকিয়ে দিতে পারে।
ত্বক
অঙ্গ হিসেবে যদি ধরা যায় তবে ত্বক হল শরীরের বৃহত্তম অঙ্গ। প্রায় সতেরো বর্গফুট জায়গা ঢেকে রাখে ত্বক যে কোনো গড় মহিলার। আবার মোট ওজনের ষোলো শতাংশ এর ওজন। সারা শরীরে প্রায় ১.২ মিলি মিটার পুরু হয় ত্বক। ত্বকের ভেতরে থাকে তন্তু্তু যার জন্য ত্বক পায় নমনীয়তা। বিভিন্ন দেহ সন্ধির সক্রিয়তা বজায় থাকে এরই জন্য।
ত্বক হল শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর দুটি পৃথক স্তর আছে। একটি এপিডারমিস, অন্যটি ডারমিস। প্রথমটি থাকে বহির্ভাগে, অন্যটি নিচের দিকে। এপিডারমিস স্তরটিকে ঢেকে রাখে কেরোটিন নামের একটি পুরু স্তর। তারই আর একটু জমাট চেহারা দেখি। ডারমিসের গভীরে পুরু স্তরের ঠিক ওপরে ঘাম নিষকাশন গ্রন্থ্থিগুলো থাকে যা থেকে বিভিন্ন নালী ও লোমকূপ দিয়ে ঘাম নিঃসৃত হয় ত্বকে। ডারমিসেই স্নায়ুগুলো থাকে আর থাকে রক্তবাহী নালীগুলো যা এপিডারমাল কোষকে পুষ্টি দেয়। এই এপিডারমাল সেলই চুল গজাতে সাহায্য করে।
ঘাম
ঘাম নিঃসরণের গ্রন্থিগুলো থেকে যে ক্ষরণ নিঃসৃত হয় তাকেই বলে ঘাম। ঘামের ৯৯% হল জল, এছাড়াও আছে নুন, ইউরিয়া এবং অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ।
দেহগন্ধ
একজনকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী তখনই বলা যায় যখন তার ঘাম থেকে সামান্য গন্ধ বের হয়। ত্বকে যে ব্যাকটেরিয়া থাকে সেটাই ঘামের সঙ্গে মিশে দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে। যোনিদেশ বা বাহুসন্ধিতে যেহেতু ঘাম জমে থাকে সেহেতু ব্যাকটেরিয়াকে আকর্ষণ করে। শরীরের গড়ন ও জামা কাপড়ে ঢাকা থাকার কারণেই এসব জায়গা থেকে ঘাম চট করে শুকোয় না, ফলে গন্ধ তৈরি করে। পায়েও ঠিক একই কারণে ঘামের গন্ধ হয়।
ত্বক ও রোদ
রোদের অতি বেগুনি রশ্মির সংসপর্শে বেশি এলে ত্বকে মেলানিনের ঘনত্ব বেড়ে যায়। ফর্সা লোকদের ক্ষেত্রে এই লোনিন বেড়ে যাওয়াটা বাদামি ছোপ ধরায় বা মেচতার দাগ তৈরি করে।
স্তন
পূর্ণ বয়স্ক নারীর স্তন আসলে ম্যামারি নামক একটি গস্ন্যন্ড যাতে নরম এবং নিরবলম্ব মাংসপেশি থাকে প্রায় পনেরো থেকে পঁচিশটি। এগুলো তন্তু্তু দিয়ে আলাদা করা থাকে অনেকটা কমলা লেবুর কোয়ার মতো। প্রত্যেকটি মাংসপেশি মেদ দিয়ে ঢাকা থাকে।
শিশুর জন্মের পরে এই প্রতিটি মাংসপেশি যদি হয় এক একটি বৃক্ষ তবে সেই বৃক্ষের প্রতিটি পাতায় ছোট ছোট নালী বেয়ে প্রধান দুই নিঃসরণ নালী থেকে দুধ আসে। প্রধান নালীটি সে সময় স্ফীত হয়ে এরিওলার ঠিক নিচে একটি বড় আধার তৈরি করে। এরিওলা হল বোঁটার চার পাশের গাঢ় রঙের বৃত্তটি। ছোট ছোট নালীগুলোর সরু মুখ এই আধারের সঙ্গে বৃন্তের যোগ তৈরি করে। ফলে প্রতিটি মাংস পেশির সঙ্গে বোঁটার যোগ হয়ে ওঠে সরাসরি।
স্তনের আকার ও আয়তনের পরিবর্তন
নারীর জীবনের বিভিন্ন পরিবর্তনের প্রভাব আসে স্তনের আকার ও আয়তনের ওপর। বয়ঃসন্ধির আগে শুধুমাত্র গোলাপি বৃত্ত থাকে বোটাটিকে ঘিরে। বয়ঃসন্ধিতে এলে ১১ বছর বয়সে এরিওলা সামান্য ফুলে ওঠে বোঁটাও। হরমোনের ইস্ট্রোজেন ও প্রজেস্টেরন ক্ষরণ স্তনের বৃদ্ধি ঘটায়। দুধ নিঃসরণের নালীগুলো বোঁটার ভেতরে বিকশিত হতে থাকে তাদের ঘিরে মেদ জমে। ফলে ষোলো বছর বা তারপরে স্তন পরিপুষ্ট হয়ে ওঠে।
গর্ভাবস্থায় এরিওলায় ফাটা ফাটা দাগ হতে পারে, স্তন অনেক নরম হয়ে যায়, শিরাগুলো খুব বেশি পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। গর্ভাবস্থার শেষের দিকে স্তন স্বাভাবিকের চেয়ে ১/৩ ভাগ বেশি বড় হয়ে ওঠে। বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোর মেয়াদ শেষ হলেই স্তন আবার পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে।
রজঃনিবৃত্তির সময়ে স্তন ঝুলে যেতে থাকে, ততটা উন্নত থাকে না।
চুল
শরীরের নানা অংশেই থাকে চুল। তিন ধরনের চুল থাকে। মাথার চুল, শরীরের চুল এবং যৌনাঙ্গের চুল। প্রত্যেকটি চুলই জন্মায় তার নিজস্ব পৃথক ফলিকল থেকে। প্রতিটি ফলিকলেই থাকে নিজস্ব তেলের গ্রন্থি ও ক্ষুদ্র পেশি। ছোট ছোট ধমনীগুলো রক্তস্রোত থেকে পুষ্টি পাঠায় এখানে।
চুলের প্রধান কাজ দুটি। এটা খানিকটা আঘাত ঠেকায়, খানিকটা গরম রাখে বিভিন্ন প্রত্যঙ্গকে। যেমন চোখের পাতাল চুলগুলো চোখকে আড়াল করে থাকে ও কানের চুলগুলো বাইরের যে কোনো পদার্থের ধাক্কা থেকে বাঁচায়। কপাল থেকে গড়িয়ে পড়া ঘামের ফোঁটা চোখে ঢুকে যাওয়া বাঁচায় ভুরুর চুলগুলো। শরীরের চুল বা লোম থাকায় হাওয়া ঢুকে চট করে বেরোতে পারে না, ফলে চামড়া ঠান্ডা হয় ও শরীরের তাপ কমে। এই লোমের প্রতিটির ফলিকলের সঙ্গে লেগে থাকা ছোট মাংসপেশির সংকোচন হয় ঠান্ডায় বা ভয়ে। ফলে লোম খাড়া হয়ে দাঁড়ায়।
গঠন ও গড়ন
মেয়েদের শরীরের গড়ন কেমন হওয়া উচিত? কোথায় কতটা মেদ থাকা দরকার, কেমন করে কোন খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর, সঠিক ওজন এবং গঠনটাই বা কি? এবার এ প্রসঙ্গে-
শরীরের গঠন
৩৬-২৪-৩৬ মেয়েদের শরীরের এই মাপ আজ প্রায় কিংবদন্তি পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। কিন্তু সবার তো আর এই মাপ হয় না, হওয়া সম্ভবও নয়। প্রথমে জানতে হবে আপনার শরীরটা আসলে কোন ধরনের। সাধারণ শরীরের গঠন তিন ধরনের হয়-এক্টোমরফিক, মেসোমরফিক এবং এন্ডোমরফিক।
এক্টোমরফিক
লম্বাটে, রোগাটে এবং মেদহীন চেহারাকে এক্টোমরফিক বলে। এদের প্রায়ই গ্রেহাউন্ড কুকুর এবং রেসের ঘোড়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়। এই শ্রেণীভুক্ত মানুষরা কিন্তু্তু যথেষ্ট খাওয়া দাওয়া করলেও সাধারণত ওজনে বাড়ে না। লম্বা দৌড়ে, উঁচুতে লাফ বা দরপালস্নার খেলাধুলাতে এরা ওস্তাদ হন।
মেসোমরফিক
গঠনগতভাবে এরা মজবুত শরীরের অধিকারী। কোনো বিশেষ জায়গায় এদের মেদ জমে না বরং এদের কাঁধ চওড়া ও সুগঠিত পেশি হয়।
আনুপাতিকভাবে এই শ্রেণীতে পুরুষের সংখ্যা বেশি। এই শ্রেণীভুক্ত মানুষের শারীরিক শক্তি এবং ক্ষমতা অন্যদের থেকে অনেক বেশি হয়।
এন্ডোমরফিক
এদের একটু বেঁটে, ছোট গঠন হয়। উরু, কোমর ও নিতম্ব একটু ভারীর দিকে হয় এবং সহেজেই মোটা হয়ে যাবার প্রবণতা দেখা যায়। বিশেষ করে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে মেদ জমে বেশি। সঠিক ট্রেনিং পেলে এরাও খেলাধুলায় পারদর্শী হতে পারে।
শরীরের ওজন
শরীরের স্বাভাবিক গড়নটা আমুল পরিবর্তন করা যায় না, কিন্তু সঠিক খাওয়া দাওয়ার অভ্যাস করে, নিয়মিত ব্যায়াম করে নিজেকে সচল রেখে শরীরকে সুগঠিত করা যায়। এক্ষেত্রে জানা দরকার কতটা উচ্চতা হলে কতটা ওজন সঠিক।
সংকলনে এম হাসান
বিদেশী পত্রিকা অবলম্বনে

বেস্ট সেক্স কত মিনিটের!!!

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা এক সমীক্ষাতে জানিয়েছেন বেস্ট সেক্সুয়াল ইন্টারকোর্স 7-13 মিনিটের মধ্যে হয়৷ সমীক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে সাধারণত 3 মিনিটের সেক্স পর্যাপ্ত সময় হয়৷


এই সমীক্ষা করা হয়েছিল পেনিট্রেটিব সেক্সের জন্য আদর্শ সময় কি এটা বার করার জন্য৷ আমেরিকা ও কানাডার লোকেদের উপর সমীক্ষাতে রায় পাওয়া গেছে 7-13 মিনিটের মত সময় সবচেয়ে বাঞ্ছনীয় হয়৷ সমীক্ষাতে আরও জানা গেছে ইন্টারকোর্স চলার সময় 3-7 মিনিট আদর্শ৷

সেক্সের জন্য এর থেকে কম সময়কে 'সবচেয়ে কম সময়' ও 13 মিনিটের অধিক সময়কে 'বেশি লম্বা' বলা হয়েছে৷ এই সমীক্ষা 'শান্ত স্বভাবের' জুড়ির পক্ষে আদর্শ যারা বুঝতে পারে স্বাস্থ্যকর সেক্স অনেকক্ষণ সময় ধরেই চলা উচিত৷

সমীক্ষক দলের আরও মন্তব্য পুরুষদের ক্ষেত্রে সেক্সের সময় পুরুষদের লিঙ্গ কঠোর, বড় হতে হবে এবং পুরো রাত যেন সেটা সেক্সুয়াল কার্যকারিতা জন্য তৈরী থাকতে পারে৷ এই সমীক্ষার ফলে যাদের সেক্স নিয়ে মনে ভয় ও অসুরক্ষা ভাবনা আছে তারা সাহায্য পাবে বলে জানানো হয়েছে৷

এই সমীক্ষাতে আরও জানা গেছে বেশিরভাগ অস্ট্রেলিয়ার পুরুষরা সেক্সের জন্য বেশিক্ষণ সময় চায় সেখানে অস্ট্রেলিয়ান মহিলাদের ক্ষেত্রে কিছু এসে যায় না সেক্সের সময় তাডাতাড়ি শেষ হল না দেরী হল৷ সাধারণত বেশিরভাগ মহিলারা 7-13 মিনিট পর্যন্ত চলা সময়টাতেই খুশী থাকে, সেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে এরকম কিছু থাকে না৷

Friday, July 15, 2011

যৌন অনুশীলনকে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ থেকে আলাদা করে ভাবা যায় না

সেক্স নিয়ে কোনো লেখা বা কথা শুনলেই আমাদের অনেকেরই মনের ভেতর মোচড় দিয়ে উঠে। এটি অবশ্য লজ্জা বা শিহরণ উভয় কারণে হতে পারে, এরপর আবার সংরক্ষিত বিষয় নিয়ে কথা। অনেকেই মনে করেন সেক্স এমন কি আর জিনিষ, আর এ নিয়ে আবার খোলাখুলি কথা বা আলাপের কি আছে, এটি ক্ষনিকের ভোগ- আনন্দ ছাড়া আর কিছুই নয়। তো যে যাই বলেন না কেন, সেক্স আমাদের জীবনেরই একটি অংশ। আর একে দৈনন্দিন জীবন থেকে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। যাইহোক সেক্স অনুশীলন আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কত খানি গুরুত্ব বহন করে এবং এ থেকে আমরা শারীরিকভাবে কতখানি উপকৃত হই, সেটি নিম্নের ১৪টি সংগত কারণ পড়েই আশাকরি উপসংহারে উপনীত হতে পারব। 


১. চুম্বন।
প্রতিনিয়ত চুম্বন মুখমন্ডলকে স্বাস্থ্যকর রেখে বারবার দন্ত চিকিৎসকের সরনাপন্ন হওয়ার যন্ত্রণা থেকে মুক্ত রাখে । তা ছাড়া চুম্বন দাঁতকে পরিস্কার রাখে এবং মুখের ভেতর নির্গত যে এসিডের কারণে দাতের সৌন্দর্য ক্ষমতা হ্রাস পায়, সেটিকে কমাতে সহায়তা করে।
 


২. স্বাস্থ্য। 
যৌন অনুশীলনের ফলশ্রুতিতে শরীরে অতিরিক্ত স্ত্রী-হর্মোন উৎপাদন হয়, যা হৃদরোগ থেকে মুক্ত রাখাসহ হৃদপিণ্ড এবং রক্তনালীর উন্নতিসাধন করে শরীরকে সতেজ রাখে । 



৩.অঙ্গচালন ।
সেক্সচর্চা একটি চমৎকার ফলপ্রদ ও সর্বাঙ্গীন দৈহিক অনুশীলন। সপ্তাহে তিনবার যৌন অনুশীলনে শরীরের ক্যালরি জ্বালিয়ে দেহের ৫ শত বা তার অধিক মাংসপেশিকে ক্রিয়াশীল রাখতে সাহায্য করে । 


 
৪. প্রশান্তি।
এটি পরীক্ষিত সত্য যে যৌন অনুশীলনে মানুষের মনে প্রশান্তি ফিরে আসে । মনের স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে বাজারে যে সকল উত্তেজনা প্রশমনকারী পথ্য পাওয়া যায় যৌন অনুশীলন তার চেয়ে দশগুন বেশী ফলপ্রদ।



৫.মানসিক শক্তি ।
যৌনচর্চা হতোদ্যম ও বিষন্নতা দুর করতে সাহায্য করে। যৌন অনুশীলনে রক্তের ভিতর এনডোফিনাস নামক প্রটিন প্রবাহিত হয় ফলে বিষন্নতা দুর হয়ে মনে আনন্দ-চঞ্চল অবস্হা ফিরে আসে।



৬. মেয়েদের বেলায়। 
মেয়েরাও যৌনচর্চার মধ্যদিয়ে উপকৃত হয়। যৌন অনুশীলনের মধ্যেদিয়ে মেয়েরা মাসিক ঋতু স্রাব নিয়ন্ত্রণে রাখা ছাড়াও শ্রোণী-সংক্রান্ত পেশীগুলোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে প্রসাব নিয়ন্ত্রণে রাখে । 



৭. ঘুম। 
যৌন অনুশীলন মানুষকে সুনিদ্রা যেতে যথেষ্ট সাহায্য করে। যারা বিশৃঙ্খলা ও এলোমেলো জীবন যাপনের কারণে অনিদ্রাজনিত রোগে ভুগেন তাদের জন্য যৌন অনুশীলন একটি কার্যকারী চিকিৎসা। 



৮.নিষ্পেষণ। 
যৌন অনুশীলন শরীরকে শিথিল এবং চাঙ্গা করে। এ ছাড়াও শরীরকে নিরাপদ রাখার পদ্ধতিকে শক্তিশালী করে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যৌন মিলনের পর শরীরে যে অতিরিক্ত হরমন উৎপাদন হয় তা দেহে নবশক্তি সঞ্চার করাসহ মন মেজাজকে প্রফুল্ল রাখে। 



৯.সৌন্দর্য। 
মেয়েদের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে যৌন অনুশীলনের গুরুত্ব অপরিসীম। যৌন চর্চায় মেয়েদের শরীরে স্ত্রী-হর্মোন উৎপন্ন হয় যা মেয়েদের চুল এবং ত্বকের লাবন্য বৃদ্ধি করে ।
 


১০. অক্সিজেনেশন।
যৌন অনুশীলনে মানব দেহের কোষে যথেষ্ট পরিমানে অক্সিজেন সরবরাহ বৃদ্ধি পায় এবং এর ফলে জননেন্দ্রীয়, পরিপাকতন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি লাভ করে।



১১. পুরুষের বেলায়।
সম্প্রতি একটি গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে যে, নিয়মিত যৌন অনুশীলনে পুরুষের বরংবার বীর্য স্খলন ঘটে যা পুরুষদের মূত্রস্থলীর গ্রীবা সংলগ্ন গ্রন্থির ক্যান্সারে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনাকে বিলম্বিত করে । 



১২.ব্যথা বেদনা।
যৌনচর্চা একটি বেদনা নাশক ঔষধ ।এটি মাথা ব্যাথার বিরুদ্ধে প্রতিষেধক হিসেবে চমৎকার কাজ করে । এই অনুশীলনে শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি এবং শিরা ধমনীর উদ্বেগ রহিত করে । 



১৩. কোলেস্টেরল। 
নিয়মিত যৌন অনুশীলনের মাধ্যমে রক্তের কোলেস্টেরলের পরিমান নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব। এই চর্চার ফলে রক্তে ভালো কোলেস্টেরল (এইচ ডি এল ) বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত মন্দ কোলেস্টেরল ( এল ডি এল) হ্রাস পেয়ে রক্তে কোলেস্টেরলের ভারসাম্যতা বজায় থাকে । 



১৪. নাসাল ক্যানজেস্টশন।
নিয়মিত যৌন অনুশীলনের ফলে এলার্জি ও এ্যজমা রোগীরা যথেষ্ট উপকৃত হয় । কারণ যৌন অনুশীলন প্রাকৃতিকভাবেই এন্টিহিস্টামিন যা এলার্জি ও এ্যজমা রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে রোগকে প্রশমিত করে ।

Tuesday, July 12, 2011

ছেলে ও মেয়ের দেহের যৌনস্পর্শকাতর অংশগুলির পরিচয়

আগের লেখায় বলেছিলাম যে মেয়েদের দেহে শুধুমাত্র যোনি, স্তন আর নিতম্বই তাদের একমাত্র যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গ নয়। ওদের বলতে গেলে প্রায় পুরো দেহটিই স্পর্শকাতর। তার মাঝেও কিছু কিছু স্থান রয়েছে যেগুলোতে আদর পেলে তারা চূড়ান্ত উত্তেজনার দিকে তড়িৎগতিতে অগ্রসর হয়। তবে ছেলেদের দেহেরও শুধুমাত্র লিঙ্গই একমাত্র যৌন অঙ্গ নয়। আজকালকের দিনে এমনকি আমাদের দেশের ১০-১২ বছরের ছেলে-মেয়েরা পর্যন্ত জেনে যাচ্ছে কিভাবে সেক্স করতে হয়। তাই বলা যায় বিয়ে তো বহুদূরের কথা, এখনকার ছেলেমেয়েদের গার্লফ্রেন্ড-বয়ফ্রেন্ড হওয়ার আগেই তারা এ বিষয়ে বহু কিছু জানে। কিন্ত তাদের এ জানাই কি যথেষ্ট? ছোটকালে বাচ্চারা একটা খেলা খেলে, এটাকে ওরা বলে ডক্টর ডক্টর খেলা। বিশেষ করে একটি বাচ্চা ছেলে ও মেয়ে খেলার সাথী থাকলেই তারা লুকিয়ে এই খেলা খেলে থাকে। এতে দুজনেই কাপড়-চোপড় খুলে নিয়ে একজন-আরেকজনের যৌন-অঙ্গগুলো নিয়ে খেলা করে, তাদের মাঝে পার্থক্য আবিস্কার করে। সবার অবশ্য এ অভিজ্ঞতা হয়না। তবে সে যাই হোক মোটকথা আমাদের সঙ্গী-সঙ্গিনীকে পরিপূর্ন যৌনসুখ দিতে হলে তাদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গগুলো সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারনা থাকা দরকার। অনেকে বলতে পারেন কি দরকার? নিজে মজা পেলেই হল। তাদের জন্য বলছি আমার এ প্রয়াস ভালোবাসার অনুভুতিবিহীন যৌন লালসাময় সেক্সের জন্য নয়। যে তার সঙ্গী বা সঙ্গিনীকে ভালবাসে সে অবশ্যই চাবে তাকে আনন্দ দিতে এবং এতে সে নিজেও আনন্দ লাভ করে।
মূলত ছেলে ও মেয়ের যৌনকাতর অঙ্গগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই Common রয়েছে এবং তাদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া ছেলে বা মেয়ে ভেদে প্রায় একই হলেও কয়েকটি ক্ষেত্রে কিছুটা ভিন্ন। এসকল কিছু উল্লেখপূর্বক এখানে আমি তাদের এ অঙ্গগুলোর বিবরন ছাড়াও কি কি উপায়ে সেগুলোকে উত্তেজিত করে তোলা যেতে পারে তার উপরেও আলোকপাত করেছি। আশা করি সবার ভালো লাগবে।
মেয়েদের ক্ষেত্রেঃ
মেয়েদের দেহের বেশ কয়েকটি যৌনস্পর্শকাতর অংশ আছে যেগুলো সরাসরি তাদের যৌনত্তেজনার সূচনা ঘটায়। সাধারন অবস্থা থেকে এ অংশগুলোর মাধ্যমেই একটি ছেলে তার মাঝে যৌনাভুতি জাগিয়ে তুলতে পারে। আর কিছু অংশ আছে যেগুলো মেয়েটির যৌনত্তেজনার সূচনা ঘটার পরই উত্তেজিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠে, অথচ সাধারন অবস্থায় এগুলো উত্তেজিত করার চেষ্টা করলে মেয়েটি এমনকি ব্যাথা বা অসস্তিও বোধ করতে পারে। মেয়েদের সবচাইতে যৌনস্পর্শকাতর অংশটিও এই দ্বিতীয় শ্রেনীর অন্তর্ভুক্ত। So, read on for details.
১. ঠোট ও জিহবাঃ ঠোট নারীদেহের সবচাইতে যৌনত্তেজক অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি। ঠোটের মাধ্যমেই সমগ্র নারীদেহ উত্তেজনার সূচনার সবচেয়ে জোরালো সংকেতটি গ্রহন করে থাকে। এতে একটি ছেলের ঠোটের স্পর্শ (আমি লেসবিয়ানদের কথা আমার লেখায় আনছি না, সেটা আরেক ধরনের অনুভূতি।) মেয়েটির সারা দেহে যেন বিদ্যুতের গতিতে কামনার আগুন ছড়িয়ে দেয়। তবে আরেকটি ঠোটের স্পর্শই যে শুধুমাত্র মেয়েটিকে উত্তেজিত করে তুলবে তা নয়। ছেলেরা অন্য ভাবেও মেয়েটির ঠোটের মাধ্যমে তার দেহের মাঝে ভালোবাসা ছড়িয়ে দিতে পারে। আঙ্গুল দিয়ে মেয়েটির ঠোটে হাত বুলিয়ে দেয়া, ওখানে নিজের নাক ঘষা এভাবেও ছেলেটি ওকে উত্তেজিত করে তুলতে পারে। আর ঠোট দিয়েও একবার মেয়েটির উপরের ঠোট আরেকবার ওর উপরের ঠোট চুষে, ফাকে ফাকে ঠোট থেকে একটু সরে গিয়ে থুতনিতে চুমু খেয়ে ওকে tease (এর ভালো বাংলা প্রতিশব্দ আমার জানা নেই। এর অর্থ হিসেবে বলা যেতে পারে কাউকে যৌন আনন্দ দেয়ার উপক্রম করেও না দিয়ে তাকে সে আনন্দ পাবার জন্য আরো পাগল করে তোলা।)করা যেতে পারে। আর মেয়েরা তাদের জিহবা দিয়ে শুধুই খাদ্যের স্বাদ গ্রহন করে না, সঙ্গীর আদরের স্বাদও এর মাধ্যমেই অনুভব করে। তাদের জিহবা একটি ছেলের মুখের ভেতরের উষ্ঞতা খুজে নেয়। এর মাধ্যমে সে ছেলেটির জিহবা থেকে যে অনুভুতি গ্রহন করে তা তার সারাদেহকে ওর কাছে সপে দেওয়ার জন্য উদগ্রিব করে তোলে। চুমু খাওয়ার সময় ছেলেটি মেয়ের মুখের ভিতরে তার জিহবা ঢুকিয়ে দিয়ে নাড়াচাড়া করে তার মুখের ভিতরেও কাঁপন বইয়ে দিতে পারে। আর মেয়েটির জিহবা চুষলে তো কথাই নেই। এভাবে মেয়েটির জিহবার স্বাদ নিয়ে ছেলেটি ওকে আদর করার জন্য মেয়েটিকে আরো উন্মুখ করে তুলতে পারে। তবে মেয়েদের ঠোট ও জিহবা যে শুধুই পরোক্ষ আদরে উদ্বেল হয় তা নয়। মেয়েটি তার সঙ্গীর গালে, গলায়, বুকে, কান এদের স্পর্শ করলে ছেলেটি যেমন আনন্দ পায় তেমনি মেয়েটিও অন্যরকম এক আনন্দ লাভ করে। অনেক পর্ন মুভিতে দেখা যায় যে সেখানে মেয়েগুলো ছেলেদের লিঙ্গ চুষতে খুব পছন্দ করে। বাস্তবে বিশেষ করে আমাদের দেশের বেশিরভাগ মেয়েই ছেলেদের লিঙ্গে মুখ দেয়াটাকে চরম ঘৃন্য একটা কাজ বলে মনে করে। অথচ, বিদেশে বাস্তবেও অনেক মেয়েই ছেলেদের লিঙ্গ শুধু তাকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই চুষে না। সে নিজেও এতে আনন্দ পায়। এর মূল কারনই হল তার ঠোট ও জিহবার স্পর্শকাতরতা। ছেলেটির দেহের অন্যান্য অংশে এ দুটি দিয়ে স্পর্শ করে সে যে আনন্দ লাভ করে, একই কারনে নিজের ছেলেটির লিঙ্গের স্পর্শে তার আনন্দ হয়। এক্ষেত্রে একমাত্র বাধা হয়ে দাঁড়ায় তার ঘেন্না; যেটা কাটিয়ে উঠতে পারলেই সে এক নতুন ধরনের যৌনসুখ আবিস্কার করে। তার জিহবার সাথে উত্তপ্ত লিঙ্গটির স্পর্শ, তার মুখের ভিতরে সেটির অবস্থান তাকে তার যোনির ভিতরে এর অবস্থানের চেয়ে কম আনন্দ দেয় না যদি সে একবার বুঝে যায় এর মজা। যোনির চাইতে তুলনামূলক কম যৌনকাতর হলেও মেয়েদের মুখের সচেতনতা এর চেয়ে বেশি; ফলে সে ওখানে ছেলেটির লিঙ্গের অবস্থানের সময় সে এমনকি লিঙ্গের মাঝে উত্তেজিত রক্তের চলাচল, কাপুনি, উত্তাপ ইত্যাদি অনুভব করতে পারে। ভালোবাসার সময় এ অনুভুতি ছেলেটিকে আদর করার জন্য ওকে আরো উদ্বেল করে তোলে। আর তার মুখের ভিতরে যখন ছেলেটি বীর্যপাত করে তখন ছেলেটির উত্তেজনা মেয়েটির মাঝেও ছড়িয়ে পড়ে, তার জিহবা ও ঠোটের মাধ্যমে। যেসব মেয়েরা লিঙ্গ চোষাকে ঘৃনা করে তারা কি করে এর মজাকে আবিস্কার করতে পারে এ নিয়ে আমি কিছুদিন আগে একটা বিদেশি বইয়ের article পড়ে এ বিষয়ে আমার বেশ কয়েকজন close মেয়ে বন্ধুর মতামত নিয়ে ওদের positive response পেয়েছি। শিঘ্রই এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু লিখব।
২. গাল, কপাল, কানের লতিঃ মেয়েদের এ স্থানগুলো তাদের যৌন উত্তেজনার অন্যতম সূচক হিসেবে কাজ করে। এসকল স্থানে ছেলেটির ঠোট ও জিহবার স্পর্শ মেয়েটির দেহের মাঝে তার ভালোবাসাকে ছড়িয়ে দেয়; মেয়েটি বুঝতে পারে, ছেলেটি তাকে চায়, তার সবকিছুই চায়। মেয়েটির এ স্থানগুলো ছেলেটির দ্বারা অবহেলিত হলে সে পরিপূর্ন ভাবে যৌনসুখ অনুভব করতে পারে না। আমার মতে, সেক্স, সে যার সাথেই করা হোক না কেন, তার মধ্যে সামান্য হলেও ভালোবাসা-আদরের ছোয়া না থাকলে এর আনন্দ অসম্পূর্ন থেকে যায়।
৩. গলাঃ মেয়েদের গলায় স্পর্শ ওদের উত্তেজনায় পথে এগিয়ে নিতে যথেস্ট ভুমিকা রাখে। ছেলেটি মেয়েটির ঠোটে চুমু খেতে খেতে এর ফাকে ফাকেই গলায় ঠোট নামিয়ে এনে ঠোট দিয়ে খেলা করলে ওর দারুন এক অনুভুতি হয়। প্রায় সব মেয়েরই গলার অংশটুকু বেশ সংবেদনশীল। মেয়েটির ঠোটে চুমু খেয়ে তার গলায় নেমে আসলে তার যে সুড়িসুড়ির মত অনুভুতি হয় তাতে ও একই সাথে সুখ ও এক ধরনের অসস্তি লাভ করে। ওর মন চায় ছেলেটি ওর গলায় আরো সোহাগ বুলিয়ে দিক আর ওর ঠোট চায় আবার সেখানে ছেলেটির ঠোটের স্বাদ। এভাবে tease করে ছেলেটি মেয়েটিকে উত্তেজনায় পাগলপ্রায় করে তুলতে পারে।
৪. স্তনঃ প্রায় সব ছেলেরই মেয়েদের দেহের সবচাইতে প্রিয় স্থান তার দুটি স্তন। মেয়েদের দেহের সবচাইতে যৌনকাতর অঙ্গগুলির মাঝে যে এটি যে এক বিশেষ ভুমিকা পালন করে থাকে তা বলাই বাহুল্য। ছেলেদের ওদের প্রতি আকৃষ্ট করায় এর জুড়ি নেই। মেয়েভেদে স্তনের আকার যে ছোট বড় হয় সে হিসেবে তাদের স্পর্শকাতরতারও কিছুটা রকমফের হয়। মেয়েদের স্তনের বেশিরভাগটাই চর্বি দিয়ে তৈরী। দেহের চর্বিবহুল অংশগুলোতে এমনিতেই স্পর্শকাতরতা কম হয়। সে কারনেই যে মেয়েদের স্তন বেশি বড় থাকে স্বভাবতই তাদের স্তনের সংবেদনশীলতা তুলনামূলক ছোট স্তনের মেয়েদের থেকে সামান্য হলেও কম থাকে। এজন্যই বেশিরভাগ বড় স্তনের মেয়েরা বেশ জোরে জোরে ছেলেদের হাতে চাপ খেতে পছন্দ করে; তাদের উত্তেজিত করে তুলতে ছেলেদের একটু রুক্ষ ভাবে তৎপর হতে হয়। অবশ্য ছেলেদেরও এক্ষেত্রে কোন আপত্তি আছে বলে মনে হয়না। তাদের স্তনে জোরে জোরে হাত দিয়ে টিপা ছাড়াও ওগুলো চুষার সময় হাল্কা হাল্কা কামড় দিলে তারা দ্রুত উত্তেজিত হয় তবে কামড়টা হতে হবে বোটার আশেপাশে কিন্ত সরাসরি বোটায় নয়। অন্যদিকে মাঝারি ও ছোট স্তনের মেয়েদের স্তনের সংবেদনশীলতা তুলনামূলক বেশি হয়ে থাকে। তাই তাদের স্তন টিপার সময় শুরুতে একটু ধীরে ধীরেই করতে হবে। আর কামড় দেয়ার ব্যাপারেও সাবধান থাকতে হবে কারন বেশি সংবেদনশীলতার জন্য তারা এক্ষেত্রে বেশ ব্যথাও পেতে পারে। তবে ছোট বড় যে স্তনই হোক না কেন, সেগুলো টিপা বা চুষার সময় ছেলেদের সবসময় লক্ষ্য রাখতে হবে যেন দুটি স্তনেই যেন তাদের হাতের ছোয়া থাকে। একটি চুষার সময় অন্যটি হাত দিয়ে টিপতে থাকতে হবে। আর মেয়েদের স্তনে আনন্দ দেয়ার আরো একটি পদ্ধতি হলো ছোট হলে পুরোটাই আর বড় হলে যতটুকু সম্ভব স্তনটি মুখের ভিতরে ভরে নিতে হবে। তারপর জিহবা দিয়ে বোটার উপরে বুলাতে থাকতে হবে। এতে মেয়েরা দারুন মজা পায়। আর মেয়েদের স্তনের মধ্যেও সবচেয়ে স্পর্শকাতর হল তাদের বোটা। তবে বোটায় আদর করার ব্যাপারে ছেলেদের একটু সাবধান হতে হবে। এ প্রসঙ্গে আগের পোস্টে বলেছি। বোটায় আদর করার জন্য প্রথমে মেয়েটির স্তনের অন্যান্য অংশ টিপে তাকে উত্তেজিত করে নিতে হবে। তারপর এভাবে শুরু করা যেতে পারে; ওর স্তনের বোটার উপর হাতের তালু রেখে পিঠা বানানোর জন্য বেলার মত করে হাত বুলাতে থাকতে হবে। এর আগে ওর স্তনে একটু চুষে নিলে আপনার মুখের লালা সেখানে লেগে থাকলে এভাবে তালু দিয়ে বোটাটি ম্যাসাজ করা অত্যন্ত উপভোগ্য হয়ে উঠবে। তারপর মুখ নামিয়ে দুটি ঠোট দিয়ে শুধু ওর বোটাটি চেপে ধরেও চুষা যায়। ও উত্তেজিত হয়ে উঠলে মুখের আরো ভিতরে নিয়ে বোটায় হাল্কা করে দাঁত বুলিয়ে দিলে ওর উত্তেজনা চরমে পৌছাবে।
৫. দুই স্তনের মাঝের ফাকা স্থান (Cleavage): মেয়েদের দুই স্তনের মাঝের এই যৌনত্তেজক ভাজটি তাদের প্রতি ছেলেদের আকৃষ্ট করতে যথেস্ট ভুমিকা পালন করে, কিন্ত বেশিরভাগ ছেলেই এর দ্বারা প্রলুব্ধ হয়ে অবশেষে যখন ওদের নগ্ন স্তনযুগলের দেখা পায় তখন যে এদের মাঝে ওদের যে একটা বেশ স্পর্শকাতর স্থান রয়েছে তা বেমালুম ভুলে যায়। মেয়েরা তাদের স্তনে ছেলেদের মুখ আশা করার পূর্বে অবচেতন মনে তার দেহের যে অংশটি তার সৌন্দর্যকে অপরূপভাবে ফুটিয়ে তুলেছে সেই স্তনের ভাজে ছেলেটির আদর চায়। আমার কাছে আবেগময় সেক্স এর সূচনা কোনপ্রকার Foreplay (এর অর্থ যে সেক্সের আগে এর জন্য মেয়েটিকে প্রস্তুত করে তোলার আদর তা আশা করি ব্যাখ্যা করতে হবে না।) ছাড়া হতেই পারে না। তাই মেয়েটির গলায় চুমু খেতে খেতে ওর দুই স্তনের ফাকা স্থানে ছেলেটিকে মুখ নামিয়ে এনে, এখানে চুমু খেয়ে, জিহবা বুলিয়ে, আদর করলে এমন অবস্থা হবে যে সে নিজেই আপনার মুখ তার স্তনের দিকে টেনে নিয়ে যাবে।
৬. বগলের নিচঃ এটা হয়তবা আপনাদের কাছে নতুন লাগছে। কিন্ত বাস্তবিকই, মেয়েদের বগলের নিচে যে তাদের যৌনস্পর্শকাতর একটি স্থান রয়েছে তা অনেকেরই অজানা। তবে শুরুতেই বলেছিলাম, মেয়েদের কিছু স্পর্শকাতর অঙ্গ রয়েছে যেগুলোতে আদর করে, মেয়েটি যৌনত্তেজিত অবস্থায় না থাকলে, তাকে যৌনসুখ দেয়া যায় না বরং তার ব্যাথা বা অসস্তি হয়। ওদের বগলের নিচ তেমনই এক স্থান। উত্তেজিত অবস্থা মেয়েটির বগলের নিচে চুমু খাওয়া, জিহবা দিয়ে চেটে দেয়া ওর জন্য বেশ যৌনান্দদায়ক।
৭. নাভীঃ মেয়েদের নাভী ও এর আশেপাশের স্থানগুলো মোটামুটি সংবেদী। ওখানে চুমু খাওয়া, আঙ্গুল দিয়ে চাপ দেয়া, জিহবা বুলিয়ে দেওয়া, চোষা ইত্যাদি করা ওকে tease করার এক অনন্য উপায়।
৮. নিতম্বঃ মেয়েদের দেহের সবচেয়ে চর্বিবৎসল অংশ; দেহের যেকোন স্থানের চেয়ে এর সংবেদনশীলতা তুলনামূলক কম (স্কুলে থাকতে যারা নিতম্ব আর ধরুন হাত দুই স্থানেই শিক্ষকের উত্তম মধ্যম খেয়েছেন তারা আশা করি এখনো ভুলেননি কোন যায়গার ব্যথা সামান্য হলেও সহনীয় ছিল?) তাই বলে মেয়েদের সেক্স উত্তেজনায় এর ভুমিকাকে কোনভাবেই খাটো করে দেখা যাবে না। ছেলেদের আকৃষ্ট করায় এর অবদান অনস্বীকার্য। তাই ছেলেরাও চায় একে নিজ হাতে আকড়ে ধরে তার চোখ তার মনে যে তৃষ্ঞা সৃষ্টি করেছিল তা মিটিয়ে নিতে। আর মেয়েরাও তো তাই চায়। ছেলেরা যতই পাগলের মত তার এ ‘গোপন হয়েও উন্মুক্ত’ অঙ্গটি ধরে ধরে আদর করে তারা ততই উত্তেজিত হয়ে উঠে। উম্মাদ-মাতাল সেক্সের বেলায় মেয়েদের নিতম্বে হাত দিয়ে জোরে জোরে চাপর দিয়ে তাদের বেশ উত্তেজিত করে তোলা যায়। তবে রোমান্টিক সেক্সের সময় (বিভিন্ন রকম Mood এর sex যেমন, Rough, Sensual, forced, surprise, fetish, bondage ইত্যাদি সম্পর্কে পরবর্তী কোন লেখায় বিস্তারিত আলোচনা করবো।) সবচেয়ে ভালো উপায় হল মেয়েটির নিতম্বে হাত দিয়ে ম্যাসাজ করে দেওয়া। তবে একেবারে মোলায়েম ভাবে নয়, একটু জোর দিয়ে করতে হবে।
৯. হাটুঃ মেয়েদের হাটু একটি মোটামুটি স্পর্শকাতর অঙ্গ। সরাসরি সেক্সের সময় এর ভুমিকা তেমন একটা নেই তবে সেক্সের সূচনায় এটি বেশ কিছুটা অবদান রাখে। কোন প্রেমিকযুগল একসাথে বসে পড়াশোনা, খাওয়া এসব করার সময়, ছেলেটি টেবিলের নিচে তার নগ্ন পা মেয়েটির নগ্ন পায়ের সাথে স্পর্শ করিয়ে হাটুতে বুলিয়ে দিতে পারে। মেয়েরা এই জিনিস খুব উপভোগ করে। এই ধরনের আদরকে বলা হয় Footsie. এ আদর মেয়েটিও ছেলের পায়ে করতে পারে, ছেলেদের হাটু এক্ষেত্রে মেয়েদের মত অতটা সংবেদী না হলেও মেয়েটির নরম পায়ের স্পর্শ ওর কাছে দারুন লাগে (এটা আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলা!)। সেক্সের মুড তৈরী করতে এর জুড়ি মেলা ভার।
১০. উরু ও পায়ের পাতাঃ মেয়েদের আরো একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অংশ হল তাদের উরুদ্বয়। বিশেষ করে হাটুর উপরিভাগ থেকে এর স্পর্শকাতরতা বাড়তে বাড়তে উরুসন্ধি, তথা তাদের যোনির আশেপাশে গিয়ে চূড়ান্ত অবস্থায় পৌছে। এটিও সেসব অংশের অন্তর্ভুক্ত যেগুলো দ্বারা সরাসরি মেয়েটির উত্তেজনার সূচনা ঘটিয়ে তাকে যৌন আনন্দ দেয়া যায়। যোনির কাছাকাছি বলে এর মাধ্যমে মূলত মেয়েটিকে যোনিতে স্পর্শ পাবার জন্য উন্মুখ করে তোলা যায়। মেয়েটি যদি স্কার্ট বা নিচ উন্মুক্ত, এমন কোন কাপড় পড়ে থাকে তবে, তাকে চুমু খেতে খেতে যৌনমিলনের শুরুর দিকে তার হাটু থেকে হাত উঠানামা করে উরুসন্ধির কাছে এনে আবার নামিয়ে ম্যাসাজ করলে সে বেশ দ্রুত উত্তেজিত হয়ে উঠে। আর কিছু মেয়ের ক্ষেত্রে শোনা যায় যে তাদের পায়ের পাতা এতটাই স্পর্শকাতর থাকে যে শুধুমাত্র সেখানে আদর পেয়েই অনেকসময় তারা চরম সুখের কাছাকাছি চলে যায়। তবে কমবেশি সব মেয়েরই পায়ের পাতা বেশ যৌনকাতর থাকে। কোন মেয়েকে সারাজীবন আপনার যৌন আদরের পাগল করে রাখার জন্য আমার আগের আর্টিকেলে ওর যোনির প্রতি যে অতিরিক্ত আসক্তি পরিহার করার কথা বলেছিলাম তা অবশ্য পালনীয়। মেয়েটির উপরাংশ উত্তেজিত করেই সহজে তার যোনিতে যাওয়া চলবে না; কারনটি একটু পরে বলছি। তাই মেয়েটির উপরিভাগ উত্তেজিত করে (উপরে সে অংশগুলোর কথা বলা হয়েছে।) সেখান থেকে সরাসরি তার পায়ে চলে যাওয়া যেতে পারে। মেয়েটির পায়ের পাতার নিচ চেটে দেওয়া, তার আঙ্গুলগুলো, বিশেষ করে বুড়ো আঙ্গুল মুখে নিয়ে চুষা, পাতার উপরিভাগে জিহবা বুলিয়ে হাটু থেকে উঠে আসা এসবই তার পা কে উত্তেজিত করে তোলার উপায়। এরপর ওর উরুতে আস্তে আস্তে উঠে সেখানে চুমু দেয়া জিহবা বু্লানো যায়। তবে স্তনের মতই দুই উরুর কোন একটি অবহেলা করে ফেলে রাখা যাবে না। একটিতে আপনার মুখ থাকলে অন্যটিতে একটি হাত থাকতেই হবে। আর এভাবে মেয়েটির নিম্নাংশে, বিশেষ করে উরুতে আদর করার সময় অবশ্যই একটি হাত দিয়ে হলেও সেটি দিয়ে হাত যতখানি যায় মেয়েটির দেহের উপরিভাগের সাথেও স্পর্শ রাখতে হবে। উরুতে জিহবা বুলিয়ে দেয়ার শুরুতে ওর যোনির আশেপাশে জিহবা নিয়ে সেটা স্পর্শ না করেই আবার উরুতে ফিরিয়ে আনবেন, তবে ফাকে ফাকে যোনিতে আঙ্গুলের সামান্য ছোয়া লাগিয়েই আবার সরিয়ে উরুতে নিয়ে যেতে হবে, মেয়েটি আপনার হাত টেনে সেখানে নিয়ে যেতে চাবে। কিন্ত আপনি কিছুতেই নেবেন না। ওর উরুতে জিহবা বুলিয়ে, ফাকে ফাকে উপরে উঠে ওর স্তনে একটু টিপে দিয়ে ওকে আরো উত্তেজিত করে তুলবেন। যতক্ষন পর্যন্ত না ও আপনার মনোযোগ ওর যোনিতে নেওয়ার জন্য বলতে গেলে ধস্তাধস্তি শুরু করে দেয়। এ অবস্থায় ওর অবহেলিত যোনিতে আপনার হাতের স্পর্শ পেলে ও সেখানে আদর পাওয়ার জন্য ও রাক্ষুসী হয়ে উঠে আপনাকেও আদর করতে থাকবে, আর ঠোটের স্পর্শ পেলে কি হবে সেটা আর নাই বা বললাম…আপনি নিজেই দেখে নিন!!
১১. যোনি ও তার আশেপাশের অঞ্চলঃ আহা! এবার সবাই আশা করি একটু নড়েচড়ে বসেছেন? হুম, বসারই কথা। এখন আমরা মেয়েদের সবচাইতে যৌনসংবেদী অঞ্চল সম্পর্কে জানব। এর মাঝে অনেককিছুই হয়তো আপনার জানা আছে এবং অনেককিছুই নেই। সেই না জানা অংশগুলোই হয়তোবা আপনার জানা সবচেয়ে জরুরী। So, read carefully.
মুলত যোনি বলতে আমরা অনেকেই মেয়েদের উরুসন্ধির সমগ্র অঞ্চলটাই বুঝি; কিন্ত প্রকৃতপক্ষে মেয়েদের যে ছিদ্রটি দিয়ে ছেলেদের লিঙ্গ ঢুকে শুধু সেটাকেই যোনি বলে। এর আশেপাশে যে অঞ্চলগুলো রয়েছে, সেগুলোকে বেশ কয়েকটি অংশে ভাগ করা যায়। সংবেদনশীলতায় এদের একটি আরেকটি হতে তুলনামূলক ভিন্ন রকমের। তবে স্পর্শকাতরতায় এ স্থানসমূহ নারীদেহের অন্য যেকোন স্থান হতে বেশি। এতক্ষন পর্যন্ত মেয়েদের দেহের অন্যান্য যৌনকাতর অংশসমূহের কথা আলোচনার সময় আপনারা হয়ত ভেবে বিরক্ত হয়েছেন কেন আমি বারবার বলেছি যে, মেয়েটির অন্যান্য অঙ্গে আদর করে তাকে পাগলের মত উত্তেজিত করার আগ পর্যন্ত তার যোনি ও এর আশেপাশের অঞ্চলে যেতে। এর মূল কারন হচ্ছে যোনির অতিরিক্ত স্পর্শকাতরতা। এর ল্যাবিয়া মাইনরা ও ম্যাজরা অঞ্চল সরাসরি স্পর্শের মাধ্যমে উত্তেজিত করা গেলেও অর্থাৎ মেয়েটিকে উত্তেজিত করে তুলতে যাওয়ার প্রথম দিকে এগুলো নিয়ে খেলা করলে মেয়েটি মজা পায় ঠিকই কিন্ত ওর দেহের সবচেয়ে বেশি যৌনকাতর অঙ্গ, যেটার অন্য নামই হল আনন্দের সুইচ (Pleasure button), সেই ভগাঙ্কুরের (Clitoris) স্পর্শকাতরতা হেলাফেলা করার নয়। মেয়েটি উত্তেজিত না হওয়া অবস্থায় এ স্থানে ছেলেরা তাদের আঙ্গুল ঘষলে বা চুষতে গেলে মেয়েটি আনন্দ তো দুরের কথা বরং হাল্কা অসস্তি থেকে শুরু করে বেশ ব্যথাও পেতে পারে। এর ফলে ওর পুরো সেক্সের মুডটাই নস্ট হয়ে যেতে পারে। আমার ফেসবুকের এক কানাডিয়ান বন্ধুর সাথে একবার এই বিষয় নিয়ে Chat করছিলাম। ও প্রথমবারের মত ওর গার্লফ্রেন্ডের যোনি চুষার সময় হঠাৎ করে ওর গার্লফ্রেন্ড চিৎকার করে ওকে সরিয়ে দিয়েছিল, তার নাকি এতে বেশ ব্যথা লাগছিল। এই ঘটনার পর আমার হতভম্ব ফ্রেন্ড কোনভাবেই ওকে তার যোনি চুষতে দিতে রাজি করাতে পারেনি। আমি ওকে জিজ্ঞাসা করলাম যে ও কিভাবে শুরু করেছিল। ও আমাকে বলল যে সে নিজে সেদিন খুব হর্নি হয়ে ছিল, তাই ওদের Dorm এর রুমে গিয়েই ও পাগলের মত ওর গার্লফ্রেন্ডের জামাকাপড় খুলে তাকে উত্তেজিত করার চেস্টা শুরু করে দিয়েছিল। ওকে সামান্য একটু কিস করেই সে সরাসরি তার যোনিতে গিয়ে আঙ্গুল দিয়ে জোরে জোরে ভগাঙ্কুরটা ঘষে ঘষে সেখানে জিহবা চালাচ্ছিল। আমি তার এ ভুল ধরিয়ে তাকে তার গার্লফ্রেন্ডের বিশ্বাস আবার অর্জন করে তাকে ধীরে ধীরে ভালোবাসার সাথে আদর করার দিকে এগিয়ে যেতে বলি; এ বিষয়ে কিছু টিপস দেই। কিছুদিনের মাঝেই ওদের সম্পর্ক স্বাভাবিক ও আগের চেয়েও বেশি যৌনত্তেজনাপুর্ন হয়ে উঠে। আশা করি আপনাদের এই ছোট্ট ঘটনাটির মাধ্যমে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি, কেন মেয়েদের যোনিতে আদর করার পূর্বে তাদেরকে পর্যাপ্ত পরিমান উত্তেজিত করে নেওয়া উচিত। আর হ্যা অনেক ছেলে আছে যারা নোংরা মনে করে ঘেন্নায় যোনিতে মুখ দিতে চায় না। তাদের জন্য বলছি, মেয়েটি যদি সুস্থ-সবল হয়ে থাকে তবে তার যোনিতে কোন ক্ষতিকর কিছু থাকার সম্ভাবনা নেই। ওদের যোনিরসে (যা মেয়েটি যৌনত্তেজিত না হলেও সাধারন অবস্থায় প্রায়ই কিছুটা নির্গত হয়।) ব্যক্টেরিয়া ও ক্ষতিকর জীবানু নিরুদক পদার্থ থাকে যা যোনিকে জীবানুমুক্ত রাখে। নিচে আলাদা আলাদা করে মেয়েদের যোনি অঞ্চলের অংশগুলোর কথা বলা হল।
ক) মোনস পিউবিসঃ যোনির একেবারে উপরিভাগে যে ফোলা ফোলা অংশ থাকে তাকে মোনস পিউবিস বলে। এ অঞ্চলেই মূলত মেয়েদের যৌনকেশ সবচেয়ে বেশি থাকে। অনেকে এ অঞ্চলটিতে যৌনকেশ পছন্দ করেন আবার অনেকে সেভ করা পছন্দ করেন। তবে যেভাবেই হোক এ স্থানটি বেশ সংবেদী। মূলত যোনিতে মুখ দেয়ার আগে, অন্য কোথাও মেয়েটিকে আদর করার সময় ফাকে ফাকে এখানে চুমু খেয়ে ওকে ছেলেরা tease করে থাকে। এই স্থানে যৌনকেশ থাকলে অনেক ছেলে নিচে যোনি চোষার সময় নিজের ঠোটের উপরের স্থানে ও নাকে এই চুলগুলোর সুরসুরি খেতে পছন্দ করে। শুনেছি এটা নাকি এক দারুন অভিজ্ঞতা। আপনারাও চেষ্টা করে দেখতে পারেন।
খ) ল্যাবিয়া মেজরাঃ মোনস পিউবিসের নিচেই সমগ্র যোনি অঞ্চলকে ঘিরে থাকা বড় নিম্ন ঠোট হিসেবে পরিচিত পাতলা চামড়ার অংশটিই এটি। ছেলেদের অন্ডথলির চামড়ার মত একই Embryonic tissue দিয়ে এটি তৈরী। মেয়েটি উত্তেজিত হলে এটি প্রসারিত হয়ে যায়। এটি যথেষ্ট স্পর্শকাতর হলেও, যোনির অন্যান্য অঞ্চল থেক তুলনামূলক কম সংবেদী। এর চারপাশে জিহবার আগা লাগিয়ে লাইনের মত টেনে টেনে, ঠোট দিয়ে চেপে ধরে উত্তেজিত করা যেতে পারে।
গ) ল্যাবিয়া মাইনোরাঃ ল্যাবিয়া মেজরার ভিতরে ভাজে থাকে ল্যাবিয়া মাইনোরা (ছোট নিম্ন ঠোট)।এই চামড়ার স্তরটি ভগাঙ্কুর, মুত্রপথ ও যোনিকে ঘিরে থাকে। অনুত্তেজিত অবস্থায় এটি মেয়েটির যোনিমুখ ঢেকে রাখে। এর ভিতরের স্তরে অসংখ্য ছোট ছোট তেল গ্রন্থি রয়েছে। প্রচূর স্নায়ুকোষ সমৃদ্ধ এ অঞ্চলটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং মেয়েটির যোনি অঞ্চলের উত্তেজনায় গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে। মূলত যোনি চোষা বলতে এই অংশটুকু চোষাকেই বোঝায়। ভগাঙ্কুরের নিচে যোনিদ্বার ও মুত্রপথের আশেপাশের প্রায় ফুটন্ত গোলাপের মত দেখতে এই অংশটিতে আঙ্গুল দিয়ে নাড়াচাড়া করে, জিহবা দিয়ে চেটে, আইসক্রিম চোষার মত করে চুষে ক্লাইটোরাল বা জি-স্পট অর্গাজমের (এ বিষয়ে বিস্তারিত একটু পরেই বলছি।) জন্য মেয়েটিকে পর্যাপ্ত উত্তেজিত করে তোলা হয়।
ঘ) যোনিঃ নারীদেহের প্রজনন অংগের প্রধান অংশ। ম্যাবিয়া মাইনোরার ভেতরে ক্লাইটোরিস গ্ল্যনড ও মূত্রছিদ্রের নিচেই এর মুখ অবস্থিত। যোনির কথা বলার পূর্বে কুমারী মেয়েদের যোনিপর্দা (Hymen) নিয়ে একটা সাধারন ভুল ধারনা সম্পর্কে বলে নিই। যৌন বিষয়ে অনভিজ্ঞ কিছু লেখকের চটি পড়ে যারা কখনো সেক্স করেননি তাদের অনেকেরই ভুল ধারনা এই যে যোনির সামান্য একটু ভিতরে যোনিপর্দা অবস্থিত, এ ধারনা একসময় আমারও হয়েছিল। কিন্ত প্রকৃত পক্ষে যোনির প্রবেশ মুখেই যোনি পর্দা অবস্থিত। তবে এ পর্দা যোনিকে আংশিক ঢেকে রাখে; এর মাঝে একটা ফুটো থাকে, যার মাধ্যমে মেয়েদের রজঃস্রাব নিসৃত হয়। বেশিরভাগ কুমারী মেয়ের পর্দার এ ফুটো দিয়ে ইচ্ছে করলে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে হস্তমৈথুন করার মত বড় হলেও, একটি ছেলের লিঙ্গ প্রবেশ করার জন্য এটি যথেষ্ট বড় থাকে না। তাই প্রথম বারের মত কোন ছেলের লিঙ্গ প্রবেশ করার সময় পাতলা এ পর্দাটির মূল অংশটি ছিড়ে যায়। অবশ্য যোনিমুখের আশেপাশে এর অংশবিশেষ থেকে যায়। তবে এটা কিন্ত কুমারীত্বের একেবারে নির্ভরযোগ্য চিহ্ন নয়, অনেক কুমারী মেয়ের জন্মলগ্ন থেকেই পর্দার ফুটো এতই বড় থাকে যে পর্দার অস্তিত্বই খুজে পাওয়া যায় না। সে যাই হোক এবার মূল কথায় আসি। যোনি নারীদেহের অত্যন্ত স্পর্শকাতর একটি অংশ। ছেলেটি মেয়েটিকে আদর করার সময় ওর যোনি উত্তেজিত হয়ে আকারে স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে বেড়ে যায়। এ প্রসারনের ফলে যোনিনলের ভেতরের দেয়ালের মিউকাস মেমব্রেন ও যোনিমুখের কাছাকাছি বার্থোলিন গ্লান্ড বা ছোট ভেস্টিবুলার গ্ল্যান্ড হতে কিছু পরিমান তরল নির্গত হয়ে যোনিমুখ ও পথকে পিচ্ছিল করে তোলে। মূলত এই তরলই আমরা যোনিরস হিসেবে চিনি। এটি কিছুটা অম্লধর্মী, তবে এটি গলধঃকরন করলে কোন ক্ষতির আশঙ্কা নেই। যোনির ভেতরের দেয়ালে রয়েছে বহু স্নায়ুপ্রান্ত যা প্রকৃতপক্ষে ক্লাইটোরিসের শাখা। তাই এখানে কোনকিছু প্রবেশ করলে মেয়েটি দারুন আনন্দ লাভ করে। যোনিতে লিঙ্গ দিয়ে মৈথুন করা ছাড়াও জিহবা ঢুকিয়ে, আঙ্গুল দিয়ে যে মেয়েটিকে মজা দেওয়া যায় সেটা তো সবারই জানা। আর মৈথুন শুরুর পূর্বে কি কি কাজ করতে হবে তা তো এতক্ষন ধরে বলছিই তাইনা? যোনিতে মোটামুটিভাবে ১০-৩০ মিনিট ধরে মৈথুন করলে মেয়েদের অর্গাজম হয়ে থাকে। তবে মৈথুনের পূর্বে পরিপূর্ন উত্তেজনার অভাবে বহু মেয়ে তার সারা জীবনেও এ অর্গাজম লাভ করতে পারে না। এরকম যাতে না হয় সেজন্যই যে আমার এসব লেখা তা তো আগেই বলেছি। আর একটা কথা, অনেকেরই ধারনা ভ্যাজিনাল অর্গাজমের (যোনিতে মৈথুনের ফলে অর্গাজম) সময় মেয়েদের যোনি থেকে গলগল করে রস বেরিয়ে আসে। এটা আংশিক ভুল ধারনা। মেয়েটিকে উত্তেজিত করার সময়ই ওর যোনি দিয়ে যে রস চুইয়ে চুইয়ে বের হয়ে আসে তার মাত্রা সামান্য বেড়ে যায় মাত্র। মেয়েদের প্রকৃত এজাকুলেশন (Ejaculation এর বাংলা ছেলেদের ক্ষেত্রে বীর্যপাত, মেয়েদের ক্ষেত্রে কি বলব?) ঘটে থাকে ওর জি-স্পট অর্গাজমের সময়। সে প্রসঙ্গে একটু পরেই আসছি।
ঙ) ক্লাইটোরিস (Clitoris): নারী দেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর অংশ। এটি মূলত কয়েকটি স্পর্শকাতর স্থানের একটি সমন্বয় যা সমগ্র যোনি অঞ্চলের উপরে দৃশ্যমান ও ভিতরের অংশে ছড়িয়ে আছে। অনেকে মনে করে, ল্যাবিয়া মাইনরায় মুত্রছিদ্রের উপরে অবস্থিত সামান্য ফোলা স্থানটিই ক্লাইটোরিস। কিন্ত আসলে সেটি হল সমগ্র ক্লাইটোরিসের অংশসমূহের কেন্দ্রবিন্দু, ক্লাইটোরাল গ্ল্যান্স বা ভগাঙ্কুর। এর একটু উপরে মোনস পিউবিস অঞ্চলের ঠিক নিচেই সামান্য একটু স্থান জুড়ে যে যৌনকেশবিহীন অঞ্চল রয়েছে সেটির চামড়ার নিচে আছে ক্লাইটোরাল শ্যাফট। মেয়েটির ক্লাইটোরাল অঞ্চল উত্তেজিত হলে নলাকার এই অংশটি রক্ত এসে স্ফিত হয়ে যাওয়ায় তা হাত দিয়ে অনুভব করা যায়। এই স্থানে জোরে চাপ না দিয়ে আঙ্গুল বুলিয়ে দেয়া বেশ আরামদায়ক। ক্লাইটোরিসের মূল কেন্দ্র ভগাঙ্কুরে মোটামুটিভাবে প্রায় ৮ হাজারের উপর স্নায়ুকেন্দ্র রয়েছে যা ছেলেদের লিঙ্গের মুন্ডির স্নায়ুকেন্দ্রের তুলনায় প্রায় দ্বিগুন এবং মানবদেহের অন্য যেকোন অংশ থেকে বেশি। এর অত্যধিক স্পর্শকাতরতার জন্য একে উত্তেজিত করে তোলার পূর্বে অবশ্যই মেয়েটিকে চরম উত্তেজনার দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যেতে হবে। কারন অনুত্তেজিত অবস্থায় এই টুপির মত অংশটিতে আঙ্গুল ঘষা বা জিহবা বুলানো মেয়েটির জন্য দারুন অসস্তির হতে পারে। ভগাঙ্কুরে আদর মূলত আলতোভাবে আঙ্গুলের স্পর্শ দিয়েই শুরু করা ভালো। সেক্ষেত্রে ভগাঙ্কুরের নিচে মেয়েটির ল্যাবিয়া মাইনোরায় জিহবা দিয়ে চাটতে চাটতে ভগাঙ্কুরে আঙ্গুলি করা যেতে পারে; আস্তে আস্তে আঙ্গুলের গতি বাড়াতে হবে। এভাবে মেয়েটিকে বেশ কিছুক্ষন আদর করার পর আস্তে আস্তে মুখ উপরে এনে জিহবা দিয়ে ভগাঙ্কুরে লাগিয়ে চাটা শুরু করতে হবে। এই সময় মেয়েটির যোনির ভেতরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলে সে আরো উত্তেজিত হতে পারে। যোনির ভেতরে প্রথমে একটা তারপর দুটো আঙ্গুল নিয়ে যতটা সম্ভব গভীরে নিয়ে আবার বের করে আনতে হবে, এসময় যোনির দেয়ালে তেমন একটা চাপ না দিলেই ভালো। এরকম কিছুক্ষন করে আবার মুখ নামিয়ে যোনি মুখ জিহবা দিয়ে চাটতে চাটতে ভগাঙ্কুর আঙ্গুল দিয়ে ঘষা শুরু করা যায়। এসময় যোনির ভেতরে একই সাথে আঙ্গুল ও জিহবা ঢুকিয়ে আবার বের করা যেতে পারে। মূলত এভাবেই যতক্ষন পর্যন্ত মেয়েটির অর্গাজম না হয় চালিয়ে যেতে হবে। আর এই পুরো সময়টাতেই অবশ্যই যে হাতটি খালি থাকবে সে হাত দিয়ে মেয়েটির দেহের উপরাংশে যতটুক পারা যায় একটু হাত বুলিয়ে বা একটু চেপে ধরে সংযোগ রক্ষা করতে হবে। এই ভাবে যে অর্গাজম হয় তাকে বলা হয় ক্লাইটোরাল অর্গাজম।
চ) জি-স্পটঃ মেয়েদের যোনির অংশসমুহের মধ্যে সবচাইতে আলোচিত অংশ এটি। আবিস্কারকের নামানুসারে একে গ্রাফেনবার্গ স্পট বা সংক্ষেপে জি-স্পট বলে। এটি মেয়েদের দেহের সবচাইতে স্পর্শকাতর ও আনন্দদায়ক অংশ হিসেবে পরিচিত। সাম্প্রতিক গবেষনায় জানা গিয়েছে, যে জি-স্পট মূলত ক্লাইটোরিসেরই একটি আংশিক বিচ্ছিন্ন অংশ। অত্যন্ত সংবেদনশীল এ অঙ্গটির অবস্থান হল যোনিপথের সম্মুখ দেয়ালের প্রায় দুই ইঞ্চি মতন ভেতরে, মেয়েদের মূত্রথলির (Bludder) নিচে। যোনির ভেতরটা আঙ্গুল দিয়ে অনুভব করলে, এর প্রবেশপথ থেকে কিছুদুর পর্যন্ত সম্মুখ দেয়ালে (যেদিকে পায়ু আছে তার বিপরীত দিকের দেয়ালে) একটু অমসৃন যায়গার আভাস পাওয়া যাবে (অনেকটা আমাদের মুখের ভেতরে জিহবার বিপরীত দিকে উপরে যে অমসৃন অংশটি আছে তার মত)। এ যায়গাটি ফুরিয়ে গেলেই একটি অগভীর গর্তের মত অংশ পাওয়া যাবে। এই গর্তের মত অংশেই জি-স্পট অবস্থিত। কিন্ত আঙ্গুল ঢুকাতে ঢুকাতে যোনির সম্মুখ দেয়ালের অমসৃন যায়গা পার হয়েও জি স্পট না পেয়ে মসৃন কোন অংশে পৌছে গেলে বুঝবেন আপনি জি-স্পট পার করে এসেছেন, তাই আবার আঙ্গুল নিচে নামিয়ে এনে খুজতে হবে। আঙ্গুলের ডগা দিয়ে জি-স্পট টিপে টিপে মেয়েদের সাধারন ক্লাইটোরাল অর্গাজমের থেকেও বেশি আনন্দদায়ক জি-স্পট অর্গাজম করানো যায়। যে মেয়ে সহজে শীৎকার করে না সেও এই অর্গাজমের সময় পাগলের মত শীৎকার করে উঠবে। এই অর্গাজমেই মূলত মেয়েদের এজাকুলেশন হয়। যারা জানেননা তারা অবাক হবেন একথা শুনে যে মেয়েদের এ এজকুলেটরী রস যোনি দিয়ে নয়, ওদের মূত্রছিদ্র দিয়ে বের হয়ে আসে। অনেক মেয়ে এই অর্গাজম লাভ করেও মূত্রছিদ্র দিয়ে মূত্র বের হয়ে এসেছে মনে করে চরম লজ্জিত হয়ে পরে। কিন্ত পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে এই মূত্র নয়। এতে ক্রিয়েটিনিন, Prostatic acid phosphatase, গ্লুকোজ ফ্রুক্টোজ ইত্যাদি রয়েছে। যা অনেকটা ছেলেদের প্রস্টেট থেকে নিসৃত বীর্যের উপাদান গুলোর মত। এই রসের উৎস Para-urethral tissue মতান্তরে Skene’s glands. কিন্ত জি-স্পট অর্গাজমের জন্যও মেয়েটিকে জন্য উপযুক্ত উত্তেজিত করে তোলা ক্লাইটোরাল অর্গাজমের চেয়েও বেশি দরকার। কারন জি-স্পট ক্লাইটোরাল গ্ল্যান্ড বা ভগাঙ্কুর থেকেও স্পর্শকাতর। তাই অনুত্তেজিত অবস্থা সেটা স্পর্শ করা মেয়েটির জন্য চরম অসস্তির। জি-স্পট অর্গাজমের জন্য মেয়েটিকে প্রস্তুত করে তোলা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া বলে আপাতত এ বিষয়ে আর কিছু বলছি না। পরে এ নিয়ে আলাদা ভাবে বিস্তারিত কিছু লিখব।
মোটামুটিভাবে এই কয়টি অংশ নিয়েই মেয়েদের যোনি।
১২. পেরিনিয়াম অঞ্চলঃ পায়ুছিদ্রের উপরে ও যোনির নিচে উভয়ের মধ্যকার ফাকা স্থানটিকেই পেরিনিয়াম বলে। মেয়েদের ক্ষেত্রে এ ফাকা স্থান অনেক ছোট হয়। পেরিনিয়ামের চামড়ার নিচে রয়েছে বেশ কয়েকটি রক্তনালী ও Bulbospongiosus muscle যা পিউডেনডাল নার্ভের (এই নার্ভের বর্ননা নিচে দেওয়া হল।) একটি শাখার সাথে যুক্ত। তাই স্পর্শকাতর এই অঞ্চলে আদর পাওয়া মেয়েদের জন্য যথেস্ট উত্তেজনাকর। যোনিতে আঙ্গুলি করার সময় এ স্থানে অন্য হাতের তর্জনী ও বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে আলতো করে চিমটি দেওয়ার মত ধরে টিপে দেওয়া যেতে পারে।
১৩. পায়ুঃ মেয়েদের দেহের কোন অংশে আদর, যেমন স্তন টিপা বা চুষা, যোনিতে আঙ্গুলি বা চূষা ইত্যাদি করার সময় পায়ুছিদ্রের ভিতরে আঙ্গুলি করা তাদের জন্য বেশ আনন্দদায়ক হতে পারে (কেন তা নিচে পিউডেনডাল নার্ভের বর্ননায় বলা হবে)। কিন্ত সে স্থানে লিঙ্গের প্রবেশ তাদের জন্য অত্যন্ত যন্ত্রনাদায়ক হতে পারে। কারন যোনির মত পায়ুনালী লিঙ্গকে যায়গা দেয়ার মত তেমন মোটা ও ফ্লেক্সিবল না। তবে কিছু কিছু মেয়ের পায়ুছিদ্র তুলনামূলক বড় থাকে, তাদের মধ্যে অনেকে এমনকি পায়ুতে লিঙ্গ প্রবেশ বেশ উপভোগ্যও বলেছেন। তবে সাধারনত পায়ুতে আঙ্গুলি করলেও লিঙ্গ প্রবেশ না করানোই ভালো।
মোটামুটিভাবে এগুলোই মেয়েদের দেহের যৌনস্পর্শকাতর অংশ সমূহ। তবে মেয়েদের ঘাড়, পিঠ, পেট এসকল অংশও মেয়েটিকে যৌনত্তেজিত করে তোলার সহায়ক। তাই ওকে আদর করার সময় এগুলোও অবহেলা করলে চলবে না। প্রবন্ধটির এই পার্টে মেয়েদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গগুলি নিয়েই আলোচনা করলাম। ছেলেদের যৌনস্পর্শকাতর অঙ্গ নিয়ে পার্ট-২ লেখা চলছে। আশা করছি আমার ক্লাস যেদিন থেকে শুরু তার আগেই শেষ করে ফেলতে পারব। সে পর্যন্ত ধৈর্য ধরার জন্য পাঠকের কাছে অনুরোধ রইল। আর প্রবন্ধটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না কিন্ত!
পিউডেনডাল নার্ভঃ আমার আগের পোস্টে Liyele নামের এক পাঠক এর নিচের কমেন্টটি পড়ে মানবদেহের নিম্নাঙ্গের এই স্নায়ুটি সম্পর্কে কিছু লিখতে বাধ্য হলামঃ
“anal penetration to any male is orgasmic due to pudendal nerve innervation which has common supply to glans penis and anus, not that prostrate gland.prostrate is responsible for semen.Reaz chapa maro kom”
তবে এটি প্রবন্ধের বিষয়ের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ন নয়। তো সন্মানিত পাঠক Liyele, আপনি আপনার কমেন্টে বলতে চেয়েছেন যে ছেলেদের পায়ুপথ দিয়ে কোন কিছু প্রবেশ করলে যে অর্গাজমের (সামান্য ভালোলাগার অনুভুতিকে কি অর্গাজম বলা যেতে পারে?) অনুভুতি হয় তার কারন পিউডেনডাল নার্ভের স্নায়ু উদ্দিপনা যা লিঙ্গ ও পায়ু উভয় স্থানে ছড়িয়ে আছে এবং ছেলেদের অর্গাজমের সাথে প্রোস্টেটের কোন সম্পর্কই নেই। এইতো? এই বিষয়ে যদি সত্যিই আপনার বিস্তৃত জ্ঞান থেকে থাকে তবে ব্যাপারটা আরো একটু ব্যাখ্যা করে বলার দরকার ছিল নয় কি? অন্যান্য পাঠকের জন্য বলছি, মূলত পিউডেনডাল নার্ভ হল মানুষের পুরো নিম্নাঙ্গ তথা পেলভিক অংশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একটি স্নায়ু যা ছেলে মেয়ে সবারই আছে। এটি স্পাইনাল কর্ড (Sacral area) থেকে শুরু হয়ে তিনটি শাখায় বিভক্ত হয়ে যায়। একটি শাখা যায় পায়ু ও রেচন অঙ্গের দিকে, একটি যায় পেরিনিয়াম অঞ্চলে আর একটি যায় সরাসরি লিঙ্গ বা ক্লাইটোরিসে। একারনে ছেলে মেয়ে উভয়ের অর্গাজম ঘটানোতে ও মুত্র বা মলত্যাগের অনুভুতি সৃষ্টি করতে এটি গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখে। মলত্যগ করার সময় (স্বাভাবিক মলত্যাগ) আমাদের যে একটু আরামের অনুভুতি হয় এর কারন হল, মলত্যাগের সময় আমাদের মলদ্বারের স্ফিঙ্কটার (Sphincter) নামক রিং আকৃতির যে পেশি মলদ্বারকে মলত্যাগের সময় ছাড়া অন্যসময় বন্ধ করে রাখে, সে পেশির প্রসারন ঘটে এবং এ অনুভুতি পিউডেনডাল নার্ভের মাধ্যমে বাহিত হয়। এভাবে অন্যকিছু মলদ্বারদিয়ে প্রবেশ করলেও এ অনুভুতি হয়। তাই ছেলে মেয়ে উভয়ের চিকন মলদ্বার দিয়ে আঙ্গুল প্রবেশ করালে তা কিছুটা আরামদায়ক এবং অনেকটা যৌনানুভুতির মত, অথচ উক্ত কমেন্টের লেখক বলেছেন এ অনুভুতি অর্গাজমিক বা চরম উত্তেজনাপূর্ন। অথচ অনেক্ষন ধরে তাতে আঙ্গুল দিয়ে মৈথুন করলেও প্রথমদিকে যে অনুভুতি হয় কিছুক্ষন পরেও একই অনুভুতি হয়, এর তীব্রতা বাড়ে না। আর অনেক্ষন ধরে মলত্যাগের অনুভুতি কি খুব বেশি সুখকর, পাঠক মহোদয়? সে যাই হোক, কিন্ত যখন এ মলদ্বার দিয়ে লিঙ্গের মত মোটা কিছু প্রবেশ করে তখন তা যে ব্যথার সৃষ্টি করে, তা বিশেষ করে মেয়েরা সামান্য মলত্যাগের অনুভুতির জন্য সহ্য করতে রাজি হবেই বা কেন? এর ব্যতিক্রম হওয়ার কারন একটু আগেই উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়াও শুধু আঙ্গুল দিয়েও মেয়েদের মলদ্বারে প্রবেশ করানো তাদের জন্য বারবার চাওয়ার মত কিছু নয়। ছেলেদেরও তাই হওয়া উচিত ছিল। কিন্ত তা নয় কেন? এর মূল কারনই হল ওদের প্রোস্টেট গ্রন্থি, যেটির মধ্যেও পিউডেনডাল নার্ভের শাখা রয়েছে। ছেলেদের প্রস্টেট গ্রন্থি শুধুই বীর্যের কিছু তরল উপাদান সরবরাহ করে না। এটি অত্যন্ত যৌনকাতর একটি অঙ্গও বটে। লিঙ্গের এজাকুলেশন ছাড়াই ছেলেদের আরেক প্রকার অর্গাজমে যে প্রস্টেট প্রত্যক্ষ ভুমিকা রাখে এ নিয়ে অগনিত গবেষনাপত্র রয়েছে। নেটে একটু সার্চ করলেই আপনারা বুঝতে পারবেন। এছাড়াও ছেলেদের যৌনতা সম্পর্কে যার কিছুটা হলেও ধারনা আছে সেও আপনাকে বলতে পারবে একথা। আমি আপাতত এ নিয়ে আর কথা বাড়াচ্ছি না। প্রোস্টেট নিয়ে বিস্তারিত ছেলেদের দেহের যৌনস্পর্শকাতর অংশগুলো নিয়ে লেখা, এই প্রবন্ধের পার্ট-২ তে আলোচনা করা হবে।
This entry was posted in erotic education. Bookmark the permalink.

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More