This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label Religion. Show all posts
Showing posts with label Religion. Show all posts

Saturday, June 18, 2011

যৌনতার ইতিহাস আর কিছু যৌনসর্ম্পকের ভিডিও বিষয়ক আলোচনা..


সূচনা:
যদিও পূণরুৎপাদনের বিষয়টা একেবারেই সামাজিক একটা দৃষ্টিভঙ্গীতেই শুরু হইছিলো বইলা সমাজবিজ্ঞানীরা দাবী করেন। যৌন সম্পর্কের বিষয়টা কিন্তু তাদের কাছেই একদম ব্যক্তিগত একটা বিষয়। যৌন সম্পর্কের সাথে সবসময় প্রজনণ প্রাসঙ্গিক না বইলা এইখানে ব্যক্তিগত আনন্দ কিম্বা পরিতৃপ্তির আকাঙ্খাও যূক্ত থাকে। আমার জানা নাই পোশাক প্রথার শুরু হইলো কবে, মানুষের শরীর ঢাকার প্রয়োজন কেনো তৈরী হইলো। ইসলাম ধর্মে পর্দা প্রথার শুরু কেমনে শুরু হইলো তার একটা ব্যখ্যাই কেবল আমার শোনা আছে। হযরত মুহাম্মদ একবার তার সাহাবাদের দৃষ্টিভঙ্গী আর আলোচনায় বিবি আয়েশার শারীরবৃত্তীয় প্রসঙ্গ শুনতে পাইয়া একটু বিব্রত হইলেন। আর সেই রাইতেই নাজিল হইলো পর্দা প্রথা বিষয়ক বিধান। আমি জানি না এই তাফসীর কদ্দূর সত্য, কিন্তু ইসলাম ধর্মে যৌনতার পরিধী ছোট কইরা নিয়া আসনের কারণ ছিলো পারিবারিক উপলব্ধি। ঠিক যৌনতার পরিধী ছোট কইরা আনা যদিও হয় নাই, যৌনতার সাথে নৈতিকতার বিভিন্ন শর্ত আর দৃষ্টিভঙ্গীরে যূক্ত কইরা দেয়া হইছিলো ইসলামে।
সেমেটিক ধর্মগুলিতে যৌনতারে সবসময়েই একটা নৈতিক আওতার মধ্যে নিয়া আসনের তাগীদ ছিলো। এই সকল নৈতিকতার মূল অ্যাপ্রোচ সভ্যতার সাথে সাথে পরিবর্ধিত হইছে কিছুক্ষেত্রে পাল্টাইছে। কিন্তু এই সকল অ্যাপ্রোচ মূলতঃ সামাজিক প্রসঙ্গ হইছে। যৌনতার সংজ্ঞা কিম্বা এর সীমা পরিসীমা নির্ধারনের ক্ষেত্রে মানুষ আর মানুষের ধর্মসমূহ সামাজিক নৈতিকতারেই গুরুত্ব দিছে। অথচ যৌনতা যে একেবারেই ব্যক্তিগত বিষয়, যেই কারনে তার লুকোছাপা চলে। ব্যক্তিগত বিষয়ের উপর সামাজিক পুলিশিং বা নজর রাখার পদ্ধতিটা কি সেইটা নিয়া ইতিহাসে অল্পস্বল্প হইলেও তর্ক জারী ছিলো নিয়তঃ'ই। আবার ধর্মগুলিতে নারীর অবস্থান অধঃস্তন হওয়াতে যৌনতায় পুরুষের ভূমিকা সবসময়েই প্রধান থাকছে, যার প্রভাব এইসব নৈতিকতা আরোপের পদ্ধতিতেও পড়ছে।
যৌনতায় নারী আর পুরুষের শারিরীক পারফরম্যান্স কিভাবে নির্ধারিত হয় তার কোনো নৈতিক মানদণ্ড যদিও কখনো তৈরী হয় নাই। তবে সভ্যতা আর ইতিহাসের ধারাবাহিকতায় কিছু বিষয়রে নীতিমালার মধ্যে নিয়া আসা হয়, যেমন শিশু আর সমলিঙ্গের প্রতি আকর্ষণরে সামাজিকভাবে নৈতিকতার সঙ্কটের মধ্যে ফালাইয়া দেয়া হয় অধিকাংশ সমাজেই। তবে পুরুষ যেহেতু সবসময় এর মানদণ্ড তৈরী করার অধিকার পাইছে সকল পর্যায়ে, তাই নারীর ভূমিকা যৌনতায় বেশিরভাগ সময় হইছে উত্তেজনা তৈরীর হাতিয়ার, আর পুরুষের বাসনা মিটানের অবলম্বন হিসাবে। পশ্চিমে এর ধরণ অবশ্য অনেক্ষেত্রে পাল্টাইছে কারণ যৌনতায়ও বোরডোম তৈরী হয়(!)। পরিবেশের সাথে সংগ্রামের ধরনের কারনে পশ্চিমে অবশ্য যৌনতার ধরনে অনেকসময় পরিবর্তন আসছে। উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নারীর অংশগ্রহণে মাত্রাগত পরিমাণ কেবল যৌনতায় না সম্পর্কের অন্য সকল ধরনেও সেমেটিক নৈতিকতার সাথে অল্পস্বল্প বিরোধ সূচীত হইছে এই এলাকায়।
আর সকল অধিকারের মতোন যৌনতায়ও নারীর অধিকার সীমিত হইছে পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায়। ইসলামিক ব্যখ্যায় অবশ্য কিছু যৌক্তিক বা যূক্তির পরম্পরাগত ব্যখ্যা হাজিরের চেষ্টা হইছে কিছু ক্ষেত্রে, যেমন পরিবার প্রথার বা বংশের পরম্পরাতে পিতৃপরিচয় রক্ষার একটা তাগীদ সামাজিক নৈতিকতা হিসাবে তার আগেই পরিচিত হইছে গোত্র আর কৌম গুলির মধ্যে। নারীর যৌনতা এই কারনে একমূখীন রাখার একটা মূল্যবোধ প্রয়োজন আছে সমাজে। পুরুষের বহুগামীতারেও নিয়ন্ত্রিত করার চেষ্টা ছিলো হযরত মুহাম্মদের নৈতিকতা আরোপের মধ্যে। নৈতিকতার এইরকম নিয়ন্ত্রণ পরবর্তীতে পরিবর্তীত না হইলেও প্রশ্নের সম্মুখীন হইছে পুরুষের বেলায়, কিন্তু নারীর বেলায় বিষয়টা সেই আদিম পর্যায়েই রইছে।
পরবর্তী কাল:
যদিও ফ্রয়েড আইসা এইসব নৈতিকতার চর্চা নিয়া বা এইসব চর্চার মনস্তত্ত্বগত ব্যখ্যারে ভালোই প্রশ্নের মুখোমুখি করেন। নারী আর পুরুষের সম্পর্ক নির্ভর সাইকিতে আসলে যৌনতা কিভাবে বিরাজ করে আর সমাজ সেইটারে কিভাবে দেখতে চায়, এই দুইয়ের মাঝে যে দ্বান্দ্বিক বিরোধ বা কন্ট্রাডিকশন তৈরী হইয়া গেছে কালের প্রবাহে তার একটা বৈপ্লবিক অনুধাবন আমরা দেখি ফ্রয়েডিয়ান আলোচনায়। মূলতঃ ফ্রয়েডের বেলা স্বপ্নে স্বপ্নে গেলেও যৌনতা সেইখানে মাথায় আর চিন্তায়ও ভালোই ছিলো আসলে। সে ইতিহাস আর মিথোলজী থেইকা যৌনতার লেজ ধইরা টান দিয়া দেখায় বহুকিছু। নারী যে পুরুষতন্ত্রের নৈতিক ধামাচাপার ভিতরে থাইকাও অন্যরকম ভাবনারে প্রশ্রয় দেয় সেইটা তারে আলোচনা করতে দেখি আমরা।
তবে ফ্রয়েডিয়ান আলোচনার পরে পুরুষ যৌনতা নিয়া তার দৃষ্টিভঙ্গীতে একটা সমতা আনয়নের চেষ্টা শুরু করে। এর পেছনে হয়তো যৌনতায় শীর্ষানুভূতি পাওনের একটা গোপন ইচ্ছা তাদের ভিতরেও ছিলো। পুরুষ তার নিজের রুচীর উপর গইড়া উঠা সমাজরেতো হুমকীর সম্মুখিন করতে পারে না, নারীর আকাঙ্খা যদি একসময় তার জন্য হুমকীর বিষয় হইয়া দাঁড়ায়! সভ্যতার এই পর্যায়ে নারী তাই একটু ভিন্ন রূপে আসে...যৌনতায় নারী আসে প্রধান কল্পচিত্র হিসাবেই। নারীদেহের বক্রতা ছাড়া ঠিক যৌনতা জমেনা। নারীর অজান্তেই তারে আরো্ বেশি অধিনস্ত করার পরিকল্পণা কইরা ফেলে পুরুষেরা। নারীরে তারা যৌন প্রক্রিয়ায় নায়িকাই বানায়, এই নায়িকার ভূমিকা যৌনতার সময় বিশাল থাকে। সে যৌন প্রক্রিয়ার সময় অনেক্ষেত্রেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা পায়। এই ক্ষমতা হয়তো নারীরে আবদ্ধ রাখতে বা তার আনুগত্যরে নিশ্চিত করবো এইরম সম্ভাবনা থেইকাই পুরুষের এতোটা দরদ!

মূল প্রসঙ্গ:
যেই বিষয়ে আলোচনা করতে চাই সেইটা বেশ সেন্সিটিভ হওয়ার জন্য ভূমিকাটারে প্রাসঙ্গিক মনে হইলো। হয়তো পাঠকরে প্রস্তুত করতে চাইছি আলোচ্য প্রসঙ্গের উপস্থাপণরে গ্রহণযোগ্য করার জন্য। সম্প্রতি মিডিয়াতে পরপর একাধিক সেলিব্রিটি'র(লোকশ্রুতিতে আরো বেশি) যৌনতার ভিডিও মানুষের কম্যুনিকেশন মডিউলে ঘোরাফেরা করতে দেইখা আমি নিজে খানিকটা শংকিত হইছি। যৌন কর্মকাণ্ড আমার এই শংকার হেতু নয়। শরীরের চাহিদা বা মানসিক আকাঙ্খার বিস্তারে একজন নারী আর একজন পুরুষের শারিরীক সম্পর্কে লিপ্ত হইলে আমি ব্যক্তিগতভাবে তাতে কোনো অপরাধ দেখি না। সামাজিক নৈতিকতার এই আরোপ কইরা দেওয়া আচরণরে আমি প্রশ্নবিদ্ধ করতে রাজী আছি যেকোনো সময়। একজন পুরুষ হিসাবে এইটা নতুন কোনো উপলব্ধি না, পশ্চিমা সমাজে এই নিক্তির উদ্ভব ঘটছে বহু আগেই। আমার শংকা তবে কোথায়!?
শুরুতে আরবান মানুষের মডেলাইজার হইয়া উঠাতে খানিকটা আরাম পাইলেও পরবর্তীতে শংকিত হই সেই মানুষের ম্যানিপ্যুলেটিভ আচরনে। যেই মানুষ সামাজিক নিক্তিতে ঠিক করছে যৌনতা হইলো ব্যক্তিগত বিষয় কারণ তার শারিরীক আনন্দ-সুখ প্রাপ্তি ঘটে যৌনতার সম্পর্কের সঠিক চর্চার মাধ্যমে। যেই আরবান মানুষ নারীরে যৌনপ্রক্রিয়ায় প্রোটাগনিস্ট বানাইছে। তারাই হঠাৎ এইসব ভিডিও প্রচার কইরা বিষয়টারে সার্বজনীন বানাইয়া ফেলতেছে। তারাই ভিডিওতে নারী সেলিব্রিটির পারফরম্যান্সগত ভঙ্গীমারে নিয়া হাসিঠাট্টা করতেছে। এই আচরণটা যদি একান্ত'ই বাঙালিগো হইতো তাইলে হয়তো আমার শংকা কিছুটা কম হইতো, কারণ বাংলাদেশের মানুষ আসলে এখনো তাদের ধর্মীয় পরিচয়ের বাইরে চিন্তাপদ্ধতির কথা ভাবতেই পারে না। (ধর্ম নারী-পুরুষের সম্পর্ক নিয়া কিভাবে তা এই আলোচনার শুরুর দিকেই আমি উল্লেখ করছি।) কিন্তু উদারতার ধারক-বাহক পশ্চিমেও দেখি তাগো উঠতি তারকা লিন্ডসে লোহানের ন্যুড ভিডিও নিয়া পত্রপত্রিকায় বেশ উত্তেজনা বিরাজ করে। সামাজিক মানসিকতার গঠনের জন্য লোহানের তেমন কিছু আসে যায় না হয়তো। সুপারম্যানের পরবর্তী ভার্সনে তার নায়িকা হইয়া উঠার সম্ভাবনা তাতে খুব একটা হ্যাম্পার্ড হয় না হয়তো। কিন্তু আমাগো প্রভা কিম্বা চৈতির তো ঘর থেইকা বের হওয়াটাই বিপজ্জনক হইয়া উঠে।
ভিডিও ধারণটারেও আমার তেমন গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য লাগে না এই বিষয়ে। বরং ভিডিও'র প্রচারে যেই অসদুদ্দেশ্য থাকে সেইটা আমার চোখে লাগে। একজন মডেলাইজার পুরুষ আসলে এই ভিডিও প্রচারের মধ্য দিয়া একজন তারকার বা আরো সুনির্দিষ্ট কইরা বললে একজন উঠতি তারকার জীবনরে হুমকীর সম্মুখিন কইরা তার পুরুষালি দাপটের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়। সমাজের সকল পুরুষ আর পুরুষালি চেতনার নারীরাও এই ভিডিও দেইখা দুই ধরনের স্বার্থ সিদ্ধি করে, ১. একটা যৌন প্রক্রিয়া তার উত্তেজনা নিজের শরীরে উত্তেজনা আনে। যেহেতু সে ফ্যান্টাসাইজ করতে ভালোবাসে। ২. একজন নারী সেলিব্রিটি'র এই পতনোম্মুখ প্রয়াসে সামাজিক পৌরুষ জয়যূক্ত হয়। এই ধরনের যৌনপ্রয়াস তো এই সমাজে হরহামেশাই ঘটে। সামাজিক নৈতিকতারে বুড়া আঙ্গুল দেখানোর এই ঔদ্ধত্য আমাগো সমাজেও বহু আগেই বিস্তৃত হইছে। শরীর তার চাহিদার রাজনীতি দিয়া এই পরিস্থিতি তৈরীতে উদ্যোগী হইছে। সামাজিক নীতিমালার বাইরেও তাই নারী-পুরুষের শারিরীক সম্পর্কের ধরনে ভিন্ন ভাষা প্রয়োগ হয়।
কিন্তু ভিডিও প্রচারণার বিষয়টা আসলেই অ্যালার্মিং লাগে। পুরুষের পৌরুষ যখন এমন নোংড়া প্রকাশে তার চেহারা দেখায় তখন মনে হয় আদিম প্রবণতাগুলিই অনেক ভালো ছিলো, কি লাভ হইছে সভ্যতার এতোদূর পরিভ্রমণে!? এই সব বিচ্ছিন্ন ভিডিও আসলে শোবিজ সম্পর্কে মানুষের ভিন্ন মূল্যবোধ তৈরী করতেছে। যার ফল খুবেকটা ভালো হওয়ার কথা না...

Friday, June 17, 2011

অসতী দাহ


এটি একটি আরব মেয়ের গল্প। শুধু আরব নয় মুসলমান আরব।
একটা সিঙাড়া আর এক কাপ চা নিয়ে আরাম করে বসুন। গল্পটা খুব আরামের নয়। মেয়েটির নাম সোয়াদ। আগেপিছে কিছু নেই, শুধুই সোয়াদ। পারিবারিক নাম আছে একটা, কিন্তু ওটা সে ব্যবহার করেনা, পাছে কোন বিপদ হয়। পৈতৃক পরিচয় বহন করবার অধিকার তার নেই। তার বাবা-মা জানে না যে সে বেঁচে আছে। জানলে হয়তো তাকে দ্বিতীয়বার মরতে হবে!
আজ থেকে প্রায় ত্রিশ বছর আগে প্যালেস্টাইনের একটি ছোট্ট গ্রামে এ গল্পের শুরু। সোয়াদরা চার বোন, এক ভাই। ছোট দুটি সৎ বোনও আছে তার, বাবার দ্বিতীয় পক্ষের সন্তান। ওর মায়ের বিয়ে হয়েছিল চৌদ্দ বছর বয়সে। প্যালেস্টানের মেয়েদের ওটাই হলো বিয়ের বয়স। তার বেশী হয়ে গেলে গ্রামের লোকের কানাঘুষা শুরু হয়ে যায়। কড়াকড়ি পর্দাপ্রথা না থাকলেও মেয়েদের নিষেধাজ্ঞাগুলো পর্দার চেয়ে কম নয়। মাথা নিচু করে হাঁটবে, প্রসাধন করে বের হবে না, কোন পুরুষের দিকে তাকাবে না, পুরুষের সাথে কথা বলবে না। এক মায়ের পেটের ভাই ছাড়া আর কোন যুবকের সাথে চোখাচুখি হলে সবাই চার্মুটা বলে গাল দিতে শুরু করে। চার্মুটা অর্থ হল খারাপ মেয়ে, বেশ্যা। আসলে সমাজের নিয়মটাই এই যে পরপুরুষের দিকে মেয়েদের চোখ পড়ার মুহূর্ত থেকেই তার পাত্র খোঁজা শুরু করতে হবে।

ধর্মীয় পতিতাবৃত্তি

ধর্মীয় বা পবিত্র পতিতাবৃত্তি (ইংরেজি ভাষায়: Sacred prostitution) হচ্ছে এক ধরনের সামাজিক রীতি যেখানে একজন মানুষ যৌন সংগম করে নিজ পতি বা পত্নী ব্যতীত অন্য কারও সাথে পবিত্র বা ধর্মীয় উদ্দেশ্যে। এ ধরনের কাজে যে ব্যাক্তি জড়িত থাকেন তাকে বলে দেবদাসী বা ধর্মীয় পতিতা

প্রাচীন প্রাচ্য দেশে

ধর্মীয় পতিতাবৃত্তি প্রাচীন প্রাচ্য দেশে বেশি মাত্রায় হত। প্রাচীন মেসোপটেমিয়ানরা ধর্মীয় যৌনতার প্রতিটি সু্যোগই কাজে লাগাত। গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডটাস বলেনঃ ব্যাবলীয়ানদের সবচেয়ে খারাপ রীতি ছিল জীবনে একবার হলেও প্রত্যেক মহিলাকে বাধ্য করা আফ্রিদিতি মন্দিরে যেতে, যেখানে তাকে একজন অপরিচিত ব্যাক্তির সাথে যৌন কর্মে লিপ্ত হতে হত। যেসব মহিলারা ধনী ও গর্বিত ছিলেন তারা মিলিত হতে চাইতেন না। তাদের তখন দড়ি দিয়ে বেঁধে আনা হত মন্দিরে। প্রচুর অনুগামী লোক ভিড় করত তখন। এভাবে বিপুল সংখ্যক মহিলাকে আনা হত। মহিলারা বাড়িতে ফিরে যেতে পারত না যৌন কর্মে লিপ্ত হওয়ার আগে। অপরিচিত কোন লোককে অবশ্যই টাকা দিতে হত বন্দিনী মহিলার আঁচলে এবং তাকে আহবান করতে হত মাইলিত্তা দেবীর নামে। তাদের মন্দিরের বাইরে মিলিত হতে হত। টাকার পরিমাণ যাই হোক না কেন তা নিতে আস্বীকার করা পাপ। এভাবে সুন্দরী মহিলারা সহজেই মুক্তি পেত অল্প দিনে। অসুন্দরীদের থাকতে হত দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত কোন লোকের সাথে মিলনের আগ পর্যন্ত। খ্রিস্টপূর্ব ৪৬৪ বছর আগে গ্রিসে জেনোফন নামের একজন অলিম্পিক বিজয়ী দেবীর মন্দিরে ১০০ জনের মতো তরুণীকে উপহার হিসেবে দান করে কৃতজ্ঞতা স্বরূপ। করিন্থ নামক ঐ শহরে দেবী আফ্রিদিতির মন্দির ছিল। রোমান যুগে ঐ মন্দিরে প্রায় হাজারের উপর দেবদাসী ছিল।

বাইবেলে সমকামীতার বিষয়ে কি বলা আছে ? সমকামীতা কি পাপ?

প্রশ্ন: বাইবেলে সমকামীতার বিষয়ে কি বলা আছে ? সমকামীতা কি পাপ?

উত্তর: 
বাইবেল আমাদের দৃঢ়ভাবে বলে যে সমকামীতা পাপ (জেনেসিস্ 19:1-13; লেভিটিকাস্ 18:22; রোমান্‍স 1:26-27; 1 কোরিন্থিয়ান্‍স 6:9)৷ রোমান্‍স 1:26-27 নির্দিষ্টভাবে আমাদের শেখায় যে সমকামীতা হল ঈশ্বরকে অমান্য এবং অস্বীকার করার ফল৷ মানুষ যখন পাপ এবং অবিশ্বাসের পথে চলে তখন ঈশ্বর “আরো সুযোগ দেন” তাদের দুর্নীতিপরায়ণ ও কলুসিত হতে কারণ তার মাধ্যমেই মানুষ বুঝতে পারবে যে ঈশ্বরকে ছাড়া যে জীবন তা কতখানি ব্যর্থ এবং নৈরাশ্যজনক৷ 1 কোরিন্থিয়ান্‍স 6:9 দাবী করে যে যারা সমকামীতা করে সেই “পাপীরা” ঈশ্বরের রাজত্বে প্রবেশের অধিকার পায় না৷

হস্তমৈথুন – এটি কি বাইবেল অনুযায়ী পাপ?

প্রশ্ন: হস্তমৈথুন – এটি কি বাইবেল অনুযায়ী পাপ?

উত্তর: 
বাইবেলে স্পষ্টভাবে কিছু বলা নেই যে হস্তমৈথুন করা বা হস্তমৈথুন না করা পাপ কিনা৷ এই ধর্মগ্রন্থের জেনেসিস্ 38:9-10-এর ওনান এর গল্পে হস্তমৈথুন সম্পর্কে নির্দেশ করা হয়েছে৷ কেউ কেউ এই অনুচ্ছেদের বর্ণনায় বলে যে মাটিতে “তোমার শুক্র ছড়ানো” পাপ৷ যদিও, অনুচ্ছেদে নির্দিষ্টকরে এটিই বলা নেই৷ ঈশ্বর ওনানকে “তার শুক্র ছড়ানো”র জন্য শাস্তি দেননি, বরং শাস্তি দিয়েছিলেন কারন ওনান তার ভাইকে উত্তরাধিকার দেওয়ার কর্তব্য পালন করেনি৷ এই অনুচ্ছেদটি হস্তমৈথুন বিষয়ে ছিল না, বরং ছিল পারিবারিক কর্তব্য পালন করার বিষয়ে৷ ম্যাথিউ 5:27-30-র দ্বিতীয় অনুচ্ছেদটি কখনো কখনো হস্তমৈথুনকে পাপ হিসেবে প্রমান করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে৷ যীশু কামনাজনিত চিন্তার বিরুদ্ধে মত দিয়েছেন এবং বলেছেন, “যদি তোমার ডান হাত পাপের কারন হয়, তবে তা কেটে ফেলে দাও৷” “যদিও এই অনুচ্ছেদ এবং হস্তমৈথুন সমান্তরাল, তবে এটা বোঝা যায় না যে প্রভূ যীশু এখানে পরোক্ষভাবে হস্তমৈথুনকেই উল্লেখ করতে চেয়েছেন৷” 

বাইবেলে বিয়ের আগে যৌনতা/বিবাহপূর্ব যৌনতা সম্পর্কে কি বলা আছে?

প্রশ্ন: বাইবেলে বিয়ের আগে যৌনতা/বিবাহপূর্ব যৌনতা সম্পর্কে কি বলা আছে?

উত্তর: 
কোনো হিব্রু বা গ্রীক শব্দ নেই যার সাহায্যে বাইবেলে নির্দিষ্টভাবে বিয়ের আগে যৌনমূলক আচরনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে৷ বাইবেলে নিশ্চিতভাবে অশ্লীলতা এবং যৌন অবৈধতাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু বিয়ের আগে যৌনতা কি যৌনমূলক অবৈধতাকে নির্দেশ করে? 1 কোরিন্থিয়ান্‍স 7:2 অনুসারে, “হ্যাঁ” কি স্পষ্ট উত্তর : “কিন্তু যেহেতু প্রচুর অবৈধতা রয়েছে, তাই প্রতিটি পুরুষের নিজের স্ত্রী থাকা এবং প্রতিটি নারীর নিজের স্বামী থাকা একান্ত প্রয়োজনীয়৷” এই পদ্যে, পল্ বলেছেন যে বিবাহ হল যৌন অবৈধতার “চিকিত্সা”৷ প্রথম কোরিন্থিয়ানস 7:2 প্রয়োজনীয় ভাবে বলেছে যে, যেহেতু মানুষরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না এবং তাই তারা বিয়ের আগেই যৌন জীবন যাপন করে, তাই মানুষের বিয়ে করা উচিত৷ তখন তারা সঠিক পথে নিজেদের কামনাকে পূরণ করতে পারবে৷ 

যৌনতা বিষয়ে ভাবনা

দেবদাসী, মন্দিরবাসীনি কিংবা অন্য যেকোনো নামেই অভিহিত করা হোক না কেনো তাদের, প্রাচীন সভ্যতায় সুন্দরী তরুণীদের একাংশকে সব সময়ই কোনো না কোনো উপাসনালয়ে অন্য সব পুরোহিত এবং আমত্য ও উচ্চ বংশীয় পুরুষদের যৌনলিপ্সা এবং অন্যান্য মানসিক চাহিদা পুরণ করে কাটাতে হতো।

তারা সমাজের সবার জন্য উৎসর্গকৃত নগরনন্দীনি। ইশরাত, মেসোপটোমিয়া, ব্যাবিলন এবং ফনিশিয়ান সভ্যতার একক দেবী, ক্রমশ পুরুষের আধিপত্যে তার উর্বরতা ব্যতীত অন্য কোনো পরিচয় টিকিয়ে রাখতে পারে নি। কিংবা অন্য ভাবে বলা যায় সভ্যতা মাতৃতান্ত্রিকতা ছেড়ে পিতৃতান্ত্রিক হয়ে উঠবার পথেই ইশরাত পরম দেবীর আসনচ্যুত হয়ে সাধারণ এক দেবি হয়ে উঠেন, যাকে পরবর্তীতে যখন সেমেটিক ধর্মের সৃষ্টি হলো, তখন পাপিষ্ঠা অভিধা দেওয়া হলো।

Monday, June 13, 2011

খ্রিষ্টান ধর্মযাজকদের যৌন কেেলংকারি ধর্মীয় নৈতিকতা আজ কোথায়


শাকিল আহমেদ মিরাজ : মনুষ্যত্ব হীনের ঘৃন্যতা বিশ্বব্যাপী আজ বড় এক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে ৷ নৈতিক অবক্ষয়ের মাত্রা কোন পর্যায়ে নেমে এসেছে তা নিয়ে মনোবিজ্ঞানীদের মধ্যে চলছে তোলপাড় ৷ হিন্দু-মুসলাম-খ্রিষ্টান, সাদা-কালো কিংবা বাদামি, ইউরোপ-আমেরিকা কিংবা এশিয়া যেখানে যে জাতির কথাই বলুন সব জায়গায় মানুষের আচার-আচরণ দেখে মনে হচ্ছে মানবতা আর সুন্দরের যেন মৃত্যু ঘটেছে ৷ তত্ত্বের বিচারে দৃশ্যমান (!) মানবতাবাদী হিসেবে সকল ধর্মেই সাধারণ ধর্মীয় প্রধানকে মেনে নেয়া হয় ৷ সংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীতে এখন খ্রিষ্টান ধর্মালম্বী বেশি এবং স্বভাবতই তাদের ধর্মীয় প্রধান বা ধর্মযাজকের সংখ্যাটাও অন্য ধর্মের চাইতে ঢের বেশি ৷ নৈতিক অবক্ষয় আজ টান দিয়েছে সেই শিকড় ধরে! প্রত্যেক ধর্মই মানুষকে সংযমী হওয়ার শিক্ষা দেয় ৷ শিক্ষা দেয় পাপ, মন্দ অনিষ্টকর কাজ থেকে দূরে থাকার ৷ নিজের ভেতরে পশুত্ব, কামপ্রবৃত্তিকে দমন করার ৷ এ ক্ষেত্রে একজন ধর্মীয় গুরুর দায়িত্ব তো আরও অনেক বেশি ৷ তিনি ধর্মের নিয়ম- নীতি নিজে মেনে চলবেন, পাশাপাশি মানুষকে সঠিক পথ দেখাবেন ৷ মানুষের কাছে তিনি হবেন অনুস্মরণীয় ৷ সেই ধর্মীয় গুরু যখন বিপথগামী হন, তখন সাধারণ মানুষের আর যাওয়ার জায়গা থাকে না ৷ ক্যাথলিক খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মযাজকদের অনেকে এখন এমনই বিপথগামী হয়ে পড়েছেন ৷ নিজেদের আদিম বাসনা পূরণ করতে গিয়ে ভুলতে বসেছেন যে তারা নিজেরা মানুষকে সুপথে আনার কাণ্ডারি ৷ তাদের এই বিপথগামিতায় ষোড়শ পোপ বেনেডিস্ট পড়েছেন অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে ৷ এমনকি গোটা ক্যাথলিক সম্প্রদায়কে বিব্রতকর অবস্থার মধ্যে ফেলে দিয়েছে ৷ অবশ্য তাদের এই যৌন নির্যাতনের ঘটনা নতুন কিছু নয় ৷ তবে গত কয়েক বছরে অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে বিশ্বজুড়ে একের পর এক যাজকের যৌন নির্যাতনের কাহিনী ফাঁস হয়ে যাচ্ছে ৷ আর এসব ঘটনা বিশ্বজুড়ে পবিত্র গির্জার মতো উপসানালয়ের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে ৷ রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে চার্চের শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ নতুন কোনো ঘটনা নয় ৷ তবে নতুনত্ব হলো চার্চের যাজকদের এই সব কুকর্মের খতিয়ান প্রভাবশালী গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়ে পড়ার ঘটনা ৷ সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে ৷ আর এতে করে বিশ্বের দেশে দেশে রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে ‘ছি ছি’ রব উছে ৷ চরম ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে ভ্যটিকান ৷ এমনকি খোদ পোপের বিরুদ্ধেও রয়েছে যৌন নিপীড়ক ধর্মযাজকদের প্রশ্রয় দেয়ার অভিযোগ ৷ অবস্থা বেগতিক দেখে পোপ যৌন নিপীড়নের শিকার শিশু ও তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ৷ সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা যুক্তরাষ্ট্রের এক ক্যাথলিক ধর্মযাজকের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নিপীড়নের খবর প্রকাশ করে করেছে, ফাদার লরেন্স মার্ফি নামের উইন্সকনসিনের ওই যাজকের বিরুদ্ধে দুই শতাধিক বধির শিশুকে যৌন নিপীড়ন করার অভিযোগ ছিল ৷ ফাদার লরেন্স মার্ফি ২৪ বছর ধরে উইন্সকনসিনের একটি বধির শিশুদের স্কুলের শিক্ষক ছিলেন ৷ ১৯৯০ সালে সংঘটিত ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এক আর্চবিশপ ফাদার লরেন্স মার্ফির বিরুদ্ধে ভ্যাটিকানে দুবার চিঠি লিখে অভিযোগ পাঠিয়েছিলেন ৷ বর্তমান পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট তখন রোমান ক্যাথিলকদের সর্বোচ্চ সংস্থা কংগ্রেশন ফর দ্য ডকট্রিন অব দ্য ফেইথের প্রধান ছিলেন ৷ কিন্তু এ ব্যাপারে তিনি নীরব ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং কর্তৃপক্ষ লরেন্সের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেননি ৷ বরং ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছিলেন ৷ এ ঘটনার প্রায় ২০ বছর পর বেনেডিক্ট পোপ হয়েছেন ৷ শিশুদের যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগের বিষভয়ে আত্মপক্ষ সমর্থন করে ভ্যাটিকান বলেছে, যুক্তরাস্ট্রের কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগের তদন্ত এবং তা বাতিল করেছে ৷ তবে ভুক্তভোগীরা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘কেন তখন ফাদার লরেন্স মার্ফিকে পুলিশে দেয়া হয়নি!’ ইতিম্যে পাঁচজন ভুক্তভোগীর পক্ষে দুজন আইনজীবী এই বিষয়ে মামলাও করেছেন ৷ নিউইর্য়ক টাইমস-এর একটি প্রতিবেদনের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমে ক্যাথলিক ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশুদের যৌন নির্যাতনের বিস্তর অভিযোগ প্রকাশিত হতে থাকে ৷ সর্বশেষ আয়ারল্যান্ডের ধর্মযাজকদের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নির্যাতনের অভিযোগ প্রকাশিত হয় ৷ এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ভ্যাটিকান বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে পড়ে ৷ পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টসহ সব রোমান ক্যাথলিক ধর্মযাজকের চারিত্রিক সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও নেতৃত্ব নিয়ে সবার মনেই দেখা দিয়েছে চরম সন্দেহ ৷ আর রোমান ক্যাথলিকদের সবোর্চ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে এর দায়ভার এককভাবে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের ওপর বর্তায় ৷ পোপের ক্ষমা প্রর্থনা : আয়ারল্যান্ডের ঘটনার পর ভ্যাটিকান নড়েচড়ে ওঠে ৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে পোপ ষোড়শ বেনেডিক্ট আয়ারল্যান্ডে ধর্মযাজকদের দ্বারা শিশু যৌন নিপীড়নের শিকার ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন ৷ তিনি এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে একে ‘পাপ ও অপরাধ’ ব েঅভিহিত করেছন ৷ পোপ নিজে আয়ারল্যান্ডের রোমান ক্যাথলিকদের কাছে এ ব্যাপারে একটি চিঠি লিখেছেন ৷ চিঠিতে তিনি যাজকদের ভর্ত্সনা করে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আত্মমর্যাদা নষ্ট করেছ ৷ এটা বিশপদের বিবেকের ত্রুটি ও নেতৃত্বের ব্যর্থতা ৷’ ভ্যাটিকারে পক্ষ থেকে এ ধরনের ঘটনাকে ট্র্যাজেডি বলে উল্লেখ করা হয়েছে ৷ তারা তাদের ব্যাখ্যায় একে প্রতিষ্ঠানিক ত্রুটি বলেও চিহ্নিত করেছেন ৷ তবে পোপ তার চিঠিতে এই ত্রুটি সংস্কারের কোনো বথা বলেননি এবং কোনো অভিযুক্ত যাজককে এই ঘটনায় পদত্যাগ করতেও বলেননি ৷ যদিও অনেক যাজক ইতোমধ্যে নিজ থেকেই পদত্যাগ করেছেন ৷ তবে পোপের এই মায়া প্রার্থনায় ভুক্তভোগীরা মোটেও সন্তুষ্ট নন ৷ কেবল ভর্ত্সনা নয়, তারা চান যৌন নিপীড়ক যাজকদের কঠোর শাস্তি ৷ শুধু তা-ই নয়, পোপ ষোড়শ বেনেডিক্টের নিজ দেশ জার্মানি থেকেই তার পদত্যাগের দাবি উঠেছে ৷ কারণ পোপ নিজেও এ ধরনের অভিযাগ ধামাচাপা দেয়ার সাথে জড়িত ছিলেন ৷ তাই তার নিজেরই সংস্কার হওয়া উচিত বলেই ভুক্তভোগীদের অনেকেই মত দিয়েছন ৷ তাদের মতে, যাজকেরাই যখন নিপীড়কের ভূমিকা পালন করেন’
সপ্তাহের সারাবিশ্ব

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More