This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label বয়ঃসন্ধিকাল. Show all posts
Showing posts with label বয়ঃসন্ধিকাল. Show all posts

Tuesday, September 27, 2011

মেনোপজের সম্ভাব্য লক্ষণসমূহ যা একজন নারীর যৌনতাকে আক্রান্ত করে

  • ক্লান্তিবোধ , আকস্মিক উষ্ণ উচ্ছ্বাস , ঘুম ঘুম ভাব
  • মাথা ঘুরানি , যোনি শুকিয়ে যাওয়া
  • ভারসাম্য রক্ষা করায় কষ্ট , যৌন ইচ্ছার পরিবর্তন
  • অনেক বেশি ঘাম দেয়া
  • সপর্শে অনেক কম আনন্দ অনুভূত হওয়া
  • দ্বিতীয় যৌনাঙ্গের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের পরিবর্তন ঃ স্তনের পূর্ণতা কমে আসা, যোনি কপাট, নিতম্ব, কমর এবং বয়স্ক যোনি লোম কমে আসা।
  • যোনির টিস্যুগুলো পাতলা হয়ে আসা
  • ত্বকে চুলকানি অথবা জ্বালাপোড়া
  • কাপড় পরিচ্ছদে অথবা সপর্শে সপর্শকাতরতা
  • পায়ের এবং হাতের অনুভব কমে আসা
  • এসব অবস্থায় জড়িত হয়ে পড়ে রজঃস্রাবপূর্ব লক্ষণসমূহ।
  • এছাড়াও এস্ট্রোজেনের কমতির কারণে খুব বেশি শিরঃপীড়া হতে পারে।
  • অল্প সময়ের জন্য স্মৃতিভ্রষ্ট হতে পারে
  • মনোযোগ দিতে অসুবিধা হতে পারে
  • চাপ এবং দুশ্চিন্তা বাড়তে পারে।
যেহেতু প্রতিটি নারীই আলাদা আলাদাভাবে মেনোপজের অভিজ্ঞতা লাভ করে, তাদের একজনের লক্ষণসমূহ অন্যজনের চেয়ে পার্থক্যপূর্ণ হয়ে থাকে। এই লক্ষণসমূহের কারণ হচ্ছে শরীরে এস্ট্রোজেন তৈরি কমে আসা এবং এর প্রতিক্রিয়া হতে পারে হাল্কা থেকে কঠিন। তারা বেশি বেড়ে যায় শেষ রজঃস্রাবের দু বছর পূর্ব থেকে এবং দু বছর পর পর্যন্ত। চল্লিশ-এর দশকের প্রথমভাগে এসে একজন নারী তার প্রথম রজঃস্রাবজনিত পরিবর্তন লক্ষ্য করেন এবং তার ঘুমের আদলের কিছুটা পরিবর্তনও দেখতে পান। এছাড়াও রাতে তার বেশি ঘাম এবং শরীরে জ্বালাপোড়া অনুভব করতে পারেন। এ সময়ে হরমোনের ঢেউ-এর কারণে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায় অতি তাড়াতাড়ি। একজন মহিলা এই রাত্রিকালীন ঘাম দেয়ার সময়ে এবং শরীর জ্বালাপোড়ার সময়ে অনেক কম যৌন ইচ্ছা অনুভব করতে পারেন।
যদিও মেনোপজ হতে পারে একটা সময়ের ব্যাপার। তবে এর দ্বারা কী আশা করা যায়, তা হচ্ছে এই যে এর বেশিরভাগ লক্ষণই স্থায়ী নয় এবং তা হচ্ছে একটি স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর প্রক্রিয়া। এটা জানা থাকলে কোনো ভয়ের কারণ থাকে না। এখানে কিছু স্থায়ী শারীরিক পরিবর্তন আসতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে একটু বেশি মাত্রায় মুখের পশম গজানো দেখা দিতে পারে এবং কণ্ঠস্বর গভীর হতে পারে। ভগাঙ্কুর অনেকটা বেড়ে যায় এবং যোনিরও পরিবর্তন হয়। যোনি দেয়ালসমূহ পাতলা ও শুকনো হয়ে যায়। স্বাভাবিক পিচ্ছিলতা না থাকায় যৌনসঙ্গম কষ্টদায়ক হতে পারে। এই সমস্যা দেখা দিলে ভেজিটেবল অয়েল অথবা তার পরিবর্তে অন্য লুব্রিক্যান্ট যেমন ‘অ্যাসট্রোগ্লাইড আর অথবা রিপ্লেনস আর’ ব্যবহার করলে সমস্যা দূর হতে পারে।
অনেক নারী এ সময়ে যোনি অঞ্চলের পেশির সুস্থতা হারিয়ে ফেলেন। তারা হাঁচি দেওয়ার সময়, কাশি দেওয়ার সময় অথবা লাফ দেওয়ার সময় সামান্য প্রস্রাব ত্যাগ করতে পারেন। এটাকে বলা হয় incontinence. এটা বিশেষ করে ওইসব নারীর জন্য সাধারণত হয়ে থাকে যারা অনেক বেশি সন্তান জন্ম দিয়েছেন সাধারণ উপায়ে (অর্থাৎ অপারেশন বা সিজারিয়ান ছাড়া)। নিম্নে প্রদত্ত কেজেল ব্যায়ামটি এই ধরনের প্রস্রাব ক্ষরণ ব করে, যোনির দেয়ালকে শক্ত করে ও যৌনপুলক ও শীর্ষ আনন্দকে বাড়াতে পারে।

রজঃনিবৃত্তি

নারীর প্রথম বয়ঃসরি স্তরকে বলা হয় পেরিমেনোপজ। গ্রিক ভাষায় পেরি অর্থ হচ্ছে চতুর্দিকে। সুতরাং পেরিমেনোপজ শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় রজঃনিবৃত্তির চতুর্দিক। এটা হলো বদলির সময় যার শেষে রজঃনিবৃত্তি শুরু হয়। এ সময়টা হচ্ছে নারীর মধ্য জীবনে যখন তার রজঃস্রাব শেষ হয়ে যায়। মেনোপজ এক সময়ে ছিল এক ধরনের হেঁয়ালি, প্রকৃতপক্ষে এ বিষয়টি নিয়ে কেউ কথা বলতেন না। আমরা বলতে শুনেছি মেনোপজ সম্ব েলোকে বলে ‘পরিবর্তন’। তা বলাও যথেষ্ট ন্যায়সঙ্গত। পেরিমেনোপজের সময় একজন নারী একটি শারীরিক পরিবর্তনের পদ্ধতির মধ্য দিয়ে যায়। পরিবর্তনের এই পদ্ধতিটি শুরু হয় ৪০ বছরের মাঝামাঝি সময়ে। কিন্তু আমাদের অন্যান্য যৌনতার ভ্রমণের মতো সব নারীই মেনোপজে এসে পৌঁছায় বিভিন্ন সময়ে। যেহেতু একজন নারীর জীবনকাল ৮০ বছর বয়স পর্যন্ত আশা করা যায় সুতরাং বেশিরভাগ নারীই তাদের দ্বিতীয় অর্ধেক জীবনের ভ্রমণ কাটিয়ে দেয় রজঃনিবৃত্তির পরেই।
৪০ বছর বয়সের কাছাকাছি সময়ে ডিম্বকোষের মধ্যে এস্ট্রোজেন তৈরি কমে আসে। রজঃস্রাব চলতে থাকলেও তা অনিয়মিত হয়ে ওঠে। অবশেষে ডিম্বকোষে কোনো পরিপক্ব ডিম তৈরি করে না বা হয় না। এটা হওয়ার পর এস্ট্রোজেন তৈরি নাটকীয়ভাবে কমে যায়। লিভার, আড্রেনাল গ্ল্যান্ডসমূহ এবং চর্বিযুক্ত টিস্যু যেভাবেই হোক খুব সামান্য এস্ট্রোজেন তৈরি করতে থাকে। কম মাত্রার এস্ট্রোজেন নারীদের যৌনতাকে আক্রান্ত করে।

নব্য যৌবনপ্রাপ্তিকালে যৌন বৈচিত্রতা

নারী ও পুরুষ যাদের রয়েছে লিঙ্গের পরিচয় এবং যৌনতার পূর্বাভিমুখীনতা, যা সামাজিক আদর্শ থেকে ব্যতিক্রমী এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্পর্কের, যদিও তাদের সামাজিক স্বীকৃতি নেই বরং রয়েছে সামাজিক বাধানিষেধ। তাদের বেলায় সম্পর্কের সম্পাদন, সমস্যা এবং সিদ্ধান্তসমূহ যা এসব লোক গ্রহণ করেন- তাদের সম্পর্কের মধ্যে, তা হচ্ছে ওইসব স্ট্রেইট নারী ও পুরুষের মতো যারা সমাজের মধ্যে আদর্শগতভাবে মিশে গিয়েছে।
গাই এবং স্ট্রেইট দম্পতিরা যৌনতার একই পৌনঃপুনিকতার অভিজ্ঞতা লাভ করে। তারা কথা বলে কে যৌনতার ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যে তারা সন্তান ধারণ করবে কি না। তারা তাদের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সমভাবে সন্তুষ্ট। অনেক গাই লোক তাদের যৌনতার পূর্বাভিমুখীনতা গোপন রাখে। সাধারণভাবে তারা বলে থাকে তাদের নিজস্ব খাস কামরার মধ্যে। তারা তাদের ভালোবাসার লোক হারানোর ভয়ে যৌনতার পূর্বাভিমুখীনতাকে গোপন রাখে, তাদের বাসস্থান ও চাকরি হারানোর ভয়েও তারা প্রকাশ করে না। বেশি সংখ্যার গাই লোক এবং যারা বেশি মূল্যের বলে তাদের যৌনতার পূর্বাভিমুখীনতাকে মূল্যায়ন করে। তারা খোলা জায়গায় তাদের জীবনযাপন করে এবং অন্যের সাথে বাইরে চলাফেরা করে।
অনেক লোক আছে যারা নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক লোকের সাথে বাইরের জীবন কাটাতে ভালোবাসে- তাদের সহকর্মীদের সাথে, কিন্তু পরিবারের সাথে নয়। অন্যরা সব মানুষের সাথে বাইরে জীবন কাটাতে পছন্দ করে। বাইরে চলে আসাটা হচ্ছে ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এটা এমন একটি সিদ্ধান্ত যা গাই লোকদের বারবার করতে হয়। প্রত্যেকবারেই তাদের জীবনে নতুন মানুষের আবির্ভাব ঘটে। আমাদের সমাজে হোমোফোবিয়া ও অ্যান্টিগাইদের পক্ষপাতের প্রতিক্রিয়ার ফলে গাই লোকেরা তাদের নিজস্ব সম্প্রদায় গড়ে তুলেছে, যেখানে তারা নিজেদের নিরাপদ মনে করে। বর্তমানে গাইদের সংস্কৃতি একটি বাড়ন্তরূপ নিয়েছে। অনেকগুলো নগরে যেমন নিউইয়র্ক ও সানফ্রানসিসকোতে গাই হওয়াটা এখন সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্য হতে যাচ্ছে।
গাই সম্প্রদায়ের জন্য এখন রয়েছে পানশালা, রেস্তোরাঁ, ড্যান্স ক্লাব, কমিউনিটি সেন্টার এবং ম্যাগাজিন। ১৯৬০ দশকের শেষের দিকের গাই মুক্তির পর থেকে লেসবিয়ান, গাই এবং বাইসেক্সুয়াল নারীরা এবং পুরুষরা একই অধিকার অর্জনের জন্য সংগ্রাম করে চলেছেন, যেসব অধিকার স্ট্রেইট লোকদের জন্য দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আইনের ও নাগরিক অধিকার যা বিবাহিত স্ট্রেইট লোকদের দেয়া হয়েছে।

বয়ঃসন্ধির অবাক বিস্ময়



বয়ঃসন্ধির পর ছেলেমেয়েরা মা-বাবার কাছে গোপন এক রহস্যে পরিণত হয়। ছেলেমেয়ের বয়স ১২-১৩ বছর পার হওয়ার পর মা-বাবা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন এই ভেবে যে, যাক ওরা বড় হয়েছে। এখন থেকে নিজের ভালো-মন্দটা বুঝে-শুনে চলতে পারবে। কিন্তু ঘটে তার উল্টোটি।

ছেলেমেয়ে বড় হয়েছে বলে মা-বাবা ওদের একটু স্বাধীনতার স্বাদ নিতে দেন। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। কেননা স্বাধীনতা পেয়ে দিনে দিনে ওরা হয়ে ওঠে বেপরোয়া। ওরা নিজেকে ‘বড় হয়ে গেছি’ ভাবতে শেখে। ভাবে, কাউকে আর তোয়াক্কা না করলেও চলবে। এ অবস্থা দেখে মা-বাবা হঠাৎ সচেতন হয়ে পড়েন। যাকে তারা মনে করেছেন বড় হয়েছে, সে যে আসলে বড় হয়নি, এটা বোঝার পর নতুন এক দুশ্চিন্তা তাদের জাপ্টে ধরে। সন্তান যদি মেয়ে হয় তাহলে তাকে রক্ষণশীলতার ঘেরাটোপে বন্দি করার চেষ্টা করেন। আর ছেলের জন্য জারি করেন কঠিন কঠিন নিষেধাজ্ঞা। এরপর ঘটতে থাকে নানারকম সমস্যা। মা-বাবা আর কুলিয়ে উঠতে পারেন না। অপরদিকে ছেলেমেয়েরা পরিবারের সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে নিজেকে আড়াল করতে থাকে। তখন মাবা-বাকে মনে করে তাদের ঘোর শত্রু।

দুই.
একটা ভুল ধারণা কমবেশি আমাদের সবার মনেই আছে। আমরা মনে করি ১২ বা ১৩-তেই মানুষের বোধশক্তি পূর্ণতা পেয়ে যায়। তাই ছেলেমেয়েদের প্রতি প্রত্যাশা বাড়ে। তাদের কোনো অপরিপূর্ণ কাজকে আমরা সমর্থন বা গ্রহণ করতে পারি না। যেমনটি ঘটে পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট হলে। তাছাড়া প্রতিটি কাজেই থাকে মা-বাবার সজাগ দৃষ্টি। ‘এটা করেছো কেন, ওটা করোনি কেন?’ এ ধরনের প্রশ্নের পর প্রশ্নে ওরা একেবারে মরিয়া হয়ে ওঠে। অথচ মা-বাবা বুঝতেই চান না, ওরা যে অপরিপক্ক। কিংবা ওদের এখনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো বয়স হয়নি।

বিজ্ঞানীদের মতে, ২৫ বছরের আগে মানুষের বোধশক্তির পূর্ণতা আসে না। আসলে শৈশবের পর খুব সামান্যই বৃদ্ধি ঘটে মস্তিষ্কে, বিশেষত টিনএজে পা দেওয়া পর্যš। তাই টিনএজ হচ্ছে মানুষের জীবনে সবচে জটিলতম একটা অধ্যায়। এ সময় মস্তিষ্কে পরিবর্তনের তোলপাড় শুরু হয়। এর ভেতর দিয়েই পরিপক্কতা আসে মস্তিষ্কে। সবচেয়ে আগে ম্যাচিউরিটি আসে মস্তিষ্কের যে অঞ্চলগুলোর, তার মধ্যে আছে দেখা, শোনা, স্পর্শ এবং স্থানসংক্রান্ত জ্ঞান। এর পরের ধাপে ম্যাচিওরড হয়ে এই কাজগুলোতে সহায়তা করে এমন অঞ্চলগুলো। যেমন রাতের অন্ধকারে সুইচ খুঁজে পেতে সাহায্য করবে যে অঞ্চল। মস্তিস্কের যে অঞ্চলটি সবচেয়ে বেশি ম্যাচিওরড হয় তা হলো ‘সিদ্ধান্ত’ নেওয়ার ক্ষমতা। অর্থাৎ প্যানিং, চিন্তার শৃঙ্খলা, আবেগ সংযত করা, কাজের প্রায়োরিটি স্থির করা, কার্যকারণ বিশ্লে¬ষণ করা ইত্যাদি।

তিন.
হরমোন বিশাল একটা ভূমিকা পালন করে টিনএজারদের লাগামহীন কাজকর্মে। হরমোনের ফলে শরীর পায় প্রাপ্তবয়স্ক আকার। যৌনাঙ্গ পরিণত হয়, বাহুমূল এবং জানুসন্ধিতে কেশোদ্গম হয়। ছেলেদের কণ্ঠে পরিবর্তন আসে। মেয়েরা গুটিয়ে নেয় নিজেদের। এ সময় তীব্র আবেগ ভর করে ওদের মনে। অযংযত আবেগ বন্য ঘোড়ার মতো ছুটিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এদের মধ্যে একটা উগ্র বাসনা কাজ করে। মন তখন রঙিন আকাশ। নিজের মনের ভেতরে কী আছে তা খোঁজার জন্য বুঁদ হয়ে পড়ে কেউ কেউ। তীব্র আকাক্সক্ষা এবং রহস্যপ্রিয়তা অনেক সময় ওদের জন্য হুমকির কারণ হিসেবে ধরা দেয়। তাই মনের মধ্যে জন্ম নেয় বিপ্লবী চেতনা, ঘৃণা, ঈর্ষা, ড্রাগ আসক্তি, প্রেমে উন্মাদনা, চুরি, খুন, ধর্ষণসহ নানারকম ভয়ঙ্কর বাসনা।

চার.
বয়ঃসন্ধির গোড়ার দিকে ছেলেমেয়েদের মনে উঁকি দেয় হাজার রকমের প্রশ্ন। কেন তাদের এমন পরিবর্তন হলো, এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য তারা পাগলের মতো হয়ে পড়ে। তারপর আরো নানান প্রশ্ন। বিশেষ কিছু শব্দ আছে যেগুলো শুনলেই ওরা শিহরিত হয়। যেমন প্রেগন্যান্সি, কিস, লাভ, সেক্স ইত্যাদি। অনেক সময় বিশেষ কোনো শব্দের অর্থ জেনেও তারা শিক্ষকের কাছে জানতে চেয়ে বসে শব্দটির মানে কী? একটিমাত্র শব্দ বিপরীত লিঙ্গের প্রতি তীব্র আকর্ষণ সৃষ্টি করে। তাই নাওয়া-খাওয়া, পড়াশুনা ভুলে এই রহস্যময় জগতে ডুবে থাকে। ওরা খুঁজতে থাকে নির্জনতা। তাই পরিবার থেকে নিজেরদের আলাদা ভাবতে থাকে। নিজের সিদ্ধান্তকে বড় মনে করে ওরা এমন সব কাজ করে বসে যার কারণে মা-বাবার মাথা হেট হয়ে যায়। ওরা যে অপূর্ণ, অপরিপক্ক মা-বাবা তা ঘুণাক্ষরেও মনে করেন না।

আমাদের দেশে অপরিণত বয়সে প্রেমের কারণেই সবচে বেশি সমস্যা হয়। ওরা লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম করে। পড়ার টেবিলে বসে লেখে প্রেমপত্র কিংবা রাত জেগে কথা বলে মোবাইল ফোনে। এছাড়া সাইবার ক্যাফেতে দেখে পর্নো ছবি। এসব কারণে পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট করে।

পাঁচ.
এ সময়টাতে ওরা খুব বেশি যৌন-সচেতন হয়ে পড়ে। জীবজগতের সমস্ত পশুপাখির সাথে মানুষের যৌনতাকে গুলিয়ে ফেলে। ওরা মনে করে যৌনতাই বড় সুখ। এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর নেই কিছু পৃথিবীতে। ফলে ওদের স্বাভাবিক বিচার-বুদ্ধি লোপ পায়। পরিণামে এমন সব কাজকর্ম করতে থাকে, যা তার পরিবার ও সমাজকে বিব্রত করে।

প্রাকৃতিকভাবে ওদের একটা পরিবর্তন আসে এটা সত্যি। তাই বলে অতটা লাগামহীন হওয়া কি সমর্থনযোগ্য? অবশ্যই না। তাহলে কেন এই অপ্রত্যাশিত কাজকর্ম?

ছয়.
এর পেছনে মা-বাবার ভূমিকাও আছে! বিস্ময়কর হলেও কথাটা একেবারে মিথ্যে নয়। ওই বয়সে বাজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অভিজ্ঞতা কমবেশি সবারই থাকে। মা-বাবাও ওরকম বয়স পার করে এসেছেন। তারা জানেন এই বয়সের খারাপ দিকগুলো। তাদেরই মনে করতে হবে তারা কোন শক্তিবলে সেসব কাটিয়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছিলেন। হয়তো সাহায্য করেছে বই, সঙ্গীত কিংবা খেলাধুলা।

সুতরাং মা-বাবারই উচিত নিজ সন্তানের সিদ্ধান্ত ঠিক করে দেওয়া। খানিকটা বড় হলেও ওরা তো অপরিণত। এক্ষেত্রে মা-বাবার ভূমিকা হবে বন্ধু আর উপদেষ্টার মতো। একই সাথে ওদের প্রতিটি আচরণ নিয়ে ভাবতে হবে গভীরভাবে। মনে রাখতে হবে বয়ঃসন্ধিকাল বিপদজ্জনক। মা-বাবাকে এগিয়ে আসতে হবে ভালোবাসা নিয়ে। অতিরিক্ত শাসন যেমন সন্তানের মানসিক বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে, তেমনি সন্তানকে দূরে ঠেলে দিলেও সমূহ বিপদ ঘনিয়ে আসে। তাই সন্তানের সঙ্গে সম্পর্ক হওয়া চাই বন্ধুসুলভ। একসাথে সময় কাটানো, খেলাধুলা, ওর স্কুল-কলেজের গল্প শোনা, নতুন বন্ধুদের বিষয়ে জানা-- ওর মতো করেই বিচরণ করতে হবে ওর জগতে। খুব রঙিন আলোয় ভরা ওর জীবন। মা-বাবাকে সেই জগতের সব হদিস জেনে রাখতে হবে। কখনো বিপদ ঘটলে যাতে তারা চট করে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। আর যদি কিছুই না জানেন তাহলে শাসানো ছাড়া কিছুই করতে পারবেন না। ফল হবে আরো খারাপ। অতিরিক্ত শাসন ওরা পছন্দ করে না। একসময় মা-বাবার মতামতকে চ্যালেঞ্জ জানাতেও শুরু করে দেবে। যদি একবার হাতের নাগালের বাইরে চলে যায় তাহলে ফিরিয়ে আনা কঠিন। তাই সাবধানতার বিকল্প কিছু নেই।

আসলে ওদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারাটাই বুদ্ধিমানের কাজ। সত্যিকারের বন্ধুকে টিনএজাররা অবহেলা করে না। সুতরাং মা-বাবা যদি হন সেই বন্ধু, ক্ষতি কি? তাই বলে শাসন থাকবে না? অবশ্যই থাকবে। এমনভাবে থাকবে যাতে ওরা শাসনকে শাসন মনে না করতে পারে। নিয়মের বাঁধন হালকা হবে ধীরে ধীরে। ম্যাচিওরিটির সঙ্গে।

সাত.
সন্তানের কাছে মা-বাবার প্রত্যাশা অন্তহীন। কিন্তু সেই প্রত্যাশার একটা সীমা থাকা দরকার। সন্তান যেন মা-বাবার সঙ্গে খোলাখুলি মিশতে পারে। বুঝতে পারে পুরোপুরি। পিতামাতা বলেই যে তারা তাদের সব হুকুম পালন করবে-- এখন আর সে যুগ নেই। অযৌক্তিক শাসনকে না মেনে নেওয়ার সাহস যে কেউ দেখাতে পারে। ফলে সময়ের তুলনায় মা-বাবাকে পিছিয়ে পড়লে চলবে না। সন্তানের প্রতিটি আচার-আচরণ গুরুত্বের সঙ্গে বুঝে নিতে পারাটাই আসল কাজ।

সন্তানের চিন্তাজগৎ প্রসারিত করতে মা-বাবার ভালোবাসা আর মুক্ত আলোচনা খুবই জরুরি। তাদের খুব সহজে বুঝিয়ে দিতে হবে বংশগতির ধারা বজায় রাখার জন্য নারী এবং পুরুষ-এ দুটি লিঙ্গের সৃষ্টি। জননক্রিয়া যে বিজ্ঞানসম্মত তা বুঝাতে হবে। এভাবে বয়ঃসন্ধির শারীরিক ও মানসিক বিকাশগত পাঠ জরুরি। সে দায়িত্ব স্কুল-কলেজের। যেহেতু স্কুলে সব পড়ানো হয় না, সুতরাং মায়ের দায়িত্ব এটা। শারীরিক আকর্ষণের জন্য বা সঙ্কোচমুক্ত জীবনযাপনের জন্য যখন দুটি প্রজননসক্ষম নারী-পুরুষ পরস্পরের কাছাকাছি আসে, তখন টিনএজারদের সুকুমার মন ওই সম্পর্কটির ওপর খুব বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। ওদের পারস্পরিক নির্ভরশীলতাকে তিরস্কার না করে সুন্দর করে বুঝানো উচিত। বিপরীত লিঙ্গের প্রতি দুর্নিবার আকর্ষণের কারণ বুঝিয়ে দেওয়ার ফলে সমস্যার সমাধান আশা করা যায়। এটা সম্ভব হলে অনেক বিপদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। কারণ এখান থেকেই জন্ম নেয় হতাশা, ঘৃণা, দুঃখবোধ কিংবা হত্যা বা খুন করার মতো সিদ্ধান্ত। বন্যার আগে যেমন বাঁধ, ঝড়ের আগে যেমন শক্ত বেড়া প্রয়োজন তেমনি প্রথম যৌবনের আগে থেকেই মা-বাবাকে খেয়াল রাখা উচিত সন্তান কী হতে চলেছে। বা কোন পথে চলছে। কেননা প্রত্যক মা-বাবাই তার সন্তানের জন্য একজন পারফেক্ট গাইড অ্যান্ড ফিলোসফার।

Monday, August 1, 2011

পুরুষের স্বপ্নদোষ


স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকেভেজাস্বপ্ন বলা হয়।
১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনোসেক্স ড্রিমবলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।
স্বপ্নদোষের মাত্রা
স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে .৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে .১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে .২৩ বার কে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে .১৫ বার হয়।
কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।
একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।
বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।
স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।
যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।
মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে।

Sunday, July 24, 2011

শিশু, বালক ও বালিকাদের যৌন শারীরতত্ত্ব

আমাদের যৌনাঙ্গসমূহ আমাদের জন্মের পূর্বেই গঠন হয়। প্রথম দিকে যৌনাঙ্গ ও অন্য সব প্রজনন অঙ্গ সব মানুষেরই সমান থাকে। তাদের সবার অঙ্গকেই নারীর অঙ্গ বলে মনে হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত ভ্রূণের জন্য পুরুষ জেনেটিক কোড না পায়। তবে ভ্রূণ নারীরূপেই বড় হতে থাকে। অন্যথায় সেই জেনেটিক কোড সিগনাল দ্বারা শরীরের হরমোন পরিবর্তিত হয়ে একটি পুরুষাঙ্গের সৃষ্টি হয়। যে টিস্যুগুলো অন্যথায় ভগাঙ্কুরে পরিণত হতো, তা-ই শিশ্নের রূপ ধারণ করে। যে টিস্যু দ্বারা ওষ্ঠ্য তৈরি হতো সেগুলো দ্বারা অণ্ডকোষ তৈরি হয়।
প্রাথমিক যৌন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
আমাদের জীবনের প্রথম দিন থেকে সদ্যজাত শিশু হিসেবে আমাদের বড়দের মতোই সমস্ত প্রধান প্রধান যৌন অঙ্গ সব ধরনের কাঠামো থাকে। একটি শিশুর একই ধরনের অভ্যন্তরীণ ও বহির্গত সমস্ত যৌনাঙ্গ ও প্রজনন অঙ্গ থাকে। যা বড়দের হয়ে থাকে। এই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোকে বলা হয় প্রাথমিক যৌন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বা প্রাইমারি সেক্স ক্যারেকটারস্টিকস। আমাদের জন্মগত প্রাথমিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে আমরা সারাটা জীবন বেঁচে থাকব।
দ্বিতীয় যৌন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য
যেমনি আমাদের শরীর বৃদ্ধি পেয়ে বড় হতে থাকে, আমাদের যৌনাঙ্গসমূহও বাড়ে। বালক-বালিকারা যখন বড় হতে থাকে তাদের শরীরেরও পরিবর্তন ঘটে, যার ফলে বালিকারা নারীর এবং বালকেরা পুরুষেরা মতো দেখতে শুরু করে। এই পরিবর্তনসমূহ ঘটে থাকে বয়ঃসরি সময় এবং তা আমাদের দ্বিতীয় যৌন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যকে প্রভাবিত করে।
বয়ঃসন্ধিকালে পরিবর্তন ঘটে
বয়ঃসন্ধিকাল এমন একটি সময় যখন হরমোন শরীরের সমস্ত অঙ্গের পরিবর্তনকে উত্তেজিত করে। এই পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় শরীরের অভ্যন্তরে যেসব কিছু ঘটে থাকে তার মধ্যে বালিকাদের রজঃস্রাব শুরু হয় এবং বালকদের শরীরে শুক্রকীট তৈরি হয় এবং তাদের বীর্যপাত ঘটে। এই পরিবর্তন আমাদের বাইরের শরীরেও দেখা দেয়। বালিকাদের স্তন উন্নত হতে থাকে এবং বালকদের মুখে দাড়ি, মোচ গজাতে শুরু করে। প্রত্যেক লোকেরই যৌনকাল আসে তবে কখন এবং কত তাড়াতাড়ি বয়ঃসন্ধিকাল এবং দ্বিতীয় যৌন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য বেড়ে উঠবে তা প্রত্যেকটি লোকের জন্য আলাদা। বয়ঃসন্ধিকাল সাধারণত কয়েকটি বছরের জন্য স্থায়ী হয়। বয়ঃসন্ধিকাল বালক এবং বালিকার জন্য একই সময়ে আসে না। প্রায়ই দেখা যায় বালিকারা ৯ থেকে ১৪ বছরের মধ্যে সাবালিকা হয়ে যায়। বালকরা সাধারণত তার ২ বছর পরে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে সাবালক হতে শুরু করে। বয়ঃসন্ধিকালের সময় সমবয়সী দুজন যুবক মানুষকে খুবই ভিন্ন রকমের দেখা যেতে পারে। তিনজন বুর একটি দল যাদের প্রত্যেকের বয়স ১৩ বছর প্রথমটির মধ্যে সম্পূর্ণ সাবালকের চিহ্ন ফুটে উঠতে পারে, দ্বিতীয়টির সাবালক মাত্র শুরু হতে যাচ্ছে মনে হতে পারে এবং তৃতীয়টির মনে হতে পারে যে তার বয়ঃসন্ধিকাল শুরুই হয়নি।

এই তিনটি মানুষের হতে পারে তিনটি আলাদা দ্বিতীয় যৌন চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং তারা সবাই হতে পারে স্বাভাবিক মানুষ। যে সময় বয়ঃসন্ধিকাল শুরু হয় তখন এর দ্বারা বোঝা যায় না যে, শিশুরা বড় হয়ে অন্যদের মতো অনেক বড় না অনেক ছোট হবে। বয়ঃসন্ধিকাল নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই অপ্রস্তুতকারী হতে পারে। এ সময়ের শরীরের মধ্যে যে অসংখ্য পরিবর্তন দেখা দেয় তা খারাপ লাগতে পারে। শিশ্নের খাড়া হয়ে যাওয়া ও রজঃস্রাব পিরিয়ড শুরু হয়ে যেতে পারে যে কোনো অসময়ে। একজনের স্তন বড় হতে শুরু হলে সে আত্মসচেতন হতে শুরু করে। অনেক বেশি ঘাম দিতে পারে। শিশুকালের চেয়ে শরীরের ঘ্রাণ অনেক বেড়ে যেতে পারে। মুখের ওপর বরণ বা ছোট ছোট বিচি যা তৈরি হয় ‘ব্যাকটেরিয়া’ ও ‘ট্রাপেড অয়েল’ দ্বারা- তা একজনকে অনাকর্ষণীয় অনুভব এনে দিতে পারে





নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More