This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Sunday, July 31, 2011

প্রথম প্রেম

বয়ঃসন্ধির পরে কৈশোর এবং যৌবনের মাঝামাঝি সময়ে ছেলে-মেয়েদের ভেতর রোমান্টিক অনুভূতির সৃষ্টি হয় এর কারণ সম্পূর্ণ মনস্তাত্ত্বিক এসময়ে অধিকাংশ ছেলে মেয়েদের মনে খুব তীব্র এবং গভীর ভালোবাসার অনুভূতির সৃষ্টি হয় সাধারণ ভাবেই এই অনুভূতির চাপে ছেলে মেয়েরা প্রেম করে এবং পরবর্তীতে বিয়ে করে যদি প্রেমের সম্পর্ক কেবল মাত্র শরীর ভিত্তিক হয়ে দাঁড়ায় তবে সেটি স্বচ্চ প্রেম থাকেনা তবে মনোস্তাত্ত্বিকদের মতে প্রেম ভালোবাসার ভেতর দেহজ অনভূতির সূষ্টি হওয়াটা স্বাভাবিক। প্রথম প্রেম ছেলে-মেয়েদের ভেতর তীব্র আকর্ষণের সৃষ্টি করে যার ফলে একে অন্যকে তীব্র ভাবে অনূভব করে এই অনুভূতীর প্রকাশ ঘটে চুমুতে স্পর্শে অথবা সঙ্গম বহির্ভূত যৌনতার ভেতর দিয়ে। এই সময়ে সাধারণভাবে ছেলে মেয়েদের দুশ্চিন্তা বৃদ্ধি পায় এবং তারা কিছু পরিমানে বিষণ্ন হয়ে পড়ে। এটিও আবেগজনিত মানসিক কারণে সংঘটিত হয়

নারীর অভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গ

নারীকে পুরুষের চাইতে আরো যে বিষটি স্বতস্ফূর্তভাবে পৃথক করেছে ,তা হলো নারীর অভন্তরীণ যৌনাঙ্গ ,তথা যোনি পুরুষের লিঙ্গ বহিঃমুখী অথচ নারীর যৌন লিঙ্গ নেই , তবে যৌনাঙ্গ হিসেবে রয়েছে যোনি এই যোনির মাধ্যমেই নারী পুরুষের সাথে যৌন মিলনে মিশে যায়। যোনি যৌন উত্তেজনার সময় পিচ্ছিল হয়ে উঠে। কেননা যৌন উত্তেজনার সময় নারীর ভেতর তরলের রণ হতে থাকে নারীর যৌন স্বাভাবিক আকারে সেঃমিঃ প্রায় সাড়ে তিন ইঞ্চি। তবে এটি বিভিন্ন সময়ে পরিবর্দিত হয় যেমন যৌনমিলনের সময় , সন্তান জন্মের সময় এমনকি হস্তমৈথুনের বা স্বমেহনের সময়। যোনির সাথে সম্পর্কযুক্ত একই মাত্রার অঙ্গ হলো সারবিঙ যোনিতে প্রায় ত্রিশ রকমের কৌশিক কলা রয়েছে এগুলো গভীর এবং যৌনমিলনের সময় লিঙ্গের চাপ এটি সহ্য করে নিতে পারে যোনি থেকে সাধারণত ল্যাকটিক এসিড রিত হয়। একে যৌনরস বা মিউকাস বলা হয় এটি যৌন উদ্দিপক এক প্রকার তরল নারীর যৌন উত্তেজনার চূড়ান্ত পর্যায়ে এই তরল যোনি বেয়ে বাইরে চলে আসতে পারে। নার অপরাপর আভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গগুলো হলো , জরায়ু , পেলভিস, ওভারি ইত্যাদি। জরায়ুবা ইউটেরাস নারীর যৌন জীবনের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় একই সাথে এটি গুরুত্বপূর্ণ বটে নারীর যৌন জীবনের ততোথিক গুরুত্বপূর্ণ যৌনাঙ্গ হলো ওভারি বা ডিম্বাসয় যৌনমিলনের পরে পুরুষের লিঙ্গ নিঃসৃত বীর্য নারীর ওভারিতে ডিম্বাশয়ে জমা হয় এবং তার পরে এটি ফ্যালোপিয়ান টিউব বেয়ে উপরিস্থিতি অংশ হলো ওভিডাক্ট। এটি ফ্যালোপিয়ান টিউবের সাথে সম্পর্কযুক্ত একটি অঙ্গ মোটা মুটি এই হচ্ছে নারীর অভ্যন্তরীণ যৌনাঙ্গ যার দ্বারা নারীর যৌন জীবন পূর্ণাঙ্গ হয়

সমকামিতা এবং যৌনতা

প্রতিটি দেশে মোট জনসংখ্যার শতকরা তিন থেকে পাঁচ জন সমকামী। সমকামিতা পুরুষ এবং নারীরির এক প্রকার মনোদৈহিক এবং আবেগ ঘটিত সমস্যা। অনেকে আবার সমকামিতা এবং উভকামিতা পছন্দ করে। ফ্রয়েডের মতে সমকামিতা হলো অবিশুদ্ধ যৌনতার প্রকার। ফ্রয়েডের ব্যাখ্যা হলো সমকামি পুরুষ মনে করে অপর একজন পুরুষ স্পর্শ এবং আনন্দ অনুভবের দিক থেকে তার সমান এবং পুরুষের কোথায় স্পর্শে এবং কতটুকু স্পর্শ যৌন আনন্দ এবং উদ্দীপনা লাভ করা সম্ভব তা নারীর চাইতে অন্য একজন পুরুষ ভালো জানবে। এই মনোসমীক্ষণটিকে রপ্ত করেই শতকরা আশি ভাগ পুরুষ সমকামি হয়ে থাকে। নারীর ক্ষেত্রেও এই একই প্রকার মনোসমীণ কাজ করে থাকে। সমকামিতার সাধারণ অর্থ একই লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ পুরুষ এবং নারীর সমকামিতার লিঙ্গগত পার্থক্য ছাড়া অন্য কোনো পার্থক্য সাধারণত নেই পুরুষের পুরুষের প্রতি আকর্ষণ এবং নারীর প্রতি আকর্ষণ মনোদৈহিক এবং মানসিকভাবে হয় এবং এর পুরোটুকু ভিত্তি করে যৌনতার উপর। বিভিন্ন সমাজে সমকামিতাকে বিভিন্ন দৃষ্টিতে দেখা হয়। তবে আজকাল অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সমকামিতাকে যারা পছন্দ করতেন তারাও ব্যাপারে ইদানীং আকৃষ্ট হচ্ছেন। এর প্রধান কয়েকটি কারণ হলো-
ধর্মীয় বাধা
সমকামিতার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
অন্যের দ্বারা যৌন লাঞ্ছিত হওয়া
নৈতিক কারণ
মূল্যবোধের কারণ
সমকামিতা এক প্রকার যৌনতা। এই যৌনতাতে একই লিঙ্গের দুজন পুরুষ অথবা নারী অংশ গ্রহন করে। প্রাচীন রোম এবং গ্রীসে প্রথম সমকামিতার প্রচলন ঘটে। তখন এই বিষয়টিকে প্রাকৃতি মনে করা হতো। পরবর্তী সময়ে এর প্রভাব পড়ে ইউরোপ ,আরব এবং দক্ষিণ আমেরিকার সমাজগুলোর উপর অধিকাংশ সমাজ বর্তমানে মেনে নেয় যে সমকামিতা একটি অস্বাভিবিক যৌনতার অনুশনীল। নারীর সমকামিতাকে ইংরেজীতে লেসবিয়ানিজম বলা হয় এবং পুরুষের সমকামিতাকে হোমোসেক্সুয়ালিটি বলা হয় ইউরোপ আমেরিকান বহু দেশে নারীরা তাদের যৌন স্বাধীনতার ফলশ্রুতি হিসেবে সমকামিতাকে বেছে নেয়। তবে এটি সব সমাজে অবৈধ এবং আইনগতভাবে নিষিদ্ধ। নারীর সমকামিতার বিভিন্ন পর্যায় নানা সময় বিশ্লেষিত হয়ে থাকে। অনেক সময় মানসিক নানা কারণকে সমকামিতার জন্য দায়ী করা হয়। কারণ জানা থাকলে এর চিকিৎসা করা সম্ভব। উভকামিতা হলো নারী এবং পুরুষ উভয়ের সাথে যৌনমিলন বা যৌনসম্পর্ক স্থাপনের বিষয় এর মাধ্যমে একজন পুরুষ বা নারী একই সাথে সমকামি বা উভকামি হতে পারে। দেখা যায় যে অনেক নারী সারা জীবন এই ভাবে যৌনজীবন কাটিয়ে দেয়। উভকামিতা এক ধরণের মনো সমস্যা। মনোবিজ্ঞানী কিনসের একটি সমীক্ষা এখানে উল্লেখ করা হলো-
. শুধুমাত্র বিপরীতকামী। অর্থা নারীর যৌনচেতনা এবং যৌনমিলনের ইচ্ছা কেবল তার বিপরীত লিঙ্গ অর্থা পুরুষকে ঘিরে।
. পুরো মাত্রায় বিপরীতকামী, আবার সময় সুযোগে উভকামী
. নারী মূলত পুরুষের প্রতি আগ্রহী
. সমকামী এবং উভকামী
. নারীর উভকামিতা কিন্তু সময়ে সময়ে সমকামিতা

পতিতাবৃত্তি এবং যৌনতা

অর্থের বিনিময়ে অন্যকে যৌন আনন্দ দেবার পেশাকে পতিতাবৃত্তি বলে। এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম পেশা ২০ থেকে ৩০ বছর বয়সী নারীরাই এই পেশায় জড়িত হয় বেশি। আমাদের দেশে অধিকাংশ রী জোরর্পূবক এই পেশায় নিয়োজিত হয়। সমাজের দৃষ্টিতে পেশা নিন্দনীয় হলে কেবল মাত্র জীবিকার তাগিদে বহু নারীকে পেশা বেচে নিতে হয়। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো আমাদের দেশে পতিতাদের পুনর্বাসনের কোনো ভালো উদ্যোগ নেই পাশ্চাত্যে পুরুষ পতিতাও রয়েছে। পুরুষ পতিতাদের বলা হয় গিগালো

বিবাহোত্তর যৌনতা

যৌবন প্রাপ্তির পর পরই পুরুষ যখন বিয়ে করে তখন নতুন করে যৌনজীবন শুরু হয়। বিবাহোত্তর যৌনতার ফলে পুরুষ এবনারীর স্বাভাবিক জীবনে যৌন নানা বিষয়ে পরিবর্তন দেখা দিয়ে থাকে। যেমন আগে যখন পুরুষ হস্তমৈথুনের দ্বারা যৌন ইচ্ছার সমাপ্তি ঘটাতো তখন যৌনতার চিত্র ছিল এক রকম। কিন্তু বিয়ের পর যৌনতার ভিন্ন চিত্র দেখা দেয়। বিয়ের পরে পুরুষ এবং নারীর ব্যক্তিত্ব সংক্রান্ত পরিবর্তন এবং শারীরিক আবেগীয় পরিবর্তন দেখা দেয়। পাশাপাশি যে বিষয়টি লক্ষণীয় হয় তা হলো বিয়ের পরে পুরুষের নৈতিক চিন্তা ধারার ক্ষেত্রে পরিবর্তন দেখা দেয়। ফ্রয়েডের মতে, বিয়ের পরে এবং বিয়ের পূর্বে পুরুষের যৌন চিন্তা চেতনা থাকে সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম। এই সময়ে পুরুষের যৌন ইচছার এবং যৌনতার অংশ গ্রহণের ব্যাপারেও পরিবর্তণ লক্ষণীয় হয়। বিবাহোত্তর যৌনতার বাইরেও বেশকিছু ক্ষেত্রে পুরুষকে যৌন জীবনে অভ্যস্ত হতে দেখা যায়। যেমন কেউ কেউ পতিতা সঙ্গমে অভ্যস্ত হয়, আবার কেউ কেউ অন্য যে কোনো উপায়ে যৌন ইচ্ছা অবদমন করে থাকে

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More