This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Thursday, September 26, 2013

মানব দেহের যৌন স্পর্শকাতর অঙ্গ

নিউরো সায়েন্টিস্টদের গবেষণা্য় দেখা যায়, পায়ের পাতা হচ্ছে শরীরের ৪১টি অঙ্গের মধ্যে সবচেয়ে কম যৌন অনুভূতি সম্পন্ন অঙ্গ। এর ফলে এর আগের নিউরো সায়েন্টিফিক জার্নাল কর্টেক্স ও অবজারভারসহ কয়েকটি সংবাদপত্রের প্রকাশিত একটি গবেষনাকে ভুল প্রমাণিত করেছে। যেখানে পায়ের পাতাকে যৌন অনুভূতিতে যৌনাঙ্গে সাড়া দেয়ার একটি ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণিত করে।
আগে ধারণা্ করা হতো পুরুষের যৌন উত্তেজক অঙ্গ শুধু একটাই আর তাহলো তার পুরুষাঙ্গ। কিন্তু গবেষণায় দেখা যায় নারী দেহের মত পুরুষের দেহের বিভিন্ন অঙ্গ যৌন উত্তেজনায় বিভিন্নভাবে সাড়া দেয়। বেঙ্গর ইউনিভার্সিটির স্কুল অব সাইকোলজির প্রফেসর অলিভার টার্নবুল অবজার্ভারকে বলেন, “অনেক মানুষ ধারনা করতো যে, নারীর সারা দেহে যৌন উত্তেজনা বিরাজ করে আর পুরুষের যৌন উত্তেজক অঙ্গ কেবল একটি। কিন্তু বিষয়টি একেবারেই তেমন নয়। এটা পুরুষের ক্ষেত্রেও নারী দেহের মত যৌন উত্তেজনায় অঙ্গগুলো সমান সাড়া দেয়। শুধুমাত্র নারীর যৌনতাকে অতিরঞ্জিত করার জন্য একথা বলা হয়ে থাকে।“

বিজ্ঞানীদের মতে, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকার ৮০০ লোকের মধ্যে একটি পর্যবেক্ষণে দেখা যায় ধর্ম, বর্ণ, গোত্র ও যৌন কামনার পারিপার্শ্বিকতায় এই ফলাফল একই রকম। দেহের সবচেয়ে যৌন উত্তেজক অঙ্গ অবশ্যই যৌনাঙ্গ এরপর ঠোট, কান, উরুর নিচের অংশ, এবং ঘাড়ের অংশ।
বিজ্ঞানীরা বলেন, এই অনুভূতি মানুষের ভিতরে জন্মগত। এটা কোন সংস্কৃতি বা অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে নয়। যা এর আগে বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন যে, যৌন অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করে মষ্তিষ্ক, যা স্পর্শের মাধ্যমে শরীরে অনুভূতি জাগায়।
তিনি আরো বলেন, আমরা খুঁজে বের করতে চেষ্টা করছি যে, মানুষের ঘাড়ের অংশটা যৌন উত্তেজনায় ব্যাপক সাড়া দেয় কিন্তু একই সেন্সর কপালে থাকা সত্ত্বেও কপাল যৌন অনুভূতিতে কেন সমান সাড়া দেয় না। তাই মষ্তিষ্ক যে যৌন অনুভূতিতে সাড়া দেয় এটা বলা মুশকিল।
না্রী পুরুষের যৌন আবেদনে সবচেয়ে স্পর্শ কাতর অঙ্গগুলো হলো:
পুরুষের দেহের মুখ ও ঠোট ১০ এর মধ্যে ৭
উরুর নিম্নাংশ ১০ এর মধ্যে ৫.৮
গলা বা ঘাড়ের অংশ ৫.৬
তাজাখবর

Thursday, September 19, 2013

নাদিয়া নাসিম চৈতির ভিডিও

Thursday, September 12, 2013

১ লাখ পুরুষের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক


পোল্যান্ডের নারী পুলিশ সদস্য আনিয়া লিওয়াস্কা ১ লক্ষ পুরুষের সাথে যৌনসম্পর্ক করার মিশনে নেমেছেন। তার বর্তমান বয়স ২১ বছর। মাঝারি গড়নের সুন্দরী সে।
এ ব্যাপারে আনিয়া জানান, ‘আমি গত মাস থেকে এই মিশনে নেমেছি। এ পর্যন্ত আমি ২৮৪ জন পুরুষের সঙ্গে বিছানায় শুয়েছি। আমি একজন পুরুষের সাথে ২০ মিনিট করে ব্যয় করতে চাই।’
আনিয়া এক সাক্ষাতকারে অস্ট্রিয়া টাইমসকে বলেন, ‘ আমি পোল্যান্ড, ইউরোপ এবং সারা পৃথিবী থেকে পুরুষ চাই। তাদের সাথে আমি বিছানায় যাব। আমি ৩টা জিনিসকে ভালবাসি- সেক্স, মজা এবং পুরুষ।’
সূত্র: যুক্তরাজ্যভিত্তিক মেইল অনলাইন ম্যাগাজিন।
ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম/বিকে.
- See more at: http://dhakareport24.com/bichitra/2013/08/31/450#sthash.DnRiG4iE.dpuf

Wednesday, September 11, 2013

একসময় পুরুষাঙ্গে মেরুদন্ড বা হাড় ছিল

পুরুষাঙ্গের ৭টি আদিম রহস্য
গ্রিসের উলঙ্গ ভাস্বর্য বা বাথরুমের সেটে থাকা পোস্টার আমাদের সবারই নজর কাড়ে। এই গ্রহের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং সবচেয়ে বেশি গবেষণা হয়েছে যেই অঙ্গটি নিয়ে তা হলো যৌনাঙ্গ। এই অঙ্গটির আকার আকৃতি নিয়ে যত জল্পনা-কল্পনা করিনা কেন, এই অঙ্গটি সম্পর্কে পুরুষ সঙ্গীদের এখনও অনেক গোপন রহস্য প্রকাশ করার আছে যা আমরা জানিনা। যেমন এর ভেতর থাকা হাড় বা এর আদর্শ আকার। পুরুষের যৌনাঙ্গের এই রকম আদিম সাতটি রহস্য নিয়ে আজকের লেখা।
রহস্য সত্য-৭: লিঙ্গের গড় আকার: ২০১৩ সালের সেক্সচুয়াল মেডিসিন জার্নালের ১৬৬১জনের উপর করা এক জরিপে দেখা গেছে উত্থিত যৌনাঙ্গ গড়ে ৫ দশমিক ৫৬ ইঞ্চি বা ১৪ সেমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। কিন্তু ব্যতিক্রম হলো কারো করো ১.৬ ইঞ্চি (৪ সেমি) থেকে ১০.২ ইঞ্চি (২৬ সেমি) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে যৌনাঙ্গের ঋজুতাও সবার সমান নয়। ওরাল সেক্সের পর বা সঙ্গমের পর যারা মেপে দেখেছে যে তাদের ঋজুতা যারা একা যৌন আনন্দ উপভোগ করে তাদের চেয়ে বেশি ঋজু। কারণ লিঙ্গের ঋজুতা নির্ভর করে রক্তচাপের উপর। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপান লিঙ্গকে গড়ে ০.৪ইঞ্চি (১সেমি) পর্যন্ত ছোট করে দিতে পারে।

রহস্য সত্য-৬ :যৌনাঙ্গের আকার: যৌন সঙ্গমে কোন কোন নারীর জন্য লিঙ্গের আকৃতি বিশেষ ভূমিকা রাখে। ২০১২ সালে সেক্সচুয়াল মেডিসিন জার্নালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারী যৌন সঙ্গমে অধিক উত্তেজনা অনুভব করে তাদের জন্য বড় পুরুষাঙ্গ যোনির উত্তেজনায় অধিক আনন্দ দিতে করিৎকর্মা। যদিও এটা পরিস্কার নয় যে, প্রকৃতপক্ষে কেন দীর্ঘ লিঙ্গ নারীদের আনন্দ দেয়-ইউনিভার্সিটি অব দ্য ওয়েস্ট অব স্কটল্যান্ডের মনোবিঞ্জানী ও এই গবেষণাপত্রের সহকারী স্টুয়ার্ট ব্রোডি গবেষণার সময় তথ্য জানান। ২০১৩ সালে ন্যাশনাল অ্যাকাডেমী অব সায়েন্সের এক গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, নারীদের পছন্দের আদর্শ পুরুষাঙ্গ হচ্ছে তার দৈহিক উচ্চতা ও লম্বা পুরুষের জন্য দেহের সাথে সামঞ্জস্য দীর্ঘ লিঙ্গ আকর্ষণীয়।
রহস্য সত্য-৫: ব্যতিক্রম লিঙ্গ: কদাচিৎ কেউ দুইটা লিঙ্গ নিয়ে জন্ম নেয়। ৫ লক্ষ বা ৬ লক্ষে এমন এমন একটা হতে পারে। কিন্তু দূর্ভাগ্যজনক হচ্ছে এর দ্বারা দ্বিগুণ যৌন আনন্দ লাভ সম্ভব নয়। দুইটি লিঙ্গ একই সাথে কর্মক্ষম থাকতে পারেনা বরং এর ফলে কিছু শারীরিক বৈসাদৃশ্য দেখা দেয় যা ঠিক করতে অস্ত্রপাচারের প্রয়োজন হতে পারে। যেসব পুরুষ দুইটি লিঙ্গ নিয়ে জন্মায় তারা এক ধরনের বিশেষ সমস্যার সম্মুখীন হন। তা হলো তাদের কোন একটি লিঙ্গ উত্থিত হলে তা প্রশমিত হতে চার ঘন্টা পর্যন্ত সময় নিতে পারে। এই অবস্থাকে প্রিয়াপ্রিজম (priapism) বলে। সাধারনত: এটা ঘটে শরীরের রক্ত লিঙ্গ থেকে আবার সারা শরীরে ফিরে যাওয়ার জন্য। যদিও এটা রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীদের ক্ষেত্রে বেশী পরিলক্ষিত হয়। এটা একটা জরুরী শারীরিক সমস্যা যা লিঙ্গে মাংসপেশীর চাপের কারণে হয়। এর জন্য দ্রুত চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন।
রহস্য সত্য-৪: লিঙ্গের পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন: পুরুষাঙ্গের বিবর্তনের এক ভয়ঙ্কর অতীত আছে। একসময় পুরুষাঙ্গে মেরুদন্ড বা হাড় ছিল। কিন্তু মানুষ জাতির পুর্বপুরুষেরা তাদের এই কন্টকাকীর্ন অঙ্গটি হারায়। ২০১০ সালের নেচার জার্নালের এক গবেষণা মতে, প্রায় ৭০০ হাজার বছর পূর্বে প্রস্তরযুগ ও আধুনিক মানুষের বিবর্তনের কোন এক সময় তারা এই হাড়যুক্ত লিঙ্গটি হারায়। বিজ্ঞানীরা এখনও পরিস্কার নয় আসলে লিঙ্গের এই হাড়ের কাজটা কি ছিল। কেউ কেউ বলছেন তখন তারা যথেচ্ছা যৌনাচার করতো যেমনটা দেখা যায় ইতর প্রাণীদের মধ্যে। যেমন বিড়ালের হাড়ে লিঙ্গ আছে (টমক্যাটের লিঙ্গে ভয়ঙ্কর মেরুদন্ড বিদ্যমান)। বেশির ভাগ প্রাণীরই মেরুদন্ডের হাড়ের সাথে লিঙ্গের সংযোগ থাকে এটাকে হাড় লিঙ্গ বলে। এটা তাদের দৈহিক গঠনগত কারণে তার সঙ্গীর সাথে মিলনে সহায়তা করে। কিন্তু মানুষ তার অঙ্গটি হারায় এবং যৌন সঙ্গমে লিঙ্গদন্ড প্রস্তুত হওয়ার জন্য শরীরের রক্তচাপের উপর নির্ভর করতে হয়। কিন্তু অন্য প্রাণীদের জন্য এই হাড়টি শরীরের ভিতর থাকে ও এবং মিলনের সময় পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে লিঙ্গকে শক্ত রাখে। এটা একটা রহস্য যে মানুষ কেন তার সেই হাড়টি হারাল। কিন্তু জীববিঞ্জানী রিচার্ড ডাউকিনস বলেন, এটা মানুষ জাতির শারীরিক ও মানসিক গঠনগত কারনে হয়েছে।
রহস্য সত্য-৩: রাতে লিঙ্গের স্বকীয়তা : স্বীকার করুন আর না করুন অবিবাহিত পুরুষদের লিঙ্গ দিনের চেয়ে রাতে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠে। বেশির ভাগ পুরুষেরই রাতে তিন থেকে পাঁচ বার লিঙ্গ সজাগ হয় যখন সে কোন রোমান্টিক স্বপ্ন দেখে। রাতে লিঙ্গের এই কার্যকারিতা লিঙ্গকে স্থিতিস্থাপকতা ও কুচে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। কারণ এটা একটা শারীরিক কার্যকারিতা এজন্য অনেক ডাক্তার রোগীকে রাতের লিঙ্গের উত্থান সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে যে কোন সমস্যা আছে কিনা।
রহস্য সত্য-২: লিঙ্গাগ্রের চামড়া রহস্য: যখন কোন ছেলে শিশু জন্ম নেয় তখন তার লিঙ্গের আগার চামড়া টুকু তার লিঙ্গকে বহিরাঘাত থেকে রক্ষা করে। তার লিঙ্গের অগ্র চামড়াটুকু মায়ের গর্ভে থাকাকালীন তার লিঙ্গের টিস্যু থেকেই আবৃত হয়। লিঙ্গের অগ্রচামড়ার ভিতরের অংশটুকু আমাদের চোখ ও মুখের লালার মত একপ্রকার তরল দিয়ে ভরা থাকে যাতে শুকিয়ে না যায়।
রহস্য সত্য-১: যার জন্য যা প্রযোজ্য: আসলে মানুষ জন্মগতভাবে যেসব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ নিয়ে জন্মায় তা তার শরীরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ছোট লিঙ্গ বা বড় লিঙ্গ কোন বিষয় নয়। এটা পুরোটাই মানসিক বিষয়। তাই জন্মগতভাবে যা নিয়ে জন্মেছি তা নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা। তবে কখনই যৌন রোগে লজ্জ্বা পাওয়া ঠিক নয়। কেননা এটা অনেক সময় আমাদের শিশুদের জীবনের ঝুঁকিতে ফেলে দিতে পারে। তাই যৌনরোগ থেকে সাবধান থাকা।
ফারুক হোসেন
লাইভ সাইন্স-এর প্রতিবেদন অবলম্বনে
খাসখবর

Thursday, August 29, 2013

বন্ধুকে লিঙ্গ দান!

চট্টগ্রাম : মানুষ তার পরম বন্ধুর জন্য চক্ষুদান, কিডনিদান করে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের হাতে পৌরুষ হারানো বন্ধুকে নিজের গোপন অঙ্গ (লিঙ্গ) দান করতে যাওয়ার ঘটনা কে কবে শুনেছে! এই নজিরবিহীন ঘটনাই ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে।

চিকিৎসক ও দুই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সোমবার বিকেলে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতের বেড়িবাঁধের স্লুইসগেট এলাকায় বেড়াতে যান ইমরান উদ্দিন (২০)। তিনি বেপজা স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন। বাড়ি পতেঙ্গার কাঠগড় মুসলিমাবাদ এলাকায়। বেড়াতে যাওয়ার পর তিন যুবকের সঙ্গে তাঁর কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তাঁকে মারধর করা হলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরে পাওয়ার পর দেখেন, তাঁর পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলা হয়েছে।

খবর পেয়ে তাঁর বন্ধু সালাহউদ্দিন আহত ইমরানকে একটি সিএনজি অটোরিকশায় করে সেখান থেকে প্রথমে বেসরকারি একটি হাসপাতালে নিয়ে যান এবং পরে সন্ধ্যা ৬টায় চমেক হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডে তাঁকে ভর্তি করা হয়। অঙ্গহানির কারণে শরীর থেকে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে ইমরানকে রাতে দুই ব্যাগ রক্ত দেওয়া হয়। তখনো ইমরানের সঙ্গে ছিলেন বন্ধু সালাহউদ্দিন। তিনি ঘটনাটি পরিবারের সবাইকে জানালে তারা মেডিক্যালে ছুটে আসে।

ইমরানের আহাজারি দেখে সালাহউদ্দিন কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছে তাঁর পুরুষাঙ্গ বন্ধুকে দান করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও ইমরানের পরিবারের সবাই এ সময় সালাহউদ্দিনকে বোঝানোর চেষ্টা করে বলেন, মানুষ মানুষকে সব কিছু দান করতে পারে, কিন্তু এটা করা যায় না। এক পর্যায়ে সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সালাহউদ্দিনকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার সকালে সালাহউদ্দিন আবার মেডিক্যালে ছুটে এসে ক্যাজুয়ালটি ওয়ার্ডের পাশের বাথরুমে ঢুকে নিজের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলেন এবং সেটা নিয়ে এসে বন্ধুকে দান করার কথা চিকিৎসকদের বললে সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ সম্পর্কে ওয়ার্ডের ইনডোর মেডিক্যাল অফিসার ডা. মাহমুদুল ইসলাম রোমেল বলেন, কেটে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সালাহউদ্দিনের অঙ্গটি জোড়া লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। ২০-২৫টি সেলাই দিতে প্রায় দেড় ঘণ্টা লেগেছে। তবে রক্তক্ষরণ বন্ধ হলেও জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই। আমরা প্রস্রাবের জন্য বিকল্প রাস্তা করে দিয়েছি। 

স্বপ্নের দোষ নিয়ে কথা

ঢাকা : স্বপ্নদোষ হলো একজন পুরুষের ঘুমের মধ্যে বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা। এটাকে ‘ভেজাস্বপ্ন’ও বলা হয়। ১৩ থেকে ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের এবং প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক বছরগুলোতে স্বপ্নদোষ খুব সাধারণ। তবে বয়ঃসন্ধিকালের পরে যেকোনো সময় স্বপ্নদোষ হতে পারে। এটার সাথে যৌন উত্তেজক স্বপ্নের সম্পর্ক থাকতে পারে, আবার নাও পারে। আবার পুরুষদের উত্থান ছাড়াই স্বপ্নদোষ ঘটতে পারে। ঘুম থেকে জাগার সময় কিংবা সাধারণ ঘুমের মধ্যে যে স্বপ্নদোষ হয়, তাকে কখনো কখনো ‘সেক্স ড্রিম’ বলে। মহিলাদের ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভের অভিজ্ঞতা ঘটতে পারে।


স্বপ্নদোষের মাত্রা


স্বপ্নদোষের পরিমাণ ভিন্ন ভিন্ন হয়। কিছু পুরুষের টিনএজারদের মতো বেশিসংখ্যক স্বপ্নদোষ হয়, আবার অনেক পুরুষের একবারও হয় না। যুক্তরাষ্ট্রের ৮৩ শতাংশ পুরুষের জীবনে কখনো না কখনো স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। পশ্চিমা দেশগুলোর বাইরের দেশগুলোতে ৯৮ শতাংশ পুরুষের স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা ঘটে। অবিবাহিতদের ক্ষেত্রে, ১৫ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.৩৬ বার থেকে শুরু করে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৮ বার স্বপ্নদোষ হয়। বিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ১৯ বছর বয়সী ছেলেদের সপ্তাহে ০.২৩ বার থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের সপ্তাহে ০.১৫ বার হয়।


কিছু পুরুষ কেবল একটা নির্দিষ্ট বয়সে এ ধরনের স্বপ্ন দেখেন, পক্ষান্তরে অন্য বয়ঃসন্ধিকালের পর থেকেই সারাজীবন এ ধরনের স্বপ্ন দেখতে থাকেন। ঘন ঘন স্বপ্নদোষের সাথে ঘনঘন হস্তমৈথুন করার সুনিশ্চিত সম্পর্ক নেই। বিশ্বখ্যাত যৌন গবেষক আলফ্রেড কিনসে দেখেছেন, ‘ঘনঘন হস্তমৈথুন এবং ঘনঘন যৌন উত্তেজক স্বপ্নের মধ্যে কিছুটা সম্পর্ক থাকতে পারে। সাধারণভাবে যেসব পুরুষের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, তারা কম হস্তমৈথুন করেন। এসব পুরুষের কেউ কেউ গর্বিত হন এই ভেবে যে, তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়, এ কারণে তারা হস্তমৈথুন করেন না। অথচ এদের বেলায় উল্টোটা সত্যি। তারা হস্তমৈথুন করেন না কারণ তাদের ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।’


একজন পুরুষের স্বপ্নদোষের মাত্রা বেড়ে যায় যদি তিনি টেস্টোসটেরনসমৃদ্ধ ওষুধ গ্রহণ করেন। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, কিছুসংখ্যক বালক টেস্টোসটেরনের মাত্রা বাড়ানোর ফলে তাদের স্বপ্নদোষের মাত্রাও মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। ১৭ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯০ শতাংশে।


বয়ঃসন্ধিকালে ১৩ শতাংশ পুরুষের প্রথম বীর্যপাতের অভিজ্ঞতা ঘটে স্বপ্নদোষ হিসেবে। তবে অনেকেই প্রথম বীর্যপাত ঘটায় হস্তমৈথুনের মাধ্যমে।


স্বাভাবিকভাবে বীর্যপাতের পরে পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়ে যায়। তবে স্বপ্নদোষের ক্ষেত্রে, বীর্যপাতের পরও পুরুষাঙ্গ শক্ত থাকে।


যদিও স্বপ্নদোষ প্রতিরোধ করতে কিংবা বন্ধ করতে বেশকিছু চিকিৎসা রয়েছে, তবে অনেকেই সেই চিকিৎসার মধ্যে যান না। হিক্কার মতো স্বপ্নদোষেরও অনেক ধরনের ঘরোয়া প্রতিষেধক রয়েছে, তবে তার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তা ছাড়া স্বপ্নদোষ কোনো শারীরিক ক্ষতি করে না বলে এবং কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে না করে বলে সাধারণত চিকিৎসা গ্রহণের পরামর্শ দেয়া হয় না।


মহিলাদের ক্ষেত্রে কিনসে দেখেছেন, ৫ হাজার ৬২৮ জন মহিলার মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ মহিলা তাদের ৪৫ বছর বয়সের সময় কমপক্ষে একবার স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। ওই সব মহিলা কিনসের সাথে এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেছেন। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ মহিলা তাদের ২১ বছর বয়সের সময় স্বপ্নদোষের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। কেউ কেউ ১৩ বছর বয়সে পড়লে এ অভিজ্ঞতা লাভ করেন। যেসব মহিলা ঘুমের মধ্যে চরম পুলক লাভ করেন, সাধারণত তাদের বছরে কয়েকবার এটা হয়। মহিলাদের রতিমোচন হিসেবে ঘুমের মধ্যে যৌন উত্তেজনা জাগে যার মাধ্যমে তারা রতিমোচনের অভিজ্ঞতা লাভ করেন। পুরুষদের ক্ষেত্রে তাদের স্বপ্নদোষ নির্ণয় করা সহজ, কারণ হলো বীর্য। মহিলাদের যোনিপথে নিঃসরণ রাগ মোচন ছাড়াই যৌন উত্তেজনার চিহ্ন হতে পারে। - See more at: http://primenewsbd.com/index.php?page=details&nc=22&news_id=3646#sthash.ZR5qcyNi.dpuf

Wednesday, August 21, 2013

Prova And Rajib er Sex video

ইভা রহমান PORN VIDEO

Bangladeshi Model Prova 5 Part Torrent Video link

Friday, August 31, 2012

Download Play Girl Magazine June

Download Play Girl Magazine July

নারী পুরুষের কামলিলা দুনিয়া

বাৎসায়ন কামসূত্র

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More